ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ই-সেফটি গবেষণা

নিষেধাজ্ঞার পরও শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে রাখতে পারছে না অস্ট্রেলিয়া


নিষেধাজ্ঞার পরও শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে রাখতে পারছে না অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার পরেও বেশিরভাগ কিশোর-কিশোরী আগের মতোই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যাচ্ছে।

দেশটির ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ই-সেফটি তাদের নতুন এক গবেষণায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী ১০ জনের মধ্যে ৮ জনেরও বেশি শিশু-কিশোর এখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্ত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার তিন মাস পরেও তাদের ব্যবহারে বিশেষ পরিবর্তন এসেছে বলে মনে হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত সাহেদের মরদেহ গ্রামে পৌঁছেছে

ই-সেফটির মতে, এই পরিস্থিতির মূল কারণ হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো কার্যকর বয়স যাচাইয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি। অনেক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করতেই সক্ষম হয়নি। আবার কেউ কেউ নিজেদের বয়স ১৬ বছরের বেশি দেখিয়ে বা বয়স যাচাই ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে সহজেই অ্যাকাউন্ট চালু রাখছে কিংবা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার আগে ৮৬ শতাংশ শিশু অন্তত একটি বয়সসীমাবদ্ধ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করত। তিন মাস পরেও এই হারে খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি, যা ৮১ শতাংশের বেশি রয়ে গেছে। প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে এমন কিশোরের হারও প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আগে যা ছিল প্রায় ৬০ শতাংশ, পরে তা দাঁড়িয়েছে ৫৮ শতাংশ।

এছাড়া খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো বা সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়নি।

অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমূলক মাধ্যম নিষিদ্ধ করেছে। সরকারের দাবি হচ্ছিল, সাইবার বুলিং, যৌন শোষণ, ক্ষতিকর কনটেন্ট ও আত্মক্ষতির মতো ঝুঁকি থেকে শিশুদের রক্ষা করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিএনপির সালাউদ্দিন আহমেদের কুলখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আইন অনুযায়ী, বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো অস্ট্রেলিয়ার ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের প্রবেশ প্রতিরোধে যুক্তিসংগত ব্যবস্থা না নিলে সর্বোচ্চ ৩ কোটি ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে। বয়স যাচাইয়ের প্রযুক্তি ব্যবহারও তাদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তবে নতুন গবেষণা জানাচ্ছে, আইন কার্যকর হওয়ার পরও অনেক শিশু সহজেই নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে বা আগের অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে সক্ষম হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছিলেন, প্রযুক্তিতে দক্ষ কিশোররা ভিপিএন, ফাঁকা জন্মতারিখ ব্যবহার করে বা অন্য মাধ্যমের দ্বারা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী অ্যান্ড্রু লি অবশ্য এই আইনকে সফল দাবি করেছেন। তিনি জানান, শতভাগ আইন মানা সম্ভব না হলেও এই নিষেধাজ্ঞা অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে এবং শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু করেছে। তাঁর মতে, মদ্যপানের বয়সসীমার আইনেও শতভাগ মানা হয় না, তবুও আইনটির গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, মালয়সিয়া ও গ্রিসও শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা বা কঠোর নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এর মাধ্যমে তৈরি ভুয়া ও ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা এখন বিশ্বের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: ইরানকে টেক্কা দিতে সৌদির গোপন প্রস্তুতি, স্যাটেলাইট ছবিতে মিলল চাঞ্চল্যকর দৃশ্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন ইসরায়েল ছাড়ছেন লাখো মানুষ? গবেষণায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ এম


কেন ইসরায়েল ছাড়ছেন লাখো মানুষ? গবেষণায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

গত তিন বছরে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার জন দীর্ঘমেয়াদের জন্য ইসরায়েল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া এই প্রবণতা আগামী ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। ইসরায়েলের প্রভাবশালী দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথ তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে অন্তত তিন মাস বা তার বেশি সময়ের জন্য ৮৬ হাজার ৫০৯ জন ইসরায়েল ত্যাগ করেন। ২০২৪ সালে এই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়ায় ৯১ হাজার ৪৯৯ জনে এবং ২০২৫ সালে দেশ ছাড়েন আরও ৯০ হাজার ৯২২ জন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মোট প্রায় ২ লাখ ৬৯ হাজার জন দীর্ঘ সময়ের জন্য ইসরায়েল ছেড়েছেন। সেই হিসাবে, বছরে গড়ে প্রায় ৯০ হাজার মানুষ ইসরায়েল ত্যাগ করেছেন। অথচ ২০১০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এই গড় ছিল বছরে প্রায় ৬০ হাজার। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে এর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ২১৯ জন, যা সাম্প্রতিক তিন বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

ইয়েদিওথ আহরোনোথ তাদের আগের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসক, পিএইচডিধারী, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং উচ্চ আয়ের অন্যান্য পেশাজীবীদের ইসরায়েল ত্যাগও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

পত্রিকাটির মতে, ইসরায়েলের অর্থনীতি মূলত উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ, বিশেষ করে উচ্চপ্রযুক্তি খাত ও জ্ঞানভিত্তিক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। ফলে দক্ষ জনশক্তির ইসরায়েল ত্যাগ দীর্ঘমেয়াদে দেশটির অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে।

এ গবেষণা এখন প্রকাশিত হয়েছে, যখন ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় চলমান যুদ্ধের পাশাপাশি পাশাপাশি লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও ইরানেও দখলদার ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৬৬ জন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যা প্রায় এক কোটির বেশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌ কমান্ডার স্টিফেন কোহলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ এম


আজ ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌ কমান্ডার স্টিফেন কোহলার

আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন কোহলার তিন দিনের সফরে। আজ মঙ্গলবার, ২২ সদস্যের নৌবাহিনীর একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে।

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের বাংলাদেশ সফরের তিন দিন পর মার্কিন নেভির শীর্ষ কর্মকর্তা স্টিফেন কোহলার সফরে আসছেন। সফরটির কৌশলগত গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও যোগাযোগের দ্রুতগতির পরিবর্তন নির্দেশ করছে।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র মারা বার্ড জানিয়েছেন, সফরের সময় অ্যাডমিরাল স্টিভ কেলার বাংলাদেশ সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবেলা এবং পেশাগত সামরিক শিক্ষায় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ নিয়ে আলোচনা হবে।

বাংলাদেশ সফরটি অঞ্চলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বকে তুলে ধরবে। একই সঙ্গে, এটি ওয়াশিংটন এবং ঢাকার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণের চিত্রও প্রদর্শন করছে। স্টিফেন কোহলার, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একজন অভিজ্ঞ যুদ্ধবিমানচালক এবং কৌশলগত সামরিক নেতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ট্রাম্প প্রশাসন না থাকলে তেল শিল্প ধ্বংস হয়ে যেত’, দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ এম


‘ট্রাম্প প্রশাসন না থাকলে তেল শিল্প ধ্বংস হয়ে যেত’, দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বহুজাতিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ‘শেভরন’-এর চেয়ারম্যান ও সিইও মাইক ওয়ার্থের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স বিজনেস’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিমত প্রকাশ করে ট্রাম্প প্রশাসনের অবদানকে স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ব্যক্ত করেন তিনি।

এদিকে মার্কিনদের স্বস্তি দিতে তেল কোম্পানিগুলোকে অবিলম্বে খুচরা জ্বালানির দাম কমানোর নির্দেশও দিয়েছেন ট্রাম্প।

সোমবার (৩ আগস্ট) ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া একটি পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ট্রাম্প প্রশাসন না থাকলে তেল শিল্প সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যেত। তিনি জানান, তার মেধা, দূরদর্শিতা ও কঠোর নীতির কারণে মার্কিন জ্বালানি খাত বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে। অথচ শেভরন সিইও মাইক ওয়ার্থ সাক্ষাৎকারে কোম্পানির সাফল্যের কারণগুলোর ব্যাখ্যা করলেও ট্রাম্প প্রশাসনের সেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা ভুলে গেছেন।

এছাড়া ভেনেজুয়েলা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, তার প্রশাসনের কঠোর পররাষ্ট্রনীতি ও চাপের কারণে শেভরন সেখানে পুনরায় কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং বিপুল সম্পদের অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে।

অন্যদিকে সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তুলে ধরেন শেভরন সিইও মাইক ওয়ার্থ। তিনি জানান, ইরান সংঘাত, লোহিত সাগরে চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়া ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ঝুঁকির মুখে রয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে ঘটে, যার বড় একটি অংশ আটকা পড়েছে, ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।

ভূ-রাজনৈতিক এই অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে মার্কিন বাজারেও। আন্তর্জাতিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি পেয়ে জাতীয় গড় মূল্য প্রতি গ্যালন ৫.১০ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা সংঘাত শুরুর তুলনায় ১ ডলারের চেয়েও বেশি।

আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন সাধারণ মানুষের খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প দাবি করেছেন, সংঘাত শেষ হলে এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে জ্বালানির দাম অনেকাংশে কমে আসবে। তবে অর্থনীতিবিদরা এই বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করে এবং বৈশ্বিক যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক পরিণতির বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও কোর্টে জুটি বাঁধছেন উইলিয়ামস বোনদ্বয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


আবারও কোর্টে জুটি বাঁধছেন উইলিয়ামস বোনদ্বয়

সিনসিনাটি ওপেনে জুটি বাঁধতে চলেছেন সেরেনা এবং ভেনাস উইলিয়ামস (ডানে)। ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক্স থেকে।

শুধু ঘরেই তৈরি করা কোর্টে নয়, সেরেনা ও ভেনাস উইলিয়ামস বিশ্বমঞ্চেও খেলেছেন। দ্বৈতে তারা যে দুর্দান্ত রেকর্ড তৈরি করেছেন, তা অবিস্মরণীয়।

এখন পর্যন্ত ফাইনালে তারা কখনোই হারেননি।

দ্বৈতে তাদের নামের পাশে রয়েছে ২২টি শিরোপা। এর মধ্যে ১৪টি গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা রয়েছে। অলিম্পিকে তারা ৩টি স্বর্ণপদকও জিতেছেন, যা তাদের শোকেসে উজ্জ্বল দেখাচ্ছে।

মার্গারেট কোর্টের পর এককে সর্বোচ্চ ২৩টি গ্র্যান্ড স্লাম সেরেনার নামে রয়েছে। ওপেন যুগে গ্র্যান্ড স্লামের সর্বোচ্চ শিরোপাধারীও যুক্তরাষ্ট্রের এই কিংবদন্তি। আর তার বড় বোন ভেনাস জিতেছেন ৭টি গ্র্যান্ড স্লাম। এত কীর্তি অর্জনের পরও তারা কিছু সময়ের জন্য অবসর নিয়েছিলেন।

কিন্তু খেলাটি তাদের রক্তের সঙ্গে মিশে রয়েছে, তাই কোর্টের বাইরে থাকতে পারছেন না ভেনাস ও সেরেনা। অবসর ভাঙতে তারা আবার ফিরেছেন। বয়স চল্লিশের কোঠায় পেরিয়ে যাওয়ার পরও তারা বয়সকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। বর্তমানে ৪৪ বছর বয়সী সেরেনার বিপরীতে ভেনাসের বয়স ৪৬ বছর।

এখন আবার দেখা যাবে তাদের দ্বৈতের কোর্টে। সিনসিনাটি ওপেনে তারা জুটি হয়ে খেলবেন। ওয়াইল্ডকার্ড এন্ট্রিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুই টেনিস কন্যা খেলতে যাচ্ছেন। আগামী ১১ থেকে ২৩ আগস্ট ওহাইও রাজ্যে শুরু হতে যাচ্ছে ডব্লিউটিএ ১০০০ টুর্নামেন্ট।

২০২২ ইউএস ওপেনের পর এটাই প্রথমবার, যখন ভেনাস এবং সেরেনা জুটি বাঁধছেন। অন্যদিকে, এই বছরের ইউএস ওপেন দিয়েই সেরেনা আবার টেনিসে ফিরে এসেছেন। এবার তারা ঘরের কোর্টে একত্রে জুটি বাঁধছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%