ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অস্ট্রেলিয়াজুড়ে মোবাইলে জরুরি সতর্কবার্তা, হঠাৎ বেজে ওঠার কারণ জানাল কর্তৃপক্ষ


অস্ট্রেলিয়াজুড়ে মোবাইলে জরুরি সতর্কবার্তা, হঠাৎ বেজে ওঠার কারণ জানাল কর্তৃপক্ষ

সোমবার দুপুরে আচমকাই অস্ট্রেলিয়াজুড়ে লাখ লাখ নাগরিকের মোবাইল ফোন, স্মার্টওয়াচ ও ট্যাবলেটে একযোগে উচ্চ শব্দে বেজে ওঠে জরুরি সাইরেন। একই সঙ্গে প্রায় ১০ সেকেন্ড ধরে ডিভাইসগুলোতে প্রবল কম্পন শুরু হয়। আকস্মিক এই ঘটনায় ক্ষণস্থায়ীভাবে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়। তবে স্ক্রিনে ভেসে ওঠা বার্তায় স্পষ্ট করে জানানো হয়, এটি ছিল দেশটির নতুন জাতীয় জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা ‘অসঅ্যালার্ট’-এর প্রথম দেশব্যাপী পরীক্ষামূলক প্রয়োগ।

স্থানীয় সময় সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর দুইটায় অস্ট্রেলিয়ার প্রতিটি সময় অঞ্চলে একযোগে এই পরীক্ষা কার্যকরী করা হয়। নিউ সাউথ ওয়েলস, ভিক্টোরিয়া ও কুইন্সল্যান্ডে এটি দুপুর দুইটা, দক্ষিণ ও নর্দার্ন টেরিটরিতে দুপুর দেড়টা এবং পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় দুপুর ১২টায় বার্তাটি পৌঁছায়। তবে, পর্দায় পরিষ্কারভাবে উল্লেখ ছিল—এটি একটি পরীক্ষামূলক বার্তা এবং এটি নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে কারো কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

ফেডারেল সরকারের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি (নেমা) জানিয়েছে, আগামী অক্টোবর থেকে অসঅ্যালার্ট আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমান খুদে বার্তাভিত্তিক (এসএমএস) সতর্কতা ব্যবস্থার পরিবর্তে নতুন এই ব্যবস্থা সেল ব্রডকাস্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চলেছে। এর ফলে মোবাইল নেটওয়ার্কে অতিরিক্ত চাপ থাকলেও নির্দিষ্ট এলাকার বিপুলসংখ্যক ডিভাইসে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যভাবে সতর্কবার্তা পৌঁছানো সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দাবানল, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, সুনামি, জননিরাপত্তাজনিত হুমকি, জৈব নিরাপত্তা সংকট এবং জনস্বাস্থ্যসংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা প্রদান করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রায় ১৬০ মিটার পর্যন্ত নির্দিষ্ট এলাকায় লক্ষ্যভিত্তিকভাবে বার্তা পাঠানোর ক্ষমতাও থাকবে এই প্রযুক্তির।

এখনও পরীক্ষার সময় সব ডিভাইসে সতর্কবার্তা পৌঁছাতে পারেনি। নেমা জানিয়েছে, এটিকে পরীক্ষার ব্যর্থতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। পুরোনো বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ডিভাইস, সফটওয়্যার হালনাগাদ না থাকা, মোবাইল নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতা, ডিভাইস বন্ধ থাকা, বিমান মোড চালু থাকা কিংবা স্থানীয় টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে সাময়িক সমস্যার কারণে কিছু ব্যবহারকারী বার্তাটি নাও পেতে পারেন।

এর আগে চলতি বছরের জুন মাসে অস্ট্রেলিয়ার নয়টি এলাকায় সীমিত পরিসরে অসঅ্যালার্টের পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। এবারের দেশব্যাপী পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে অক্টোবরে পূর্ণাঙ্গভাবে সেবা চালুর আগে বিভিন্ন ডিভাইস, নেটওয়ার্ক এবং অঞ্চলে ব্যবস্থাটির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হবে।

বাস্তব জরুরি পরিস্থিতিতে অসঅ্যালার্টের বার্তায় ঘটনার ধরন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা, ঝুঁকির মাত্রা, করণীয়, বার্তাপ্রেরণকারী সংস্থা এবং বিস্তারিত তথ্যের উৎস উল্লেখ থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা মোবাইল ফোন সাইলেন্ট বা ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডে থাকলেও বিশেষ শব্দের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।

আরও পড়ুন: ‘ইসলামবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে আফগানিস্তানে চোখের কর্নিয়া প্রতিস্থাপন নিষিদ্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের বিশেষ ক্ষমায় মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরলেন হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


ট্রাম্পের বিশেষ ক্ষমায় মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরলেন হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট

 মাদক পাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে ৪৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরলান্ডো হার্নান্দেজ। গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে ক্ষমা করার পর রোববার তিনি নিজ দেশে ফিরেছেন।

রাজধানী তেগুসিগালপার কাছে পালমেরোলা বিমানবন্দরে হার্নান্ধেজ একটি ব্যক্তিগত বিমানে করে পৌঁছান। সেখানে তার পরিবার ও সমর্থকরা তাকে স্বাগত জানান বলে এএফপির সাংবাদিকরা জানিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, শতাধিক সমর্থকের সমাবেশে হার্নান্ধেজ ট্রাম্পের ক্ষমার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, 'বিশ্বের সবচেয়ে ভালো তথ্য জানা প্রেসিডেন্ট বলেছেন—আমি বিষয়টি পর্যালোচনা করেছি, আমার দল ও আমি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেছি; এখানে ভয়াবহ অন্যায় হয়েছে। এটি একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি এবং বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।'

আগামী ৩ আগস্ট আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে হার্নান্ধেজের। তার বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে, যা তিনি অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, তিনি এখনও 'হয়রানির শিকার' হচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, নিজের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণার অর্থ জোগাতে তিনি সরকারি তহবিলের ২০ লাখ ডলার সরিয়ে নিয়েছিলেন। স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হওয়ার বিষয়ে সম্মত হওয়ার পর একজন বিচারক তার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা স্থগিত করেছেন।

-যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার মামলায় দণ্ড-

হার্নান্ধেজ ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মধ্য আমেরিকার দেশ হন্ডুরাসের নেতৃত্ব দেন। কিন্তু ক্ষমতা ছাড়ার পরপরই তার বামপন্থি উত্তরসূরি জিওমারা কাস্ত্রোর সরকার তাকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের অভিযোগ মোকাবিলার জন্য প্রত্যর্পণ করে। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। আদালতের অভিযোগ ছিল, মেক্সিকোর কুখ্যাত মাদক সম্রাট হোয়াকিন ‘এল চাপো’ গুজমানসহ বিভিন্ন মাদক চক্রের সঙ্গে যোগসাজশ করে তিনি কলম্বিয়ায় উৎপাদিত শত শত টন কোকেন যুক্তরাষ্ট্রে পাচারে সহায়তা করেছেন।

তবে, হন্ডুরাসের গত বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কয়েক দিন আগে আকস্মিকভাবে ট্রাম্প হার্নান্ধেজকে ক্ষমা করে দেন। এই সময় ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ও রক্ষণশীল প্রার্থী নাসরি আসফুরা নির্বাচনে জয়ী না হলে হন্ডুরাসকে দেওয়া সহায়তা বন্ধ করা হতে পারে।

ট্রাম্পের এই হস্তক্ষেপ হন্ডুরাসে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। কাস্ত্রো ও তার মিত্ররা নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। শেষ পর্যন্ত আসফুরাই নির্বাচনে জয়ী হন।

সম্প্রতি লাতিন আমেরিকায় মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই ক্ষমার ঘটনায় দ্বিচারিতার অভিযোগ ওঠে। ওই অভিযানে মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করা নৌযানে হামলা চালানো হয়েছিল।

ক্ষমা ঘোষণার সময় ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন হার্নান্ধেজকে 'ফাঁসিয়েছে'। হার্নান্ধেজের এক সমর্থক ইভা আমাদোর বলেন, 'তাকে ফিরে পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত।' এই সময় তার হাতে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানানো একটি ব্যানার ছিল।

-সম্পূর্ণ দায়মুক্তি’ নিয়ে দেশে ফেরা-

হার্নান্ধেজ আগে বলেছিলেন, তিনি 'কোনো নির্বাচনী আকাঙ্ক্ষা ছাড়াই' দেশে ফিরছেন। ২০১৭ সালে তার পুনর্নির্বাচন ব্যাপক বিতর্কের মুখে পড়ে। প্রথমে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের একটি সিদ্ধান্তের কারণে তিনি সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পরপর দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার সুযোগ পান। পরে ভোটে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

নির্বাচন-পরবর্তী বিক্ষোভ দমনে হার্নান্ধেজের নির্দেশে অভিযান চালানো হয় এবং প্রায় ৩০ জন নিহত হন। আইন বিশ্লেষক জোয়াকিন মেহিয়া এএফপিকে বলেন, ‘এসব অপরাধের জন্য কোনো শাস্তি ছাড়াই এবং সম্পূর্ণ দায়মুক্তি নিয়ে তার ফিরে আসা ভুক্তভোগীদের প্রতি বড় ধরনের আঘাত।’

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘প্রতিরোধ ছাড়া আর কোন পথ নেই’, হিজবুল্লাহর প্রশংসা করছেন খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১২ পি.এম


‘প্রতিরোধ ছাড়া আর কোন পথ নেই’, হিজবুল্লাহর প্রশংসা করছেন খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করার জন্য প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহর দীর্ঘদিনের প্রতিরোধ বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। একসঙ্গে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই। রবিবার, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে এই কথাগুলি বলা হয়েছে। পরে, ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি বিবৃতিটি প্রকাশ করে। বিবৃতি অনুযায়ী, হিজবুল্লাহর কমান্ডার এবং যোদ্ধাদের পাঠানো আনুগত্যের একটি চিঠির জবাবে এই বার্তা দেন আয়াতুল্লাহ খামেনি। খামেনি বলেন, ইসরায়েল এবং তার মিত্রদের 'নৃশংস আগ্রাসনের' বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহ অটলভাবে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি উল্লেখ করে বলেন, 'আজ বিশ্বের অনেক জাতি যুক্তরাষ্ট্র সরকার এবং জায়নবাদী শাসনের অত্যাচার ও নিপীড়নে ক্লান্ত। তারা মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ ধ্বংস করছে। তাই, প্রতিরোধ ছাড়া সামনে এগোনোর আর কোনো পথ নেই।' তিনি আরও বলেন, হিজবুল্লাহর দীর্ঘকালীন সংগ্রাম বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা। এই সংগ্রাম অন্যায় ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মানুষকে উৎসাহিত করছে। খামেনি হিজবুল্লাহর কমান্ডার ও যোদ্ধাদের ধৈর্য, ত্যাগ এবং সহনশীলতারও প্রশংসা করেন। তার ভাষ্য, তাদের এই অঙ্গীকার ইসলামী মূল্যবোধ, ধর্মীয় আদর্শ এবং ইরানের ইসলামী বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম রুহুল্লাহ খোমেনির উত্তরাধিকারের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরান হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের সমর্থন ও সুরক্ষাকে নিজেদের কৌশলগত দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে। প্রেস টিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, খামেনি দাবি করেন, বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতির বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে। তিনি বলেন, 'জিহাদ ও প্রতিরোধ ছাড়া সামনে এগোনোর আর কোনো পথ নেই।' তিনি আশা প্রকাশ করেন, অবশেষে, প্রতিরোধ আন্দোলনেরই বিজয় হবে। এছাড়া, লেবাননের জনগণের দৃঢ়তারও প্রশংসা করেন খামেনি। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননের মানুষের ত্যাগকে তিনি হিজবুল্লাহর প্রতিরোধ আন্দোলন টিকিয়ে রাখার অন্যতম প্রধান শক্তি বলে উল্লেখ করেন। তিনি পুনরায় বলেন, হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের রক্ষা করা ইরানের কৌশলগত অগ্রাধিকার। বিবৃতিতে খামেনি বলেন, লেবাননের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করা এবং ইসরায়েলের সামরিক অভিযান সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে বন্ধ করা—এই দুটি বিষয়কে ইরান যেকোনো যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতার প্রধান শর্ত হিসেবে দেখে। হিজবুল্লাহর সাবেক মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরাল্লাহসহ নিহত সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগের কারণেই হিজবুল্লাহ একটি ছোট সংগঠন থেকে শক্তিশালী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। এর ফলে ইসলামী বিশ্বে লেবাননের মর্যাদাও বেড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বার্তা শেষে তিনি হিজবুল্লাহর যোদ্ধা, সংগঠনের প্রবীণ সদস্য, বাস্তুচ্যুত মানুষ এবং নিহত সদস্যদের পরিবারের জন্য দোয়া করেন। একই সাথে, তিনি তাদের চূড়ান্ত সাফল্যের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রেস টিভির খবরে বলা হয়েছে, এই বার্তাটি ছিল হিজবুল্লাহর সদস্যদের পাঠানো একটি আনুগত্যের চিঠির জবাব। সেই চিঠিতে হিজবুল্লাহর সদস্যরা খামেনিকে আশ্বস্ত করেন যে তারা সংগঠনের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখবেন এবং বিজয় অর্জনের লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যাবেন। এদিকে, একই দিনে কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ বিন সালেহ আল খুলাইফি টেলিফোনে লেবাননের উপপ্রধানমন্ত্রী তারেক মিত্রির সঙ্গে কথা বলেন। ফোনালাপে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি, লেবাননে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংকট মোকাবেলার বিষয়েও মতবিনিময় করেন। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে এক পোস্টে জানান, লেবানন সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং বাস্তুচ্যুত মানুষদের নিরাপদ ও সম্মানjonকভাবে নিজ এলাকায় ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবেশ তৈরির বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কাতার লেবাননের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টায় আগের মতোই সমর্থন দিয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য ৩৫৭ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১২ পি.এম


অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য ৩৫৭ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়

দেশের ৬৪ জেলায় অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য ৩৫৬ কোটি ৮৬ লাখ ১৫ হাজার ২৩৭ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় হয়েছে, যা জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা (লিগ্যাল এইড) এর মাধ্যমে করা হয়েছে।

সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের বিস্তারিত চিত্র প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমে জেলা পর্যায়ে অসচ্ছল জনগণের জন্য এই সেবা শুরু হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল এবং দেশের কারাগারগুলোতেও এই সেবা সম্প্রসারণ করতে একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য প্রি ও পোস্ট-কেসে মোট ৩৬৩ কোটি ৮৯ লাখ ২৭ হাজার ১৫৩ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে, ৬৪ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩৫৬ কোটি ৮৬ লাখ ১৫ হাজার ২৩৭ টাকা আদায় হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে আদায় হয়েছে ৭ কোটি ৩ লাখ ১১ হাজার ৯১৬ টাকা।

২০০৯ সাল থেকে মে ২০২৬ পর্যন্ত, লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা পাওয়া উপকারভোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬৩ জনে পৌঁছেছে।

এই মুহূর্তে, দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল এবং সরকারী আইনি সহায়তার জন্য জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টার (টোল ফ্রি-১৬৬৯৯) এর মাধ্যমে এই সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল এবং অসমর্থ বিচারপ্রার্থীদের বিনা খরচে আইনি সহায়তা দিতে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর অধীনে সরকারি খরচে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা উক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ লেখা পিলার উদ্ধার, এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ লেখা পিলার উদ্ধার, এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য

সুনামগঞ্জে ‘ইস্ট ইন্ডিয়া ১৮১৮’ লেখা একটি ম্যাগনেট জাতীয় লোহার সীমানা পিলার উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে শাল্লা উপজেলার ১ নম্বর আটগাঁও ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের রূপ মিয়ার বাড়ি থেকে পিলারটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র থেকে জানা গেছে, শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ১০টার দিকে দৌলতপুর গ্রামে রূপ মিয়ার বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালায় স্থানীয় কিছু যুবক। এই অভিযানের সময় মাদক খোঁজাখুঁজির প্রক্রিয়া চলাকালীন লক্ষ্য করা হয় যে, তার বাড়িতে একটি ম্যাগনেট জাতীয় সীমানা পিলারের মতো দেখতে লোহার বস্তু রয়েছে।

পিলারের এক পাশে দুটো তার এবং গায়ে খোদাই করে লেখা রয়েছে ‘ইস্ট ইন্ডিয়া ১৮১৮’ ইংরেজিতে। রাতের মধ্যে এটি উদ্ধার করে গ্রামের এক ঘরে হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরে রোববার সকালে স্থানীয়রা শাল্লা থানা পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে শাল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইমাম আরেফিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম লোহার পিলারটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-অতিরিক্ত দায়িত্ব) শওকত আলী গণমাধ্যমকে বলেন যে, পিলারটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং পিলারটিতে খোদাই করা ‘ইস্ট ইন্ডিয়া ১৮১৮’ লেখা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ভারতীয় সীমানা প্রাচীরের পিলার হতে পারে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%