বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:৪৩ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং ছয় মাস ধরে চলমান যুদ্ধের তীব্র টানাপোড়েন সত্ত্বেও ইরানের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ স্বাবলম্বী হওয়ার শক্ত বার্তা প্রদান করেছে। দেশটি অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে জাতীয় অর্থনীতি সচল রাখার জন্য বদ্ধপরিকর, তবে তারা সতর্ক করে দিয়েছে যে, আগামী দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক আর্থিক টানাপোড়েন এবং জীবনযাত্রার কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। ওয়াশিংটনের চাপ প্রয়োগের কৌশলের প্রতিক্রিয়ায় তেহরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্ব এখন আর একক মার্কিন আধিপত্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। তেহরান নিজস্ব কৌশল প্রয়োগের পাশাপাশি পাল্টা অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইরানের অর্থনীতি মন্ত্রী আলী মাদানিজাদেহ সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দুই বছর মেয়াদী বিশেষ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে জানান, বছরের পর বছর ধরে নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর কৌশল ইরানের জানা রয়েছে। অপরদিকে, দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোলনাসের হেমমাতি ব্যবসায়ী নেতাদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, তাদের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস তেল রফতানি প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও জরুরি পণ্য আমদানির জন্য রিজার্ভে যথেষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনা মজুত রয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগালের বাইরে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতি এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস একটি বড় সংকট সৃষ্টি করেছে। সরকার খাদ্যসামগ্রী ও জরুরি পরিষেবা রেশনের আওতায় আনলেও রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির ধস নামেনি বলেই তাঁর দাবি।
অর্থনৈতিক সংকটের চরম ধাক্কা লেগেছে তেহরানের খোলা বাজারে, যেখানে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের মান এ যাবতকালের সর্বনিম্ন ২০.৫ লাখে এসে ঠেকেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের অভ্যন্তরীণ দারিদ্র্যের তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা জারি করা হয়েছে। এই কঠিন সময়ে দেশের তরুণ প্রজন্মকে ঘরে বসেই দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ি। ইরানের কৃষিমন্ত্রণালয় দেশে খাদ্য চাহিদার ৯০ শতাংশ অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তবে গম, চাল ও ভোজ্যতেলের মতো পণ্যে এখনো মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়ার ওপর তাদের বড় ধরনের নির্ভরতা রয়ে গেছে। তাছাড়া, তীব্র পানি সংকট কৃষি উৎপাদনের এই উদ্যোগকে ঝুঁকিতে ফেলছে।
খাদ্য ছাড়াও দেশটির স্বাস্থ্য খাতেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ইরান প্রায় ৯৭ শতাংশ ওষুধ দেশে তৈরির দাবি করলেও অন্তত ১ হাজার পদের ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে এবং সরকার ভোজ্যতেল ও ওষুধের জন্য দেওয়া সস্তা মুদ্রার ভর্তুকি কমাতে থাকায় বাজারে ওষুধের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। অন্যদিকে, যুদ্ধবিধ্বস্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোর কারণে তেহরানসহ প্রধান শহরগুলোতে শুরু হয়েছে চরম বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং পেট্রোল পাম্পগুলোতে তৈরি হয়েছে কিলোমিটারব্যাপী দীর্ঘ লাইন।
অর্থনীতিবিদদের একাংশ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ভেনেজুয়েলার মতো বড় ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় এড়াতে সরকারকে দ্রুত জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির মতো অপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে, যা স্বল্পমেয়াদে সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়িয়ে দেবে। সার্বিকভাবে, তেহরান আত্মনির্ভরশীলতার ওপর ভর করে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে গেলেও দীর্ঘমেয়াদী এই যুদ্ধ ইরানের অভ্যন্তরীণ সম্পদ ও শক্তিকে ক্রমেই ক্ষয় করে ফেলছে।
সূত্র: আল জাজিরার বিশ্লেষণ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন সকল কোম্পানির জন্য প্রণীত অভিন্ন চাকরিবিধি সংশোধন ও আধুনিকীকরণের উদ্দেশ্যে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক।
সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স-২ শাখা থেকে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে, যেখানে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। অফিস আদেশে স্বাক্ষর করেছেন বিভাগের উপসচিব মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ।
অফিস আদেশের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স, উন্নয়ন-১, পলিসি রিফর্ম ও সমন্বয় অধিশাখার যুগ্মসচিব এবং পাওয়ার সেলের মহাপরিচালককে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) পরিচালক পর্যায়ের একজন করে প্রতিনিধি কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন। পিজিসিবি, ডিপিডিসি, ডেসকো, নেসকো, ওজোপাডিকো, নওপাজেকো, ইজিসিবি, সিপিজিসিবিএল, বিআরপিএল, এপিসিএল ও আরপিসিএলের নির্বাহী পরিচালক পর্যায়ের একজন করে প্রতিনিধিকেও সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স-১ শাখার উপসচিব।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন কোম্পানিগুলোর জন্য প্রণীত ‘ইউনিফাইড সার্ভিস গাইডলাইনস্, ২০১৬’ সংশোধনের উদ্দেশ্যে কোম্পানি আইন-১৯৪ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান পর্যালোচনা করবে কমিটি। পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিমার্জনের বিষয়ে সুপারিশ প্রদান করতে হবে।
এছাড়া, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করে ২০১৬ সালের গাইডলাইনটি সময়োপযোগী করার বিষয়েও কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে উপযুক্ত বিশেষজ্ঞকে কমিটিতে কো-অপ্ট করার ক্ষমতাও প্রদান করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন কোম্পানির চাকরির শর্ত, সুযোগ-সুবিধা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সামঞ্জস্য আনতে অভিন্ন চাকরিবিধি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন আইন, বিধি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় পরিবর্তন আসায় ২০১৬ সালের গাইডলাইন পর্যালোচনা ও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য, জলজ উদ্ভিদ এবং মৎস্য সম্পদ বর্তমানে হুমকির সম্মুখীন। এই কারণে, হাওরের পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা করা এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।
এ লক্ষ্যে আজ টাঙ্গুয়ার হাওর সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরীক্ষণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তাপস শীল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান রাসেল, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক, রেঞ্জ বন কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দীন, পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাশমির রেজা, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সহ সভাপতি বাহলুল বখত, হাউস এর নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভ, বাসস’র জেলা প্রতিনিধি মুহাম্মদ আমিনুল হক, সুনামগঞ্জ পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি আবু নাসার, টাঙ্গুয়ার হাওর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি বজলুর রহমান, টাঙ্গুয়ার হাওর কেন্দ্রীয় সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, এনজিও সংস্থা ‘সিএনআরএস’ এর সমন্বয়কারী সাইফুল চৌধুরী প্রমুখ।
বক্তারা সভায় উল্লেখ করেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সকলকে সচেতন হতে হবে। তারা বলেন, মৎস্য অভয়াশ্রম রক্ষায় সকল প্রকার অবৈধ মাছ ধরার জাল ধংস করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২৫/৮/২০২৬ইং।যে কৃষক আমাদের মুখে ভাত তুলে দেয়, সেই কৃষক যখন সার কিনতে যায়, তখন তাকে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে হয়। ডিলারদের কাছে সার কেনার সময় দাম জিজ্ঞেস করলে, তারা বলছে বাহির থেকে কেনা হয়েছে।
কৃষক যখন ধান বিক্রি করতে যায়, তখন সে সরকারি রেটের মাত্র চার ভাগের তিন ভাগ পায়। এর মধ্যে আবার ৪০ কেজির জায়গায় ৪১ কেজি দিতে হয়। এই বাড়তি এক কেজির নাম পাইকাররা "ধলতা" বলে। তাহলে, এই সোনার বাংলাদেশে কৃষকের অবস্থান কোথায়?
এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে, প্রয়োজন এই সিন্ডিকেট কারীদের দেশ থেকে নির্মূল করা। আমি প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং সকল প্রশাসনকে বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি, অতি দ্রুত এই সিন্ডিকেট কারীদের আইনের আওতায় আনার জন্য এবং এদের লাইসেন্স বাতিল করার জন্য জোরালো অনুরোধ জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত। এ ঘটনা ১২৯ বারের মতো তদন্ত সংস্থাকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় প্রদান করা হলো।
আজকের জন্য মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নতুন এদিন ধার্য করেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া করা বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গত ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তদন্ত শেষে ছয় মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ করে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হাইকোর্টের দেওয়া সময় ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।
এ অবস্থায় রাষ্ট্রপক্ষ তদন্ত চলমান ও অগ্রগতি আছে উল্লেখ করে নয় মাস সময়ের আরজি জানায়। গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল শুনানি নিয়ে আদালত ছয় মাস সময় মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর আদেশের জন্য পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন। কিন্তু উচ্চ আদালতের দেওয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। গত ২৩ অক্টোবর মামলার তদন্ত শেষ করতে বিভিন্ন এজেন্সির অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দেন হাইকোর্ট। গত ২৬ এপ্রিল মামলার তদন্ত শেষ করতে বিভিন্ন এজেন্সির অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ