মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
০৭:১০ পি.এম
মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে দ্বিচারিতা, ধর্মীয় মতপার্থক্য ও ন্যায়বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
স্ট্যাটাসের শিরোনাম দিয়েছেন, “চুমু দিলে থাপ্পড়; আতঙ্ক এবং দ্বিচারিতার প্রশ্ন?” এতে তিনি শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় বিভিন্ন আমল নিয়ে মতপার্থক্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমি তাঁর স্ট্যাটাসে প্রশ্ন করেন, নবীজি ﷺ-এর নাম শুনে আঙুলে চুমু দেওয়া, মা-বাবা, উস্তাদ ও শায়েখের কদমবুসি, মাজার জিয়ারত, মিলাদের কিয়াম এবং ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে জসনে জুলুসের মতো বিষয়গুলোতে যারা আপত্তি তোলেন, তাঁদের অবস্থান কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে। এসব প্রসঙ্গ তুলে তিনি ধর্মীয় বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশের ক্ষেত্রে একই মানদণ্ড অনুসরণের আহ্বান জানান।
স্ট্যাটাসে তিনি গাজীপুরের ইমাম ও খতিব মাওলানা রঈস উদ্দীনের মৃত্যুর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যে, একটি ঘটনায় প্রতিবাদী হওয়ার পাশাপাশি অন্য ঘটনায়ও একইভাবে ন্যায়বিচারের দাবি তোলা উচিত।
এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হওয়া এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের অভিযোগের যথাযথ সমাধান করা জরুরি।
শিশু সুরক্ষা ও নিরপেক্ষ তদন্তের গুরুত্ব
শিশুকে চুমু দেওয়ার ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চললেও, ঘটনাটির প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর প্রতি যেকোনো আচরণের ক্ষেত্রে তার নিরাপত্তা, সম্মতি, মর্যাদা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা কিংবা কোনো ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষককে একইভাবে দায়ী করাও সমীচীন নয়। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ তদন্ত এবং প্রমাণের আলোকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে চালিয়ে দুই মাদক কারবারীসহ ১৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর ডিবি ও শাহমখদুম থানা পুলিশ।
শনিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নগরীর রাজপাড়া থানার সিএন্ডবি মোড় এলাকা থেকে আট পিস ইয়াবাসহ মুন্না (৩৬) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এদিন দক্ষিণ নওদাপাড়া সিটির হাট থেকে ডাবতলা রোড এলাকা থেকে চার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ জুলফিকার আকসান আকাশকে (২৪) গ্রেপ্তার করে শাহমখদুম থানা পুলিশ।
এদিকে, নগরীর বিভিন্ন থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ছয়জন, মাদক মামলায় দুজন এবং অন্যান্য মামলায় তিনজনসহ মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে।
শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাদক মামলায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক আসামি মোঃ আতিকুর রহমানকে (৫৯) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে নাগরপুর উপজেলার জাঙ্গালিয়া ভোর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আতিকুর রহমান নাগরপুর উপজেলার গুদামপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল ছালামের ছেলে।
এসআরবি-১৪-এর প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারার ১(ক) উপধারায় তাঁর বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় মামলা করা হয়েছিল। ওই মামলার বিচার শেষে বিজ্ঞ আদালত তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে সাজা পরোয়ানা জারির পর থেকে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।
প্রেস রিলিজে আরও জানানো হয়, গোপন তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারের পর আতিকুর রহমানকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাগরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ