প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানকে আরো জোরদার করেছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হুতির অবস্থান লক্ষ্য করে ১ হাজার ১৬৪টি হামলা পরিচালনা করা হয়েছে এবং এতে আনুমানিক ৫৫৮ জন হুতি যোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে বলে সরকারি বাহিনী দাবি করেছে।
সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আল-নুজাইলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের অংশ হিসেবে বিমান এবং গোলন্দাজ বাহিনীর ব্যাপক সহায়তার মাধ্যমে তাইজে শহরে হুতিদের পিছু হটতে বাধ্য করা হয়েছে।
সরকারি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, অভিযানের সময় হুতিদের ১৩৫টি সামরিক যান ও সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। হামলাগুলো গোষ্ঠীটির সেনা সমাবেশ, রসদ এবং অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর পথ, প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং সরবরাহ রুট লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
আল-নুজাইলি জানান, এসব হামলা যুদ্ধবিমান, ড্রোন, স্থলভিত্তিক গোলন্দাজ বাহিনী, রকেট লঞ্চার এবং স্নাইপার ইউনিট ব্যবহার করে চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এর ফলে হুতিদের গোলাবর্ষণের অবস্থান এবং সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।
সরকারি বাহিনী ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় যুদ্ধক্ষেত্র এবং শাবওয়া প্রদেশেও গোষ্ঠীটির অবস্থান লক্ষ্য করে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। সামরিক মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, এসব অভিযানের মাধ্যমে হুতির চলাচল সীমিত করা হয়েছে, যাতে তারা পুনরায় সংগঠিত হতে বা অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে না পারে।
পশ্চিম উপকূল এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছেও হুতির অগ্রযাত্রা প্রতিহত করার দাবি করেছে সরকারি বাহিনী। আল-নুজাইলি বলেন, সেখানে হুতিদের সেনা সমাবেশের এলাকা এবং গোলাবর্ষণের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি আরো দাবি করেন, সর্বশেষ অভিযানে হুতিদের ৫৫৮ যোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে, যাদের মধ্যে মাঠপর্যায়ের কমান্ডাররাও রয়েছেন। বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো সুরক্ষার জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান আল-নুজাইলি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন