বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৯ পি.এম
ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলেও সিরিয়ার নতুন সরকার সরাসরি সামরিক সংঘাতে না গিয়ে কূটনৈতিক পথ অবলম্বন করছে। তবে এই সংযমের নীতি দীর্ঘমেয়াদে দেশের জন্য কতটা কার্যকর হবে, সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে। আল জাজিরার মতামত বিভাগে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, সিরিয়ার এই কৌশল একদিকে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা পুনর্গঠনের সুযোগ তৈরি করছে, অন্যদিকে ইসরায়েলকে সিরিয়ার সার্বভৌমত্বে আরও হস্তক্ষেপের সুযোগ দেওয়ার ঝুঁকিও সৃষ্টি করছে।
আল জাজিরায় প্রকাশিত এহাব বাদভির বিশ্লেষণের ভিত্তিতে, প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার মনে করছে, সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা কাঠামো ও অর্থনীতি পুনর্গঠনের উপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। দীর্ঘ যুদ্ধের পর দুর্বল হয়ে পড়া সিরিয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এখন গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের শেষের দিকে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর ইসরায়েল সিরিয়ার বিভিন্ন কৌশলগত সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এরপর নতুন সরকারকে দুর্বল হয়ে পড়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্গঠনের পাশাপাশি বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে জাতীয় কাঠামোর আওতায় আনার কাজ করতে হচ্ছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানো দামেস্কের জন্য বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
এই বাস্তবতায় আল-শারা সরকার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, নিরাপত্তা খাত সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দিচ্ছে। আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সিরিয়ার নেতৃত্বের কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো একটি কার্যকর রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠন করা। কারণ দীর্ঘ সংঘাতের পর দেশটির সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার না করে নতুন যুদ্ধে জড়ালে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও দামেস্ক কিছুটা অগ্রগতি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি সিরিয়াকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে, যা দেশটির অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও বিদেশি বিনিয়োগের পথে একটি বড় বাধা দূর করেছে। এর পাশাপাশি সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনা হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট জর্ডানে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ইসরায়েলি হামলা, আটক ও অভিযান বন্ধের উপায় এবং একটি সম্ভাব্য নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তবে কূটনৈতিক উদ্যোগের পাশাপাশি ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলা ও অভিযান নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চল, দেশটির সামরিক সক্ষমতা এবং তুরস্কের সঙ্গে দামেস্কের সামরিক সহযোগিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে সিরিয়া ইসরায়েলি হামলা ও সামরিক উপস্থিতির বিরোধিতা করে আসছে।
এই পরিস্থিতিতে সিরিয়ার সংযমের আরেকটি ঝুঁকি অভ্যন্তরীণ জনমত। আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সিরীয় জনগণের একটি বড় অংশ ইসরায়েলকে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে। ফলে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতার কার্যকর জবাব দিতে ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা ও তার সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সিরিয়ার বর্তমান কৌশল তাই একটি কঠিন ভারসাম্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সংযম দেশটিকে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারের সময় দিচ্ছে; কিন্তু একই সময়ে ইসরায়েল এই সংযমের সুযোগ নিয়ে সিরিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে পারে। আল জাজিরার বিশ্লেষণের মূল আশঙ্কা হলো, রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা পুনর্গঠনের মাধ্যমে সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনার এই কৌশল সফল না হলে দীর্ঘস্থায়ী সংযম উল্টো সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও সরকারের জনসমর্থনের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শালিনী পাণ্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অভিনেত্রী দাবি করেছেন যে, ভিডিওটি সম্পূর্ণরূপে ভুয়া এবং এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শালিনীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। বিষয়টি তার নজরে আসার পর, ইনস্টাগ্রামে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। অভিনেত্রী জানান, ভিডিওটির সঙ্গে তার বাস্তব জীবনের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এতে তাকে কৃত্রিমভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এ ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহারের প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে শালিনী বলেন, বিশেষ করে নারীদের লক্ষ্য করে কাউকে হেয় বা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত বিরক্তিকর। তিনি মন্তব্য করেন যে, এমন কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই স্বাভাবিকভাবে নেওয়া উচিত নয়।
অভিনেত্রী আরও অনুরোধ করেছেন যে, কেউ যদি ভিডিওটি দেখে থাকেন, তবে সেটি যেন শেয়ার, ফরোয়ার্ড বা ডাউনলোড না করেন। বরং তিনি সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে ভিডিওটি রিপোর্ট করার আহ্বান জানান, যাতে এটি আরও বেশি মানুষের কাছে ছড়িয়ে না পড়ে।
শালিনীর এই বক্তব্যের পর, নতুন করে আলোচনায় এসেছে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের বিষয়টি। প্রযুক্তির মাধ্যমে কারও ছবি বা ভিডিও বিকৃত করে ভুয়া কনটেন্ট তৈরি করা বর্তমানে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সম্মতির জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
‘অর্জুন রেড্ডি’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া শালিনী পাণ্ডে পরবর্তীতে তেলেগু, তামিল ও হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ‘মহানতি’, ‘জয়েশভাই জোর্দার’ ও ‘মহারাজ’-এর মতো সিনেমায়ও দেখা গেছে তাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মঙ্গলবার, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, তিনি হাং কাওকে পরবর্তী মার্কিন নৌপরিবহনমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করার পরিকল্পনা করছেন।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে উল্লেখ করেছেন, "সিনেটকে যত দ্রুত সম্ভব এই যোদ্ধাকে অনুমোদন দিতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "তাহলে তিনি চার মাস ধরে যে দারুণ কাজ করে আসছেন, তা চালিয়ে যেতে পারবেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন যে চলমান যুদ্ধে রাশিয়া জয়ী হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি ইউক্রেনের নেতৃত্বকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তাদের সঙ্গে মস্কোর পক্ষে আলোচনা করা সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার কিরগিজস্তানে একটি সম্মেলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে পুতিন এসব মন্তব্য করেন। যুদ্ধের বিষয়ে এটিই তার সবচেয়ে বিস্তারিত বক্তব্য, যা তিনি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দিয়েছেন। পুতিন বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে রুশ বাহিনী ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে এবং তিনি দাবি করেন যে ইউক্রেনের সেনারা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়বে।
পুতিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘শত্রুপক্ষ ভেঙে পড়বে—এ বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।’ তবে তিনি কখন এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা জানাননি। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার ভেতরে ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ইউক্রেনের ড্রোন হামলা রাশিয়ার জন্য একটি বিশেষ ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
তবে এসব হামলার পরও যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়া সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বলে দাবি করেন পুতিন। তিনি আরও বলেন, রাশিয়াকে আবারও বড় আকারে সেনা সমাবেশের নির্দেশ দিতে হতে পারে—এমন গুঞ্জন উড়িয়ে দেন। পুতিন এই ধরনের আলোচনা ‘পুরোপুরি অর্থহীন’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, আগস্ট মাসেই রুশ সেনারা পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের ২৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করেছে। এছাড়া তিনি বলেন, ইউক্রেনের বিপুলসংখ্যক সেনা রুশ বাহিনীর ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়েছে।
তবে পুতিনের এসব দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।
রুশ প্রেসিডেন্ট আরও জানান, তার দেশের সেনারা স্লোভিয়ানস্ক ও ক্রামাতোরস্ক শহরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই দুই শহরই দোনেৎস্ক অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় বড় ধরনের হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া বলেও জানান তিনি। এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিমান সংস্থাগুলোকে সতর্ক করে বলেছিলেন, ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ার আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। জেলেনস্কির এই হুঁশিয়ারিকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের’ মতো বলে মন্তব্য করেন পুতিন। তিনি বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটলে মস্কো তার জবাব দেওয়ার উপায় খুঁজে নেবে।
পুতিন ইউক্রেনের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করলেও সংঘাতের সমাধানে আলোচনার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি। তিনি বলেন, ইউক্রেন সংঘাতের সমাধানে নতুন গতি আনা গেলে মস্কো ‘সুনির্দিষ্ট’ আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। অর্থাৎ ইউক্রেনের বর্তমান নেতৃত্বকে নিয়ে আপত্তি থাকলেও সংঘাতের সমাধানের জন্য আলোচনার একটি পথ খোলা রাখতে চাইছে রাশিয়া- পুতিনের বক্তব্যে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার
দেওয়া ভাষণে এই বক্তব্য রাখেন।
মোদি উল্লেখ করেন, সন্ত্রাসবাদ বর্তমানে মানবতার জন্য একটি গুরুতর হুমকি। এটি কোনো দেশের জন্য ‘কৌশলগত সম্পদ’ হতে পারে না।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংসহ জোটভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে মোদি বলেন, সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন, নিয়োগ, উগ্রপন্থা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থলের নেটওয়ার্ককে একত্রে ভেঙে ফেলতে হবে। সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে চলমান উত্তেজনার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যেকোনো সংঘাত বা সংকটের সমাধান যুদ্ধক্ষেত্রে সম্ভব নয়; বরং শান্তি প্রতিষ্ঠা শুধুমাত্র সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব।
মোদি সংঘাতের কারণে জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে উন্নয়নশীল বা ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর দেশগুলোর ওপর। চীনের বিতর্কিত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই) প্রকল্পের পরোক্ষ সমালোচনা করে মোদি স্পষ্টভাবে জানান, আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অবশ্যই প্রশংসনীয়, তবে কোনো প্রকল্পের নামে অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ন করা উচিত নয়।
শীর্ষ সম্মেলনের শেষে গৃহীত যৌথ ‘বিশকেক ঘোষণাপত্রে’ সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর সামরিক হামলার নিন্দা জানানো হয় এবং সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়।
সদস্য রাষ্ট্রগুলো একমত পোষণ করে যে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় ফিলিস্তিন সমস্যার ন্যায়সংগত সমাধান এবং সংলাপের মাধ্যমে সংকট নিরসন করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ