প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মনুষ্যবিহীন সাবমেরিন আটক হওয়ার পর, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের নজরদারি বলয় বা ‘চোখ ফাঁকি’ দেওয়ার জন্য কোনো আধুনিক প্রযুক্তি সক্ষম নয়।
বুধবার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ একটি পোস্টে তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীর অত্যাধুনিক সাবমেরিন আটকের ঘটনাটিকে স্বাগত জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই অভিযান পারস্য উপসাগরে ইরানের নজরদারি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার একটি প্রমাণ।
মোহেব্বি বলেন, ‘২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীতে যোগ হওয়া সবচেয়ে আধুনিক চালকবিহীন সাবমেরিনটি আটক হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে যে, হরমুজ প্রণালীতে আমাদের নজরদারি বলয় ভেদ করে কোনো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পার হতে পারবে না।’
তিনি আরও জানান, ‘পারস্য উপসাগরের ওপর আধিপত্য আমাদের প্রযুক্তি-দক্ষ তরুণদেরই।’ এদিকে, তিনি মার্কিন বাহিনীকে ‘গালফ অব পিগস’-এ ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে, মঙ্গলবার আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, তারা হরমুজ প্রণালীর প্রবেশপথের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক চালকবিহীন ডুবোযান (সাবমেরিন) আটক করে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, যানটিকে ‘ডাইভ-এলডি’ (Dive-LD) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এটি মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের তৈরি একটি স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান। ২০২৫ সালে এটি মার্কিন নৌবাহিনীর ‘আনম্যানড আন্ডারসি ভেহিকেল গ্রুপ ১’-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রায় ৫ দশমিক ৮ মিটার দীর্ঘ এবং ২ দশমিক ৭ টন ওজনের ডাইভ-এলডি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও অনুসন্ধান, সমুদ্রতলের মানচিত্র তৈরি, অবকাঠামো পরিদর্শন এবং মাইন বা সমুদ্রতলস্থ বিস্ফোরক শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণের মতো কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
প্রকাশিত কারিগরি তথ্য অনুযায়ী, ডাইভ-এলডি পানির নিচে একটানা ১০ দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে এবং প্রায় ৬ হাজার মিটার গভীরতা পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনায় সক্ষম। তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন