০১:০৩ এম
ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে রানা মিয়া (২৮) নামের এক বিএনপিকর্মীর মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৫ জন।
ঘটনার পর থেকে ঘাতক পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের গাঙ্গের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল
নাম অভিযুক্ত মাহিন। তিনি ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলামের পুত্র।
নিহত রানা মিয়া একই এলাকার মৃত শরাফ উদ্দিনের ছেলে ছিলেন। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি বিএনপির কর্মী ছিলেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন আশাদ (৩৬), মোফাজ্জল (৩৫), শাহান (৪৫), মুনসুর আলী (৫০), শাকিল (৩০) এবং দিনি মিয়া (৩৫)।
নিহত রানার স্বজন মাহাবুল জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের বিএনপির পক্ষে কাজ করার পর থেকে জামায়াত নেতা মফিদুলের সঙ্গে আমাদের বিরোধ চলছিল। সোমবার (১ জুন) মফিদুলের বাড়ির ছেলেরা ফুটবল খেলা শেষে দোকানে কোমল পানীয় কিনতে আসে এবং তখন রানার পক্ষের লোকজনকে হেয় করে কথা বলে। এতে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং মফিদুলের লোকজন মারধরের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
আরও পড়ুন: টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার
এরপর রাতে আবারও মফিদুলের বাড়ির ছেলেরা আমাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং মফিদুল নিজে এসে বিষয়টি মীমাংসা করেন।
পরে, মঙ্গলবার বিকেলে মফিদুল অন্তত ৫০-৬০ জন লোক নিয়ে এসে হামলা চালায়। হামলার সময় মফিদুলের ছেলে মাহিন রানার বুকের পাশে ছুরিকাঘাত করে। এ হামলায় আরো ৫ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রানাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রানার ভাই তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমার ভাইকে বিনা কারণে মফিদুলের ছেলে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। হত্যাকারীদের ফাঁসি দিতে হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আরও পড়ুন: ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’-আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান কামরুল ইসলাম দাউদের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন