শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫০ পি.এম
এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ফিফা সভাপতি হিসেবে চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত করার জন্য সমর্থন প্রদান করেছে। শুক্রবার টোকিওতে অনুষ্ঠিত এএফসির বিশেষ কংগ্রেসের সভায় এই সমর্থন প্রকাশ করেন সংস্থাটির প্রধান শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম।
সালমান ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, ফিফা সভাপতি হিসেবে তার নেতৃত্বের প্রতি তার পূর্ণ অঙ্গীকার রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যদিও এএফসির কিছু সদস্য সমর্থন নাও দিতে পারে, তবুও অধিকাংশ সদস্য তার পক্ষে থাকবে।
এএফসির সদস্যসংখ্যা ৪৭। এই ভোটগুলো ইনফান্তিনোর আরেক মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ফিফার নির্বাচন আগামী মার্চে অনুষ্ঠিত হবে। ইনফান্তিনোর বিপক্ষে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ নভেম্বর। বর্তমানে কেউ প্রার্থিতা ঘোষণা করেনি।
টোকিওতে বক্তব্য দেওয়ার সময় সালমান ইনফান্তিনোকে আলিঙ্গন করে বলেন, “ফিফা সভাপতি হিসেবে নতুন মেয়াদে দায়িত্ব পালনের জন্য আপনি যখন চেষ্টা করছেন, তখন আপনার নেতৃত্বের প্রতি আমাদের পূর্ণ অঙ্গীকার এবং সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি...। আমি নিশ্চিত, আমার অধিকাংশ সদস্যের অনুভূতিও এমনই। আমি আপনাকে সে কথাই বলেছি।”
এদিকে, সালমান এই সমর্থন জানিয়েছেন যখন উয়েফা ইনফান্তিনোর বিরোধিতা করছে। উয়েফা নতুন মেয়াদে ইনফান্তিনোকে ফিফার সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় না। তারা ফিফা সভাপতির বিশ্বকাপের মালিকানার অংশ বিক্রি পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছিল। ওই বিরোধিতায় সালমানের এএফসিও যোগ দিয়েছিল।
সালমান এই বিরোধিতা সম্পর্কে বলেন, “জিয়ান্নি, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই। অতীতে আমাদের কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা হয়েছিল, যা নিয়ে আমরা কথা বলেছি। কিন্তু আমি মনে করি না, এই দুটি বিষয়কে এক করে দেখা উচিত। গত কয়েক দিনে জুরিখে আমাদের বৈঠকে আপনি স্পষ্ট করেছেন যে আমাদের মধ্যে প্রকৃত বোঝাপড়া রয়েছে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের একটি বাসায় ঘটে যাওয়া ঘটনায় একই পরিবারের চারজন দগ্ধ অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
এই আগুনের ঘটনা ঘটে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বাসার একটি সোফায় আগুন দেখতে পান। এরপর, আগুনটি কাঠের সিলিংয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এর পর, বারান্দায় রাখা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন লেগে যায় এবং এক পর্যায়ে আগুনটি পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।
তবে, আগুনের প্রকৃত উৎস এবং কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দগ্ধ চারজনকে প্রথমে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে, চারজনের মধ্যে দুইজন (মা ও বড় ছেলে) ইনস্টিটিউটে ভর্তি রয়েছেন, অন্যদিকে অপর দুইজন (বাবা ও ছোট ছেলে) পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সউদী আরবে হুথি বিদ্রোহীদের দ্বারা সংঘটিত সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নিন্দা প্রকাশ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দাম্মাম বিমানবন্দরসহ সউদী আরবের বিভিন্ন স্থানে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুজন বাংলাদেশি নাগরিকও নিহত হয়েছেন।
বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। পাশাপাশি, সৌদি সরকার ও সেখানকার সাধারণ জনগণের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ একইসঙ্গে সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে যে, যেকোনো ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করা হোক এবং কূটনৈতিক উপায়ে শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করা হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজধানীর বাড্ডা থানার অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদার হত্যার মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুই দিনের রিমান্ড শেষে পুলিশ তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই রিদুয়ানুল হক, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বাড্ডা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইশতিয়াকের আদালত এই মামলায় দীপু মনির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে সে সময় আইসিটি আদালতে মামলা এবং অন্যান্য মামলায় রিমান্ড ও হাজিরা থাকায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে রিমান্ডে নিতে পারেননি। পরে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে তার রিমান্ড কার্যকর করার জন্য আবেদন করেন। আদালত আবেদন গ্রহণ করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিমান্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বুধবার দীপু মনিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদার। ওইদিন বিকেল ৩টায় আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এই ঘটনায় তার বাবা আবু বক্কর শিকদার ২১ আগস্ট রাজধানীর বাড্ডা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাসের ছবি সংবলিত একটি পোস্টে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা যুবককে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ প্রদান করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. শাহ আলম।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার এসআই মো. ইয়াছিন পাইকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২১ অক্টোবর ফেসবুকে ‘দ্য বিউটি অব রাজশাহী’ নামে একটি গ্রুপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাসের তিনটি ছবি পোস্ট করা হয়। পোস্টের ক্যাপশনে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য লাল-সবুজ রঙের বুলেটপ্রুফ বাসের পরিবর্তে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) বাস ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
এ পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ‘এমডি আবু বকর সিদ্দিক’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘ইস একটা বড় সুযোগ ছিল, শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ওই আইডির ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করে রাজশাহী মহানগরীর পবা থানার ঘোলহাড়িয়া দক্ষিণপাড়া এলাকা থেকে আবু বকর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার বাবা মো. আয়নাল হককেও আটক করা হয়েছিল। তবে প্রাথমিক তদন্তে তার বাবার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আদালতে দেওয়া আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর আবু বকর সিদ্দিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। ফোনটি পর্যালোচনা করে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে আপত্তিকর মন্তব্যের তথ্য পাওয়া গেছে বলে আবেদনে দাবি করা হয়েছে।
মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং এজাহারে উল্লেখ করা অজ্ঞাতনামা আরো দুই থেকে তিনজনকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের এসআই মো. মানিক হোসেন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ