ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা


ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা পরিষদের সব সদস্যের পদত্যাগ দাবি নিয়ে রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। এটি দ্বিতীয় দিনের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ব্যাংকের এই কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত। উপস্থিত রয়েছে জলকামান ও সাঁজোয়া যান। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টায় পূর্ব ঘোষণার ভিত্তিতে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে কয়েক শত সচেতন গ্রাহক অংশগ্রহণ করেছে। তবে গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করা বেশিরভাগ লোকই জামায়াত-শিবিরের অনুসারী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, একটি রাজনৈতিক দল, জামায়াত-শিবির, ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে এবং কোনো ব্যাংকে রাজনৈতিক প্রভাব মেনে নেওয়া হবে না। আন্দোলন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন আনার চেষ্টা সফল হবে না।

আন্দোলনকারীদের নেতা প্রফেসর নুরুন্নবী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা চাই শরিয়াহ ব্যাংকিং ব্যবস্থা আরো বিকশিত হোক, সেই কারণে আমরা ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হয়েছি। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের আন্দোলন নয়, ব্যাংকের স্বার্থে আমাদের সচেতন গ্রাহকদের আন্দোলন।’ অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসলামী ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা ইনকিলাবকে জানান, ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জামায়াত-শিবিরের আধিপত্য ছিল, যা এখনো চলছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চাকরি থেকে চাকরিচ্যুত হওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশই জামায়াত-শিবিরের লোক। সেই গ্রুপটি ব্যাংকটিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন: দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

প্রগতিশীল আওয়ামী লীগ সরকার এস আলম গ্রুপের হাতে ব্যাংকটি দেওয়ার পরেও ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছিল জামায়াতের লোকজন। সম্প্রতি এস আলম ব্যাংক থেকে লুটপাট এবং অর্থ পাচারের ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের চক্র জড়িত ছিল। ব্যাংকটিতে এস আলম কর্তৃত্বের সময় যারা ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তারা সবাই জামায়াতের। আসলে এস আলম জামায়াতের লোক। জামায়াত লিয়াজোঁ রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন রেহেনাকে খুশি রাখতে সার্বিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছিল। গত বছরগুলোতে ব্যাংকের সিএসআর ফান্ডের টাকা এবং নস্ট্রো হিসাবের টাকা জামায়াতের বিভিন্ন কল্যাণমূলক ট্রাস্ট, হাসপাতাল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গেছে বলেও জানিয়েছেন সূত্রগুলি। এছাড়া, গত জাতীয় নির্বাচনে বড় অঙ্কের একটি ফান্ড জামায়াতের নির্বাচনী তহবিলে প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে জামায়াতে ব্যয় করা একটি নির্দিষ্ট দলের ফান্ডে কী পরিমাণ টাকা গিয়েছে তা দ্রুত তদন্ত হওয়া উচিত বলেও মতামত দিয়েছেন এসব কর্মকর্তারা।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছে, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদে সাম্প্রতিক পরিবর্তন ও নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগ নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এ কারণে তারা নিয়োগ বাতিল, পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং সাবেক এমডিকে পুনর্বহাল করার দাবিতে কর্মসূচি পালন করছেন।

মানববন্ধন থেকে একজন নেতা আব্দুল হান্নান খন্দকার বলেন, ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে গ্রাহকদের আমানত সংরক্ষণ করে আসছে এবং সুদমুক্তভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। বিগত সরকার এই ব্যাংকটিকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে এস আলম গ্রুপকে দায়িত্ব দেয়। তারা ব্যাংকের অর্থ লুট করে বিদেশে পাচার করে ব্যাংকটিকে ধ্বংসের কিনারে নিয়ে আসে। ৫ আগস্টের পর নতুন পরিস্থিতিতে ইসলামপ্রিয় ও স্বচ্ছ অর্থব্যবস্থায় বিশ্বাসী মানুষরা তাদের যা কিছু আছে নিয়ে পুনরায় ইসলামী ব্যাংকে বিনিয়োগ করছে। ব্যাংকটি যখন আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসার চেষ্টা করছে, তখন একটি কুচক্রী মহল আবারও ব্যাংকটিকে ধ্বংসে লিপ্ত।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করছে যে খুরশিদ আলমকে ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান করার ফলে ব্যাংকটিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষ এবং আমানতকারীরা বলেছেন, তারা ব্যাংকটিকে আর লুণ্ঠনকারীদের হাতে ছেড়ে দেবেন না। প্রবাসীদের আস্থা রয়েছে এই ব্যাংকে এবং তারা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ব্যাংকটিকে সচল রাখতে সাহায্য করবেন। সকল আমানতকারীকে ইসলামী ব্যাংকে তাদের আমানত রেখে ব্যাংকটিকে সফল করতে ও পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে।

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক সেমিনারে যোগ দেবেন ডা. জুবাইদা রহমান

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। তার পরে সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশিদ আলমকে ব্যাংকটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এরপর থেকে গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্ধ ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে উদ্ধার হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তার মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪০ এম


বন্ধ ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে উদ্ধার হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তার মরদেহ

রাজধানীর উত্তর মুগদার আহমদবাগের একটি বাসা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তানভীর হোসাইন শুভ (৪৫) এর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ঘরের দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তানভীর হোসাইন এর বাবার নাম তবারক হোসেন। তাদের স্থায়ী বাসা সেগুনবাগিচায়, তবে সম্প্রতি স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি উত্তর মুগদার ওই ফ্ল্যাটে একা থাকতে শুরু করেন।

বাড়ির মালিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঈদের দিন তিনি শেষবারের মতো তানভীরকে জীবিত দেখেছিলেন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ বা সাড়া-শব্দ পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার রাতে তার ঘর থেকে তীব্র ও অসহ্য দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে বাড়ির অন্যান্য ভাড়াটিয়া ও মালিকের মনে সন্দেহ জাগে। পরে তারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দেন।

মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বোরহান উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আমরা আহমদবাগের ওই বাসাটির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করি। সেখানে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার অর্ধগলিত মরদেহটি দেখতে পাই। ধারণা করা হচ্ছে, বেশ কয়েক দিন আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।’

এসআই আরও জানান, ঘটনার পর নিহতের সহকর্মী ও আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেয়া হয়েছে। তাদের উপস্থিতিতেই পুলিশ প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও মরদেহ উদ্ধারের কাজ সম্পন্ন করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমি সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবেই কাজ করব’ : খলিলুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪২ এম


‘আমি সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবেই কাজ করব’ : খলিলুর রহমান

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সদ্য নির্বাচিত জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, "আমি অব্যর্থভাবে জাতিসংঘের সনদ সমুন্নত রাখবো এবং প্রেসিডেন্টের আচরণবিধি অনুসারে প্রেসিডেন্সির কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে পরিচালনা করবো।"

তিনি আরো বলেন, "আমি সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবো। আমি আমার কাজের সময় সব সদস্য রাষ্ট্রকে সম্পৃক্ত করবো। আমি আমার ব্যক্তিগত মতামতকে পিজিএ হিসেবে আমার কাজে হস্তক্ষেপ করতে দেবো না। আমি পার্থক্য উপেক্ষা না করে সাধারণ ভিত্তি সন্ধান করবো।"

মঙ্গলবার (২ জুন) নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরে ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনের পর এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

খলিলুর রহমান বলেন, "আমি সব সদস্য রাষ্ট্রকে প্রেসিডেন্ট অফিসের কাজ পরিচালনায় সহায়তা করার জন্য পিজিএ ট্রাস্ট ফান্ডে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছি। একটি শক্তিশালী ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের জন্য পর্যাপ্ত দীর্ঘমেয়াদি তহবিল নিশ্চিত করতে আমি তাদের সঙ্গে কাজ করবো।"

তিনি বলেন, "ইউএনজিএ সভাপতি হিসেবে, আমি বিশ্বাস, পুনর্গঠন, ঐকমত্য লালন এবং সৎ বিশ্বাসের আলোচনার জন্য জায়গা উন্মুক্ত করতে নিজেকে উৎসর্গ করবো, যা সবার মালিকানাধীন সব ধরনের ফলাফলের দিকে পরিচালিত করবে। ভৌগোলিক, লিঙ্গ ও ভাষাগত ভারসাম্য প্রতিফলিত করে আমি আমার অফিস সংগঠিত করবো।"

খলিলুর রহমান বলেন, "আজ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো আমাকে পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত করেছে। আমি নম্রতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন একটি ফলপ্রসূ অধিবেশন হবে। কারণ অ্যাসেম্বলিকে জাতিসংঘের সংস্কার, বিশ্ব উন্নয়ন এজেন্ডার পরবর্তী প্রজন্মের প্রস্তুতি এবং পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের সঙ্গে জাতিসংঘের নেতৃত্বের রূপান্তরের বিষয়ে আলোচনা করার জন্য আহ্বান জানানো হবে।"

তিনি বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, জ্বালানির নিরাপত্তাহীনতা এবং উন্নয়নের বিভাজন বৃদ্ধিসহ আমাদের সামনে ইতোমধ্যে জরুরি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর পাশাপাশি এগুলো উন্মোচিত হবে।"

এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য পরবর্তী অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে, আমি আমার ভিশন স্টেটমেন্টে উল্লিখিত ছয়টি অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করবো। এগুলো হচ্ছে—শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার, টেকসই উন্নয়ন এবং এসডিজি ত্বরান্বিত করা, জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব, মানবাধিকার, মানবিক কর্মকাণ্ড, শরণার্থী ও অভিবাসী, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য বহুপাক্ষিকতা, ইউএন ৮০ সংস্কার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক শাসন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেবাচিম হাসপাতালের স্টোররুমে আগুন, আতঙ্ক রোগী-স্বজনদের মধ্যে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫০ এম


শেবাচিম হাসপাতালের স্টোররুমে আগুন, আতঙ্ক রোগী-স্বজনদের মধ্যে

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ওষুধের স্টোররুমে একটি ঘটনার মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের নিচতলায়, এই অগ্নিকাণ্ডের সূচনা ঘটে। তবে, এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর এখনও পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের আধা ঘণ্টার চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রাতে হাসপাতালের নিচতলার ওষুধের স্টোররুমে হঠাৎ করে আগুন ও ধোঁয়া দেখতে পান উপস্থিত রোগীর স্বজনরা। তাদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে আসেন এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর পরে খবর পেয়ে বরিশাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।

বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. সেলিম জানিয়েছেন, 'খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। সেখানে তখন চারদিকে শুধু ধোঁয়া উড়ছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রচেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে, আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।'

শেবাচিম হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (অর্থ ও ভান্ডার) ডা. আব্দুল মুনায়েম সাদ জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণে স্টোররুমে থাকা কিছু ওষুধ এবং বৈদ্যুতিক তার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করার উদ্দেশ্যে এবং আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হলো, সেটা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বিএনপিকর্মীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৩ এম


জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বিএনপিকর্মীর

ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে রানা মিয়া (২৮) নামের এক বিএনপিকর্মীর মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৫ জন।

ঘটনার পর থেকে ঘাতক পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের গাঙ্গের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

নাম অভিযুক্ত মাহিন। তিনি ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলামের পুত্র।

নিহত রানা মিয়া একই এলাকার মৃত শরাফ উদ্দিনের ছেলে ছিলেন। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি বিএনপির কর্মী ছিলেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন আশাদ (৩৬), মোফাজ্জল (৩৫), শাহান (৪৫), মুনসুর আলী (৫০), শাকিল (৩০) এবং দিনি মিয়া (৩৫)।

নিহত রানার স্বজন মাহাবুল জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের বিএনপির পক্ষে কাজ করার পর থেকে জামায়াত নেতা মফিদুলের সঙ্গে আমাদের বিরোধ চলছিল। সোমবার (১ জুন) মফিদুলের বাড়ির ছেলেরা ফুটবল খেলা শেষে দোকানে কোমল পানীয় কিনতে আসে এবং তখন রানার পক্ষের লোকজনকে হেয় করে কথা বলে। এতে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং মফিদুলের লোকজন মারধরের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

এরপর রাতে আবারও মফিদুলের বাড়ির ছেলেরা আমাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং মফিদুল নিজে এসে বিষয়টি মীমাংসা করেন।

পরে, মঙ্গলবার বিকেলে মফিদুল অন্তত ৫০-৬০ জন লোক নিয়ে এসে হামলা চালায়। হামলার সময় মফিদুলের ছেলে মাহিন রানার বুকের পাশে ছুরিকাঘাত করে। এ হামলায় আরো ৫ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রানাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রানার ভাই তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমার ভাইকে বিনা কারণে মফিদুলের ছেলে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। হত্যাকারীদের ফাঁসি দিতে হবে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%