ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সামরিক মহড়া ও সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়াবে যুক্তরাজ্য-ওমান


সামরিক মহড়া ও সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়াবে যুক্তরাজ্য-ওমান

যুক্তরাজ্য ও ওমান প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পরিবেশবান্ধব শিল্প এবং নতুন প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়েছে। এ তথ্য শুক্রবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যা ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের যুক্তরাজ্য সফরের প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুই দেশ তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করে একটি ‘উচ্চাভিলাষী ও ভবিষ্যৎমুখী অংশীদারত্ব’ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছে। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাজ্যে রাজা তৃতীয় চার্লসের আমন্ত্রণে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আসেন ওমানের সুলতান।

লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে বুধবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ও সুলতান হাইথাম দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা চলাকালে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্ক আধুনিকায়ন, উন্নত শিল্প খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আরও পড়ুন: মিয়ানমার ইস্যুতে আসিয়ান সম্মেলনে আলোচনার প্রত্যাশা থাইল্যান্ডের

দুই দেশ সামরিক সহযোগিতা ও প্রতিরক্ষা শিল্পে অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছে। এ ক্ষেত্রে ‘সাইফ সারিয়া’ সামরিক মহড়া সিরিজকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে সাইফ সারিয়া-৪ মহড়ার প্রস্তুতিকে স্বাগত জানিয়ে সামরিক সক্ষমতা উন্নয়ন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, নতুন কৌশল যাচাই এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তাবিষয়ক তথ্য বিনিময়ে আরও সহযোগিতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার বিষয়ে একমত হয়েছে দুই পক্ষ।

এছাড়া, যুক্তরাজ্য ও ওমান সাইবার নিরাপত্তা এবং জাতীয় সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সহযোগিতা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চৌমুহনী অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত, নাগরিকদের কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ এম


চৌমুহনী অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত, নাগরিকদের কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবি

বৃহত্তর নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যিক শহর চৌমুহনী ক্রমশ অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হচ্ছে। এখানে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও জবরদখলের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত এবং গোলাগুলি প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহরের আবাসিক হোটেলগুলো বিশেষ করে অপরাধচক্রের নিরাপদ ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে।

অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে চৌমুহনীর বেশ কিছু আবাসিক হোটেলে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে অবাধে চলছে দেহব্যবসা, মাদক কেনাবেচা ও জুয়ার আসর।

হোটেলগুলোতে আগতদের তথ্য রেজিস্টারে নথিভুক্ত করার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। এর ফলে অপরাধীরা সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছে। এমনকি স্কুল-কলেজপড়ুয়া তরুণ-তরুণীদেরও এসব হোটেলে যাতায়াত করতে দেখা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে এসব আস্তানায় বেশ কিছু সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

গত ১২ সেপ্টেম্বর চৌমুহনী বাজারের ‘ডিলাক্স’ ও ‘রাজ’ আবাসিক হোটেল থেকে ১৮ জন এবং ৩০ আগস্ট ‘মিয়ামী’ ও ‘স্কাইভিউ’ হোটেল থেকে আট নারী-পুরুষকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর আগে ২৫ জুন ‘হোটেল রাজ’ থেকে আরো ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুধু অনৈতিক কর্মকাণ্ডই নয়, গত ২ জানুয়ারি ‘হোটেল রিয়াদ’ থেকে বিদেশি পিস্তল ও কার্তুজসহ বাসু ও রাসেল নামের দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এবং স্থানীয় প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে বছরের পর বছর এ বেআইনি কর্মকাণ্ড চলছে। কোনো পর্যটনকেন্দ্র না থাকা সত্ত্বেও কেন এখানে এত আবাসিক হোটেলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছে।

চৌমুহনী নোয়াখালী-৩ আসনের নির্বাচনি এলাকার স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ বাণিজ্যিক শহরে প্রতিদিন হাজারো মানুষ আসেন। শহরটিকে বাঁচাতে এখনই আবাসিক হোটেলগুলোর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনা এবং কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা প্রয়োজন।

অভিযানের বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি শামসুজ্জামান বলেন, ‘নোয়াখালী ডিবি ও বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। শহরের নিরাপত্তা ও নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে এবং দ্রুতই বড় ধরনের অভিযান চালানো হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতকানিয়ায় সাঙ্গুর ভাঙনে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিতে, স্থানীয়দের জীবনযাত্রা বিপন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ এম


সাতকানিয়ায় সাঙ্গুর ভাঙনে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিতে, স্থানীয়দের জীবনযাত্রা বিপন্ন

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নে সাঙ্গু নদীর ভাঙনের ফলে বেড়িবাঁধ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীতে সৃষ্ট তীব্র স্রোতে বাঁধের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাচ্ছে। বসতঘর, কবরস্থান, মসজিদ, গ্রামীণ সড়ক এবং ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে, ভাঙনকবলিত সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থীদের মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গত জুলাই মাসের শুরুতে প্রবল বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে চৌধুরীপাড়া এলাকায় বেড়িবাঁধের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একপর্যায়ে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে, যার ফলে এলাকার মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেড়িবাঁধের জরুরি মেরামতের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ১৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে নদীভাঙন রোধে ১৫০ মিটার এলাকায় জিও টিউব স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও সম্প্রতি কাজ শুরু হয়েছে, নতুন করে নদীভাঙন দেখা দেওয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। কাজ চলাকালে বেড়িবাঁধের বেশ কিছু অংশ সাঙ্গু নদীগর্ভে ধসে পড়েছে, ফলে আপাতত জিও টিউব স্থাপনের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।

পটিয়া পানি উন্নয়ন শাখা-১-এর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম জানান, নদীভাঙনের কারণে নির্ধারিত স্থানের বেড়িবাঁধের বেশ কিছু অংশ ধসে পড়েছে। এ অবস্থায় আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। নতুন করে সমীক্ষা চালিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে হবে। এরপর ভাঙন প্রতিরোধে টেকসই পদ্ধতি নির্ধারণ করে কাজ শুরু করতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ জামাল এবং মোহাম্মদ ফোরকান জানান, বর্ষা এলেই সাঙ্গু নদীর ভাঙন নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয় তাদের। নদীর স্রোতে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় বসতবাড়ি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কবরস্থান, ফসলি জমি এবং চলাচলের সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরো বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে। তাই সাময়িক মেরামতের পরিবর্তে নদীর স্রোত এবং ভাঙনের ধরন বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বেড়িবাঁধ রক্ষার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে বরাদ্দ করা ১৯ লাখ টাকার কাজ দ্রুত পুনর্মূল্যায়ন করে টেকসইভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ওএমএসের চাল-আটা মিলছে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ এম


ফেনীতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ওএমএসের চাল-আটা মিলছে না

ফেনীতে ওএমএসের চাল ও আটা না পাওয়ায় দীর্ঘ দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেককেই খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। সরেজমিনে শহরের একাধিক ওএমএস কেন্দ্র পরিদর্শন করে জানা গেছে, জনপ্রতি পাঁচ কেজি চাল ও পাঁচ কেজি আটা কেনার সুযোগ রয়েছে। প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং আটা ২৪ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। ভোর থেকেই নিম্ন আয়ের মানুষের দীর্ঘ সারি তৈরি হয় বিক্রয়কেন্দ্রের সামনে। সপ্তাহে একদিন বা দুদিন পণ্য কেনার সুযোগ মেলে। বরাদ্দ কম থাকায় অনেককে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৭ সালে বিশ্বব্যাপী খাদ্যসংকট এবং দেশে চালের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর পলাশী বাজার এলাকায় ওএমএস কার্যক্রম শুরু করে সরকার। দরিদ্র মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বল্পমূল্যে চাল ও আটা বিক্রির এই কর্মসূচি পরে দেশব্যাপী সম্প্রসারণ করা হয়। ২০১০ সালে ফেনী পৌরসভায় এই কার্যক্রম চালু হয়।

শুরুর দিকে ফেনী পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে ছয়টি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ওএমএস কার্যক্রম পরিচালিত হতো। ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও এ কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়েনি। ফলে চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিনের বেশি এ কার্যক্রম চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

খাদ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পাশের জেলা কুমিল্লায় কয়েক দফায় বাড়িয়ে ওএমএস বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ৩২ করা হয়েছে। নোয়াখালীতে ১৭টি, চাঁদপুরে ১৫টি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২টি কেন্দ্র রয়েছে। এসব জেলার তুলনায় ফেনীতে বিক্রয়কেন্দ্র কম থাকায় স্থানীয় চাহিদার পুরোটা পূরণ করা যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন। ফলে নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ চাহিদা অনুযায়ী কম দামে চাল ও আটা কিনতে পারছেন না।

ফেনী পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের ওএমএস ডিলার মো. আকবর হোসেন জানান, কোনো সপ্তাহে দুদিন, আবার কোনো সপ্তাহে তিন দিন পণ্য বরাদ্দ পান তিনি। প্রতি বরাদ্দে ৭৫০ কেজি চাল ও ৭৫০ কেজি আটা দেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিক্রি শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষ চাল ও আটা সংগ্রহ করেন। তবে কেন্দ্র ও বরাদ্দ কমের কারণে অনেককেই খালি হাতে ফিরে যেতে হয়। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন এক টন করে চাল ও আটা বরাদ্দ দেওয়া হলে মানুষের চাহিদা কিছুটা পূরণ করা সম্ভব হবে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে ওএমএস কার্যক্রম শুরুর সময় ফেনী পৌরসভার জনসংখ্যা ছিল ১ লাখ ৯২ হাজার। বর্তমানে তা বেড়ে ২ লাখ ৭৮ হাজারে দাঁড়িয়েছে। সূত্রটির হিসাবে এ সময়ে জনসংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৪২ শতাংশ।

এছাড়া ফেনীতে স্টার লাইন গ্রুপের ১৭টি শিল্পকারখানা, আবুল খায়ের ম্যাচ ফ্যাক্টরি, কোয়ালিটি জুটমিলসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হাজারো শ্রমিক কাজ করেন। তাদের অনেকে স্বল্পমূল্যে খাদ্যপণ্য কিনতে ছুটে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত বিক্রয়কেন্দ্র ও বরাদ্দ না থাকায় অনেকেই ওএমএসের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ফেনীর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আলাউদ্দিন ঢালী বলেন, ফেনী পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে ওএমএসের কেন্দ্র রয়েছে মাত্র ছয়টি। একদিন ১ থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যক্রম চালানো হলে পরদিন ৭ থেকে ১২ নম্বর ওয়ার্ডে চালু রাখা হয়। এভাবে এক এলাকায় বিক্রি বন্ধ রেখে অন্য এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।

তিনি আরো বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিদিন তিন টন চাল ও আটা ট্রাকের মাধ্যমে বিক্রির বরাদ্দ থাকলেও ফেনীতে এ ধরনের কোনো বরাদ্দ নেই। ফলে এখানে ওএমএসের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। বিক্রয়কেন্দ্র ও বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি চালুর প্রয়োজনীতার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

জেলা ওএমএস কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম বলেন, ফেনীতে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষের সংখ্যা কম নয়। অন্য জেলা থেকেও অনেকে কাজের সন্ধানে এ জেলায় আসেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও ওএমএসের বিক্রয়কেন্দ্র বাড়ানো হয়নি, যা দুঃখজনক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেড়েছে ছিনতাই, নারীরা টার্গেটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ এম


ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেড়েছে ছিনতাই, নারীরা টার্গেটে

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই মহাসড়কে প্রতি রাতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। এমনকি দিনের বেলাতেও প্রকাশ্যে ঘটছে ছিনতাই। এর ফলে যাত্রীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সিএনজি অটোরিকশা ও মিশুক চালকের ছদ্মবেশে নারীদের টার্গেট করে ছিনতাই করা হচ্ছে। দিন-দুপুরে ঘটে যাওয়া ছিনতাইয়ের কারণে মহাসড়কে চলাচলকারী নারী যাত্রী ও জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক বেড়ে গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ দৈনন্দিন কাজে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাতায়াত করেন। স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতের জন্য সিএনজি অটোরিকশা ও মিশুক অন্যতম সহজ মাধ্যম। চালক বেশে যাত্রী উঠিয়ে নির্জন স্থানে পৌঁছালে, সেই চালকরাই ছিনতাইকারী হয়ে উঠছেন। কিছু ঘটনার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন যে, চালকের সঙ্গে সহযোগীও ছিল।

গত ১৮ অক্টোবর দুপুরে, মিশুক নিয়ে রোগী দেখতে ট্রেনিং সেন্টার থেকে হাড়িসর্দার এলাকায় যাচ্ছিলেন চৌদ্দগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. জিনিয়া জামান। পথিমধ্যে মহাসড়কের অফবিট হোটেলের সামনে পেছন থেকে আসা সিএনজি অটোরিকশা থেকে তার হাতে থাকা ব্যাগ টান দিয়ে নিয়ে যায়। এতে অন্তঃসত্ত্বা ওই চিকিৎসক পড়ে আহত হন।

গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে ছিনতাইয়ের শিকার হন হাছিনা বেগম নামের অপর এক নারী। সিএনজিতে থাকা চালক ও যাত্রীবেশে ছিনতাইকারী চক্র তাকে অজ্ঞান করে মহাসড়কের ফালগুনকরা দিঘী ও মাজারের মাঝামাঝি একটি নির্জন স্থানে মারধর করে তার দুটি কানের দুল, মোবাইল ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। ওই নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়।

মিয়াবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নিরঞ্জন কুমার বলেন, ‘মহাসড়কে আমাদের টহল জোরদার করা হয়েছে, হাইওয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত আছে। মহাসড়কে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে টহল টিমকে আরো সক্রিয় করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফ হোসাইন এসব ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, ‘প্রায়ই কিছু কিছু সিএনজি অটোরিকশার মধ্যে লোক বসে থাকে এবং পথের মধ্যে যাত্রী উঠিয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। আমরা এসব অবৈধ সিএনজি-অটোরিকশা ও চালক যারা এসব কাজে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযানে নামি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%