প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিতে তৈরি পণ্যের উপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা ঘোষণা করতে যাচ্ছে ব্রিটেন, যা দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন করার অংশ হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী মঙ্গলবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় ছয় সপ্তাহ পর ইসরায়েল সম্পর্কিত দেশের নীতির পুনঃমূল্যায়নের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইসরায়েল ও সম্ভাব্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তিনি বক্তব্য রাখবেন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ফোনে আলোচনা করেন। এই আলোচনায় তিনি ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সংকটের সমাধানে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মিলিব্যান্ড পূর্বে মন্তব্য করেছিলেন যে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের প্রস্তাবিত ‘ই১’ বসতি প্রকল্প ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের জন্য নির্ধারিত ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে যাবে। তার মতে, এ ধরনের বসতি সম্প্রসারণ দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তবে ব্রিটিশ পেনশনমন্ত্রী প্যাট ম্যাকফ্যাডেন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ পরে সংসদে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দেবেন।
সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ ও মাসে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের কারণে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্রিটেনসহ বিশ্বের অধিকাংশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলোকে অবৈধ বলে মনে করে। তারা পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলি সামরিক দখলে থাকা এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে। তবে ইসরায়েলের দাবি, পশ্চিম তীর ‘দখলকৃত’ নয়, বরং এটি একটি ‘বিতর্কিত’ ভূখণ্ড।
দেশটি আরও দাবি করে, এই ভূমির সঙ্গে ইহুদিদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন