বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:৪৫ পি.এম
বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন সকল কোম্পানির জন্য প্রণীত অভিন্ন চাকরিবিধি সংশোধন ও আধুনিকীকরণের উদ্দেশ্যে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক।
সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স-২ শাখা থেকে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে, যেখানে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। অফিস আদেশে স্বাক্ষর করেছেন বিভাগের উপসচিব মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ।
অফিস আদেশের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স, উন্নয়ন-১, পলিসি রিফর্ম ও সমন্বয় অধিশাখার যুগ্মসচিব এবং পাওয়ার সেলের মহাপরিচালককে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) পরিচালক পর্যায়ের একজন করে প্রতিনিধি কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন। পিজিসিবি, ডিপিডিসি, ডেসকো, নেসকো, ওজোপাডিকো, নওপাজেকো, ইজিসিবি, সিপিজিসিবিএল, বিআরপিএল, এপিসিএল ও আরপিসিএলের নির্বাহী পরিচালক পর্যায়ের একজন করে প্রতিনিধিকেও সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স-১ শাখার উপসচিব।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন কোম্পানিগুলোর জন্য প্রণীত ‘ইউনিফাইড সার্ভিস গাইডলাইনস্, ২০১৬’ সংশোধনের উদ্দেশ্যে কোম্পানি আইন-১৯৪ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান পর্যালোচনা করবে কমিটি। পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিমার্জনের বিষয়ে সুপারিশ প্রদান করতে হবে।
এছাড়া, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করে ২০১৬ সালের গাইডলাইনটি সময়োপযোগী করার বিষয়েও কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে উপযুক্ত বিশেষজ্ঞকে কমিটিতে কো-অপ্ট করার ক্ষমতাও প্রদান করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন কোম্পানির চাকরির শর্ত, সুযোগ-সুবিধা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সামঞ্জস্য আনতে অভিন্ন চাকরিবিধি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন আইন, বিধি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় পরিবর্তন আসায় ২০১৬ সালের গাইডলাইন পর্যালোচনা ও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য, জলজ উদ্ভিদ এবং মৎস্য সম্পদ বর্তমানে হুমকির সম্মুখীন। এই কারণে, হাওরের পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা করা এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।
এ লক্ষ্যে আজ টাঙ্গুয়ার হাওর সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরীক্ষণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তাপস শীল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান রাসেল, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক, রেঞ্জ বন কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দীন, পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাশমির রেজা, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সহ সভাপতি বাহলুল বখত, হাউস এর নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভ, বাসস’র জেলা প্রতিনিধি মুহাম্মদ আমিনুল হক, সুনামগঞ্জ পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি আবু নাসার, টাঙ্গুয়ার হাওর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি বজলুর রহমান, টাঙ্গুয়ার হাওর কেন্দ্রীয় সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, এনজিও সংস্থা ‘সিএনআরএস’ এর সমন্বয়কারী সাইফুল চৌধুরী প্রমুখ।
বক্তারা সভায় উল্লেখ করেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সকলকে সচেতন হতে হবে। তারা বলেন, মৎস্য অভয়াশ্রম রক্ষায় সকল প্রকার অবৈধ মাছ ধরার জাল ধংস করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২৫/৮/২০২৬ইং।যে কৃষক আমাদের মুখে ভাত তুলে দেয়, সেই কৃষক যখন সার কিনতে যায়, তখন তাকে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে হয়। ডিলারদের কাছে সার কেনার সময় দাম জিজ্ঞেস করলে, তারা বলছে বাহির থেকে কেনা হয়েছে।
কৃষক যখন ধান বিক্রি করতে যায়, তখন সে সরকারি রেটের মাত্র চার ভাগের তিন ভাগ পায়। এর মধ্যে আবার ৪০ কেজির জায়গায় ৪১ কেজি দিতে হয়। এই বাড়তি এক কেজির নাম পাইকাররা "ধলতা" বলে। তাহলে, এই সোনার বাংলাদেশে কৃষকের অবস্থান কোথায়?
এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে, প্রয়োজন এই সিন্ডিকেট কারীদের দেশ থেকে নির্মূল করা। আমি প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং সকল প্রশাসনকে বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি, অতি দ্রুত এই সিন্ডিকেট কারীদের আইনের আওতায় আনার জন্য এবং এদের লাইসেন্স বাতিল করার জন্য জোরালো অনুরোধ জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত। এ ঘটনা ১২৯ বারের মতো তদন্ত সংস্থাকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় প্রদান করা হলো।
আজকের জন্য মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নতুন এদিন ধার্য করেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া করা বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গত ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তদন্ত শেষে ছয় মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ করে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হাইকোর্টের দেওয়া সময় ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।
এ অবস্থায় রাষ্ট্রপক্ষ তদন্ত চলমান ও অগ্রগতি আছে উল্লেখ করে নয় মাস সময়ের আরজি জানায়। গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল শুনানি নিয়ে আদালত ছয় মাস সময় মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর আদেশের জন্য পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন। কিন্তু উচ্চ আদালতের দেওয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। গত ২৩ অক্টোবর মামলার তদন্ত শেষ করতে বিভিন্ন এজেন্সির অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দেন হাইকোর্ট। গত ২৬ এপ্রিল মামলার তদন্ত শেষ করতে বিভিন্ন এজেন্সির অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পর্কিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এমপি এবং মন্ত্রীদের মধ্যে ১০ জন আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে, বিভিন্ন কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তাঁদের ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসা হয়।
হাজির হওয়া ১০ আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, গোপালগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক এমপি সোলাইমান সেলিম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, আজকের দিনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত রয়েছে। এই কারণে কারাগারে থাকা ১০ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তদন্তের পর পর্যায়ক্রমে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে।
শুরুতে এই মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনকে আসামি করা হয়েছিল। পরে ধাপে ধাপে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। ইতিমধ্যে দীপু মনি ও আব্দুর রাজ্জাককে শাপলা চত্বরে গণহত্যার মামলায়ও আসামি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ