মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০৩ পি.এম
অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিতে তৈরি পণ্যের উপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা ঘোষণা করতে যাচ্ছে ব্রিটেন, যা দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন করার অংশ হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী মঙ্গলবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় ছয় সপ্তাহ পর ইসরায়েল সম্পর্কিত দেশের নীতির পুনঃমূল্যায়নের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইসরায়েল ও সম্ভাব্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তিনি বক্তব্য রাখবেন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ফোনে আলোচনা করেন। এই আলোচনায় তিনি ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সংকটের সমাধানে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মিলিব্যান্ড পূর্বে মন্তব্য করেছিলেন যে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের প্রস্তাবিত ‘ই১’ বসতি প্রকল্প ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের জন্য নির্ধারিত ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে যাবে। তার মতে, এ ধরনের বসতি সম্প্রসারণ দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তবে ব্রিটিশ পেনশনমন্ত্রী প্যাট ম্যাকফ্যাডেন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ পরে সংসদে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দেবেন।
সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ ও মাসে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের কারণে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্রিটেনসহ বিশ্বের অধিকাংশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলোকে অবৈধ বলে মনে করে। তারা পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলি সামরিক দখলে থাকা এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে। তবে ইসরায়েলের দাবি, পশ্চিম তীর ‘দখলকৃত’ নয়, বরং এটি একটি ‘বিতর্কিত’ ভূখণ্ড।
দেশটি আরও দাবি করে, এই ভূমির সঙ্গে ইহুদিদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীতে জেলের জালে ধরা পড়া একটি ৮ কেজি ওজনের সামুদ্রিক কালো দাতিনা বা (Goldsilk seabream) মাছ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মাছটি আলীপুর বন্দরের মেসার্স সাগর ফিসে খোলা বাজারে উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে প্রতি কেজি ৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়।
এই মাছটি মূলত সুন্দরবন অঞ্চল ও উপকূলীয় লোনা বা আধা-লোনা পানিতে পাওয়া যায়। অঞ্চলভেদে এই মাছটিকে, কালো দাতিনা, সাদা দাতিনা, জাতি দাতিনা বা রাজা দাতিনা নামে ডাকা হয়।
এ প্রজাতির সচরাচর এ ধরনের মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ে না। সুতরাং, খবর ছড়িয়ে পড়লে মাছটি দেখার জন্য আড়তে মানুষের ভিড় লেগে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাছটি আড়তে তোলা হলে ডাকের মাধ্যমে ‘ফ্রেশ ফিশ কুয়াকাটা’র স্বত্বাধিকারী পি.এম মুসা কিনে নেন। তিনি মাছটি রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করবেন বলেও জানিয়েছেন।
মাছটি পাওয়া এফবি মিম ট্রলারের জেলে সিদ্দিক জানান, ছোট জাটকা ইলিশ মাছের পাশাপাশি একটি দাতিনা মাছ পেয়েছি। খুব ভালো দামে বিক্রি করেছি। এসব মাছ পেলে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। আমরা অনেক খুশি।
স্থানীয় জেলেদের কাছে মাছটি ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ ও দাঁতিনা নামেও পরিচিত। আন্তর্জাতিক বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, বিশেষ করে মাছটির বায়ুথলি বা এয়ার ব্লাডার চীনা ঐতিহ্যবাহী ওষুধ ও প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত হওয়ায় এর দাম অনেক বেশি।
সিফাত ফিসের আড়তদার মীর মিজানুর রহামান বলেন, আজকে মাছটি তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হয়েছে। মাঝে মাঝে ৪ লাখ টাকাও মণে এসব মাছ বিক্রি হয়। জেলেদের পাশাপাশি আমরা আড়তদাররাও অনেক খুশি।
ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, মাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Acanthopagrus berda। শারীরিক গঠনের দিক থেকে কালো দাতিনা মাছটি সর্বোচ্চ ৯০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হওয়ার রেকর্ড রয়েছে, তবে প্রাকৃতিকভাবে আমাদের জেলেরা সাধারণত ৩৫ সেন্টিমিটার এর কাছাকাছি আকারের মাছ বেশি পেয়ে থাকে। ছোট কাঁকড়া ও চিংড়ি, ছোট মাছ, শামুক ও ঝিনুক এবং পানির তলদেশের বালু বা কাদার মধ্যে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক কৃমি এদের সবচেয়ে প্রিয় খাবার। এদের চোয়াল খুব শক্তিশালী হওয়ায় এরা সহজেই শক্ত খোলসযুক্ত কাঁকড়া বা চিংড়ি চিবিয়ে খেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, তবে জলবায়ু পরিবর্তন এবং উপকূলীয় পরিবেশ দূষণের কারণে এদের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্রগুলো হুমকির মুখে পড়ছে। তাই ব্লু-ইকোনমি বা নীল অর্থনীতির বিকাশ এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে এই কালো দাতিনা মাছের কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়া এবং এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি।
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী জানান, এ মাছগুলো কালো পোয়া মাছ। স্থানীয় ভাষায় এগুলোকে দাতিনা মাছ বলা হয়। এসব মাছ সাধারণত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। এ মাছের বায়ুথলি থেকে কসমেটিকস, মেডিসিন, সুতা তৈরি হয় বলে এর চাহিদা বেশি। তবে সবসময় এ মাছ পাওয়া যায় না। সাম্প্রতিক ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার সুফলেই জেলেরা এখন বেশি মাছ পাচ্ছেন, এতে তারা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর সাড়ে ৪ কেজি ওজনের একটি কালো দাতিনা ৭২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিভাগের কমিশনার ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, রাজশাহীতে সারের সংকট নেই। কৃষকদের চাহিদা পূরণের জন্য সরকারি গুদামে যথেষ্ট পরিমাণে ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে। তিনি সারের সংকট নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরকে বিভ্রান্তিকর বলে অভিহিত করেছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আসন্ন আমন ও বোরো মৌসুমের জন্য সারের মজুত পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে নগরের নওদাপাড়া এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সার গুদামে গিয়েছিলেন বিভাগীয় কমিশনার।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে গুদামে মজুত সারের পরিমাণ জেলার মাসিক চাহিদার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। কৃষকদের তিনি আতঙ্কিত না হয়ে গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দেন।
বিভাগীয় কমিশনার আরও জানান, বিসিআইসির বাফার গুদামে বর্তমানে ৯ হাজার ৮০৪ টন ইউরিয়া, ৪৩০ টন টিএসপি ও ৮৫ দশমিক ৫ টন ডিএপি সার মজুত রয়েছে। অন্যদিকে, বিএডিসির গুদামে ৬ হাজার ৩১২ টন টিএসপি, ৮০১ টন এমওপি ও ৪ হাজার ৩৪৮ টন ডিএপি সার মজুত রয়েছে।
তিনি বলেন, চলতি মাসে টিএসপি সারের বরাদ্দ ১ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে গুদামে প্রায় ৬ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন মজুত রয়েছে। একইভাবে, চলতি মাসে জেলার জন্য ইউরিয়া সারের বরাদ্দ ৫ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন হলেও একটি গুদামে প্রায় ১০ হাজার টন ইউরিয়া মজুত রয়েছে।
ইউসুফ আলী জানান, সারের কোনো সংকট নেই। গুদামে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ অনুযায়ী নিয়মিতভাবে ডিলারদের কাছে সার সরবরাহ করা হচ্ছে এবং তাঁরা দোকানে বিক্রি করছেন।
সারসংকট নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। গুদামে সারের মজুত সবার সামনে দৃশ্যমান, এখানে লুকানোর কিছু নেই।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, কৃষকদের জন্য ফসল উৎপাদনের জন্য যতটুকু সার প্রয়োজন, সরকারের কাছে তার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তাই কৃষকদের তিনি গুজবে কান না দিতে এবং আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
এ সময় রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পুরো বেঞ্চ, সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে উচ্চবাচ্যের পর এজলাস ছেড়ে চলে গেছেন বলে জানা গেছে।
এই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগে।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, আপিল বিভাগে একটি মামলার শুনানি চলাকালে হঠাৎ করেই মাহবুব উদ্দিন খোকন মন্তব্য করেন, "জুবায়ের রহমান চৌধুরী প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর আইনজীবীদের আয়-রোজগার কমে গেছে।" এই মন্তব্য শুনে প্রধান বিচারপতি পাল্টা প্রশ্ন করেন। এ সময় পাল্টাপাল্টি কথোপকথনের ফলে পুরো আপিল বিভাগ এজলাস ছেড়ে চলে যায়।
পরে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের জানান, "সকালে আপিল বিভাগের এক নম্বর আইটেমে একটি মামলায় মহিলা আইনজীবীর ওপর কস্ট (খরচা) দেওয়া হয়েছে। পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা।" ১৩ নম্বর মামলা (আইটেম) শেষ হওয়ার পর তিনি প্রধান বিচারপতিকে বিনয়ের সঙ্গে বলেন, "আপনি প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর আপিল বিভাগে মামলা খুব একটা হচ্ছে না। আইনজীবীদের ইনকাম কমে গেছে।"
তিনি আরও বলেন, "একজন জুনিয়র আইনজীবীকে পাঁচ লাখ টাকা কষ্ট দেওয়া অনেক বেশি হয়ে গেছে। তাকে মাফ করে দেন।" তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, "আমি প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর আইনজীবীদের ইনকাম কমে গেছে?" তিনি তখন বলেন, "ইনকাম ওই সেন্সে কমে গেছে... আমি বোঝাতে চেয়েছি, আগে আপিল বিভাগে ১১ জন বিচারপতি ছিলেন। তিনটি বেঞ্চ ছিল। এখন একটি বেঞ্চ।"
"একটি মামলা স্টে হলে সেখানে শুনানি করতে পারছি না। এমনকি চেম্বার জজে স্টে করছে, এটা হিয়ারিং করতে এক বছর লাগে।" মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, "সেখানে কেন কোনো মেনশন করা যায় না? কেন এই মামলাটা উপরে ছিল (কজলিস্টে), নিচে গেলে কেন মেনশন করা যায় না? যেহেতু একটি বেঞ্চ, মানুষ দীর্ঘদিন থেকে ন্যায়বিচার পাচ্ছে না, মামলা শুনানি করতে পারছে না। মামলা হলে আইনজীবীদের ইনকাম হবে। কম হোক, বেশি হোক। আমি খুব বিনয়ের সঙ্গে বললাম। আমি চিন্তা করিনি যে উনি এত রিঅ্যাক্ট করবেন। ওনারা তো রাগ-অভিমানের ঊর্ধ্বে বিচার করার কথা। আর আইনজীবীদের প্রতিনিধি হিসেবে আমার অবলিগেশন আছে। ওনার কাছে আইনজীবীদের পক্ষে আবেদন করার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী বিশেষ অভিযান উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হবে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য এই তিন মাসের বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি।
ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলার জন্য আগামী তিন মাসকে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হিসেবে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একটি সভায় প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধুমাত্র মশকনিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
এজন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। কর্মসূচির আওতায় মহানগর এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকরা কার্যক্রমের সমন্বয় করবেন। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) স্থানীয় পর্যায়ের কার্যক্রমের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন।
উপ-প্রেস সচিব জানান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক এই অভিযানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হবে।
প্রতি শনিবার স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় গিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে— এমন স্থান চিহ্নিত করা এবং মানুষকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
হাসান শিপলু জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাঠপর্যায়ের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে টেলিভিশনে জনসচেতনতামূলক প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা নিয়মিতভাবে তুলে ধরার জন্য সংশ্লিষ্টদের বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই সময়ে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ