ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বগুড়া বিমানবন্দর ঘিরে ৩ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা


বগুড়া বিমানবন্দর ঘিরে ৩ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা

বগুড়া বিমানবন্দরকে আধুনিক বাণিজ্যিক বিমানবন্দরে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নেওয়া এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এর ফলে শুধু বগুড়া নয়, উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার যোগাযোগ, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে বিমানবন্দরের বর্তমান চার হাজার ৫০০ ফুট রানওয়ে বাড়িয়ে ১০ হাজার ফুট করা। সহ এটি অন্তর্ভুক্ত আধুনিক যাত্রী টার্মিনাল, নতুন ট্যাক্সিওয়ে ও অ্যাপ্রোন, আন্তর্জাতিক মানের নেভিগেশন ও লাইটিং ব্যবস্থা, উন্নত ড্রেনেজসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বগুড়া বিমানবন্দর চালু হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য, মাছ, সবজি, দুগ্ধজাত পণ্য ও বিভিন্ন শিল্পপণ্য দ্রুত দেশের অন্য অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে কৃষক ও উদ্যোক্তাদের বাজার সম্প্রসারণসহ রপ্তানি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

বিমানবন্দরটি চালু হলে বগুড়ার পাশাপাশি জয়পুরহাট, নওগাঁ, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, রংপুর ও দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষ এর সুফল ভোগ করবে। বিশেষ করে কৃষিনির্ভর এ অঞ্চলে দ্রুত পণ্য পরিবহনের সুযোগ সৃষ্টি হলে উৎপাদক ও ব্যবসায়ীরা কম সময়ে বড় বাজারে তাদের পণ্য পৌঁছাতে সক্ষম হবেন। একইসঙ্গে বিমানবন্দর ঘিরে গড়ে উঠতে পারে লজিস্টিকস, গুদাম, কোল্ড স্টোরেজ, পরিবহন ও অন্যান্য সহায়ক ব্যবসা। ফলে কৃষি ও শিল্প উৎপাদনের পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিমানবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় বগুড়া বিমানবন্দরের রানওয়ে চার হাজার ৫০০ ফুট থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ফুট করা হবে। নির্মাণ করা হবে আধুনিক যাত্রী টার্মিনাল ভবন। এই পরিকল্পনার মধ্যে নতুন ট্যাক্সিওয়ে ও অ্যাপ্রোন, আন্তর্জাতিক মানের নেভিগেশন ও লাইটিং ব্যবস্থা এবং উন্নত ড্রেনেজ অবকাঠামো নির্মাণও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ ছাড়া বিমানবন্দরের মাস্টারপ্ল্যান, রানওয়ে ও পেভমেন্ট ডিজাইন, টার্মিনাল ভবনের নকশা এবং কারিগরি সহায়তার জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বগুড়া শহর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সদর উপজেলার এরুলিয়া এলাকায় বিমানবন্দরটির অবস্থান রয়েছে। মূলত এটি একটি কার্গো বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

১৯৯১-৯৬ মেয়াদে বগুড়াকে মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিমানবন্দর প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। এরপর ১০৯ দশমিক ৮১ একর জমি অধিগ্রহণ করে রানওয়ে, অফিস ভবন, আবাসিক ভবনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বিমানবন্দরটি বাণিজ্যিকভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি। ২০০৬ সালের ২২ অক্টোবর থেকে এটি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

নতুন উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় ভূ-প্রকৌশল জরিপ, মাটি পরীক্ষা, পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন এবং আর্থিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ করা হবে। এ ছাড়া বিমানবন্দরের সঙ্গে সংযোগ সড়ক, পার্কিং এলাকা এবং অন্যান্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়ও পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বলেছেন, 'বগুড়া বিমানবন্দর শুধু একটি জেলার প্রকল্প নয়, এটি পুরো উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আমি আশা করছি, খুব দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।'

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'এই বিমানবন্দর চালু হলে উত্তরবঙ্গের কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।'

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাচাই শেষে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


যাচাই শেষে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রিত ৩ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী, যারা পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা, তাদের যাচাইয়ের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে মিয়ানমারের জান্তা-সমর্থিত সরকার। মিয়ানমার জানিয়েছে, রাজ্যটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তারা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেবে।

২০১৭ সালের আগস্টে, রাখাইনে একটি রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠী সামরিক বাহিনীর চৌকিতে হামলা করে। এ হামলার প্রেক্ষিতে জান্তা বাহিনী মিয়ানমারে অভিযান শুরু করে, যার ফলে পালিয়ে আসা কয়েক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

আসোসিয়েট প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার (১৫ আগস্ট) এই ঘোষণা দিয়েছে। সেই সময়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নবম বছরে পদার্পণ করেছে।

ওই সামরিক অভিযানের ফলে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে চলে আসে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর একের পর এক সহিংসতায় লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে বহু দশক ধরে বসবাস করে আসছে।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন ও গণহত্যার অভিযোগ তোলে, কারণ অভিযানের ব্যাপকতা, সাংগঠনিক রূপ ও নৃশংসতা। বার্মা নামে পরিচিত মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের দেশটির ১৩৫টি বৈধ জাতিগত সংখ্যালঘুর একটি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।

বরং তারা রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করে বোঝাতে চায় যে, এরা বাংলাদেশের বাসিন্দা এবং মিয়ানমারে বেআইনিভাবে বসতি স্থাপন করেছে।

মিয়ানমার জানিয়েছে, জুলাইয়ের শেষের দিকে বাংলাদেশ কর্তৃক সরবরাহকৃত তালিকায় থাকা ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন শরণার্থীর মধ্যে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য তারা যাচাই করেছে। যাচাইকৃতদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জন রাখাইনের বাসিন্দা হিসাবে নিশ্চিত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং ৪ হাজার ২৪১ জনকে তথাকথিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাখাইনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে যাচাইকৃত বাসিন্দাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে তারা।

দ্বারা থেকে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার দাবিকে মন্ত্রণালয় প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের সহিংসতার পর ৫ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং ২ লাখেরও বেশি মানুষ উত্তর রাখাইনেই অবস্থান করছে।

তবে ২০২১ সালে সামরিক বাহিনী অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর, মিয়ানমারের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং ব্যাপক সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। এর ফলে শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা সফল হয়নি।

২০২৩ সালে রাখাইন-ভিত্তিক জাতিগত গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মি’ ও সামরিক বাহিনীর মধ্যে নতুন সংঘাত শুরু হয়। এই সংঘাতের ফলে আরো বেশি সংখ্যক শরণার্থী নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ ও অন্যান্য স্থানে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সামরিক বাহিনীর কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকা দখলের মাধ্যমে আরাকান আর্মি বর্তমানে রাখাইনের বৃহৎ অংশের নিয়ন্ত্রণ করছে। শরণার্থী শিবিরগুলোর দুরবস্থা, বিদেশি সহায়তা কমে আসা এবং মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার কোন নিরাপদ পথ না থাকায় বেড়ে চলা সংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে জরাজীর্ণ নৌকায় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় যাওয়ার চেষ্টা করছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জুলাইয়ের শেষে জানিয়েছিলেন, প্রত্যাবাসন কর্মসূচির অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত ৫,০০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সম্মত হয়েছে। তবে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হান উইন অং এসময় অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) বলেছিলেন, এই প্রত্যাবাসন কর্মসূচিটি শুধুমাত্র মালয়েশিয়ায় আটক কেন্দ্রে থাকা মিয়ানমারের যাচাইকৃত নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের খবরটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে আরামকোর নাজরান স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি হুথিদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


সৌদিতে আরামকোর নাজরান স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি হুথিদের

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর নাজরান শহরের একটি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) হুথি-নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনি বার্তা সংস্থা সাবা নিউজ এজেন্সি এক সামরিক সূত্রের বরাতে এই দাবি জানায়। সূত্রটি জানায়, নাজরানে আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে এবং এতে হামলার উদ্দেশ্য অর্জিত হয়েছে। তবে হামলায় স্থাপনাটি বাস্তবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। সৌদি কর্তৃপক্ষ বা আরামকোর পক্ষ থেকেও হামলার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

হুথিদের দাবি, ইয়েমেনের সাদা প্রদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আকাশসীমায় সৌদি সামরিক বিমান প্রবেশ করে ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করায় এর জবাবে তারা এই হামলা চালিয়েছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবারও সৌদি আরবের জাজান এলাকায় আরামকোর একটি তেল শোধনাগারে দুটি ড্রোন দিয়ে হামলার দাবি করেছিল হুথিরা। ওই হামলার বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। হুথিরা সৌদি আরবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা বাড়ানোর পাশাপাশি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণাও দিয়েছে। এর জবাবে সৌদি আরব ইয়েমেনে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালাচ্ছে।

সূত্র : আলজাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অর্থ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


ঝালকাঠিতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অর্থ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন

ঝালকাঠি, ১৫ আগস্ট, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অবসরপ্রাপ্ত (এমপিওভুক্ত) শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।

এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঝালকাঠিতে (EFT I iBAS) ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ প্রদানের উদ্বোধন করা হয়।

এ উপলক্ষে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ শনিবার বেলা ১১ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম বায়েজিদ ইবনে আকবর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বশির গাজী, ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আককাস সিকদার এবং জেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবু সাঈদ।

জানা যায়, সরকারের উদ্যোগের আওতায় অবসর সুবিধা বোর্ডের ৭০ হাজার ১১৯টি এবং কল্যাণ ট্রাস্টের ৫৩ হাজার ২০১টি আবেদনের বিপরীতে অর্থ প্রদান করা হবে। সরকার এককালীন ২ হাজার ৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে অর্থ পরিশোধে। এর মধ্যে অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য ৪৮৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।

'আইবাস' ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে অবসর নেয়া অনেক শিক্ষক-কর্মচারী অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ না পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় ছিলেন। দীর্ঘদিনের এই বকেয়া পরিশোধের অংশ হিসেবে ১৫ আগস্ট দেশব্যাপী অর্থ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির কেউ অপরাধে জড়ালে ছাড় নয়: প্রতিমন্ত্রী হাবিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


বিএনপির কেউ অপরাধে জড়ালে ছাড় নয়: প্রতিমন্ত্রী হাবিব

ঢাকা, ১৫ আগস্ট, ২০২৬ : বিএনপির কেউ অপরাধে জড়িত থাকলেও তাকে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরও জানান, মানুষের বা এলাকার ক্ষতি হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ডের দিকে নজর দেয়া হবে এবং তা মেনে নেওয়া হবে না। রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অপরাধীদের সঙ্গে আপস করা হবে না।

আজ রাজধানীর রাজারবাগ-সবুজবাগ এলাকায় শ্রী শ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির মাঠে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে তিনি এসব বিষয়ে আলোচনা করেন।

প্রতিমন্ত্রী হাবিব বলেছেন, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কাউকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে ছাড় দেওয়া হবে না এবং আইনের আওতায় আনতে হবে। বিএনপির কেউ এসব অপরাধে জড়িত থাকলে তাকে ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না। তিনি বলেন, অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি প্রশাসনের কাছে আসা বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, 'মাদকের বিরুদ্ধে যাকে ধরতে হয়, তার রাজনৈতিক পরিচয় গ্রহণ করবেন না। সে যেই হোক, তাকে গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা সেই ব্যক্তির শাস্তি প্রত্যাশা করছি।'

হাবিবুর রশিদ আরও জানিয়েছেন, শুধুমাত্র প্রশাসনকে দোষারোপ করে হবে না। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলোকেও এই বিষয়ে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দলের মধ্যে গ্রুপিংয়ের কারণে কিছু সদস্য অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন। তিনি এসব ব্যক্তিদের সতর্ক হতে বলেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। যদি কোনো নেতা ব্যক্তিগত স্বার্থে অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন, তাদের চিহ্নিত করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকার উন্নয়ন সম্পর্কে হাবিবুর রশিদ বলেছেন, জনগণ ভোট দিয়ে বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত করেছে, তাই মানুষের প্রত্যাশা ও দাবি বেশি। এসব দাবির প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং উন্নয়নকাজ চলছে।

তিনি বলেছেন, ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম দায়িত্ব নেওয়ার পর মানিকনগরের একটি সড়কের টেন্ডার হয়ে কাজ শুরু হয়েছে এবং ধলপুর-মানিকনগর থেকে ধলপুর মুগদা হাসপাতাল ও হাসপাতালের পাশে সড়কের কাজও শুরু হয়েছে। বাসাবো-মাদারটেক সড়কের কাজও চালাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, 'এই তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পই বর্তমানে চলমান রয়েছে। জনগণের যে দাবিগুলো রয়েছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নকাজ চলছে।'

ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালামের উদ্যমের প্রশংসা করে হাবিবুর রশিদ বললেন, সিটি কর্পোরেশনের বাজেট স্বল্পতা থাকা সত্ত্বেও সালাম ভাই যথেষ্ট চেষ্টা করছেন এলাকার উন্নয়নে।

তিনি বলেন, এলাকার জনগণ খুব বেশি কিছু চায় না। তারা শুধুমাত্র ভালোভাবে চলাচল করার জন্য রাস্তায় চলাচলের সুযোগ, রাস্তার আলো এবং সঠিকভাবে বর্জ্য অপসারণের জন্য আবেদন করছেন।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গাফিলতির বিষয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্জ্যের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে যদি কেউ গাফিলতি করে বা অতিরিক্ত টাকা আদায় করে, তবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসককে আইনগত ও সিটি কর্পোরেশন আইনের আওতায় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহি রয়েছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির ও শ্মশান পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাবু পবন দাস ও সাধারণ সম্পাদক বাবু গুরু দাসসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%