০৪:৪৪ পি.এম
সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা ৪৯৮টি স্পট নিয়ে চূড়ান্ত হচ্ছে।
দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করার লক্ষ্যে এবং দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধবভাবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। ইতোমধ্যে ‘জাতীয় পর্যটন নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাগুরায় জামায়াতের বিক্ষোভ ও সমাবেশ, গ্রেফতারের দাবি
এছাড়া, সারা দেশে সম্ভাব্য প্রায় ১৪৯৮টি পর্যটন স্থান চিহ্নিত করে একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কার্যক্রম বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সরকারের এসব পরিকল্পনার বিষয়ে তথ্য প্রদান করেন।
মন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশে পর্যটন খাতের সঠিক তথ্যের অভাব দূর করার জন্য এবং সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ প্রণয়নের কার্যক্রমও বর্তমানে চলছে।
আরও পড়ুন: আইনজীবী নেতাদের কাছে চাঁদা দাবি, মোল্লা ইয়ামিন ও তার পরিবার গ্রেফতার
পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সার্বিক উন্নয়নে স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, স্থানীয় জনসাধারণকে সরাসরি যুক্ত করে ‘কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম’ মডেলে পর্যটন স্পটগুলোর পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নের কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভ্রমণে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার জন্য বিশেষায়িত ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল ও কাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনের সঙ্গে সমন্বিত করার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, সাংস্কৃতিক পর্যটনের সার্বিক প্রসারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই লক্ষ্যে শীঘ্রই দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি দ্বি-পাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
আরও পড়ুন: এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নারীর মৃত্যু, তামাবিল দিয়ে লাশ হস্তান্তর
স্মারক স্বাক্ষরের পর দ্রুত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপি প্রণয়ন করা হবে এবং পুরো কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য একটি শক্তিশালী যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। এছাড়া, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে কার্যকরভাবে তুলে ধরার জন্য ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ (beautifulbangladesh.gov.bd) শিরোনামে একটি নতুন অফিসিয়াল ওয়েব পোর্টাল তৈরির কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন