পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: মোঃ তোফাজ্জল হোসেন
০৬:৩৩ পি.এম
নওগাঁর পোরশায় ‘শক্তিশালী পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ২টায় পোরশা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।প্রেস কনফারেন্সে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও তথ্য সংগ্রহের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছাঃ নাবিলা ফেরদৌস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোতাহার হোসেন শাহ্ সুফি, সাধারণ সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন।প্রেস কনফারেন্সে বক্তারা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃত সুবিধাভোগী পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করতে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। এর মাধ্যমে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুফল উপযুক্ত পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান ও কোষাধ্যক্ষ মোঃ তোফাজ্জল হোসেনসহ, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) অক্টোবর মাসের নিয়মিত মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১২ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. তারিখ সকালে বরিশাল পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত কমিশনার জনাব আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্।
সভায় মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি, ডিবি ও অন্যান্য শাখা থেকে আগত অফিসার ও ফোর্সদের সার্ভিস কল্যাণমূলক বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাবনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। বিএমপি কমিশনার উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের নানা সমস্যার কথা ধৈর্যসহকারে শোনেন এবং তৎকালীন সমাধান নিশ্চিত করার পাশাপাশি চিকিৎসা সুবিধা, অর্জিত ছুটি মঞ্জুর, নিয়মিত বেতন-রেশন, ডাইনিং ও ক্যান্টিনের খাবারের মান উন্নয়নসহ সর্বাঙ্গীন কল্যাণসংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভাপতির বক্তব্যে বিএমপি কমিশনার জনাব আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ বলেন, “জনসেবা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা অত্যন্ত জরুরি। কল্যাণমূলক প্রতিটি বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট রয়েছে।” একই সাথে তিনি দায়িত্ব পালনে শতভাগ পেশাদারিত্ব, নীতি-নৈতিকতা এবং কড়া শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রতি জোর তাগিদ দেন।
নগরীর সার্বিক নিরাপত্তা বিধান প্রসঙ্গে কমিশনার আরও বলেন, “নগরীতে মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা, শারীরিক ও অনলাইন জুয়ার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধ নির্মূলে পুলিশকে সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।”
কল্যাণ সভার শুরুতে বিএমপিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় সম্প্রতি মৃত্যুবরণকারী এএসআই মোঃ নজরুল ইসলাম আকনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এছাড়া, সুদীর্ঘ সফল চাকরি জীবন শেষে অবসরে যাওয়া বিএমপির সশস্ত্র এএসআই (১৭৪) মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম তালুকদারকে মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে সম্মানজনক বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) জনাব আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব সুশান্ত সরকার (পিপিএম)-সহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারে ব্যবসায়ী দুরুদ মিয়া হত্যা মামলায় আদালত এক আসামির জন্য মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন। একই সঙ্গে সাতজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ১২ জুন সকালে মৌলভীবাজারের নাজিরাবাদের নারাইন পাশা গ্রামের ব্যবসায়ী দুরুদ মিয়া তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় একই গ্রামের সাদিক মিয়া সেখানে উপস্থিত হলে দুরুদ মিয়া তার পাওনা টাকা দাবি করেন। সাদিক মিয়া এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দোকান থেকে বের হয়ে যান। পরে তিনি দলবদ্ধভাবে দোকানে ফিরে এসে ধারালো ছুরি দিয়ে দুরুদ মিয়াকে আঘাত করে পালিয়ে যান।
দুরুদ মিয়াকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় তার ছেলে মকবুল মিয়া সাদিক মিয়া ও অন্য সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালত সাদিক মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন এবং অপর সাতজনকে বেকসুর খালাস দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এ বছর অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন দুই মার্কিন অধ্যাপক, রবার্ট ই. হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। তাদেরকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ক্ষুদ্র অর্থনীতির ভিত্তিতে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য তাদের গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে।
আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এই পুরস্কারের ঘোষণা দেয়। পুরস্কারটির আনুষ্ঠানিক নাম হলো ‘আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে সুইডিশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুরস্কার’। সাধারণভাবে এটি অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার হিসেবেই পরিচিত।
হল এবং উডফোর্ডের গবেষণার কেন্দ্রীয় বিষয় হলো, ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক নীতির কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে। এই ধরনের গবেষণা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সুদের হার নির্ধারণ এবং অর্থনৈতিক ওঠানামা মোকাবিলায় নীতিনির্ধারকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ বছর অর্থনীতিতে পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা, যা বিজয়ীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। উল্লেখযোগ্য যে, অর্থনীতির এই পুরস্কারটি ১৯৬৮ সালে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা চালু করা হয়। যদিও এটি আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে দেওয়া হয়, এটি নোবেলের মূল উইলে উল্লিখিত পাঁচটি পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত নয়।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ