বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৩ পি.এম
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় সিলেবাসে পরিবর্তন এনেছে।
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাসে পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ‘ডি’ ইউনিট। ভর্তি পরীক্ষায় বিভাগভেদে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. রুমানা হক এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, নতুন সিলেবাস অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও গণিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অন্যদিকে, বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও হিসাববিজ্ঞান বিষয় থাকবে।
মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের অধীন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আদলে বিভাগভিত্তিক নতুন সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
তবে ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ের মার্ক ডিস্ট্রিবিউশন বা নম্বর বণ্টন পরবর্তীতে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আকস্মিক গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার একটি বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সংকটের সময় শিল্পখাত যাতে গ্যাসের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেই লক্ষ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এই বিষয়ে তিনি বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গভীর সমুদ্রে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই টার্মিনাল গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সংকটকালীন সময়ে শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে ইপিজেড ও বিসিকের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সংসদ নেতা আরও জানান, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। সামনে এসব উদ্যোগের সুফল আরও বেশি দেখা যাবে। একই সঙ্গে আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে বিশেষ সুবিধার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যেসব গ্রাহক নিজেদের ব্যবহারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তারা পরবর্তী তিন বছর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা মূল্য পাবেন।
এদিকে, সরকারি প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধির প্রবণতায় নানা দুর্বলতা চিহ্নিত হওয়ার পর সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে নির্ভুল সমীক্ষা, বাস্তবায়নের প্রস্তুতি দ্রুত সম্পন্ন করা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে নিবিড় তদারকি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নেওয়া মেগাপ্রকল্পগুলোর অতিরঞ্জিত ব্যয় ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। কয়েকটি প্রকল্পের তদন্ত ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয় কমিয়ে জনগণ যাতে সর্বোচ্চ সুবিধা পায়, সরকার সে বিষয়টি নিশ্চিত করছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৭ বছরের দুর্নীতি ও দুঃশাসন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার যে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিল, সেটিকে সামনে রেখে বর্তমান সরকার পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রূপগঞ্জে উন্নয়নকাজের জন্য ১ কোটি টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা, পূজা মণ্ডপ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের জন্য ১ কোটি টাকার অনুদান চেক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোলাকান্দাইল এলাকার বাসভবনে, তারাবো পৌরবাসীর মধ্যে চেক হস্তান্তর করেন নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু।
চেক বিতরণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, সহসভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, আশরাফুল হক রিপনসহ অনেকে।
মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, ‘রূপগঞ্জবাসীর জন্য কাজ করতেই ১৭ বছর অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছি। আমার লক্ষ্য ছিল দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা এবং রূপগঞ্জকে একটি স্বপ্নের, উন্নত রূপগঞ্জ হিসেবে গড়ে তোলা। তারেক রহমান আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন, আর আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, তার দিক নির্দেশনায় রূপগঞ্জকে দেশের অন্যতম উন্নত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাব। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মামুন মাহমুদের তত্ত্বাবধানে জেলা পরিষদ থেকে তারাবো পৌরবাসীর জন্য এক কোটি টাকা অনুদান আনা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মনুষ্যবিহীন সাবমেরিন আটক হওয়ার পর, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের নজরদারি বলয় বা ‘চোখ ফাঁকি’ দেওয়ার জন্য কোনো আধুনিক প্রযুক্তি সক্ষম নয়।
বুধবার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ একটি পোস্টে তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীর অত্যাধুনিক সাবমেরিন আটকের ঘটনাটিকে স্বাগত জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই অভিযান পারস্য উপসাগরে ইরানের নজরদারি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার একটি প্রমাণ।
মোহেব্বি বলেন, ‘২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীতে যোগ হওয়া সবচেয়ে আধুনিক চালকবিহীন সাবমেরিনটি আটক হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে যে, হরমুজ প্রণালীতে আমাদের নজরদারি বলয় ভেদ করে কোনো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পার হতে পারবে না।’
তিনি আরও জানান, ‘পারস্য উপসাগরের ওপর আধিপত্য আমাদের প্রযুক্তি-দক্ষ তরুণদেরই।’ এদিকে, তিনি মার্কিন বাহিনীকে ‘গালফ অব পিগস’-এ ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে, মঙ্গলবার আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, তারা হরমুজ প্রণালীর প্রবেশপথের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক চালকবিহীন ডুবোযান (সাবমেরিন) আটক করে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, যানটিকে ‘ডাইভ-এলডি’ (Dive-LD) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এটি মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের তৈরি একটি স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান। ২০২৫ সালে এটি মার্কিন নৌবাহিনীর ‘আনম্যানড আন্ডারসি ভেহিকেল গ্রুপ ১’-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রায় ৫ দশমিক ৮ মিটার দীর্ঘ এবং ২ দশমিক ৭ টন ওজনের ডাইভ-এলডি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও অনুসন্ধান, সমুদ্রতলের মানচিত্র তৈরি, অবকাঠামো পরিদর্শন এবং মাইন বা সমুদ্রতলস্থ বিস্ফোরক শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণের মতো কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
প্রকাশিত কারিগরি তথ্য অনুযায়ী, ডাইভ-এলডি পানির নিচে একটানা ১০ দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে এবং প্রায় ৬ হাজার মিটার গভীরতা পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনায় সক্ষম। তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমানোর জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে পুরো রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তর, ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন নির্মাণ এবং ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের নকশাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই তথ্যগুলো তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক তার প্রশ্নে জানতে চেয়েছিলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতে সময় ও দূরত্ব কমানোর জন্য ইলেকট্রিক (বুলেট ট্রেন) ট্রেন চালু করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের আছে কি না এবং থাকলে তা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে।
প্রধানমন্ত্রী জবাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোর নিয়ে সরকারের তিন স্তরের মহাপরিকল্পনার কথা সংসদে তুলে ধরেন।
ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর নকশা চূড়ান্ত হয়েছে, তবে প্রয়োজন অর্থায়ন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই করিডোরে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন (নকশা) প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
কবে নাগাদ এটি চালু হবে-এমন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। অর্থায়ন প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে এই রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা সম্ভব হবে, ফলে ট্রেনের গড় গতি বাড়বে এবং যাতায়াতের সময় অনেকটাই কমে আসবে।
দূরত্ব কমাবে ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন
রেলপথের দূরত্ব কমানোর বিষয়ে সংসদ নেতা বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব কমাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত সরাসরি ‘কর্ডলাইন’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই কর্ডলাইনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলমান আছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দুই শহরের দূরত্ব কমার পাশাপাশি ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি পাবে। ফলে অল্প সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াত করা যাবে।
পুরো রুট হচ্ছে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন
প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পুরো রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত অংশের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইনের কাজ শেষ হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ছাড়া টঙ্গী-আখাউড়া অংশের প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নও শেষ পর্যায়ে। আশা করা যাচ্ছে, এই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ