রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৫ পি.এম
ইসরায়েলের সাবেক মন্ত্রী ও জাতিসংঘে সাবেক রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদানকে লিকুদ পার্টি থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে
প্রতিবেদনে বলা হয়, সপ্তাহান্তে লিকুদ আন্দোলনের মহাপরিচালক ডেভিড শারানকে এরদানকে দল থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন নেতানিয়াহু। এর মাত্র কয়েক দিন আগে আসন্ন নেসেট নির্বাচনে তার স্বতন্ত্র দল ‘ইউনিটি’ নির্বাচনী বাধা পেরোতে পারবে না—এমন সিদ্ধান্তে দলটি বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন এরদান।
রাজনৈতিক সূত্রগুলো নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপকে এরদানের প্রতি ‘চূড়ান্ত আঘাত’ হিসেবে দেখছে। জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব শেষে ইসরায়েলে ফেরার পর থেকেই একের পর এক রাজনৈতিক ধাক্কার মুখে পড়েছেন এরদান।
ইসরায়েলে ফেরার পর নেতানিয়াহু তাকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান পদে এরদানের সম্ভাব্য নিয়োগেও আপত্তি জানান তিনি। আসন্ন নির্বাচনে লিকুদের নেসেট প্রার্থী তালিকায়ও এরদানের জন্য কোনো আসন সংরক্ষণ করা হয়নি। ফলে তিনি ‘ইউনিটি’র নেতৃত্বে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
তবে সেই উদ্যোগও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। নির্বাচনী বাধা অতিক্রমের সম্ভাবনা না থাকায় সপ্তাহান্তে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। একসময় লিকুদের প্রাথমিক নির্বাচনে অন্যতম জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে পরিচিত এরদান এবার দলেও ফিরতে পারছেন না। নেতানিয়াহুর নির্দেশে তাকে লিকুদ থেকে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক সূত্রগুলোর ধারণা, এরদানের প্রতি নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত ক্ষোভও এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্ত শুরু হওয়ার সময় এরদান দেশটির জননিরাপত্তামন্ত্রী ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল তিনটায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন, কাউখালী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রাইসুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাইসুল ইসলাম বলেন, "শিক্ষার্থীদের শুধু লেখাপড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য ক্রীড়া চর্চার কোনো বিকল্প নেই। মাদক ও সামাজিক অপরাধ থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে খেলাধুলা সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতাগুলো থেকে আগামী দিনের সফল ক্রীড়াবিদ তৈরি হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বক্তব্য প্রদানকালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান বলেন, "সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণে অত্যন্ত চমৎকারভাবে প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই অংশগ্রহণ ও ক্রীড়ানৈপুণ্য সত্যিই প্রশংসনীয়। আগামীতে আমরা আরও বড় পরিসরে ক্রীড়া উৎসবের আয়োজন করার পরিকল্পনা করছি।
প্রতিযোগিতার সাফল্য ও সার্বিক ব্যবস্থার বিষয়ে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম বলেন, "সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে সুশৃঙ্খলভাবে চার টি ইভেন্টের খেলা শেষ করা বড় একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের আমরা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের জন্য বিশেষ গাইডলাইন প্রদান করব।
এবারের প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শাখার প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। দাবা, কাবাডি, হ্যান্ডবল ও সাঁতার—এ চার ইভেন্টে বালক ও বালিকা পৃথক বিভাগে প্রতিযোগীরা তাদের ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, একাডেমি সুপারভাইজার রিয়াজুল হক, রঘুনাথপুর ইজিএস শিক্ষা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক মোঃ তানভীর আহমেদ, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি কিরণ চন্দ্র হালদার, সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান মিজান এবং প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ প্রতিটি ইভেন্টের বালক ও বালিকা বিভাগের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের সামনে থাকা জনমিতিক লভ্যাংশ (পপুলেশন ডিভিডেন্ট) কাজে লাগানোর জন্য কর্মক্ষম জনগণের দক্ষ ও শিক্ষিত মানবসম্পদে পরিণত হওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, দেশের বিশাল কর্মক্ষম জনগণের যথাযথ শিক্ষা, কারিগরি ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে যুক্ত করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও দ্রুত হবে।
আজ জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘পার্লামেন্টস রোল ইন রিয়্যালাইজিং পপুলেশন ডিভিডেন্টস, এসডিজিস এন্ড আইসিপিডিস কমিটমেন্টস' শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।
স্ট্রেনদেনিং পার্লামেন্টস ক্যাপাসিটি ইন ইন্টিগ্রেশন অব পপুলেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ইস্যুস (এসপিসিপিডি) প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং উপস্থিত ছিলেন।
চিফ হুইপ বলেন, একটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত হয় না; দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো দক্ষ ও শিক্ষিত জনগণ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশকে তার বিশাল কর্মক্ষম জনগণকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। দক্ষ, শিক্ষিত ও উৎপাদনশীল জনগণই দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল শক্তি।
তিনি আরও বলেন, আগামী প্রায় এক দশক বাংলাদেশের জন্য জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ও সক্ষমতাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। দক্ষতা, শিক্ষা ও উৎপাদনশীলতা দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি।
চিফ হুইপ বলেন, জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি হওয়ায় জনসংখ্যা ও উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে তাদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু মানুষ পাঠানোই যথেষ্ট নয়; দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করে তাদের আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে পাঠাতে হবে। দক্ষ কর্মীরা বিদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাবেন, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
তিনি উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও কার্যকর সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা গেলে একদিকে কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে দেশের উৎপাদনশীলতা ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় শ্রমিক দলের কর্মী রিয়াজুল তালুকদারকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুলিশ চার্জশিট দাখিল করেছে। এই চার্জশিটে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ১৬ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির জন্য আবেদন করা হয়েছে।
আজ যাত্রাবাড়ী থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মহিউদ্দিন চৌধুরী বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক নজীব আহমেদ গত ১৯ আগস্ট এই চার্জশিট দাখিল করেন।
মামলার চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে শুনানির দিন আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়েছে। চার্জশিটে উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক প্রাণিসম্পদ উপমন্ত্রী এ জে এম এনামুল হক, ঢাকা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মশিউর রহমান মোল্লা সজল, সাবেক এমপি ইকবাল হোসেন অপু এবং নাহিম রাজ্জাক।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বিকেল ৫টার সময় যাত্রাবাড়ী থানার চার রাস্তার মোড়ে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা এক দফা আন্দোলনের সমর্থনে মিছিল করছিল। তখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের সব অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে নির্বিচারে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালায়। এ সময় মো. রিয়াজুল তালুকদার গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
এই ঘটনার পর নিহত রিয়াজুলের ভাই রুবেল তালুকদার ১২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাশ্মীরের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের সঙ্গে চলচ্চিত্রের সম্পর্ক বহু পুরোনো। এবার সেই কাশ্মীরেই বসতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের আসর। প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন করতে যাচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীর সরকার। ‘রং-এ-সিনেমা’ (Rang-e-Cinema) নামের এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর।
জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের তথ্য ও জনসংযোগ দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশ থেকে উৎসবে অংশ নিতে ১১০০-র বেশি চলচ্চিত্র জমা পড়ে। সেখান থেকে বাছাই করা হয়েছে ৪১টি দেশের ১৩৫টি চলচ্চিত্র।
ভারত থেকে নির্বাচিত হয়েছে ৬৪টি ছবি। এছাড়া ফ্রান্সের ১৩টি ও ইরানের ৮টি চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে। তুরস্ক, জার্মানি, রাশিয়া, সুইডেন, স্পেন, ব্রাজিল, কাতার, আর্জেন্টিনা, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, কলম্বিয়া ও তাইওয়ানের চলচ্চিত্রও থাকছে এ আয়োজনে।
উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হতে যাচ্ছে ডাল লেকে বিশেষ ‘ফ্লোটিং স্ক্রিন’-এ চলচ্চিত্র প্রদর্শন। কাশ্মীরের বিখ্যাত জলাশয়ের নৈসর্গিক পরিবেশে খোলা আকাশের নিচে সিনেমা দেখার এ আয়োজন দর্শকদের জন্য আলাদা অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
শুধু ডাল লেক নয়, শ্রীনগরের শের-ই-কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার (SKICC) এবং আইএনওএক্স পিভিআর-এও উৎসবের চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান হবে। পাশাপাশি জম্মুর ওয়েভস সিনেমা এবং গুলমার্গের একটি হেলথ রিসর্টেও চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
উৎসবের বিচারকমণ্ডলীতেও থাকছে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি। পাঁচ সদস্যের জুরি বোর্ডে রয়েছেন খ্যাতনামা চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক সন্তোষ শিবন, ‘স্লামডগ মিলিয়নেয়ার’ ছবির জন্য পরিচিত সাউন্ড ডিজাইনার ও সাউন্ড মিক্সার রসুল পুকুট্টি, জার্মান চলচ্চিত্র কিউরেটর ও সাংবাদিক ডরোথি ভেনার, ব্যাং সিঙ্গাপুর-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কেইকো ব্যাং এবং ‘শূন্য স্বরূপা’-র পরিচালক হিমাংশু শেখর খাটুয়া।
কাশ্মীরের সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্রের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ষাটের দশকের জনপ্রিয় ‘কাশ্মীর কি কলি’ থেকে শুরু করে ‘কভি কভি’, ‘হাইওয়ে’ ও ‘রাজি’-সহ বহু চলচ্চিত্রের শুটিং হয়েছে উপত্যকার মনোরম লোকেশনে।
সেই দীর্ঘ চলচ্চিত্র ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এবার কাশ্মীরেই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আয়োজকদের আশা, ‘রং-এ-সিনেমা’ কাশ্মীরকে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলনস্থলে পরিণত করার পাশাপাশি স্থানীয় চলচ্চিত্র সংস্কৃতি ও পর্যটনেও নতুন মাত্রা যোগ করবে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ