তালাশ বিডি ডেস্কমোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
০৯:৩৭ পি.এম
নেত্রকোনার চল্লিশা এলাকায় একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থী, ওলামায়ে কেরাম ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে চল্লিশা বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চল্লিশা কেন্দ্রীয় মসজিদে ফজরের নামাজের পর কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া করাকে কেন্দ্র করে মসজিদ কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মাদ্রাসার বড় হুজুর মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম খানের অভিযোগ, দীর্ঘ ২২ বছর ধরে সেখানে ধর্মীয় কার্যক্রম চলে আসছে। সম্প্রতি মসজিদ কমিটিকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মারধর করা হয়। এ সময় মাদ্রাসার আসবাবপত্র ও পবিত্র কোরআন শরিফেরও ক্ষতি করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী তানভীরের ভাষ্য, ফজরের নামাজের পর ধর্মীয় কার্যক্রম পালনের সময় আব্দুল হামিদ নামের এক ব্যক্তি বাধা দেন। বিষয়টি মসজিদ কমিটিকে জানানো হলে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে বিরোধের জেরে আব্দুল হামিদ তাঁর ছেলে ও অন্যদের নিয়ে এসে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তাঁকেসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মারধর করা হয়।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ সাকিবের অভিযোগ, হামলার সময় আশপাশের লোকজনকেও মারধর করা হয়। এমনকি পাশের বাড়িতে ঢুকে নারীদের সঙ্গেও অসদাচরণ ও ধাক্কাধাক্কি করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ ঘটনায় আহত কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মো. গিয়াস উদ্দিন এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার দুপুরে চল্লিশা বাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। বক্তারা বলেন, ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে কঠোর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
নেত্রকোনা জেলা খেলাফত আন্দোলনের সদস্যসচিব গাজী আব্দুর রহিম রুহি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের প্রভাব-প্রতিপত্তি বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
নেত্রকোনা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে পুলিশ গিয়েছিল। তবে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার করা গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউজিল্যান্ডের সাবেক কোস্টগার্ড সদস্য অ্যাডওয়ার্ড পুডনির বাংলাদেশে আগমন ঘটে ২০২৪ সালে। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী বেলা, ১৬ বছর বয়সী সন্তান আলবার্ট এবং ছোট ছেলে রালফ। পরিবারটি প্রায় দুই বছর ধরে বাংলাদেশের কক্সবাজারে অবস্থান করছিল। তাদের স্বপ্ন ছিল, এখানে নির্মিত নৌযানটির মাধ্যমে সাগরপথে নিজ দেশে ফিরে যাবেন।
কক্সবাজারের স্থানীয় কারিগরদের সহযোগিতায় প্রায় দুই বছর ধরে নির্মিত হয় ‘আইল্যান্ড গার্ল’ নামের নৌযানটি। এর নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল এক কোটি টাকার বেশি।
কিন্তু গত ২৫ আগস্ট কক্সবাজারের সোনাদিয়া চ্যানেলে বড় ঢেউ ও তীব্র স্রোতের কারণে নৌযানটি ডুবে যায়। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রাণে বেঁচে যান অ্যাডওয়ার্ড, তার স্ত্রী বেলা এবং ছোট ছেলে রালফ। তবে নিখোঁজ হয়ে যায় তাদের ১৬ বছর বয়সী সন্তান আলবার্ট। ৩২ ঘণ্টা পর সমুদ্র উপকূলে তার মরদেহ ভেসে ওঠে।
আইনগত প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর ১৫ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারে আলবার্টের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে হোটেল শৈবালে অবস্থান করছিলেন পরিবারের বেঁচে যাওয়া সদস্যরা।
প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন তারা। বাবা, মা ও ছোট ছেলে ফিরলেও আলবার্ট আর ফিরছে না। তাদের স্বপ্নের নৌযান ‘আইল্যান্ড গার্ল’ এখন বাঁকখালী নদীতে ডুবন্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
অ্যাডওয়ার্ড ও তার পরিবারের বিশ্বভ্রমণের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৈরি হয়েছিল ‘আইল্যান্ড গার্ল’। নৌযানটি নির্মাণে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছিল, স্থানীয় কারিগরদের সহযোগিতায়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা দিদারুল ইসলাম রুবেলের মতে, নৌযানটিতে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষ, ফ্রিজ ও রান্নাঘরসহ বিভিন্ন সুবিধা ছিল। এটি ব্যক্তিগত অ্যাডভেঞ্চার ও সমুদ্রভ্রমণের জন্য উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছিল। নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল এক কোটি টাকার বেশি বলে ধারণা করা হয়।
স্থানীয় জেলে আবদুর রহমান জানান, দুটি কাঠের নৌযান জোড়া দিয়ে ‘আইল্যান্ড গার্ল’ তৈরি করা হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বড় ঢেউয়ের ধাক্কায় নৌযানটির সংযোগস্থল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রথমে একটি অংশ দ্রুত ডুবে যায়, এরপর কয়েক মিনিটের মধ্যে অন্য অংশটিও তলিয়ে যায়।
নৌযানটি দীর্ঘদিন ধরে বাঁকখালী নদীতে নুনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটির বিপরীত পাশে নোঙর করা ছিল। দুর্ঘটনার পর সেটি ডুবন্ত অবস্থায় সেখানেই পড়ে রয়েছে।
নৌকাডুবির কয়েক মাস আগে ওই নৌযানে ঘুরতে গিয়ে বিপদের মুখে পড়েছিল নিউজিল্যান্ডের পরিবারটি। চলতি বছরের ৮ এপ্রিল রাতে কক্সবাজারের মহেশখালীর সোনাদিয়া চরে তাদের ওপর হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতকারী। পরদিন ৯ এপ্রিল কোস্টগার্ডের গণমাধ্যম কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজনের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, অ্যাডওয়ার্ড পরিবারসহ সমুদ্রপথে বিশ্বভ্রমণের উদ্দেশ্যে ২০২৪ সালে পর্যটক ভিসায় বাংলাদেশে আসেন। নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাঠের নৌযানে সমুদ্রযাত্রার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তারা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছিল, নিরাপত্তাঝুঁকি পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পরিবারটিকে এ ধরনের সমুদ্রযাত্রা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছিল। ১ মার্চ তাদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নির্দেশনাও দেয়া হয়। তবে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা উপেক্ষা করে তারা সোনাদিয়া চরে নৌযানসহ অবস্থান করছিলেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
হামলার খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের একাধিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায় এবং পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে।
নদীতে পড়ে আছে ‘আইল্যান্ড গার্ল’
বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন নিয়ে তৈরি করা ‘আইল্যান্ড গার্ল’ এখন বাঁকখালী নদীতে ডুবন্ত অবস্থায় পড়ে আছে। আর পরিবারের ১৬ বছর বয়সী আলবার্টের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে কক্সবাজারে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছিলেন, আলবার্টের মরদেহ উদ্ধারের পর আইনগত প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পরে নিউজিল্যান্ডের দূতাবাস ও পরিবারের সম্মতি নিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে কক্সবাজারে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
যে যাত্রা শুরু হয়েছিল চারজনকে নিয়ে, তার শেষ হলো তিনজনের দেশে ফেরা আর একজনের চিরবিদায়ে। হয়তো কোনো একদিন বাঁকখালী নদী থেকে উদ্ধার করা হবে ‘আইল্যান্ড গার্ল’। কিন্তু পরিবারের হারানো সন্তান আর ফিরবে না। একসঙ্গে বিশ্বভ্রমণ শেষে দেশে ফেরার স্বপ্নটিও আর পূরণ হবে না।
হোটেল শৈবালে শেষ ৫০ দিন
নৌকাডুবির পর থেকে কক্সবাজারের হোটেল শৈবালে ছিলেন অ্যাডওয়ার্ড ও তার পরিবারের অন্য দুই সদস্য। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে তাদের থাকা-খাওয়া ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়। নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে পুলিশ প্রশাসন।
বিদায়ের আগে হোটেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সময় কাটান পরিবারের সদস্যরা। একসঙ্গে ছবি তোলেন তারা। দীর্ঘদিনের আন্তরিক সম্পর্কের স্মারক হিসেবে তাদের হাতে দেশীয় পণ্য উপহার হিসেবে তুলে দেয় হোটেল কর্তৃপক্ষ।
পর্যটন করপোরেশনের হোটেল শৈবাল ও মোটেল লাবণীর ব্যবস্থাপক রায়হান উদ্দিন আহমেদ সময় সংবাদকে বলেন, ২৫ আগস্ট নৌকাডুবির পর উদ্ধার হওয়া নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের জেলা প্রশাসন ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় হোটেল শৈবালে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। এ সময়ে তাদের খাবার, আবাসন ও লন্ড্রি সেবাসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
রায়হান উদ্দিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন একসঙ্গে অবস্থানের কারণে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হোটেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। দুর্ঘটনার পরও বাংলাদেশ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা নিয়ে তারা দেশে ফিরছেন বলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন তিনি।
বিদায় উপলক্ষে বাংলাদেশি ঐতিহ্য ও দেশীয় পণ্য তুলে ধরতে হোটেলের পক্ষ থেকে তাদের স্মারক উপহার দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
যেভাবে হলো ফেরা
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান বলেন, নৌকাডুবির পর জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের থাকা-খাওয়া ও সার্বিক বিষয়ে পর্যটন করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সহযোগিতা করেছেন।
তিনি সময় সংবাদকে বলেন, পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে দেশে ফেরানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রথমে ৯ অক্টোবর তাদের ফেরার কথা থাকলেও পাসপোর্ট, ভিসা ও বিমান টিকিটসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগে। সব প্রক্রিয়া শেষে ১৪ অক্টোবর তাদের দেশে ফেরার দিন নির্ধারণ করা হয়।
তাসনীম জাহান আরও বলেন, দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা কাটিয়ে পরিবারের সদস্যরা যেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, সেটিই জেলা প্রশাসনের প্রত্যাশা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের চুচুয়া বাজারে অবস্থিত গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) শেষরাতে এ ঘটনায় ব্যাংকের দুটি মোটরসাইকেল ও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
ব্যাংকের নৈশপ্রহরী আইনুদ্দীনের ভাষ্য, ফজরের নামাজের সময় তিনি হঠাৎ বোমার মতো বিকট শব্দ শুনতে পান। পরে দরজা খুলে ধোঁয়া ও আগুন দেখতে পান। এ সময় তিনি আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ব্যাংকের ওপরের তলায় থাকা কর্মীদের ডেকে তোলেন। পরে শাখা ব্যবস্থাপককে ফোন করে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
আইনুদ্দীন জানান, ঘটনার সময় তিনি কাউকে পালিয়ে যেতে দেখেননি।
ব্যাংক শাখার প্রবাহ অফিসার রঞ্জন কুমার কুন্ড বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে দুটি মোটরসাইকেল ও কিছু নথিপত্র পুড়ে গেছে। ঘটনাস্থল থেকে পেট্রোলের বোতলও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের পাশাপাশি পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি দুর্ঘটনা, নাকি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের সর্বস্তরের জনগণসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা, কাঠালিয়া-রাজাপুরের গণমানুষের নেতা এবং যুক্তরাষ্ট্র নিউ ইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা।
আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, "বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণের দেশ। আবহমানকাল ধরে এই ভূখণ্ডে প্রতিটি ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসব উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন করে আসছে। শারদীয় দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি অন্যায়-অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ ও সত্যের বিজয়ের প্রতীক এবং এক সর্বজনীন মিলনমেলা।"
তিনি আরও বলেন, "রাজাপুর ও কাঠালিয়ার মাটি ও মানুষের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক। আমি একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও সম্প্রীতিময় সমাজ গঠনে বিশ্বাসী—যেখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না এবং সব ধর্মের মানুষ পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারবে।"
শুভেচ্ছা বার্তায় হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা শারদীয় দুর্গাপূজার সার্বিক সাফল্য, শান্তি, সম্প্রীতি এবং দেশ ও রাজাপুর-কাঠালিয়ার উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।
(হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা)
সভাপতি, নিউ ইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপি, যুক্তরাষ্ট্র
সাবেক ছাত্রনেতা ও গণমানুষের নেতা (রাজাপুর-কাঠালিয়া, ঝালকাঠি)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ৪ নং কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জনাব সুমি রানী বল। আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) তিনি এই নতুন পদের কার্যভার গ্রহণ করেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
দায়িত্ব হস্তান্তর ও বরণ অনুষ্ঠান শেষে সংশ্লিষ্টরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করে জানান, সুমি রানী বলের গতিশীল নেতৃত্বে কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও নতুন গতি আসবে। এর মাধ্যমে ইউনিয়নবাসী কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সেবা সহজে ও দ্রুততার সাথে পাবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ