ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেত্রকোনার হাওড়ে ভরা মৌসুমেও নেই মাছ, ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে


নেত্রকোনার হাওড়ে ভরা মৌসুমেও নেই মাছ, ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ভরা মৌসুমেও মাছের দেখা নেই। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও, জেলার একমাত্র এই অবতরণ কেন্দ্রটি সীমিত সরবরাহের মধ্যেই চলছে।

মৎস্যজীবীদের মতে, চলতি বছরে অতিবৃষ্টি এবং আগাম বন্যার কারণে হাওড়ে মাছের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, মাছের সংকটের পাশাপাশি তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে তারা বিপুল লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, হাওরে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার কমাতে তারা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে এসপি তানিয়া বরখাস্ত

ভোরের আলো ফুটতেই, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের মাছের আড়তে হাওড় পাড়ের ব্যবসায়ী ও জেলেরা ভিড় করেন। বিভিন্ন হাওড় থেকে নৌকায় করে মাছ নিয়ে আসা হয়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকের মধ্যে হাওড়ের দেশীয় মাছ বিক্রি হয় এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। তবে মাছের আমদানি কম থাকায় বেচাকেনায় মন্দা রয়েছে, বলে জানান তারা।

নেত্রকোনার মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরী এবং পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জের মধ্যনগর, ধর্মপাশাসহ বিভিন্ন হাওড়ের মাছ আসে মোহনগঞ্জের এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। দেশীয় মাছের মধ্যে পুঁটি, টেংরা, পাবদা, বোয়াল, আইড়সহ নানা রকম ছোট মাছের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। মানভেদে এক কেজি মাছের দাম ১০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়।

এখান থেকে কেনা মাছ বাছাই করার পর বড় বড় বাক্সে করে রাজধানী শহর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। তবে মাছের সরবরাহ কম থাকায় স্থানীয়সহ সব বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে মাছ একেবারেই কম ছিল।

তারা জানান, এপ্রিল-জুনে অতিবৃষ্টির কারণে আগাম বন্যায় হাওড়ে ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে, তার প্রভাবও মাছের ওপর পড়েছে। ফলে অনেকেই ঋণ নিয়ে হাওড়ে নামলেও মাছ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: হংকংয়ে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম দিলেন সবুজ অর্থায়নের বার্তা

গেল কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর, আবারও বেসরকারি উদ্যোগে জেলার একমাত্র মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের বরফ কল চালু হয়েছে। তবে অস্বাভাবিক লোডশেডিংয়ের কারণে বরফ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। ফলে সময় মত বরফ না পেয়ে অনেক মৎস্য ব্যবসায়ী বিপাকে পড়েছেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, হাওড়ে মাছের উৎপাদন বাড়াতে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল বন্ধে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি জানান, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলার হাওড়ে অভিযান চালিয়ে ২৬৭০ টি চায়না দুয়ারী, ৫৩৩টি কারেন্ট জাল, চারটি বেড় জালসহ নয়টি বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। ১৫ দিন করে তিনজন জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রায় ৫৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: চাকসুর মেয়াদ পূর্ণ হলেও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ নজরে আসেনি সম্পাদকের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমার ইস্যুতে আসিয়ান সম্মেলনে আলোচনার প্রত্যাশা থাইল্যান্ডের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


মিয়ানমার ইস্যুতে আসিয়ান সম্মেলনে আলোচনার প্রত্যাশা থাইল্যান্ডের

মিয়ানমারের সামরিক সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগকে থাইল্যান্ড স্বাগত জানিয়েছে। ব্যাংকক আশা করছে, দেশটির ভবিষ্যৎ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ানে মিয়ানমারের অংশগ্রহণ নিয়ে আগামী নভেম্বরে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী সিহাসাক ফুয়াংকেতকেও এ কথা জানান। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের জান্তাশাসিত সরকারকে আসিয়ানের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব থেকে বিরত রাখা হয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও মিয়ানমারের সামরিক-সমর্থিত সরকারের প্রতিনিধিরা জাপানের টোকিওতে বৈঠক করেছেন। এটি ছিল দুই পক্ষের মধ্যে এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠক। সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার পরও ওয়াশিংটন আবার যোগাযোগ বাড়াচ্ছে।

সিহাসাক বলেন, থাইল্যান্ড মিয়ানমারকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা বা দেশটিকে ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্র হিসেবে দেখতে চায় না। এজন্য ব্যাংকক যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। তবে তিনি উল্লেখ করেন, যোগাযোগ বাড়ানোর অর্থ সামরিক সরকারকে বৈধতা দেওয়া নয়। বরং এর লক্ষ্য হচ্ছে শান্তিপূর্ণভাবে সংঘাত নিরসন এবং বিরোধী পক্ষগুলোর সঙ্গে সমঝোতার পথ তৈরি করা।

আসিয়ানের অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছেন থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং সম্প্রতি লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া সফর করেছেন। তবে আসন্ন ম্যানিলা সম্মেলনে মিয়ানমারকে জোটের পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে ব্যাপক ও গভীর আলোচনা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকারে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার দীর্ঘদিনের স্থল ও সমুদ্রসীমা বিরোধ নিয়েও কথা বলেন সিহাসাক। তাঁর মতে, দুই দেশ চাইলে আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে বিরোধগুলোর সমাধান সম্ভব। তবে এর জন্য প্রথমে আস্থা তৈরি এবং স্থলসীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে হবে। অতীতে ওই সীমান্তে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

সমুদ্রসীমা বিরোধ মীমাংসায় জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশনের আওতায় গত জুনে সমঝোতা প্রক্রিয়া শুরু করে কম্বোডিয়া। এর আগে মে মাসে প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর ২০০১ সালের যৌথ উন্নয়ন কাঠামো থেকে সরে আসে থাইল্যান্ড। প্রায় এক মাস আগে এ বিষয়ে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে স্বীকার করেন সিহাসাক।

থাইল্যান্ড উপসাগরের প্রায় ২৬ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় দুই দেশের সমুদ্রসীমার দাবি পরস্পরের সঙ্গে মিলে গেছে। অঞ্চলটিতে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তেল ও গ্যাসের মজুত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়। সিহাসাক বলেন, সম্পদ ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনার আগে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করতে চায় থাইল্যান্ড।

এদিকে থাইল্যান্ড ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। উভয় পক্ষের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে বছরের শেষ নাগাদ আলোচনা সম্পন্ন হতে পারে বলেও জানান থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপির নারীশক্তির কমিটি বাতিল, নতুন নেতৃত্বে ডা. মিতু ও নুসরাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


এনসিপির নারীশক্তির কমিটি বাতিল, নতুন নেতৃত্বে ডা. মিতু ও নুসরাত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তির পূর্ববর্তী কমিটি বাতিল করা হয়েছে এবং নতুন আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ তথ্য শনিবার (২৪ অক্টোবর) এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির দপ্তর সম্পাদক সাদিয়া ফারজানা দিনার দ্বারা সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

নতুন কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপিকে মনোনীত করা হয়েছে। সদস্যসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন নুসরাত তাবাসসুম এমপি এবং মুখ্য সংগঠকের পদে অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা নিয়োগ পেয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে জাতীয় নারীশক্তির পূর্ববর্তী কমিটি বাতিল করে নতুন আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্ধেক ঘরেই নেই বাসিন্দারা, নতুন বরাদ্দ হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


সিলেটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্ধেক ঘরেই নেই বাসিন্দারা, নতুন বরাদ্দ হবে

সিলেটে ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের জন্য মাথা গোঁজার ঠাঁই তৈরি করতে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। প্রকল্পের প্রায় অর্ধেক ঘরেই বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিরা বসবাস করছেন না। অনেকের বিরুদ্ধে ঘর বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগও উঠেছে। আবার কেউ কেউ সরকারি বরাদ্দের ঘর ভেঙে নতুন স্থাপনা নির্মাণের কাজ করছেন। জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, বন্ধ ঘরগুলো নতুনদের নামে বরাদ্দ দেয়া হবে।

একসময় যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না, তাদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর। এর উদ্দেশ্য ছিল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোকে স্থায়ী আশ্রয় প্রদান করা এবং নিরাপদে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দেয়া। কিন্তু সিলেটের আশ্রয়ণ প্রকল্পের কিছু এলাকায় ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। বরাদ্দ পাওয়া অনেক ঘরেই বসবাসকারী নেই। কোথাও কোথাও ঘরগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

সিলেট সদর উপজেলার ধনপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে বরাদ্দকৃত ২৫৭ পরিবারের থাকার কথা, সেখানে প্রায় একশো ঘরে তালা ঝুলছে। আবার কেউ কেউ সরকারি ঘর ভেঙে নিজেদের মতো করে নতুন করে তৈরি করেছেন। ঘর তৈরিকারী একজন জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি রয়েছে।

এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াৎ সময় সংবাদকে জানিয়েছেন, ঘর ভেঙে নতুন করে নির্মাণের খবর পেয়ে পরিদর্শন করা হয়েছে। পূর্বের অবস্থায় সেটি নির্মাণের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

সিলেট সদর উপজেলার ধনপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প উপকারভোগী সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম আলী জানিয়েছেন, ২৫৭ ঘরের মধ্যে একশো ঘর তালাবন্ধ রয়েছে। অনেকগুলো ঘর বিক্রি হয়ে গেছে।

সিলেট গোয়াইনঘাট উপজেলায় একশ ঘর নিয়ে গড়ে ওঠা নোয়াগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পে অর্ধেকেরও বেশি ঘর বসতিহীন। আবার অনেক ঘর হাতবদল হয়ে গেছে টাকার বিনিময়ে। সরেজমিনে গিয়ে এমন সত্যতা পাওয়া যায়।

গোয়াইনঘাট নওয়াগাঁও আশ্রায়ণ প্রকল্প উপকারভোগী সমিতির সভাপতি মো. জয়নাল হোসেন জানিয়েছেন, নোয়াগাঁও গ্রামে বাবার জমিজমা রয়েছে, এমন অনেকেই ঘর পেয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নোয়াগাঁও প্রকল্পে ঘর পাওয়া অনেকের স্থায়ী ঠিকানা ও ঘর রয়েছে। প্রকল্পের কাছে নোয়াগাঁও গ্রামে গিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় সেইসব ব্যক্তিদেরও।

আরও করুণ চিত্র দেখা গেছে গোলাপগঞ্জ উপজেলার সুনামপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে। ২৯ ঘরের মধ্যে অধিকাংশ খালি পড়ে রয়েছে।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক মনোনয়নের কারণে বাড়ি-ঘর আছে এমন ব্যক্তিরা এসব ঘর পেয়েছেন। তাই ঘরগুলো খালি পড়ে রয়েছে এবং রাতে খালি ঘরগুলোতে নানা অপকর্ম ঘটে।

এদিকে, সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, বন্ধ থাকা ঘরগুলোর বরাদ্দ বাতিল করে নতুনদের নামে বরাদ্দ দেয়া হবে।

জানা গেছে, সিলেট জেলার ১৩টি উপজেলায় পাঁচ হাজার ৯১৫ জনের মাঝে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে আনন্দঘন পরিবেশে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন, প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে আনন্দঘন পরিবেশে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন, প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

রাঙ্গামাটি, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : আজ জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে আনন্দঘন পরিবেশে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন করা হয়েছে

রোববার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবের মধ্যে সমগ্র জীবজগতের সুখ, শান্তি ও বিশ্বমৈত্রীর জন্য আকুল প্রার্থনা করা হয়েছে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন বিহারে শুভ প্রবারণা (আশ্বিনী) পূর্ণিমা মহাসমারোহে পালিত হয়

বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিন মাসব্যাপী বর্ষাবাস ব্রত পালন শেষে অনুষ্ঠিত হয় এই শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

রাঙ্গামাটির ঐতিহাসিক রাজ বন বিহারসহ জেলার বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে সকাল থেকেই সব বয়সের পুণ্যার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায় অশুভ, অন্যায় ও সাম্প্রদায়িকতাকে দূর করে সম্প্রীতির নতুন দিন গড়ার প্রত্যয়ে আজকের দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে

দিনটি উপলক্ষে রাজ বন বিহার প্রাঙ্গণে বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, হাজার প্রদীপ দান এবং চিমিতং পূজাসহ নানা পুণ্যময় অনুষ্ঠান সকাল থেকেই সম্পন্ন হয়

এ সময় ধর্মপ্রাণ উপাসক-উপাসিকারা পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ করেন ধর্মীয় দেশনা প্রদানকালে রাঙ্গামাটি রাজ বন বিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাথেরো বলেন: ‘প্রবারণা মানেই হলো আত্মপর্যালোচনা, ত্যাগ এবং ক্ষমা প্রার্থনা আমাদের ভেতর থেকে অশুভ চিন্তা ও সাম্প্রদায়িক মনোভাব দূর করে প্রজ্ঞার আলো জ্বালাতে হবে সকল জীবের মঙ্গল এবং বিশ্বে যেন শান্তি বজায় থাকে—আজকের এ পরম পবিত্র দিনে বুদ্ধের চরণে আমাদের এটাই বিনীত প্রার্থনা’

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া হাজার হাজার পূণ্যার্থীর মাঝে বিশেষ উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায় রাজ বন বিহারে প্রার্থনায় আসা স্থানীয় এক পুণ্যার্থী তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন ‘তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে প্রবারণা পূর্ণিমা আমাদের জীবনে এক পরম আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে আমরা আজ মন্দিরে এসে বিশ্বশান্তির জন্য প্রার্থনা করেছি

তিনি আরও বলেন, আমাদের পাহাড়ে যেন সব সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করতে পারে, পরম বুদ্ধের কাছে এটাই আমাদের চাওয়া’

উৎসবকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় জেলা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে

জেলার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিহারে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে পুণ্যার্থীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে পারেন

আজ বিকেলে আকাশে রঙিন ফানুস ওড়ানোর মনোমুগ্ধকর আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রবারণা পূর্ণিমার আনুষ্ঠানিকতার সমাপ্তি ঘটবে

উল্লেখ্য, শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের পরদিন থেকেই পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে মাসব্যাপী পুণ্যময় উৎসব ‘শুভ কঠিন চীবর দান’ শুরু হবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%