প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহী বিভাগের কমিশনার ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, রাজশাহীতে সারের সংকট নেই। কৃষকদের চাহিদা পূরণের জন্য সরকারি গুদামে যথেষ্ট পরিমাণে ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে। তিনি সারের সংকট নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরকে বিভ্রান্তিকর বলে অভিহিত করেছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আসন্ন আমন ও বোরো মৌসুমের জন্য সারের মজুত পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে নগরের নওদাপাড়া এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সার গুদামে গিয়েছিলেন বিভাগীয় কমিশনার।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে গুদামে মজুত সারের পরিমাণ জেলার মাসিক চাহিদার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। কৃষকদের তিনি আতঙ্কিত না হয়ে গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দেন।
বিভাগীয় কমিশনার আরও জানান, বিসিআইসির বাফার গুদামে বর্তমানে ৯ হাজার ৮০৪ টন ইউরিয়া, ৪৩০ টন টিএসপি ও ৮৫ দশমিক ৫ টন ডিএপি সার মজুত রয়েছে। অন্যদিকে, বিএডিসির গুদামে ৬ হাজার ৩১২ টন টিএসপি, ৮০১ টন এমওপি ও ৪ হাজার ৩৪৮ টন ডিএপি সার মজুত রয়েছে।
তিনি বলেন, চলতি মাসে টিএসপি সারের বরাদ্দ ১ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে গুদামে প্রায় ৬ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন মজুত রয়েছে। একইভাবে, চলতি মাসে জেলার জন্য ইউরিয়া সারের বরাদ্দ ৫ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন হলেও একটি গুদামে প্রায় ১০ হাজার টন ইউরিয়া মজুত রয়েছে।
ইউসুফ আলী জানান, সারের কোনো সংকট নেই। গুদামে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ অনুযায়ী নিয়মিতভাবে ডিলারদের কাছে সার সরবরাহ করা হচ্ছে এবং তাঁরা দোকানে বিক্রি করছেন।
সারসংকট নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। গুদামে সারের মজুত সবার সামনে দৃশ্যমান, এখানে লুকানোর কিছু নেই।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, কৃষকদের জন্য ফসল উৎপাদনের জন্য যতটুকু সার প্রয়োজন, সরকারের কাছে তার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তাই কৃষকদের তিনি গুজবে কান না দিতে এবং আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
এ সময় রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন