ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাটমোহর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি অনুমোদন


চাটমোহর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি অনুমোদন

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া শাখার পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) টিটন খীসা স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে পদাধিকারবলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী সভাপতি এবং আশরাফুল আলম হেলাল সদস্য সচিব মনোনীত হয়েছেন।

৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক খন্দকার আব্দুল বারী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন: নতুন উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে বাহাদীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র

অনুমোদিত এডহক কমিটি স্থানীয় ক্রীড়া সংস্থার গঠনতন্ত্র মোতাবেক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সদস্য সচিব আশরাফুল আলম হেলাল বলেন, "আলহামদুলিল্লাহ, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় মহান আল্লাহ তাআলার প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।"

তিনি জানান, "সেইসঙ্গে এ দায়িত্ব অর্পণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি বিশ্বাস করি, সকল ক্রীড়াপ্রেমী, সংগঠক, খেলোয়াড়, কোচ এবং শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতায় আমাদের উপজেলার খেলাধুলার পরিবেশকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করা সম্ভব।"

তিনি আরও বলেন, "নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন এবং যুবসমাজকে সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাÐের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই। সবার দোয়া, পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করছি, যেন সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের উপজেলা ক্রীড়াঙ্গন আরও এগিয়ে যেতে পারে।"

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে ৫ জন নিহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামান্য বৃষ্টিতেই সৈয়দপুর খিয়ারপাড়া মাদ্রাসা মাঠে থইথই পানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২১ পি.এম


সামান্য বৃষ্টিতেই সৈয়দপুর খিয়ারপাড়া মাদ্রাসা মাঠে থইথই পানি

সৈয়দপুর উপজেলার আইসঢাল খিয়ারপাড়া আলিম ও ভোকেশনাল মাদ্রাসার মাঠ সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় পরিণত হচ্ছে। ভরা বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই মাঠজুড়ে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ হলো, দীর্ঘদিন ধরে মাঠের চারপাশে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না। এর ফলে অল্প সময়ের বৃষ্টিতে মাঠটি ছোট জলাশয়ের রূপ নিচ্ছে। এর ফলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সম্প্রতি কয়েক মিনিটের হালকা বৃষ্টির পর দেখা যায়, মাঠের অধিকাংশ অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কাদা ও স্থির পানির কারণে শিক্ষার্থীদের মাঠে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বছরের পর বছর ধরে একই সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধানের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ে না। মাদ্রাসার এক শিক্ষক জানান, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মাঠের গুরুত্ব অনেক। কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতে মাঠ পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণে তারা খেলাধুলা ও শরীরচর্চার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে যাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের মতে, মাঠের আশপাশে ড্রেন সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা উন্নত করা হলে সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, তারা সমস্যাটি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে মাঠের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার উদ্যোগ থাকবে। বর্ষার শুরুতেই খিয়ারপাড়া মাদ্রাসা মাঠে জলাবদ্ধতার এই চিত্র স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার পরিবেশ এবং জনস্বার্থে দ্রুত সমস্যার স্থায়ী সমাধান দাবি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার মোঃ আফজাল হোসেন বলেন, অর্থের অভাবে কাজ করতে পারছি না। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লেখালেখি করা হচ্ছে এই বিষয়ে। আরো জানানো হয়, সৈয়দপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল রিসিপ করেননি বলে বিশ জানা সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী শিক্ষককে উত্ত্যক্তের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২১ পি.এম


নারী শিক্ষককে উত্ত্যক্তের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

নওগাঁর মান্দা উপজেলার পরানপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গণিত) জিয়াউর রহমান জিয়ার অপসারণের দাবিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। রোববার (২১ জুন) বেলা ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের মূল ভবনের সামনে এসব কর্মসূচি পালন হয়েছে। এদিকে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষক জিয়াউর রহমান জিয়াকে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে তাকে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মানববন্ধনের আগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন গোপালপুর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা অভিযুক্ত শিক্ষক জিয়ার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরে দ্রুত তার অপসারণের দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সহকারী শিক্ষক জিয়াউর রহমান জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি বিদ্যালয়ের একজন নারী শিক্ষককে কুপ্রস্তাব দেওয়া, উত্ত্যক্ত করা এবং যৌন হয়রানির মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত হন বলে অভিযোগ ওঠে। কয়েকদিন আগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের সামনেই ভুক্তভোগী শিক্ষকের হাত ধরে টানাহেঁচড়া করার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তারা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের সভাপতি আক্তার জাহান সাথী এবং মান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়েরের পর অভিযুক্ত শিক্ষক আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্নভাবে ওই শিক্ষককে হুমকি দিতে থাকেন বলেও মানববন্ধনে দাবি করা হয়। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্থানীয় লোকজন ও অভিভাবকদের প্রতিবাদ জানাতে বিদ্যালয়ের যাওয়ার সংবাদে অভিযুক্ত শিক্ষক কৌশলে সটকে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষক জিয়াউর রহমান জিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বক্তারা বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে দ্রুত অপসারণ করে বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক জিয়াউর রহমান জিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষক এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওয়াহেদ জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির নির্দেশনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে তাকে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের সভাপতি আক্তার জাহান সাথী বলেন, 'অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে ওই শিক্ষককে শোকজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি লিখিত জবাব দেওয়ার পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুয়েটে শুরু হয়েছে তিনদিনের অ্যাক্রিডিটেশন মূল্যায়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২১ পি.এম


রুয়েটে শুরু হয়েছে তিনদিনের অ্যাক্রিডিটেশন মূল্যায়ন

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) তিনদিনব্যাপী অ্যাক্রিডিটেশন মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে ‘বোর্ড অব অ্যাক্রিডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন’ (বিএইটিই) এর একটি ইভ্যালুয়েশন টিম রোববার বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসে।

রোববার সকালে রুয়েট ক্যাম্পাসে পৌঁছে ইভ্যালুয়েশন টিম প্রশাসন ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেয়। সভায় রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।

এই পরিদর্শনের অংশ হিসেবে বিএইটিই প্রতিনিধিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা পরিবেশ, ল্যাবরেটরি সুবিধা, অবকঠামোগত সক্ষমতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পর্যবেক্ষণ করবেন। আগামী মঙ্গলবার মূল্যায়ন কার্যক্রম শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে চূড়ান্ত সভা করে তারা ঢাকা ফিরবেন।

বিএইটিই দেশের প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষার মান নির্ধারণ, মূল্যায়ন এবং স্বীকৃতি প্রদানের দায়িত্ব পালন করে। নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাই করে সংস্থাটি।

রুয়েট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিএইটিইর পূর্ববর্তী মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) এবং পুরকৌশল বিভাগ ছয় বছরের জন্য বিএইটিই অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন করেছে। এছাড়া মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অ্যাক্রিডিটেশনের বিষয়টি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অ্যাক্রিডিটেশন অর্জনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ, আন্তর্জাতিক বৃত্তি অর্জন এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ বাড়ে।

এছাড়া ভবিষ্যতে ‘ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড’-এর মতো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কাঠামোর সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোরশায় পটল পাতার বড়ায় জীবিকা নির্বাহ শফিকুলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৩ পি.এম


পোরশায় পটল পাতার বড়ায় জীবিকা নির্বাহ শফিকুলের

নওগাঁর পোরশা উপজেলা সদর নিতপুরে একটি ব্যতিক্রমী খাবার পটল পাতার তৈরী বড়া বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন শফিকুল ইসলাম। ফ্যানেসের (এম. রইচ উদ্দিন; পোরশা, নওগাঁ) অনুযায়ী, তিনি কোনো চটকদার বা নামী-দামী খাবার নয়, বরং দীর্ঘ আট বছর ধরে কেবল “পটল পাতার তৈরী বড়া” বিক্রির মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। শফিকুল এই পটলপাতার বড়া বিক্রি করে তার স্ত্রীসহ পাঁচ সন্তানকে নিয়ে সংসার চালান। তিনি বলেন, “কাহারও কাছে হাত পাততে হয় না আমাকে।” আসলে, শফিকুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরে জন্মগ্রহণ করলেও এখন পরিবার নিয়ে ইতোমধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে পোরশা উপজেলার নিতপুর মাস্টার পাড়ায় বসবাস করছেন। তিনি জানান, আট বছর আগে সামান্য পুঁজির সাথে উপজেলার গেটের পাশে ছোট একটি দোকান ঘরে পটলপাতার বড়া বিক্রি শুরু করেছিলেন। শুরুতে অনেকেই এই খাবারটি ভালো মনে করতেন না। তবে চমৎকার স্বাদের কারণে অল্প সময়ের মধ্যে এই বড়া বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রতিদিন বিকেল হতেই ভোজনপ্রেমী ক্রেতারা তার দোকানে ভিড় জমাতে শুরু করেন। তিনি আরও বলেন, শুরুর দিকে যাতে পটলপাতা সংগ্রহ করে বড়া ভেজে বিক্রি করা কাজটা মোটেই সহজ ছিল না, কিন্তু এরপরেও তিনি দমে যাননি। বড়া তৈরি করতে ব্যাপক পরিশ্রম করতে হয়। এর মধ্যে পটলপাতা সংগ্রহ করে মশলার সঠিক মিশ্রণ পর্যন্ত সবকিছু তাকে নিজেই করতে হয়। আট বছর ধরে এই বড়া বিক্রি করে তার সংসার চলছে এবং সন্তানদের পড়ালেখাও এর আয় থেকে হয়। প্রতিদিন তিনি ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকার বড়া বিক্রি করেন। তবে তিনি মন্তব্য করেন, মানুষের ভালোবাসাই তার এই কাজের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। নিয়মিত দোকানে আসা কয়েকজন বড়া ক্রেতা জানান, শফিকুলের হাতের তৈরি পটল পাতার বড়া অত্যন্ত মচমচে ও সুস্বাদু। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে প্রস্তুত করা এই বড়া আজকের দিনে এলাকাটি জনপ্রিয় খাবারে পরিণত হয়েছে। দামের কারণে এটির প্রতি সব শ্রেণী পেশার মানুষ আকৃষ্ট হচ্ছেন। ক্রেতারা বলেছেন, “কোন কাজই যে ছোট নয়,” এবং শফিকুল ইসলাম আট বছর ধরে তা প্রমাণ করে চলেছেন। তবে সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে, তার এই ক্ষুদ্র ব্যবসাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে পারতেন বলে তারা মনে করেন। শফিকুলের এই ব্যক্তিগত কর্মসংস্থানের প্রচেষ্টা সমাজের যুবকদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%