ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাহমুদউল্লাহর ৮ ছক্কা, তবুও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার বাংলাদেশ


মাহমুদউল্লাহর ৮ ছক্কা, তবুও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সম্মানজনক হার নিশ্চিত করার বা পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অন্যভাবে বললে, বাংলাদেশের পরাজয় নিশ্চিত হওয়ার পর ব্যাট হাতে জ্বলে উঠার দৃশ্যটি অতীতে বহুবার দেখা গেছে।

তবে পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরও পুরোনো অভ্যাসটি এখনও বজায় রয়েছে। ‘বুড়োদের’ জন্য আয়োজিত ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ প্রায় নিশ্চিতভাবে পরাজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল।

সেখান থেকেই একাই লড়াই শুরু করেন মাহমুদউল্লাহ। ২টি চার এবং ৮টি ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৫ বলে অপরাজিত ৭৩ রানের ইনিংস উপহার দেন তিনি। তার লড়াকু ইনিংসের সুবাদে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ১৬৬ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। অস্ট্রেলিয়া, নেতৃত্বাধীন ডেভিড ওয়ার্নার, ৩৭ রানে জয়লাভ করে।

আরও পড়ুন: মুশফিক ইনজুরিতে, সিলেট টেস্টে খেলবেন তো?

টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই পরাজিত হয়েছে। আগের ম্যাচে ইংল্যান্ড তাদের ৭ উইকেটে হারিয়েছিল। অন্যদিকে, ভারতের কাছে প্রথম ম্যাচে হারানোর পর অস্ট্রেলিয়া দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

শারজায় আজ দুই দলের অধিনায়করা ব্যাট হাতে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। পাওয়ারপ্লেতে ৩ উইকেট হারানোর পর মারমুখী ব্যাটিং চালিয়ে যান ওয়ার্নার। ৩৮ বলে ৬৬ রান করে আউট হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়াকে বড় সংগ্রহের ভিত্তি তৈরি করে যান তিনি।

এরপর কালাম ফার্গুসনের ৬৩ ও বেন ডাঙ্কের অপরাজিত ৪৫ রানের সুবাদে অস্ট্রেলিয়া ২০০-এর গণ্ডি অতিক্রম করে। বাংলাদেশের পক্ষে আবু জায়েদ ৩টি এবং জিয়াউর রহমান ২টি উইকেট নেন।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রনি তালুকদার ব্যক্তিগত ৯ রানে রানআউটে কাটা পড়েন। এরপর ইমরুল কায়েস ও ফজলে মাহমুদ ৪১ রানের একটি জুটি গড়েন। কিন্তু এই জুটি ভাঙার পর দ্রুত আরো ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে। পরে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ পরাজয়ের ব্যবধান কমাতে সক্ষম হন।

আরও পড়ুন: এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপে আজ মুখোমুখি হচ্ছে কে-কার

বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচটি ৯ অক্টোবর, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটিয়ার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তিমিরের বিরুদ্ধে দুদকের দুটি মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


পটিয়ার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তিমিরের বিরুদ্ধে দুদকের দুটি মামলা

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে। এক মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। অন্য মামলায় ৩ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৩ টাকা ৭৭ পয়সার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তা ভোগদখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলাগুলি বুধবার (৭ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এ দায়ের করা হয়। দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এর উপ-পরিচালক মো. আল আমিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের নথি অনুসারে, প্রথম মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর নামে ইস্যু করা সম্পদ বিবরণী ফরম গ্রহণ করার পরও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পূরণ করে কমিশনে জমা দেননি।

দুদকের এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের সময় তিমির বরণ চৌধুরীর কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য ফরম ইস্যু করা হয়। গত ২৯ মার্চ দুদকের কর্মকর্তারা চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের ৬ নম্বর মোমিন রোডের বাসায় গিয়ে তার হাতে মূল সম্পদ বিবরণী ফরম তুলে দেন। তিনি নিজ সইয়ে ফরম গ্রহণ করেন।

দুদকের দাবি, সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের সময় ২৯ এপ্রিল শেষ হলেও তিনি সম্পদ বিবরণী জমা দেননি। এ ছাড়া, তিনি সময় বাড়ানোর জন্যও আবেদন করেননি। এই কারণে তার বিরুদ্ধে ২৬(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

দ্বিতীয় মামলায় ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৩ টাকা ৭৭ পয়সার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আসে। পরে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানে তার সম্পদের সঙ্গে গ্রহণযোগ্য আয়ের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তিমির বরণ চৌধুরীর স্থাবর সম্পদের মধ্যে রহমতগঞ্জ মৌজায় একটি ১০ তলা আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে তার বিনিয়োগের পরিমাণ ৪ কোটি ৩১ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৯ টাকা ৭৭ পয়সা। এ ভবনের নির্মাণকাজ এখনো চলমান রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে আরো ১৮ লাখ ৪৭ হাজার ৩০২ টাকার অস্থাবর সম্পদ এবং তার মেয়ের প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষা ব্যয়সহ ৫৩ লাখ ৩ হাজার ৪২২ টাকা পারিবারিক ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়। সব মিলিয়ে তার অর্জিত সম্পদ ও পারিবারিক ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ কোটি ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৮৩ টাকা ৭৭ পয়সা।

অন্যদিকে অতীত সঞ্চয়, পরিচালক ভাতা, ঠিকাদারি ব্যবসা, গৃহসম্পত্তির ভাড়া, জনপ্রতিনিধি হিসেবে সম্মানী, কৃষি আয় ও ঋণসহ মোট ১ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৯০ টাকা গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস হিসেবে পেয়েছে দুদক।

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ থেকে গ্রহণযোগ্য আয় বাদ দিলে ৩ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৩ টাকা ৭৭ পয়সা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে পাওয়া যায়।

দুদকের এজাহারে রহমতগঞ্জের ওই ভবনকে ঘিরে বিস্তারিত হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তিমির বরণ চৌধুরী ও তার দুই ভাই পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমির ওপর এক আত্মীয়ের অংশীদারিত্বসহ যৌথভাবে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করছেন।

দুদকের দাবি, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আত্মীয়ের মালিকানাধীন অংশের ভবন উন্নয়ন ব্যয়ের একটি অংশও তিমির বরণ চৌধুরী বিনিয়োগ করেছেন। ফলে ভবনটির মোট বিনিয়োগের ৫৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ তার বিনিয়োগের আওতায় আসে। আয়কর রিটার্নে ২০১৭-১৮ থেকে ২০২৩-২৪ করবর্ষ পর্যন্ত তিনি এ খাতে ১ কোটি ৮৬ লাখ ৩০ হাজার ৫৬১ টাকা বিনিয়োগ ব্যয় দেখালেও প্রকৌশলীর পরিমাপ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকৃত বিনিয়োগ ৪ কোটি ৩১ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৯ টাকা ৭৭ পয়সা বলে অনুসন্ধানে উল্লেখ করা হয়েছে। এ হিসাবের ভিত্তিতেই দুদক জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনেছে।

দুদকের এজাহারে বলা হয়েছে, মামলার তদন্তকালে অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা আমলে নেওয়া হবে। মামলাগুলোর তদন্তের ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে কমিশন জানিয়েছে।

এ বিষয়ে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এর উপ-পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে। একটি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে এবং অপরটি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে।

দুদকের নথি অনুযায়ী, ডা. তিমির বরণ চৌধুরী ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত পটিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বলে অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার স্ত্রীও একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে ডা. তিমির বরণ চৌধুরীর ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুফিউর রহমান জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা কমিটিতে নির্বাচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


সুফিউর রহমান জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা কমিটিতে নির্বাচিত

বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক মোহাম্মদ সুফিউর রহমান জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের (ইউএনসিএইচআর) উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এশিয়া-প্যাসিফিক রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী সদস্য হিসেবে তার নির্বাচনের তথ্য বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের একটি পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে ইউএনসিএইচআর।

১৯৬৪ সালের ১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণকারী মোহাম্মদ সুফিউর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জেনেভায় জাতিসংঘের দপ্তরে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।

এছাড়া, তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার এবং নিউজিল্যান্ড ও ফিজিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শ্রীলঙ্কায়ও বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। পবিত্র সিংহাসন (হলি সি)-এ বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন।

বর্তমানে, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্সে সিনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসেবে তার কাজ করার তথ্য পাওয়া গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


ভারত শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি নিয়ে ভারত তাদের অবস্থান পুনরায় স্পষ্ট করেছে। ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি মূলত একটি ‘আইনি বিষয়’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা জানতে চান, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচার ও রায়সংক্রান্ত নথি ভারত সরকারকে প্রদান করা হয়েছে কি না এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য এটি প্রয়োজনীয় কি না। জয়সওয়াল এই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “প্রত্যর্পণের বিষয়ভিত্তিক আলোচনা বা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ একটি আইনি বিষয়। এর সঙ্গে নানা ধরনের আইনি জটিলতা ও দিক জড়িত রয়েছে।”

এছাড়া, সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর একটি বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীদের ভারতভিত্তিক কর্মকাণ্ড দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

এর জবাবে ভারতীয় মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মন্তব্য করেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ‘দূরদর্শী, গঠনমূলক ও ইতিবাচক’ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, এই সম্পর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে দুই দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ। বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পৃক্ততা এই নীতির মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ব্যর্থতায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্রিস্টা পাইক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ব্যর্থতায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্রিস্টা পাইক

যুক্তরাষ্ট্রে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ব্যর্থ প্রচেষ্টার প্রায় এক সপ্তাহ পর অবশেষে জ্ঞান ফিরেছে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি ক্রিস্টা পাইকের। ৫০ বছর বয়সী এই নারী কয়েদি এখন কথা বলতে সক্ষম হয়েছেন এবং তার আইনজীবীরা আশা করছেন যে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন।

টেক্সাস ও টেনেসির কারা সূত্রে জানা গেছে, বিষাক্ত ড্রাগ 'পেন্টোবার্বিটাল'-এর দুটি ইনজেকশন দেওয়ার পরও অলৌকিকভাবে বেঁচে যান ক্রিস্টা। এরপর তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ন্যাশভিলের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আজ আদালতে হাজির হয়ে ক্রিস্টা পাইকের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অসংগতি ও ত্রুটি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য বিচারকের কাছে জরুরি আদেশ প্রার্থনা করেছেন। তাদের দায়ের করা জরুরি মোশনের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এই ঘটনার কারণে ভবিষ্যতে টেনেসি অঙ্গরাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আইনি মামলা করা হতে পারে আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মারাত্মক ডোজের 'পেন্টোবার্বিটাল' (Pentobarbital) ইনজেকশন প্রয়োগের পরও ক্রিস্টা বর্তমানে জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন এবং স্বাভাবিকভাবে কথা বলছেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও হাসপাতালে তাকে হাতকড়ায় বন্দী রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তার আইনজীবীরা।

উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে কলিন স্লেমিয়ার নামের এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন ক্রিস্টা পাইক। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%