বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪২ পি.এম
দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রকাশ্য অনুসন্ধানের অনুমোদন প্রদান করেছে।
এই অনুমোদন বুধবার কমিশনের সভায় দেওয়া হয়। অনুসন্ধানের জন্য চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালাম। দুদক সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে গঠিত টিমটি অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩, ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো—
জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ১ মিনিটে।
আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ২৮ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ৬টা ১৯ মিনিটে।
এশার নামাজের সময় শুরু হবে ৭টা ৩৪ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ২৭ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৬টা ১৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৫টা ৩৯ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ভূখণ্ডে মার্কিন হামলায় ১১ জন নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। এই তথ্যটি জানানো হয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় খুজেস্তান প্রদেশে নতুন করে হামলার পর।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা উল্লেখ করেছে, ‘খুজেস্তান প্রদেশের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উপ-গভর্নর জানিয়েছেন, গত রাতে প্রদেশটির তিনটি স্থানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাতজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন।’ তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
এর আগে মঙ্গলবার ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় সিরিক কাউন্টিতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় এক শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন এবং ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে এক মাসব্যাপী অভিবাসন অভিযানে ২ হাজার ১৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)। এই অভিযানটি ‘অপারেশন রটেন অ্যাপল’ নামে পরিচিত, যা ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে দেশজুড়ে অভিবাসনবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েইন মুলিন জানান, ২৭ জুলাই থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালিত হয়। নিউইয়র্ক সিটি, লং আইল্যান্ড, হাডসন ভ্যালিসহ অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন স্থানে আইসের অভিযান কার্যকর হয়।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন, যেমন হত্যা, ধর্ষণ, শিশু যৌন নির্যাতন, মাদক পাচার ও সহিংসতা। তবে মুলিন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি যে, গ্রেপ্তার হওয়া ২ হাজার ১৯৭ জনের মধ্যে সকলেই অপরাধমূলক রেকর্ডধারী কি না।
মুলিন মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে প্রবেশ করা অভিবাসন আইনের লঙ্ঘন। তবে নিউইয়র্ক টাইমসের ফেডারেল তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আইসের অভিযানে অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকা অভিবাসীদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল ২ হাজারের বেশি গ্রেপ্তারের এই সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া সকলেই নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রচলিত অর্থে অপরাধ করেছেন—এমনটি বলা যায় না। তার অভিযোগ, ফেডারেল কর্তৃপক্ষ অভিবাসন আইন লঙ্ঘন এবং ফৌজদারি অপরাধকে একত্রে দেখানোর চেষ্টা করছে।
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানিও আইসের অভিযানকে সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এ ধরনের অভিযান অভিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এবং অভিবাসী হওয়াকেই অপরাধ হিসেবে দেখানোর পরিবেশ তৈরি করছে।
এদিকে, নিউইয়র্কে আইসের গ্রেপ্তার সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেডারেল তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে অঙ্গরাজ্যটিতে ১ হাজার ৫৫০ জনের বেশি অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জাতীয় পর্যায়েও জুলাইয়ে আইসের গ্রেপ্তার প্রায় ৪৯ হাজারে পৌঁছায়, যা ট্রাম্প প্রশাসনের সময়কার সর্বোচ্চ মাসিক সংখ্যা।
নিউইয়র্কে অভিবাসন আইন প্রয়োগ নিয়ে ফেডারেল সরকার ও অঙ্গরাজ্য সরকারের অবস্থানের পার্থক্য রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ককে ক্রমেই তীব্র করে তুলছে। তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলেও সিরিয়ার নতুন সরকার সরাসরি সামরিক সংঘাতে না গিয়ে কূটনৈতিক পথ অবলম্বন করছে। তবে এই সংযমের নীতি দীর্ঘমেয়াদে দেশের জন্য কতটা কার্যকর হবে, সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে। আল জাজিরার মতামত বিভাগে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, সিরিয়ার এই কৌশল একদিকে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা পুনর্গঠনের সুযোগ তৈরি করছে, অন্যদিকে ইসরায়েলকে সিরিয়ার সার্বভৌমত্বে আরও হস্তক্ষেপের সুযোগ দেওয়ার ঝুঁকিও সৃষ্টি করছে।
আল জাজিরায় প্রকাশিত এহাব বাদভির বিশ্লেষণের ভিত্তিতে, প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার মনে করছে, সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা কাঠামো ও অর্থনীতি পুনর্গঠনের উপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। দীর্ঘ যুদ্ধের পর দুর্বল হয়ে পড়া সিরিয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এখন গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের শেষের দিকে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর ইসরায়েল সিরিয়ার বিভিন্ন কৌশলগত সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এরপর নতুন সরকারকে দুর্বল হয়ে পড়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্গঠনের পাশাপাশি বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে জাতীয় কাঠামোর আওতায় আনার কাজ করতে হচ্ছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানো দামেস্কের জন্য বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
এই বাস্তবতায় আল-শারা সরকার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, নিরাপত্তা খাত সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দিচ্ছে। আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সিরিয়ার নেতৃত্বের কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো একটি কার্যকর রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠন করা। কারণ দীর্ঘ সংঘাতের পর দেশটির সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার না করে নতুন যুদ্ধে জড়ালে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও দামেস্ক কিছুটা অগ্রগতি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি সিরিয়াকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে, যা দেশটির অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও বিদেশি বিনিয়োগের পথে একটি বড় বাধা দূর করেছে। এর পাশাপাশি সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনা হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট জর্ডানে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ইসরায়েলি হামলা, আটক ও অভিযান বন্ধের উপায় এবং একটি সম্ভাব্য নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তবে কূটনৈতিক উদ্যোগের পাশাপাশি ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলা ও অভিযান নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চল, দেশটির সামরিক সক্ষমতা এবং তুরস্কের সঙ্গে দামেস্কের সামরিক সহযোগিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে সিরিয়া ইসরায়েলি হামলা ও সামরিক উপস্থিতির বিরোধিতা করে আসছে।
এই পরিস্থিতিতে সিরিয়ার সংযমের আরেকটি ঝুঁকি অভ্যন্তরীণ জনমত। আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সিরীয় জনগণের একটি বড় অংশ ইসরায়েলকে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে। ফলে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতার কার্যকর জবাব দিতে ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা ও তার সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সিরিয়ার বর্তমান কৌশল তাই একটি কঠিন ভারসাম্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সংযম দেশটিকে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারের সময় দিচ্ছে; কিন্তু একই সময়ে ইসরায়েল এই সংযমের সুযোগ নিয়ে সিরিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে পারে। আল জাজিরার বিশ্লেষণের মূল আশঙ্কা হলো, রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা পুনর্গঠনের মাধ্যমে সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনার এই কৌশল সফল না হলে দীর্ঘস্থায়ী সংযম উল্টো সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও সরকারের জনসমর্থনের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ