বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৮ পি.এম
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল আরোহী ঘাটাইল থেকে টাঙ্গাইলের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক মধুপুরের দিকে চলছিল। ব্রাহ্মণশাসন এলাকায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু ঘটে। তবে নিহত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক সরোয়ার আলম জানান, ব্রাহ্মণশাসন এলাকায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনের জন্য পুলিশ কাজ করছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর দক্ষিণখানে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং মাদক ব্যবসার।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন সাজু মজুমদার, অন্তর রহমান অনু, পারভেজ এবং বাবুসেন্টু।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর দক্ষিণখানের মুক্তিযোদ্ধা রোড এলাকায় মো. শাহিন নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে এবং গুলি করে পালিয়ে যায় কয়েকজন। এই ঘটনার পর দক্ষিণখান থানায় মামলা দায়ের হলে আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক আহমেদ বেগের নির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে ময়মনসিংহের ভালুকা ও জামালপুরের ইসলামপুর এলাকা থেকে সাজু মজুমদার, অন্তর রহমান অনু এবং পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে দক্ষিণ আজমপুরের একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি ক্রসবডি ব্যাগের ভেতর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
ডিএমপির উত্তরা বিভাগ জানায়, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ ও টেকসই অংশীদারি বাড়াতে হবে
বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যেমন ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, সরবরাহ চেইনের সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তন, সেগুলোর মোকাবিলা করতে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ এবং টেকসই অংশীদারি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সক্ষমতা বজায় রাখতে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক সংযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি সবুজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) শীর্ষ সম্মেলনের পলিসি ডায়ালগে প্যানেল আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
‘বিল্ডিং রেজিলিয়েন্ট ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেমওয়ার্কস ইন আ ডাইভার্স গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক অধিবেশনে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য অর্থনৈতিক সক্ষমতা সংকট মোকাবেলার বিষয় নয়; বরং একটি এমন ব্যবস্থা তৈরি করা, যা বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে কর্মসংস্থান ও নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন উৎপাদনশীলতা, উদ্ভাবন এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতাভিত্তিক প্রবৃদ্ধির দিকে এগোচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য চারটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এই চারটি বিষয় হলো রপ্তানি বহুমুখীকরণ, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন, উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং সবুজ অর্থনৈতিক রূপান্তর। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও ম্যান-মেইড ফাইবার খাতকে বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্থানীয় শিল্পকে আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে সক্ষম বিনিয়োগকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। বিআরআই কাঠামোর আওতায় অর্থনৈতিক অঞ্চল, লজিস্টিকস এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বড় ধরনের অংশীদারির সুযোগ রয়েছে।
মন্ত্রী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, নারী উদ্যোক্তা এবং স্থানীয় ব্যবসাকে বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করতে ডিজিটাল বাণিজ্য, ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় ভবিষ্যতের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কাঠামোকে পরিবেশবান্ধব করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিম্ন-কার্বন উৎপাদন, টেকসই লজিস্টিকস এবং সবুজ অবকাঠামোই হবে ভবিষ্যৎ অর্থনীতির ভিত্তি।
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের প্রসঙ্গে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উল্লেখ করেন, দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে ‘কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক কো-অপারেটিভ পার্টনারশিপ’-এ উন্নীত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হয়েছে। এর আওতায় মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন এবং চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
চীনের সঙ্গে বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ দেশটিতে প্রথম বিদেশি বিনিয়োগ কার্যালয় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলেও তিনি জানান।
হংকংকে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক প্রবেশদ্বার হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, চীনের মূল ভূখণ্ড ও বৈশ্বিক বাজারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে হংকংয়ের ভূমিকা কাজে লাগাতে হবে। তিনি বলেন, বিচ্ছিন্নতা নয়, বরং পারস্পরিক সহযোগিতা, টেকসই উন্নয়ন এবং উন্মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক অর্থনীতি শক্তিশালী করা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ওমানের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশি কর্মীদের মূল্যবান অবদানের প্রশংসা করেছেন দেশটির রাজপরিবারের সদস্য আল সাইয়্যিদ মোহাম্মদ সালিম আলী আল সাইয়্যিদ।
একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরো বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বৈঠকে শামা ওবায়েদ ইসলাম বাংলাদেশ ও ওমানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ওমানের শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার সম্ভাবনার ওপর জোর দেন তিনি।
ওমানের রাজপরিবারের সদস্য আল সাইয়্যিদ দেশটির উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের ভূমিকার কথা স্বীকার করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ওমানের মধ্যে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা আরো প্রসারিত করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এবং ওমানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে ঢাকা যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তারই অংশ হিসেবে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ফাথিয়া আহমেদ আল বালুশি এবং প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আল্পস অঞ্চলের দেশ স্লোভেনিয়া, যা জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ইয়ানেজ ইয়ানশার নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কের কূটনৈতিক পুনর্বিন্যাস শুরু করেছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের আচরণ নিয়ে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশের সঙ্গে সম্পর্কের শীতলতা তৈরি হলেও স্লোভেনিয়া এই প্রবণতার বিপরীত পথে অগ্রসর হচ্ছে।
এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, ইসরাইল বুধবার লুবলিয়ানায় দেশটির প্রথম দূতাবাস উদ্বোধন করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠাচ্ছে।
এটি আগের মধ্য-বামপন্থী সরকারের নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে ওই সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অন্যতম কঠোর সমালোচক ছিল এবং তারা ওই অভিযানকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
এই পদক্ষেপটি এমন একদিন পর নেওয়া হলো, যখন অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ ইসরায়েলের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়ে।
ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক নিন্দা বাড়তে থাকায় ইউরোপের সরকারগুলোর নেওয়া এটি সর্বশেষ পদক্ষেপ।
ইয়ানশা চলতি বছরের শুরুতে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে প্রায়ই তার বিরোধ দেখা যায়। পশ্চিম তীরের বসতি নিয়ে ইইউর অবস্থানের বিরোধিতা করায় তিনি ইসরায়েলের প্রশংসা অর্জন করেছেন।
ইয়ানশার নেতৃত্বে স্লোভেনিয়া বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিজেদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে এবং ইসরায়েলের ওপর আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞাও তুলে নিয়েছে। নেতানিয়াহু ও তার দুই মন্ত্রীর ওপর দেওয়া প্রবেশ নিষেধাজ্ঞাও বাতিল করা হয়েছে।
ইসরায়েলের শীর্ষ কূটনীতিক গিদিওন সার বুধবার স্লোভেনিয়ায় তার প্রথম সরকারি সফরে দূতাবাসটি উদ্বোধন করবেন। তার মন্ত্রণালয় ইয়ানশাকে ‘ইসরায়েলের বন্ধু’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ইয়ানশা বলেছেন, তার সরকার উদারপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট গোলবের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কাটিয়ে ‘শুধু স্লোভেনিয়ার পররাষ্ট্রনীতি স্বাভাবিক করছে।’
দৈনিক দেনেভনিকের কলামিস্ট দারিয়ান কোশির মন্তব্য অনুযায়ী, ইইউতে ইয়ানশা ‘যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ট্রোজান হর্স’ হিসেবে কাজ করছেন। এপ্রিলের নির্বাচনে হেরে যাওয়া হাঙ্গেরির দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের জায়গা তিনি নিয়েছেন।
সাবেক প্রেসিডেন্ট দানিলো তুর্ক এএফপিকে বলেছেন, স্লোভেনিয়া ‘ইসরায়েলি নীতির একটি হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।’
লুবলিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইনের অধ্যাপক তুর্ক মন্তব্য করেছেন, ‘এটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ