শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২২ পি.এম
সরকার নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ বিভাগ ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ শীর্ষক এ প্রজ্ঞাপন জারি করে।
নতুন এই প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের ভিত্তিতে এলাকা ও গ্রেড অনুযায়ী বাড়িভাতার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপের বেতনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ, গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া সিটি করপোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকায় বাড়িভাতার হার ঢাকা শহরের তুলনায় কম নির্ধারণ করা হয়েছে।
এসব এলাকায় গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত ৪০ শতাংশ, গ্রেড-৯ থেকে গ্রেড-৫ পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৩০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
দেশের অন্যান্য এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া গ্রেড-১৫ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ, গ্রেড-৯ থেকে গ্রেড-৫ পর্যন্ত ৩০ শতাংশ এবং গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
বর্তমান বেতন কাঠামো অনুযায়ী, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতন ৯ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৬৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া প্রদান করা হয়, তবে ন্যূনতম ৫ হাজার ৬০০ টাকা বাড়িভাড়া দেওয়া হয়।
মূল বেতন ৯ হাজার ৭০১ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে ৬০ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৬ হাজার ৪০০ টাকা বাড়িভাড়া পাওয়া যায়।
১৬ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে বাড়িভাতার হার ৫৫ শতাংশ। এই ক্ষেত্রে ন্যূনতম বাড়িভাতা ৯ হাজার ৬০০ টাকা।
আর মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০১ টাকার বেশি হলে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া প্রদান করা হয়। এই ক্ষেত্রে ন্যূনতম বাড়িভাতা ১৯ হাজার ৫০০ টাকা।
নতুন প্রজ্ঞাপনে বাড়িভাতার হার মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য এলাকার বর্তমান বাড়িভাতার হার ও ন্যূনতম অঙ্কও নতুন কাঠামোর সঙ্গে পরিবর্তিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মন্তব্য করেছেন যে, প্রাথমিক শিক্ষার সাফল্য শুধুমাত্র ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন অথবা প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে কতটা শিখছে এবং তাদের শেখার ফলে কতটা পরিবর্তন আসছে, সেটিই শিক্ষার সাফল্যের মূল মাপকাঠি হওয়া উচিত।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার গুলশানের লেকশোর হোটেলে ‘নাগরিক প্ল্যাটফর্ম সংলাপ : সরকার কতখানি এগোলো? প্রাথমিক শিক্ষার ওপর আলোকপাত’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ এই সংলাপের আয়োজন করেছে।
ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে প্রাথমিক শিক্ষার অবকাঠামো, প্রযুক্তি, প্রশাসনিক সক্ষমতা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রকল্পভিত্তিক উন্নয়ন হয়েছে। এসব উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও শিক্ষার্থীর শেখার ফলাফলকে কেন্দ্র করে পুরো ব্যবস্থাকে আরও কার্যকরভাবে সাজাতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ভবন নির্মাণ একটি কাজ, আর শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ও শেখা আরেকটি কাজ। দুটোকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীর শেখার ফলাফল নিশ্চিত করাই হতে হবে মূল লক্ষ্য। শিক্ষক নিয়োগ, পেশাগত ক্যারিয়ার, মূল্যায়ন, প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নসহ সব বিষয়কে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার কাজ চলছে। শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে তাদের ক্যারিয়ার ট্রাজেক্টরি কী হবে, মূল্যায়ন কীভাবে হবে এবং প্রশিক্ষণ কীভাবে হবে এসব বিষয় বাস্তব ও যৌক্তিকভাবে সাজানোর কাজ চলছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সূচি, এক শিফট চালু এবং শ্রেণিকক্ষে কার্যকর শিখনসময় নিশ্চিত করার বিষয়েও নতুনভাবে ভাবা হচ্ছে জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, কারিকুলাম প্রণয়নে শিশুমনোবিজ্ঞানী ও প্রারম্ভিক শিক্ষার বিশেষজ্ঞদের আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের সব ধরনের প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পর্যায়ক্রমে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা তৈরি করে ধাপে ধাপে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, কিন্ডারগার্টেন ও অন্যান্য প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দেশের সব ধরনের প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার বিষয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। এই দেশের মাটিতে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই থাকুক না কেন, সেখানে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার বিষয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস মোল্লা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী, বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান এবং চিকিৎসক তাসনিম জারা।
সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি, রাজশাহীর ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি ও হেলদি সিটি’র গৌরব ধরে রাখতে সকলের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, শহরকে আরো সবুজ করার জন্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কার্যালয়ে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (রেডা)-এর সহযোগিতায়, যেখানে আরএমপি, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) এবং রাজশাহী সাংবাদিকবৃন্দ একত্রে কাজ করেছে।
ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, রাজশাহী শহরকে সবুজায়িত করার জন্য প্রায় দুই থেকে তিন যুগ ধরে ধারাবাহিকভাবে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই সফলতার মূল কৃতিত্ব রাজশাহী জেলা ও মহানগরের সকল স্তরের জনগণের। অর্জিত এই গৌরব ধরে রাখতে সকলকে সচেতনভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে গত ১৭ বছরে রাজশাহী মহানগর ১৪ বার সারা বাংলাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। এর ফলে রাজশাহী বর্তমানে দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিসরে ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি ও হেলদি সিটি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় মহানগরটি অত্যন্ত সুদৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।
অনুষ্ঠানে রেডার সভাপতি তৌফিকুর রহমান লাভলুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ এরশাদ আলী ঈশা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন যে, দুঃশাসন থেকে দেশের মুক্তির জন্য তারা রাস্তায় নেমেছেন এবং এ লড়াইয়ে জনগণকে সাথে নিয়ে চলবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "এ লড়াই কার জন্য, জনগণের জন্য, ১৮ কোটি মানুষের জন্য, সেই লড়াইয়ের আওয়াজ নিয়ে আমরা রাস্তায় নেমেছি, আপনাদের দাবি আদায় করে ঘরে ফিরবো ইনশাল্লাহ।"
তিনি আরও বলেন, "আপনারা কেন জনগণকে অপমান করতে গেলেন। ৭০ ভাগ লোকের ভোটের রায়কে আপনারা কেন সম্মান করলেন না। কেন, যে ১৪ শ মানুষের জীবন ও রক্তের উপর দিয়ে আপনারা ক্ষমতায় বসলেন, কেন তাদের সাথে আপনারা বেইমানি করলেন। কেন আপনারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেননি।"
শফিকুর রহমান প্রশ্ন তুলেছেন, "আপনারা কথা দিয়েছিলেন কোন জায়গা অনির্বাচিত কাউকে এই দেশ শাসন করতে দেয়া হবে না। জাগায় জাগায় আপনারা প্রশাসক বসিয়েছেন। আপনারা জাতির সাথে ধোঁকাবাজি করেছেন। আপনারা জাতির সাথে কথা দেয়ার একটা কথাও রক্ষা করেন নাই।" তিনি অভিযোগ করেছেন যে, "এই জাতি আপনাদের কাছে এই কার্ড সেই কার্ড এইগুলা চায় না। এই কার্ড গুলোর কথা আপনারা বলেছিলেন জাতিকে দিবেন। জাতি যা চেয়েছিল তা আপনারা জাতিকে দিতে পারেননি, আপনারা ব্যর্থ হয়েছে।"
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১১ টায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাসে জামায়াতে ইসলামী টাঙ্গাইল জেলার আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, "লড়াই হবে, লড়াই হবে, সকল দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই হবে ইনশাল্লাহ। সেই লড়াইয়ে জনতার বিজয় হবে। আমরা বলেছি আমাদের ৬ দফা এখন ৮ দফায় পরিণত হয়েছে। জনগণের প্রয়োজনে দফা বাড়তে পারে। আবার জনগণের প্রয়োজনে সকল দফা বিলুপ্ত ঘোষণা করে এক দফা ঘোষণা দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।"
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক মন্তব্য করেছেন যে, "যদি সরকার জনগনের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ হয়, জনগণের শান্তিপ্রিয় ভাষা যদি বুঝতে হয়, তাহলে যে ভাষায় বললে সরকার বুঝবে ১১ দল সেই ভাষায় কথা বলতে প্রস্তুত রয়েছে।" তিনি যোগ করেছেন, "সোজা আঙ্গুলে যদি ঘি না উঠে তাহলে আঙ্গুল বাঁকাতে আপনারা প্রস্তুত আছেন। আপনারা প্রস্তুত থাকুন।"
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, "আমরা এক স্বৈরাচারকে হটিয়েছি, নতুন আরেক স্বৈরাচার গজিয়ে উঠেছে বাংলাদেশে। গত সাত মাসে প্রতি পদে পদে আপনাদের সাথে প্রতারনা করা হয়েছে। জনগণের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে হ্যা ভোট দিয়েছিলো, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হওয়ার কথা ছিলো, কথা ছিলো দেশে দুর্নীতি থাকবে না।"
তিনি আরও বলেন, "কথা ছিলো দেশে চাঁদাবাজী-সন্ত্রাসী থাকবে না। কিন্তু সবই রয়ে গেছে।"
পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রমুখ। এছাড়াও, পথসভায় ১১-দলীয় ঐক্যের জোটের টাঙ্গাইল জেলা নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য, “গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন” করার ৮ দফা দাবিতে ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে দেশবাসী লংমার্চ পালন করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে অপ্রতীম (১৩) এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তুহিন নামের একজন ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভূঁইয়া এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজ হওয়ার পর অপ্রতীমের মুঠোফোনের সর্বশেষ অবস্থান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী সামাজিক বনায়ন এলাকায় শনাক্ত করা হয়। ওই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করে।
একপর্যায়ে ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পেছনের একটি টিলা থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, অপ্রতীমের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্তের অংশ হিসেবে তুহিন নামের একজনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়েছে।
তবে আটক তুহিনের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ বা সন্দেহ রয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা স্পষ্ট হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ