মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০১ পি.এম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অধিবেশনটি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে শুরু হয়।
এর আগে সোমবার, জাতীয় সংসদের অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গ সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের অর্ধশতাধিক সক্রিয় নেতাকর্মী ও সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রমিক দলে যোগদান করেছেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে জেলার পাটকেলঘাটায় যুবদল কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রমিক দলে যোগ দেন তারা। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবাগত নেতাকর্মীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
এ সময় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
তিনি নবাগতদের উদ্দেশ্যে বলেন, "সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও জাতীয়তাবাদী ভাবধারায় উজ্জীবিত হয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত দেশ পুনর্গঠন ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করি, আগামী দিনে আপনারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।"
জামায়াতের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ছেড়ে বিএনপি সমর্থিত শ্রমিক দলে যোগদানকারী ৫৬ জন নেতাকর্মী হলেন- মো. আব্দুল মালেক, মো. কাসেম, মো. রফিকুল, মো. লতিফ, মো. জহুরুল, মো. আশরাফুল, মো. তরিকুল, মো. সাইদুল, আব্দুল জব্বার, রিয়াজ, মো. ছমেদ, মো. কালাম, মো. আজহার, মো. মানিক, মো. লিটন, মো. শফিকুল, মো. জাহাঙ্গীর, মো. মান্নান, শেখ সাইদুল, শেখ সাইফুজ্জামান, মো. সহিদুল, শেখ লিটন, মো. আকিজ, আসাদুল ইসলাম, মো. ইসমাইল, মো. রবিউল, মো. মহসিন, মো. মহিদুল, মো. অজিয়ার, মো. তারিক, মো. সিরাজ, মো. বজলু, মো. আব্দুল, মো. ফারুক, মো. আলী, মো. রাজ্জাক, মো. জামাল, মো. শেখ পল্টু, মো. আতিয়ার, শেখ জাবিয়ার, শেখ মোস্তফা, আব্দুল হোসেন, মাকসুদ হোসেন, খোকন হোসেন, সোহাগ হোসেন, শেখ রিয়াজ, আতিয়ার, মো. লিটন, শেখ জাবিয়ার, মো. শফিকুল, মো. মহসিন, শেখ মোস্তফা, আব্দুল হোসেন, মাকসুদ হোসেন, খোকন হোসেন, সোহাগ হোসেন ও শেখ রিয়াজ।
অনুষ্ঠানে তালা উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক সামরুল ইসলাম মিলনের সঞ্চালনায় স্থানীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, জামায়াতের বিয়োগাত্মক রাজনীতি ও শ্রমজীবী মানুষের সঠিক মূল্যায়ন না হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল, এ যোগদানের মাধ্যমে তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে। বিএনপির হাত ধরে আগামী দিনে এ অঞ্চলের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন আরও বেগবান হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শেখ রিজভী আহমেদ, সরুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম, সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি ও ব্যবসায়ী মকবুল হোসেন, সরুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শিমুল হোসেন, হারুন অর রশিদ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মিরাজ হোসেনসহ অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিতে তৈরি পণ্যের উপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা ঘোষণা করতে যাচ্ছে ব্রিটেন, যা দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন করার অংশ হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী মঙ্গলবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় ছয় সপ্তাহ পর ইসরায়েল সম্পর্কিত দেশের নীতির পুনঃমূল্যায়নের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইসরায়েল ও সম্ভাব্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তিনি বক্তব্য রাখবেন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ফোনে আলোচনা করেন। এই আলোচনায় তিনি ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সংকটের সমাধানে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মিলিব্যান্ড পূর্বে মন্তব্য করেছিলেন যে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের প্রস্তাবিত ‘ই১’ বসতি প্রকল্প ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের জন্য নির্ধারিত ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে যাবে। তার মতে, এ ধরনের বসতি সম্প্রসারণ দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তবে ব্রিটিশ পেনশনমন্ত্রী প্যাট ম্যাকফ্যাডেন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ পরে সংসদে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দেবেন।
সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ ও মাসে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের কারণে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্রিটেনসহ বিশ্বের অধিকাংশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলোকে অবৈধ বলে মনে করে। তারা পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলি সামরিক দখলে থাকা এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে। তবে ইসরায়েলের দাবি, পশ্চিম তীর ‘দখলকৃত’ নয়, বরং এটি একটি ‘বিতর্কিত’ ভূখণ্ড।
দেশটি আরও দাবি করে, এই ভূমির সঙ্গে ইহুদিদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীতে জেলের জালে ধরা পড়া একটি ৮ কেজি ওজনের সামুদ্রিক কালো দাতিনা বা (Goldsilk seabream) মাছ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মাছটি আলীপুর বন্দরের মেসার্স সাগর ফিসে খোলা বাজারে উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে প্রতি কেজি ৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়।
এই মাছটি মূলত সুন্দরবন অঞ্চল ও উপকূলীয় লোনা বা আধা-লোনা পানিতে পাওয়া যায়। অঞ্চলভেদে এই মাছটিকে, কালো দাতিনা, সাদা দাতিনা, জাতি দাতিনা বা রাজা দাতিনা নামে ডাকা হয়।
এ প্রজাতির সচরাচর এ ধরনের মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ে না। সুতরাং, খবর ছড়িয়ে পড়লে মাছটি দেখার জন্য আড়তে মানুষের ভিড় লেগে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাছটি আড়তে তোলা হলে ডাকের মাধ্যমে ‘ফ্রেশ ফিশ কুয়াকাটা’র স্বত্বাধিকারী পি.এম মুসা কিনে নেন। তিনি মাছটি রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করবেন বলেও জানিয়েছেন।
মাছটি পাওয়া এফবি মিম ট্রলারের জেলে সিদ্দিক জানান, ছোট জাটকা ইলিশ মাছের পাশাপাশি একটি দাতিনা মাছ পেয়েছি। খুব ভালো দামে বিক্রি করেছি। এসব মাছ পেলে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। আমরা অনেক খুশি।
স্থানীয় জেলেদের কাছে মাছটি ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ ও দাঁতিনা নামেও পরিচিত। আন্তর্জাতিক বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, বিশেষ করে মাছটির বায়ুথলি বা এয়ার ব্লাডার চীনা ঐতিহ্যবাহী ওষুধ ও প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত হওয়ায় এর দাম অনেক বেশি।
সিফাত ফিসের আড়তদার মীর মিজানুর রহামান বলেন, আজকে মাছটি তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হয়েছে। মাঝে মাঝে ৪ লাখ টাকাও মণে এসব মাছ বিক্রি হয়। জেলেদের পাশাপাশি আমরা আড়তদাররাও অনেক খুশি।
ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, মাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Acanthopagrus berda। শারীরিক গঠনের দিক থেকে কালো দাতিনা মাছটি সর্বোচ্চ ৯০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হওয়ার রেকর্ড রয়েছে, তবে প্রাকৃতিকভাবে আমাদের জেলেরা সাধারণত ৩৫ সেন্টিমিটার এর কাছাকাছি আকারের মাছ বেশি পেয়ে থাকে। ছোট কাঁকড়া ও চিংড়ি, ছোট মাছ, শামুক ও ঝিনুক এবং পানির তলদেশের বালু বা কাদার মধ্যে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক কৃমি এদের সবচেয়ে প্রিয় খাবার। এদের চোয়াল খুব শক্তিশালী হওয়ায় এরা সহজেই শক্ত খোলসযুক্ত কাঁকড়া বা চিংড়ি চিবিয়ে খেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, তবে জলবায়ু পরিবর্তন এবং উপকূলীয় পরিবেশ দূষণের কারণে এদের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্রগুলো হুমকির মুখে পড়ছে। তাই ব্লু-ইকোনমি বা নীল অর্থনীতির বিকাশ এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে এই কালো দাতিনা মাছের কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়া এবং এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি।
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী জানান, এ মাছগুলো কালো পোয়া মাছ। স্থানীয় ভাষায় এগুলোকে দাতিনা মাছ বলা হয়। এসব মাছ সাধারণত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। এ মাছের বায়ুথলি থেকে কসমেটিকস, মেডিসিন, সুতা তৈরি হয় বলে এর চাহিদা বেশি। তবে সবসময় এ মাছ পাওয়া যায় না। সাম্প্রতিক ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার সুফলেই জেলেরা এখন বেশি মাছ পাচ্ছেন, এতে তারা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর সাড়ে ৪ কেজি ওজনের একটি কালো দাতিনা ৭২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিভাগের কমিশনার ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, রাজশাহীতে সারের সংকট নেই। কৃষকদের চাহিদা পূরণের জন্য সরকারি গুদামে যথেষ্ট পরিমাণে ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে। তিনি সারের সংকট নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরকে বিভ্রান্তিকর বলে অভিহিত করেছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আসন্ন আমন ও বোরো মৌসুমের জন্য সারের মজুত পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে নগরের নওদাপাড়া এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সার গুদামে গিয়েছিলেন বিভাগীয় কমিশনার।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে গুদামে মজুত সারের পরিমাণ জেলার মাসিক চাহিদার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। কৃষকদের তিনি আতঙ্কিত না হয়ে গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দেন।
বিভাগীয় কমিশনার আরও জানান, বিসিআইসির বাফার গুদামে বর্তমানে ৯ হাজার ৮০৪ টন ইউরিয়া, ৪৩০ টন টিএসপি ও ৮৫ দশমিক ৫ টন ডিএপি সার মজুত রয়েছে। অন্যদিকে, বিএডিসির গুদামে ৬ হাজার ৩১২ টন টিএসপি, ৮০১ টন এমওপি ও ৪ হাজার ৩৪৮ টন ডিএপি সার মজুত রয়েছে।
তিনি বলেন, চলতি মাসে টিএসপি সারের বরাদ্দ ১ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে গুদামে প্রায় ৬ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন মজুত রয়েছে। একইভাবে, চলতি মাসে জেলার জন্য ইউরিয়া সারের বরাদ্দ ৫ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন হলেও একটি গুদামে প্রায় ১০ হাজার টন ইউরিয়া মজুত রয়েছে।
ইউসুফ আলী জানান, সারের কোনো সংকট নেই। গুদামে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ অনুযায়ী নিয়মিতভাবে ডিলারদের কাছে সার সরবরাহ করা হচ্ছে এবং তাঁরা দোকানে বিক্রি করছেন।
সারসংকট নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। গুদামে সারের মজুত সবার সামনে দৃশ্যমান, এখানে লুকানোর কিছু নেই।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, কৃষকদের জন্য ফসল উৎপাদনের জন্য যতটুকু সার প্রয়োজন, সরকারের কাছে তার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তাই কৃষকদের তিনি গুজবে কান না দিতে এবং আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
এ সময় রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ