০৮:১১ পি.এম
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় উপলক্ষে তেহরানে একটি রাষ্ট্রীয় শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ শোকযাত্রা শেষে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ রাখা হবে আজাদি স্কয়ারে। সেখানে এক দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে তেহরানের আকাশসীমা।
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর শোক, শ্রদ্ধা ও স্মৃতিচারণের মাধ্যমে ইরান চেষ্টা করছে তাকে শেষ বিদায় জানাতে। প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার রাষ্ট্রীয় শোক মিছিলে অংশ নিতে ভোর বেলায় কালো পোশাক পরা লাখো মানুষ রাজধানীর রাজপথে জড়ো হন। এই কর্মসূচি চলবে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা।
প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ শোকযাত্রা শুরু হয়েছে ইমাম হোসেইন স্কয়ার থেকে, এরপর ইনকিলাব স্ট্রিট, ইনকিলাব স্কয়ার, আজাদি স্ট্রিট এবং আজাদি স্কয়ার অতিক্রম করে মেহরাবাদ বিমানবন্দরের কাছে শহীদ লাশগারি মহাসড়ক পর্যন্ত পৌঁছাবে। শোকযাত্রার সময় অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় পতাকাসহ ফিলিস্তিন এবং হিজবুল্লাহর পতাকাও বহন করছেন।
আরও পড়ুন: ‘রুমিন ফারহানারা মৌসুমি রাজনীতি করেন’ মন্তব্য রাশেদ খাঁনের
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ কোম শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর বুধবার (৮ জুলাই) প্রতিবেশী ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরে শোক যাত্রা এবং জানাজার আয়োজন করা হবে, যেখানে অসংখ্য মানুষ প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে মরদেহ ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চল মাশহাদে নেয়া হবে। জন্মস্থান মাশহাদে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খামেনিকে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে গত ২ দিন ধরে তেহরানের গ্র্যান্ড খামেনি মোসাল্লামে খামেনি ও তার পরিবারর কিছু সদস্যের মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছিল। সেখানে কোটি মানুষের অংশগ্রহণে প্রথম দফার জানাজা সম্পন্ন হয়।
এদিকে শোকানুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একদিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে তেহরানের আকাশসীমা। সাথে মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব নিয়মিত ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় পুলিশের অভিযানে ২৮ জন গ্রেফতার, আইনগত ব্যবস্থা চলমান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন