ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্রান্সের হার, স্পেনকে রুখে দিল ইরাক বিশ্বকাপের আগে


ফ্রান্সের হার, স্পেনকে রুখে দিল ইরাক বিশ্বকাপের আগে

বিশ্বকাপের প্রস্তুতির শুরুটা মোটেও সুখকর হলো না ইউরোপের দুই শক্তিশালী দল ফ্রান্স ও স্পেনের জন্য। প্রীতি ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে বড় চমক দেখিয়েছে আইভরি কোস্ট, আর নিজেদের মাঠে ইরাকের সঙ্গে ড্র করে হতাশ করেছে স্পেন।

ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরুটা দারুণ করেছিল ফ্রান্স। প্রথমার্ধে তারা আধিপত্য ধরে রেখে ৪৫তম মিনিটে এগিয়ে যায়। বক্সের বাইরে থেকে নেয়া শটে গোল করে দলকে লিড এনে দেন তরুণ উইঙ্গার রায়ান শেরকি।

তবে বিরতির পর ম্যাচের চিত্র পুরো বদলে যায়। ৫৩তম মিনিটে দুয়ের গোলে সমতায় ফেরে আইভরি কোস্ট। এরপর আফ্রিকার দলটি আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে। ম্যাচের ৮৪তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা আমাদ দিয়ালো গোল করে ২-১ ব্যবধানে সফরকারীদের এগিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধানই ধরে রেখে ফ্রান্সের বিপক্ষে ইতিহাসের প্রথম জয় তুলে নেয় আফ্রিকা মহাদেশের দলটি।

আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চে ব্র্যাককে হারিয়ে সোনারগাঁওয়ের টানা দ্বিতীয় জয়

ফ্রান্সের এই হারে টানা ৯ ম্যাচের অপরাজিত থাকার ধারাও শেষ হয়ে গেছে। বিশ্বকাপের আগে দিদিয়ের দেশমের দলের জন্য এটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, স্পেনও প্রত্যাশিত ফল পায়নি। লা করুনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছিল স্বাগতিকরা। ১৬তম মিনিটে ফেরান তরেসের গোলে তারা এগিয়েও যায়।

কিন্তু ২৭তম মিনিটে অসাধারণ এক দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান ইরাকের মের্কাস দস্কি। এরপর পুরো ম্যাচজুড়ে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকেও স্পেন আর গোলের দেখা পায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে স্পেন কোচ পুরো একাদশ বদলে ফেললেও কাঙ্ক্ষিত ফল আসেনি। ফলে ১-১ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ এম


রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি

দেশের রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি। পোশাক রপ্তানি কমায় দেশের সার্বিক রপ্তানি কমছে।

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা, অভ্যন্তরীণ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমছে। প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের রপ্তানি কমে যাওয়ার কারণে আগের বছরের একই সময়ের রপ্তানির তুলনায় ৭ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে মোট ৪ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে।

গত বছরের মে মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার। তবে, গত মে মাসের এই আয় আগের মাস এপ্রিলের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। এদিকে, একক মাসের পাশাপাশি অর্থবছরের সামগ্রিক হিসাবেও রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই থেকে মে) আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় পণ্য রপ্তানি কমেছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

ইপিবি জানায়, মে মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ কমেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মে মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের ৩৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার থেকে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ কমে ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন হয়েছে।

এর আগে, টানা ৮ মাস পতনের পর গত এপ্রিলে রপ্তানি ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু মে মাসে রপ্তানি কমে যাওয়ায় ইতিবাচক ধারা বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মে মাসে নিটওয়্যার খাতে রপ্তানি হয়েছে ১৮ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৯ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারের।

অর্থাৎ, বার্ষিক হিসাবে নিটওয়্যার রপ্তানি ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ কমেছে। শুধু তা-ই নয়, গত বছরের মে মাসের তুলনায় এ বছরের মে মাসে নিটওয়্যার রপ্তানি ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ কমেছে। ওভেন পোশাকে জুলাই-মে মাসে রপ্তানি হয়েছে ১৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারের, যা গত অর্থবছরে ছিল ১৬ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারের। বার্ষিক হিসেবে ওভেনে ২ দশমিক ৪২ শতাংশ রপ্তানি কমেছে। আর গত বছরের মে মাসের তুলনায় চলতি মে মাসে ওভেনের রপ্তানি কমেছে ৭ শতাংশ ৫৩ শতাংশ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে মূল্যস্ফীতি এবং দেশের ভিতরে নানামুখী প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের কারণে তৈরি পোশাকের দুই প্রধান স্তম্ভ নিটওয়্যার ও ওভেন, কোনোটিই নেতিবাচক প্রবণতা থেকে বের হতে পারছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের নামাজের সময়সূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ এম


আজকের নামাজের সময়সূচি

ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং এটি দ্বিতীয় রুকন।

ইমানের পরই নামাজের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।

কিয়ামতের দিন মানুষের সর্বপ্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের।

পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজও রয়েছে।

তাহলে জীবনের যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন, প্রতিটি মুসলমানের জন্য সময়মতো ফরজ নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ইংরেজি, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বাংলা, ১৮ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি।

ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি:

ফজর- ০৩:৪৫ মিনিট

জুমা- ১২:০০ মিনিট

আসর- ০৪:৩৬ মিনিট

মাগরিব- ০৬:৪৬ মিনিট

এশা- ০৮:১২ মিনিট

আজ সূর্যোদয়- ০৫:১১ মিনিট

আজ সূর্যাস্ত- ৬:৪৩ মিনিট

বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, তা হলো-

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম : ০৫ মিনিট

সিলেট : ০৬ মিনিট।

যোগ করতে হবে

খুলনা : ০৩ মিনিট

রাজশাহী : ০৭ মিনিট

রংপুর : ০৮ মিনিট

বরিশাল : ০১ মিনিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি দিয়ে চাপ বাড়ছে মধ্যবিত্তের, উৎপাদন খরচের চিন্তায় উদ্যোক্তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২০ এম


বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি দিয়ে চাপ বাড়ছে মধ্যবিত্তের, উৎপাদন খরচের চিন্তায় উদ্যোক্তারা

বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেও, মধ্যবিত্তদের জন্য চাপ আরও বাড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে। নতুন দামের প্রভাবে অনেক পরিবার মাসিক খরচের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পাবে, যা মূল্যস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

রাজধানীর পল্লবীর বাসিন্দা তানিয়া বেগম দুই কক্ষের একটি ফ্ল্যাটে লাইট, ফ্যান ও ফ্রিজ ব্যবহার করেন। গত মাসে তার বিদ্যুৎ বিল ছিল প্রায় আড়াই হাজার টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে তাকে অতিরিক্ত প্রায় ৫০০ টাকা গুনতে হবে।

তানিয়া বেগম বলেন, "আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ৫০০ টাকা অনেক। কাঁচাবাজার, মাছ, সবকিছুর দাম বেড়েছে। গ্যাসের দামও বেড়েছে। এখন যদি বিদ্যুতের বিলও বাড়ে, তাহলে আমরা কীভাবে চলব?"

বিদ্যুতের ১৮ থেকে ২০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বেশি চাপ মধ্যবিত্তদের ওপর পড়বে। ব্যবহারভেদে তাদের মাসিক ব্যয় ১০০ টাকা থেকে প্রায় দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। এই অতিরিক্ত ব্যয়ের অর্থ জোগাড় করাই এখন অনেক পরিবারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের মত হচ্ছে, ২০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি অনেক বেশি। মানুষের আয় তো বেড়েনি। হঠাৎ এক মাসের ব্যবধানে এত টাকা বেড়ে গেলে সেটি বড় ধরনের চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শুধু গৃহস্থালি গ্রাহকরাই নন, উদ্বেগে আছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও। রাজধানীর মিরপুরের একটি বেকারির হিসাবে দেখা গেছে, গত তিন মাসে এলপি গ্যাসের খরচ মাসে ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকার মধ্যে বেড়েছে। এখন বিদ্যুতের জন্যও অতিরিক্ত ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। অন্য ব্যবসায়ীরাও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি।

তারা উদ্বেগের সঙ্গে বলছেন, ময়দা, তেল, চিনি; সবকিছুর দাম বাড়বে। বর্তমানে যে রুটি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সেটি হয়তো ৫০ টাকায় বিক্রি করতে হবে। কিন্তু হঠাৎ দাম বাড়ালে ক্রেতারা তা গ্রহণ করতে চাইবেন না। এলপি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধিতেই ব্যবসা চালিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে, এখন বিদ্যুতের দাম বাড়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন রফতানিমুখী শিল্প উদ্যোক্তারাও। বিজিএমইএর পরিচালক রশিদ আহমেদ হোসাইনী বলেন, "আমরা এখনো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। তার ওপর আবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। এটি মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো। বিদ্যুতের দাম বাড়ছে, গ্যাসও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে তৈরি পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।"

এরই মধ্যে এলপি গ্যাসের অস্থির বাজার, দুই দফা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং এখন বিদ্যুতের বড় ধরনের দাম বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পণ্যের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি গ্রাহকদের ওপর পড়ছে, তেমনি পরোক্ষভাবেও এর চাপ ভোক্তাদের ওপর বাড়বে। উৎপাদন ব্যয় বাড়ার ফলে সেই অতিরিক্ত ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই আদায় করা হবে।

অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেছেন, "এত দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জন্য সহনীয় হবে না এবং এটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসইও নয়। এতে অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে। একদিকে সরাসরি বিদ্যুতের বিল বাড়ছে, অন্যদিকে উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় পণ্যের দামও বাড়ছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে, যা পরে কমিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়বে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুপুরের মধ্যে যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২২ এম


দুপুরের মধ্যে যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

ঢাকাসহ দেশের ৮টি জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানা গেছে আবহাওয়া অফিসের সূত্রে। পাশাপাশি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদফতর কর্তৃক প্রদানকৃত সতর্কবার্তায় এ বিষয়টি জানানো হয়।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কাও রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এদিকে, সংস্থাটির অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণও হতে পারে।

ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বয়ে যাচ্ছিল মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। এই সময় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, অন্যত্র তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় এই তাপপ্রবাহ আরও কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপরের দুদিনে সারা দেশে তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

এছাড়া সারা দেশে ঝড়বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে অবহিত করেছে সংস্থাটি।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%