ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাবিতে ন্যানোটেকনোলজি গবেষণায় এএফএম মেশিন ব্যবহারে প্রশিক্ষণ


ঢাবিতে ন্যানোটেকনোলজি গবেষণায় এএফএম মেশিন ব্যবহারে প্রশিক্ষণ

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস এবং তুর্কি সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা (টিকা)-এর যৌথ উদ্যোগে অ্যাটমিক ফোর্স মাইক্রোস্কোপ বা এএফএম মেশিনের ব্যবহার, ইনস্টলেশন ও পরিচালনা বিষয়ক ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার, সেন্টারের সেমিনার কক্ষে কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অ্যাটমিক ফোর্স মাইক্রোস্কোপের উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন: যবিপ্রবির শিক্ষার্থী তানভীরুল হককে কান ফাটানোর ঘটনায় সাময়িক বহিষ্কার

তিনি উল্লেখ করেন, এই মেশিনটি ন্যানোটেকনোলজি বিষয়ক উচ্চতর গবেষণা করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এর মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্কের মধ্যে আরও উন্নতি হবে এবং বিজ্ঞান বিষয়ক আন্তঃবিভাগসমূহের গবেষণার পরিধি বাড়বে। এই মেশিন উপহার দেওয়ার জন্য তিনি তুর্কি সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা’র কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষকবৃন্দ ও প্রজেক্ট এক্সপার্ট নুরুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী নানা বিভাগের শিক্ষক, বিজ্ঞানী ও শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেন ন্যানোম্যাগনেটিক ইন্সট্রুমেন্টের ইঞ্জিনিয়ার মেহমত কচ।

উল্লেখ্য, বৈজ্ঞানিক গবেষণার উৎকর্ষ সাধন এবং গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তুর্কি সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা (টিকা) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস ভবনে এই অ্যাটমিক ফোর্স মাইক্রোস্কোপ (এএফএম) স্থাপন করে।

আরও পড়ুন: বিজেপি অফিসের সামনে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি পশ্চিমবঙ্গের বিধায়কের

এই মেশিনটি অতি ক্ষুদ্র অণু-পরমাণুর ছবি তোলে, যা খালি চোখে দেখা যায় না এবং মূলত স্পর্শ করার অনুভূতির মাধ্যমে চালিত হয়। কম্পিউটারের সাহায্যে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে এটি পরিচালনা করা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনা সেনারা ভারতে ঢুকে বিশাল এলাকা দখল করেছে বলে দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


চীনা সেনারা ভারতে ঢুকে বিশাল এলাকা দখল করেছে বলে দাবি

ভারতীয় ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার অভ্যন্তরে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) প্রবেশ করেছে। সেখানে তারা সামরিক ঘাঁটি ও ক্যাম্প নির্মাণের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসীদের চারণভূমি ও কৃষিজমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নিজেদের দখলে নিয়েছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের একটি স্থানীয় আদিবাসী সংগঠন সীমান্ত এলাকায় চীনের এমন বড় ধরনের অনুপ্রবেশ ও দখলদারির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবনসিরি জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ‘নাহ’ আদিবাসীদের একটি সংগঠন দাবি করেছে যে, ভারতীয় ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে ঢুকে চীনা বাহিনী ইতিমধ্যে পাকাপোক্ত ঘাঁটি গড়ে তুলেছে। তাদের এই দখলদারির কারণে গত ছয় বছরের বেশি সময় ধরে ওই এলাকায় স্থানীয়দের চাষাবাদ, বনজ সম্পদ সংগ্রহ এবং পশুচারণ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

নাহ আদিবাসীদের সংগঠন ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’র সভাপতি কেরু চাদের আপার সুবানসিরি জেলার ডেপুটি কমিশনারের কাছে এই বিষয়টির ওপর একটি আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপি প্রদর্শন করেছেন। কেরু চাদের বলেন, ‘ওই জমি আমাদের পূর্বপুরুষদের। সেখানে বহু যুগ ধরে আমাদের মানুষেরা বিভিন্ন কাজ করেছেন। কিন্তু কয়েক বছর আগে যেসব জমিতে আমরা অবাধে চলাফেরা করতাম, সেগুলো এখন চীনা সামরিক বাহিনীর দখলে চলে গেছে।’

স্মারকলিপির তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) লাগোয়া আপার সুবনসিরি জেলার তাকসিং রাজস্ব সার্কেলের আওতাধীন অন্তত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে চীনা সামরিক বাহিনী স্থায়ী পরিকাঠামো ও সড়ক নির্মাণ করেছে। আসফিলা এলাকার ওয়িং এবং পনিয়ার (চুজার্তা এলাকা), মারপান, পোত্রাং ও টিনডিংতাংয়ে চীনের এই দখলদারির ঘটনা ঘটেছে। এসব অঞ্চলের কিছু স্থানকে স্থানীয়রা পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবেও বিবেচনা করেন।

কেরু চাদের জানান, প্রায় ১২ বছর আগে থেকে মাঝে মাঝে ওই এলাকাগুলোতে চীনের সেনাবাহিনী ঢুকে পড়ত। কিন্তু ২০২০ সাল থেকে তারা কৌশলগতভাবে পাকাপাকিভাবে ওই ভূখণ্ডগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। কার্যত ওই সময় থেকেই স্থানীয় গ্রামবাসীদের সেখানে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তাকসিং এলাকায় চীনা সামরিক বাহিনীর তৎপরতার গতি ও উদ্দেশ্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা প্রতিদিন ইঞ্চি ইঞ্চি করে আমাদের নিজেদের ভূমি হারাচ্ছি।’

এই সম্পর্কে স্থানীয় নাচো এলাকার বিধায়ক নাকাপ নালো বলেছেন, বিষয়টি হলো জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই আদিবাসী সংগঠনের উত্থাপিত অভিযোগগুলোর প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ও গুরুত্বের সাথে যাচাই করা প্রয়োজন।

তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই অনুপ্রবেশের দাবি সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, অরুণাচল প্রদেশে চীনের সামরিক বাহিনীর অনুপ্রবেশ এবং ঘাঁটি স্থাপনের অভিযোগগুলি ভুল ও ভিত্তিহীন। এর পাশাপাশি জেলা প্রশাসন বা অরুণাচল প্রদেশ সরকার এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে লাদাখেও একইভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে স্থানীয় পশুপালকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল চীনের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে। তবে সে সময় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করেছিল, লাদাখে ভারতের এক ইঞ্চি ভূখণ্ডও চীন দখল করতে পারেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ফিরতে বাধা দিচ্ছে ভেনেজুয়েলা সরকার: মাচাদো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


দেশে ফিরতে বাধা দিচ্ছে ভেনেজুয়েলা সরকার: মাচাদো

ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো অভিযোগ করেছেন যে, গত সপ্তাহের ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে এক হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর পর তিনি দেশে ফিরতে চাইলে সরকার তার প্রত্যাবর্তনে বাধা দিচ্ছে। সোমাবর পানামা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় মাচাদো এই অভিযোগ করেন। ভিডিও বার্তায় মাচাদো বলেন, ‘এই হৃদয়বিদারক সময়ে’ ভেনেজুেলার জনগণের পাশে থাকতে তিনি দেশে ফিরতে চান। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার তাকে দেশে প্রবেশে বাধা দিতে ভেনেজুয়েলার বাণিজ্যিক আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। মাচাদো বলেন, ‘তাদের সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হয়েছে। কিন্তু যারা আমার ফিরে আসা সহজ করতে চায়, তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে।’ গত ডিসেম্বরে মাস থেকে তিনি নির্বাসনে রয়েছেন। পরে তিনি নরওয়ের রাজধানী অসলোতে গিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করেন। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাজধানী কারাকাসের সেবাদানকারী মাইকেতিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে মানবিক সহায়তা বিষয়ক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমানবন্দরটি আংশিকভাবে পুনরায় চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া মধ্যাঞ্চলীয় শহর ভ্যালেন্সিয়া ও পূর্বাঞ্চলীয় শহর মারাকাইবোর বিমানবন্দর দিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করছে। যুগ্ম ভূমিকম্পের ঘটনাটি ঘটে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে আটক করার ছয় মাস পর। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজ। ওয়াশিংটনের চাপের মধ্যেই তিনি সরকার পরিচালনা করছেন। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মাচাদোর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট তাদের প্রার্থী এদমুন্দো গঞ্জালেস উরুতিয়ার বিজয়ের দাবি করেছিল। তবে জালিয়াতির অভিযোগ উপেক্ষা করে মাদুরো নিজেকে পুনর্নির্বাচিত ঘোষণা করেন। মাচাদো গত মে মাসে পানামা থেকে ঘোষণা দেন, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে গণতান্ত্রিক ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে আলোচনা করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে রড্রিগেজ প্রশাসন এ বিষয়ে তার দাবির কোনো জবাব দেয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
টেলিফোনে ইনুকে শেখ হাসিনা

সেনা পাঠানো হচ্ছে, হেলিকপ্টার দিয়ে সরাসরি বোম্বিং করতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


সেনা পাঠানো হচ্ছে, হেলিকপ্টার দিয়ে সরাসরি বোম্বিং করতে হবে

যৌথভাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনের পর সরকারী সুত্র জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ার হত্যাকাণ্ডে মানবতাবিরোধী অপরাধে করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

২০২৬ সালের ৩০ জুন, মঙ্গলবার দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণা করেন।

মামলাটির একমাত্র আসামি ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অভিযোগ হচ্ছে, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা করার নির্দেশ দেওয়া এবং আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় উসকানি দেওয়া।

প্রতাপশালী তথ্যমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন হাসানুল হক ইনু। তিনি ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক নেতাও ছিলেন। সেই সুবাদে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে চলা ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে তাদের মধ্যে বিভিন্ন কথা চালাচালি হয়েছে।

অতীতের ফোনালাপগুলি প্রকাশিত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপিত হয়। তার মধ্যে একটি কথোপকথনে শোনা যায়, হাসানুল হক ইনু শেখ হাসিনাকে ২০২৪ সালের আন্দোলন দমনে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন। এই ফোনালাপটি নিম্নরূপ:

হাসানুল হক ইনু: হ্যালো, জি জি স্লামালাইকুম।

শেখ হাসিনা: হ্যাঁ, ওয়ালাইকুমস্লাম, কী হইছে?

হাসানুল হক ইনু: ইনু বলছিলাম... না এক কথা... আমি মনে করি যে আপনার পদক্ষেপটা সঠিকই হয়েছে। এখন পর্যন্ত যা রিপোর্ট বাংলাদেশে পাচ্ছি আরকি। খালি ঢাকাতে আপনার রামপুরার দিকে এবং...

শেখ হাসিনা: না রামপুরা ক্লিয়ার, শনির আখড়ায় একটু ঝামেলা এখন আছে...

হাসানুল হক ইনু: শনির আখড়ায় কিছু মোল্লারাই...

শেখ হাসিনা: হ্যাঁ জানি, না, খালি মোল্লা না ওইখানে অনেক মাদরাসা।

হাসানুল হক ইনু: মাদরাসা আছে ওই...

শেখ হাসিনা: ... ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে... মাইকিং করতে হচ্ছে আরকি... নারায়ণগঞ্জে ঢুকতে দিচ্ছে না, আর্মিকে আমরা... নামাচ্ছি।

হাসানুল হক ইনু: ও আচ্ছা...

শেখ হাসিনা: না আমি বলছি ক্যাজুয়াল্টির দরকার নাই। ওরা ব্যারিকেড দিয়ে আছে তো, ঠিকাছে, আকাশ থেকে নামবে, তখন দুই পাশ দিয়ে ধরবে... মেসেজটা দিয়ে দিতে পারেন যে... সেনা পাঠানো হচ্ছে... আর হেলিকপ্টার দিয়ে সোজা বোম্বিং করা হবে... র‍্যাবের হেলিকপ্টার দিয়েও ওপর দিয়ে মারবে।

হাসানুল হক ইনু: আচ্ছা, ওপর দিয়ে সাউন্ড বোম যাবে আরকি, ঠিকাছে... আমি একটা পয়েন্ট আপনাকে একটু নজরে আনার জন্য রিকোয়েস্ট করতেছি যে, কারফিউ ধরেন দুই-পাঁচদিন যা চলল, চলল। কিন্তু কারফিউয়ের পর যেন আর মিছিল না নামতে পারে সেজন্য একট হোমওয়ার্ক করতে, করা দরকার যেরকম আমি উত্তরা, বাড্ডা, গুলশান, যাত্রাবাড়ীতে যারা মিছিল লিড করছে সেইগুলা চিহ্নিত আরকি... ছাত্রদল, বিএনপির ছেলে-মেয়ে, ছেলেরা, শিবিরের... মানে ধরেন রিজভীকে এরেস্ট করা বা রুহুলকে এরেস্ট করা ইম্পর্টেন্ট না, ইস্পটে হচ্ছে ওইখানে গ্রাউন্ডে যে মিছিলটা লিড করেছে, আমি কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার সেভাবে অলরেডি তালিকা করে ফেলেছে। ওখানে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। একটা ছররা গুলিতে খালি একজনের পায়ে লাগছে, উনি ম্যানেজ করছে। ম্যানেজ করছে। উনি অলরেডি কম্পিউটারে ছবি দেখে দেখে ছেলেগুলার তালিকা করতেছে। তা আমি বললাম যে ছেলেগুলাকে আজকে রাত্রের ভেতরে পিকআপ করে নাও।

শেখ হাসিনা: হ্যাঁ শিওর।

হাসানুল হক ইনু: যেন মিছিলটা লিড না করতে পারে। তা আমি ঢাকা শহরের জন্য বলছি যে আপনার গোয়েন্দারা নিশ্চয়ই তালিকা করতে পারবে যে উত্তরায় কারা।

শেখ হাসিনা: ... খালি গোয়েন্দারটা না, লোকাল লিডারদেরও করা উচিত।

হাসানুল হক ইনু: লোকাল লিডার ওইখানে এমপি খসরু ও হাসান হাবিব আছে। আমার কালকের যে রিপোর্ট হাসান হাবিব কিন্তু। ও রাগ করে খসরুর ওপর ছেড়ে দিছে যে এমপি সাহেব মোকাবিলা করুক.....

শেখ হাসিনা: খসরু তো পারবে না, খসরু তো লোকাল না, হাসান তো লোকাল, ওদেরতো লোকজন আছে।

হাসানুল হক ইনু: লোকাল না তো। রাইট, হাসান হাবিব নামেনি। আর এখানে ওয়াকিলও সামলাইতে পারেনি, ও দুই লাইনে পা দিয়ে চলে। তো আমার কথা হচ্ছে যে একটু লোকাল লিডারদের সাহায্যে তালিকাটা করে নিয়ে আজকের রাত্রের ভেতরে সব কাস্টডিতে নিতে পারেন তাহলে কোনো জায়গায়... আর মোহাম্মদপুরে একটা পাঁয়তারা ছিল। কালকে আপনি রাত বারোটায় গিয়ে খুব ভালো করছেন। আজ কিন্তু গণভবন ঘেরাও করতো। কিন্তু মোহাম্মদপুরে ওইখান থেকে রেডি হচ্ছিল কালকে, মানে এইটা, সুতরাং...

শেখ হাসিনা: হ্যাঁ এইটা কয়েকদিন ধরে করতেছে।

হাসানুল হক ইনু: ডিসিশনটা খুবই কারেক্ট হইছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা: থ্যাংকিউ, থ্যাংকিউ... আমরা হলাম রণক্ষেত্রের সাথী।

হাসানুল হক ইনু: রণক্ষেত্রের সাথী। তা আপনি একটু দয়া করে... এই পিকআপটা করতে বলেন...

শেখ হাসিনা: না এইটা বলা আছে, বলতেছি, বলতেছি।

হাসানুল হক ইনু: ওইটা একটু হোমওয়ার্ক করতে বলেন, করে এরেস্ট করে ফেলতে বলেন আজকে। মানে সবই এরেস্ট করে ফেললে আর মিছিল করার লোক থাকবে না।

শেখ হাসিনা: লিসেন, দাঁড়ান, দাঁড়ান। এরেস্ট করে....

হাসানুল হক ইনু: আরেকটা রিকোয়েস্ট আমার যে ইন্টারনেট আমার মনে হয় চালু করতে পারেন, এটা আমাদেরই কাজে লাগবে।

শেখ হাসিনা: ভাই কি যে চালু করবো সবতো পোড়াই দিছে। ডাটা সেন্টারও পোড়ায় দিছে। এখন ওই নতুন তারতুর কিনে জোড়া লাগাতে হবে।

হাসানুল হক ইনু: ...আমি যে কথাটা বলার চেষ্টা... আমি একাত্তরে রাত আটটার সময় যাবো একা কথা বলবো। আমি বলবো যে সরকারের সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীর কোনো বিরোধ নাই। সরকারের সঙ্গে বিরোধ হচ্ছে নাশকতাকারী বিএনপি-জামায়াতের।

শেখ হাসিনা: না ওইটা তো বলা হয়েছে। ওইটা আমি নিজেও বলছি...

হাসানুল হক ইনু: ... এই জিনিসটা প্রোপাগান্ডায় আনতে হবে যদি ইন্টারনেট থাকে, গণমাধ্যম দিয়ে আমরা পুরা নিউজে ফ্লাড করে দিলাম...

শেখ হাসিনা: ইন্টারনেট পাবো কোথায়? ইন্টারনেট পোড়ায় দিছে। জীবনে... আমি তো আর আনবো না, যদি অন্য সরকার আসে তাহলে আনবে... আমি দিছি ইন্টারনেট, ওরা পোড়াইতে থাকুক, ওইটা চলতে হবে...

হাসানুল হক ইনু: অন্য সরকার, বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ অন্য সরকার আসবে না।

শেখ হাসিনা: আসুক, না আমি আর পারবো না... যাচ্ছি এখন

হাসানুল হক ইনু: না না... যাওয়া দরকার নাই

শেখ হাসিনা: জামায়াত শায়েস্তা করে রেখে যেতে হবে

হাসানুল হক ইনু: ....

শেখ হাসিনা: ... আপনার যেখানে যেখানে লোক আছে তালিকাগুলো আপনারা করান, আমরাও করাচ্ছি।

হাসানুল হক ইনু: ...আপনি এই... জামায়াত-শিবিরের মেরুদণ্ডটা আবার ভেঙে দেন ঢাকা শহরে।

শেখ হাসিনা: একেবারে...

হাসানুল হক ইনু: ...এক্সপোজ হইছে আরকি, একটু দেখেন, আর আমি বাদবাকি আমাকে যেটা বলবেন আমি ইনশাআল্লাহ করবো, কোনো অসুবিধা নাই।

শেখ হাসিনা: না ওই তালিকাগুলো একটু করায় ফালান...এই ইস্যুতে যা পারেন, শিবির যে কয়টা আছে, যা আছে সব বের করেন...

হাসানুল হক ইনু: বুঝছি আমি বুঝছি। জি স্লামুয়ালাইকুম

শেখ হাসিনা: ঠিকাছে আচ্ছা।

হাসানুল হক ইনু: জি স্লামুয়ালাইকুম

শেখ হাসিনা: থ্যাংকিউ, থ্যাংকিউ...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতের মধ্যে ২০ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


রাতের মধ্যে ২০ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা

দেশের ২০ জেলায় রাত ১টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি ও ব্রজবৃষ্টির আশঙ্কা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কবার্তা প্রদান করে। সেই সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয় যে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকায় নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%