ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মুজিববর্ষের ৪ হাজার কোটি টাকা অপচয়ের অভিযোগে নথিপত্র হাতে পেয়েছে দুদক


মুজিববর্ষের ৪ হাজার কোটি টাকা অপচয়ের অভিযোগে নথিপত্র হাতে পেয়েছে দুদক

মুজিববর্ষে চার হাজার কোটি টাকা অপচয়ের অভিযোগে নথিপত্র দুদকের হাতে এসেছে। যাচাই-বাছাই শেষ হলে একাধিক মামলা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম। তিনি আরও জানান, বিশেষ গুরুত্বের সাথে দুদকসহ সরকারি সংস্থাগুলো মুজিববর্ষের দুর্নীতি নিয়ে কাজ করছে।

শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে মুজিববর্ষ উদযাপন এবং সারাদেশে ১০ হাজারের অধিক ম্যুরাল-ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ করেছিল ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার। দুদক বলছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার বোন শেখ রেহানাসহ অন্যরা শতবর্ষ পালনের নামে রাষ্ট্রের চার হাজার কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করেছে।

২০২৫ সালের এপ্রিলে অনুসন্ধানে নেমে নথিপত্র চেয়ে ৬৪ জেলা প্রশাসক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরে চিঠি পাঠিয়েছে দুদকের ৭ সদস্যের অনুসন্ধানকারী দল। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ বেতনের সামনের ম্যুরালের তথ্যসহ একাধিক নথিপত্র সংস্থার কাছে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন: আজ ৬ ঘণ্টা টোলমুক্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

দুদক জানিয়েছে, অতি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় দুদকের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ এবং সিআইডির সমন্বয়ে অনুসন্ধানী দল কাজ করছে। এর আগে, সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে গত রোববার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, মুজিববর্ষে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বেদি তৈরি, সরকারি অফিসে ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেল পাথরের মূর্তি নির্মাণ এবং সময় গণনার ডিজিটাল বোর্ড তৈরিতেই ৯৮২ কোটি টাকার অধিক ব্যয় হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের অনুরোধে থামল প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহর, তুললেন সেলফি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


শিক্ষার্থীদের অনুরোধে থামল প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহর, তুললেন সেলফি

শিক্ষার্থীদের জন্য আবারো অনন্য মমতার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। গাড়ি বহর থামিয়ে তিনি একদল স্কুল শিক্ষার্থীর আবদার পূরণ করেন এবং তাদের সাথে সেলফিতে বন্দি হন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যে এই ঘটনাটির একটি ভিডিও ও ছবি ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র থেকে জানা গেছে, যখন প্রধানমন্ত্রী তাঁর নির্ধারিত পথ ধরে যাচ্ছেলেন, তখন সড়কের পাশে একদল শিক্ষার্থী তাঁকে দেখার জন্য অপেক্ষা করছিল। গাড়ি বহর যখন কাছাকাছি আসে, তখন শিক্ষার্থীরা হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানায় এবং ছবি তোলার আকুতি করে। শিক্ষার্থীদের মুখচ্ছবির বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখে প্রধানমন্ত্রী তাঁর চলন্ত গাড়ি বহর থামাতে নির্দেশ দেন।

গাড়ি থামিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজেই জানালা খুলে শিক্ষার্থীদের কাছে ডাকেন এবং হাসিমুখে তাদের সাথে সেলফি তোলেন। দেশের সরকার প্রধানকে এত কাছ থেকে পেয়ে এবং তাঁর সাথে ছবি তুলতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে।

এদিকে, অন্য এক কর্মসূচিতে বরিশাল ক্যাডেট কলেজের সামনে অবস্থিত শিশুনিকেতন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে এই উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। ক্রীড়া সামগ্রী হাতে পেয়ে শিশুনিকেতন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুুর্নীতির অভিযোগ, আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের উৎস নিয়ে প্রশ্ন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাহামুদ খান সুমন

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুুর্নীতির অভিযোগ, আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের উৎস নিয়ে প্রশ্ন?


 সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) দেশের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে সংস্থাটি। ফলে এ খাতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

সম্প্রতি সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকে ঘিরে টেন্ডার ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক প্রভাব, কমিশন গ্রহণ, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ সামনে এসেছে। বিভিন্ন অভিযোগপত্র, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ঠিকাদার এবং অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এসব অভিযোগ উত্থাপন করেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, কক্সবাজার, মুন্সিগঞ্জ, রাজশাহী ও রংপুরে দায়িত্ব পালনকালে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পরিবেশ তৈরি করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, দরপত্রের কারিগরি শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হতো যাতে প্রতিযোগিতা সীমিত হয়ে পড়ে এবং নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়।

সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) অনুযায়ী, সব সরকারি ক্রয় প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ হওয়ার কথা। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট টেন্ডার নথি, মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদন, কার্যাদেশ এবং ই-জিপি রেকর্ড পর্যালোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সওজের একাধিক কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রকল্পে প্রশাসনিক ও কারিগরি অনুমোদনের আগে কমিশন দেওয়ার চাপ থাকত। অভিযোগকারীদের দাবি, কমিশন ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে ফাইলের অগ্রগতি ব্যাহত হতো।


নিম্নমানের নির্মাণকাজের অভিযোগ> কয়েকটি সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কার প্রকল্পে কাজ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে অনেক সড়ক দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।

প্রকৌশল বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রকল্পের পরিমাপ বই (Measurement Book), ল্যাব টেস্ট রিপোর্ট, গুণগত মান পরীক্ষার নথি এবং অডিট রিপোর্ট পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের সম্পদের উৎস নিয়ে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, গত এক দশকে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদ গড়ে উঠেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব সম্পদের সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবনের বৈধ আয়ের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

এ ছাড়া ব্যাংক হিসাব, এফডিআর, সঞ্চয়পত্র এবং সম্ভাব্য বিদেশি সম্পদের বিষয়েও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

এ ছাড়ও কিছু অভিযোগপত্রে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে। অর্থ পাচারের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত অনুসন্ধান প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, পদায়ন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রভাব বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ রয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।


অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযোগগুলোর বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষা সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অডিট, উন্মুক্ত দরপত্র, ডিজিটাল নজরদারি এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা জরুরি। এতে রাষ্ট্রীয় অর্থের সুরক্ষা যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনআস্থাও বৃদ্ধি পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সিএনএনের প্রতিবেদন

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারে চাপ, দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা নিয়ে শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারে চাপ, দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা নিয়ে শঙ্কা

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অস্ত্রভান্ডার দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। পরিস্থিতি যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে ওঠে, তাহলে ভবিষ্যতে চীন বা উত্তর কোরিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার সামর্থ্য দুর্বল হয়ে পড়তে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি ঘোষণা করার পর এ বিষয়ে উদ্বেগের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক এবং অবসরপ্রাপ্ত মেরিন কর্নেল মার্ক কানসিয়ান বর্ণনা করেন, যদি বর্তমান হারে যুদ্ধ অব্যাহত থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত এমন পর্যায়ে নেমে যেতে পারে, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করবে।

সিএনএনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে, যুদ্ধের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র কয়েক হাজার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে। সিএসআইএসের হিসাবে, গত এপ্রিল পর্যন্ত দেশটি তাদের অন্তত অর্ধেক থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর, প্রায় অর্ধেক প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রায় ৩০ শতাংশ টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের গবেষক মাইকেল ও'হ্যানলনের মন্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত প্রত্যাশার তুলনায় অনেক দ্রুত কমে গেছে এবং এতে কোনো সন্দেহ নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘাটতি পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। বর্তমানে পেন্টাগন প্রতি মাসে গড়ে মাত্র ১৫টি টমাহক এবং ২০টি নতুন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে। তাছাড়া ২০২৬ সালের মধ্যে নতুন কোন থাড ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই।

সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা এলেন ম্যাককাসকার জানিয়েছেন, অধিকাংশ অস্ত্রের মজুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দুই থেকে পাঁচ বছরের মতো সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিশেষজ্ঞ জন ফেরারির মতে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরও নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের জন্য কংগ্রেস অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দেয়নি, যার কারণে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে নেই।

এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধের ব্যয় নির্বাহের জন্য হোয়াইট হাউস কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছে। একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের গতি বাড়াতে ‘ডিফেন্স প্রোডাকশন অ্যাক্ট’ প্রয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন প্রক্রিয়াকে দ্রুত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব পদক্ষেপের সুফল তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে না। নতুন উৎপাদন লাইন চালু করতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন। প্রতিবেদনে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, জাপানে একটি প্যাট্রিয়ট কারখানা নির্মাণ করতে তিন বছর লেগেছে। অন্যদিকে, জার্মানি ২০২২ সালে নির্মাণকাজ শুরু করলেও এখনও উৎপাদনে সফল হয়নি।

পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল দাবি করেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী এখনও যুক্তরাষ্ট্রেরই এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্র ও সক্ষমতা তার হাতে রয়েছে। অন্যদিকে, মাইকেল ও'হ্যানলনের মূল্যায়ন, বর্তমানে চীন বা উত্তর কোরিয়াকে প্রতিহত করার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। তবে একটি বিশেষ সীমার পর সেই সক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। সেই সীমা কোন জায়গায় তা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা কঠিন, কারণ বিষয়টি অনেকাংশেই সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়নের ওপরে নির্ভরশীল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটির বরকলে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


রাঙামাটির বরকলে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় বিজিবি

রাঙামাটির সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ সোমবার সকালে জেলার বরকল উপজেলার ছোট হরিণা সীমান্তের বিভিন্ন গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে বিজিবির ছোট হরিণা ১২ ব্যাটালিয়ন।

ছোট হরিণা ১২ ব্যাটালিয়নের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদীর নেতৃত্বে বিজিবির সদস্যরা সীমান্ত নিয়ন্ত্রীত এ্যারাবুনিয়া ও আমতলা এলাকার ৬০টি বন্যাকবলিত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেন।

বিতরণ করা ত্রাণের মধ্যে ছিল চাল, আটা, তেল, চিড়া, মুড়ি, গুড়, বিস্কুট, খাবার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, মোমবাতি ও দিয়াশলাইসহ বিভিন্ন শুকনো খাদ্যসামগ্রী।

জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মানুষের যেকোনো দুর্যোগে পাশে থাকা বিজিবির দায়িত্বের অংশ। তিনি জানান, টানা ভারী বর্ষণে ছোট হরিণা ব্যাটালিয়ন সদরসহ কয়েকটি বিজিবি ক্যাম্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পরেও সদস্যরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্গত মানুষের সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা সংকটময় পরিস্থিতিতে বিজিবি সবসময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%