মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৯ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচনের পক্ষে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগের দিন নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানালেও সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভ্যান্স তার অবস্থান স্পষ্ট করেন।
ভ্যান্স সাংবাদিক মার্ক হালপেরিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমেরিকার কিংবা আন্তর্জাতিক রাজনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী সমর্থনটি প্রেসিডেন্টের।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমেরিকান প্রার্থীদের সমর্থন করি। আর এখন আমার মনোযোগ মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে। তাই আমি ইসরাইলের নির্বাচনে জড়াচ্ছি না।’
তবে গত বসন্তে হাঙ্গেরির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে ভ্যান্স বলেন, অরবানের দল পরবর্তীতে সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের ইহুদি সমর্থকদের মধ্যে ভ্যান্সের ইহুদি আমেরিকানদের প্রতি অঙ্গীকার এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল কৌশলগত অংশীদারত্ব নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
এদিকে, মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইহুদিবিদ্বেষ নিয়ে উদ্বেগও বৃদ্ধি পেয়েছে। রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের, বিশেষ করে মিশিগানে ডেমোক্র্যাটিক দলের সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদকে ইহুদি ও ইসরাইলবিরোধী হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন। একই সময়ে রিপাবলিকান শিবিরের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধও প্রকাশ্যে আসছে।
সাবেক ফক্স নিউজ উপস্থাপক টাকার কার্লসনের সঙ্গে ভ্যান্সের সম্পর্ক নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত বছর কার্লসন তার পডকাস্টে ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে পরিচিত নিক ফুয়েন্তেসের সাক্ষাৎকার নেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।
ইসরাইলের বিরুদ্ধে ভ্যান্সের সমালোচনা
জেডি ভ্যান্স ইসরাইল সরকারের কয়েকজন সদস্যের সমালোচনা করেছেন। বিশেষ করে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা ও প্রাথমিক সমঝোতার প্রকাশ্য বিরোধিতা করায় ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সমালোচনা করেন। ভ্যান্স একবার বলেছিলেন, ‘এই মুহূর্তে সারা বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি ইসরাইলের প্রতি সহানুভূতিশীল।’
তিনি ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ঝুঁকির মুখে ফেললে তারা ‘সবকিছু হারানোর ঝুঁকিতে’ পড়তে পারেন। নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভার সদস্যদের উদ্দেশে ভ্যান্স আরও বলেন, ইসরাইলকে সুরক্ষা দেওয়া প্রতিরক্ষাব্যবস্থার দুই-তৃতীয়াংশই যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি এবং মার্কিন করদাতাদের অর্থে কেনা।
ভ্যান্স বলেন, ‘ইসরাইলের সমস্যা ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প নন। আর ইসরাইলে যারা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টই তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা, তাদের বাস্তব পরিস্থিতি বুঝতে হবে।’ গত জুলাইয়ে ভ্যান্স অভিযোগ করেছিলেন, ইসরাইল সরকারের কিছু অংশ ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে দিতে মার্কিন জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে।
জো রোগানের পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা নিশ্চিতভাবে জানি, তাদের ব্যবস্থার কিছু লোক আমেরিকার জনমতকে প্রভাবিত করছে এবং যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়ার জন্য জনমত পরিবর্তনের চেষ্টা করছে।’
ইরান যুদ্ধ নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে উত্তপ্ত ফোনালাপ চলতি বছরের শুরুর দিকে হয়েছিল জেডি ভ্যান্সের। যুদ্ধের পরিস্থিতি সম্পর্কে নেতানিয়াহুর অতিরিক্ত আশাবাদী মূল্যায়ন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানে সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে নেতানিয়াহুর আত্মবিশ্বাসের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন ভ্যান্স। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘যুদ্ধের আগে বিবি (নেতানিয়াহুর ডাকনাম) প্রেসিডেন্টকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন যে এটি সহজ হবে এবং সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনা বাস্তবের চেয়ে অনেক বেশি। ভাইস প্রেসিডেন্ট এসব বক্তব্যের বিষয়ে বাস্তবসম্মত অবস্থান নিয়েছিলেন।’
ফোনালাপের পর এক মার্কিন কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়া ভ্যান্সকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে ইসরাইল। দীর্ঘদিন ধরে অনির্দিষ্টকালের বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে আসা ভ্যান্স বর্তমানে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।
ওই কর্মকর্তা আরও অভিযোগ করেন, ইরান যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতায় পৌঁছাতে ভ্যান্সের সঙ্গে আলোচনা করতে বেশি আগ্রহী—এমন খবর ছড়ানোর পেছনে ইসরাইলের ভূমিকা রয়েছে। তার দাবি, ভ্যান্স চুক্তির বিষয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি আগ্রহী হতে পারেন—এমন ধারণা থেকেই এসব খবর ছড়ানো হয়েছে।
অ্যাক্সিওসকে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি জেডি-র বিরুদ্ধে ইসরাইলের একটি অভিযান।’ তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসরাইলের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সাংগঠনিক সভায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৭টা ৪০ মিনিটে একটি সামরিক বিমানে তিনি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে নগরের রহমতগঞ্জের জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে তিনি গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের কথা রয়েছে। এরপর চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে একটি সাংগঠনিক সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। সব কর্মসূচি শেষে রাতে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি ও সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, বিএনপির সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ অন্যান্যরা।
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের অভ্যর্থনা জানান বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যরাসহ চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরের নেতারা।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে রহমতগঞ্জ ও জেএমসেন হল এলাকার আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।
এর আগে আজ সকাল ৯টায় রাজধানীর তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে রংপুরে যান। পথে তারাগঞ্জ ও পাগলাপীরে দুটি পথসভায় অংশ নেন এবং রংপুরের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
পরে বিকেল ২টা ৫৫ মিনিটে সামরিক বিমানে রাজশাহীতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়ে ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর রাজশাহীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানকে আরো জোরদার করেছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হুতির অবস্থান লক্ষ্য করে ১ হাজার ১৬৪টি হামলা পরিচালনা করা হয়েছে এবং এতে আনুমানিক ৫৫৮ জন হুতি যোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে বলে সরকারি বাহিনী দাবি করেছে।
সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আল-নুজাইলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের অংশ হিসেবে বিমান এবং গোলন্দাজ বাহিনীর ব্যাপক সহায়তার মাধ্যমে তাইজে শহরে হুতিদের পিছু হটতে বাধ্য করা হয়েছে।
সরকারি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, অভিযানের সময় হুতিদের ১৩৫টি সামরিক যান ও সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। হামলাগুলো গোষ্ঠীটির সেনা সমাবেশ, রসদ এবং অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর পথ, প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং সরবরাহ রুট লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
আল-নুজাইলি জানান, এসব হামলা যুদ্ধবিমান, ড্রোন, স্থলভিত্তিক গোলন্দাজ বাহিনী, রকেট লঞ্চার এবং স্নাইপার ইউনিট ব্যবহার করে চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এর ফলে হুতিদের গোলাবর্ষণের অবস্থান এবং সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।
সরকারি বাহিনী ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় যুদ্ধক্ষেত্র এবং শাবওয়া প্রদেশেও গোষ্ঠীটির অবস্থান লক্ষ্য করে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। সামরিক মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, এসব অভিযানের মাধ্যমে হুতির চলাচল সীমিত করা হয়েছে, যাতে তারা পুনরায় সংগঠিত হতে বা অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে না পারে।
পশ্চিম উপকূল এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছেও হুতির অগ্রযাত্রা প্রতিহত করার দাবি করেছে সরকারি বাহিনী। আল-নুজাইলি বলেন, সেখানে হুতিদের সেনা সমাবেশের এলাকা এবং গোলাবর্ষণের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি আরো দাবি করেন, সর্বশেষ অভিযানে হুতিদের ৫৫৮ যোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে, যাদের মধ্যে মাঠপর্যায়ের কমান্ডাররাও রয়েছেন। বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো সুরক্ষার জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান আল-নুজাইলি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আরএসজিটি বাংলাদেশ নতুন উৎপাদনশীলতার রেকর্ড গড়েছে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) জাহাজ পরিচালনায়। প্রতিষ্ঠানটি সিএমএ সিজিএমের জাহাজ এমভি আমুরো (MV AMOUREUX) পরিচালনার সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭২ মুভ ও ১২২ টিইইউ'স হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা অর্জন করেছে।
এর আগে, গত সেপ্টেম্বরে আরএসজিটি ঘণ্টায় ৫৮ মুভ ও ৮২ টিইইউ’স হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড স্থাপন করেছিল। ২০২৬ সালের আগস্টে পিসিটিতে শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেন কার্যক্রম চালুর পর এটি ছিল আগের সর্বোচ্চ উৎপাদনশীলতার মাইলফলক।
১৮ অক্টোবরের জাহাজ পরিচালনা কার্যক্রমে মাত্র ২১ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫২৪টি কনটেইনার, যা ২ হাজার ৫৭১ টিইইউ’সের সমপরিমাণ, হ্যান্ডলিং করা হয়। এই অর্জন টার্মিনালের আধুনিক সরঞ্জাম, দক্ষ পরিচালন দল এবং সমন্বিত টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার প্রতিফলন।
এমভি আমুরো পরিচালনার সময় আরএসজিটি বাংলাদেশের পরিচালনগত সাফল্যের প্রশংসা করেছেন সিএমএ সিজিএম কর্তৃপক্ষ। এই সাফল্যের মাধ্যমে পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি, জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কমানো এবং বাংলাদেশের মেরিটাইম খাতে আন্তর্জাতিক মানের কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা নিশ্চিত করার প্রতি আরএসজিটি বাংলাদেশের ধারাবাহিক অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক কনটেইনার টার্মিনাল অপারেটর হিসেবে আরএসজিটি বাংলাদেশ পরিচালনগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করতে, দেশের বন্দর অবকাঠামোর প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক শিপিং লাইন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আরএসজিটি বাংলাদেশের প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা নাবিল ইউসুফ বলেছেন, "আমাদের প্রতি সংশ্লিষ্ট সবার আস্থা ও বিশ্বাসকে আরএসজিটি বাংলাদেশ গভীরভাবে মূল্যায়ন করে। পরিচালন দক্ষতার নতুন মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা, সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মান বজায় রাখা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার অঙ্গীকারে আমরা অবিচল। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক মেরিটাইম শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কৌশলগত তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং বিমান হামলায় অন্তত ১২৯ হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। ইয়েমেনি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এই সংঘাতে আরও ১৭৬ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার তাইজ মিলিটারি এক্সিস কমান্ডের একটি অফিসিয়াল বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে চলা অভিযান ও বিমান হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাইজ সিটির দক্ষিণাঞ্চলীয় আল-মিসরাখ জেলায় হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে স্থানীয় যোদ্ধা ও সাধারণ জনগণের সহায়তায় সরকারি বাহিনী দ্বিতীয় দিনের মতো তাদের আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি, আল-আকনাদ ফ্রান্সে হুথিদের একটি ঘাঁটিতে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন বিদ্রোহীকে হতাহত করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হুথিদের বিভিন্ন ঘাঁটি, অস্ত্রাগার, সামরিক সরঞ্জাম এবং জমায়েত লক্ষ্য করে অন্তত ১৩টি বিমান হামলা চালানো হয়। তবে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর এই দাবির বিষয়ে হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে, সোমবার ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শাবওয়া প্রদেশে সরকারি বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৫৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ এবং নিখোঁজ রয়েছেন ১৪ জন। প্রদেশটির গভর্নর আওয়াদ আল-ওয়াজির এ তথ্য জানিয়েছেন।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, সেনাবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ মহড়া চলাকালে হুথিরা তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলার পর ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন গভর্নর। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ