ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কিশোরগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে ইসমাইল সাগরের মৃত্যুদণ্ড


কিশোরগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে ইসমাইল সাগরের মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে স্ত্রী ঝর্ণা আক্তারকে হত্যার দায়ে আদালত ইসমাইল সাগর মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন। আদালত একই সঙ্গে আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করারও নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক সুপ্রিয়া রহমান আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ইসমাইল সাগর মিয়া (৩২) বাজিতপুর উপজেলার উত্তর সরারচর এলাকার মৃত আয়েত আলীর পুত্র।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রায় ১০ বছর পূর্বে ঝর্ণা আক্তারের সঙ্গে ইসমাইল সাগর মিয়ার বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুইটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইসমাইল সাগর মিয়া দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করে আসছিলেন।

আরও পড়ুন: গোমস্তাপুরে রাতে গোয়াল থেকে গরু চুরি, আড্ডাবাজারে হাতেনাতে আটক চোর

স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ২০১৬ সালের ১১ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ঝর্ণা দুই কন্যাকে নিয়ে গাজীপুরের ভাড়াবাসা থেকে বাজিতপুর উপজেলার নিলখী নয়াহাটে তার মায়ের বাড়িতে চলে যান। পরদিন ১২ এপ্রিল সন্ধ্যার দিকে ইসমাইল সাগর মিয়া অজ্ঞাতনামা আরো দুজনকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে যান। ওই সময় ঝর্ণা বাড়ির পূর্ব পাশে রান্না করছিলেন। সেখানে ইসমাইল সাগর ছুরি দিয়ে ঝর্ণাকে আঘাত করেন। ঝর্ণা চিৎকার করলে ইসমাইল তাকে আরো আঘাত করে পালিয়ে যান।

গুরুতর আহত অবস্থায় ঝর্ণা আক্তারকে স্বজনরা বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় নিহতের মা জাহেরা বেগম বাদী হয়ে ইসমাইল সাগর মিয়া ও অজ্ঞাতনামা আরো দুজনের বিরুদ্ধে বাজিতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার আদালত ইসমাইল সাগর মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করেন। তিনি পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন: ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্বের কবল থেকে মুক্তি চায় উপজেলাবাসী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ নেতাসহ ৬ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৪ পি.এম


সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ নেতাসহ ৬ গ্রেপ্তার

ঢাকার ইসিবি চত্বর এলাকার নিউ গিনি আবাসন প্রকল্পের অফিস ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ এবং ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ছয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

ডিবি প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার হওয়া একজন হলেন শাহ আলম অনিক, যিনি মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বলেন, "গতকাল তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানান—তিনি মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তাকে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।"

অন্য গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মামুন, আসলাম, মুন্না এবং শাহরিয়ার মাহমুদ। পুলিশের পক্ষ থেকে আরেকজন গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম জানানো হয়নি। মামুনের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে, তিনি ভাষানটেক বস্তিতে বসবাস করেন। আসলামের বাড়ি টাঙ্গাইলে, এবং তিনি অটোরিকশা চালান, তিনিও ভাষানটেক বস্তিতে থাকতেন।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, "আমরা আরো একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। আপাতত তার নাম বলতে পারছি না। অভিযান অব্যাহত আছে, বাকিরাও ধরা পড়বে।"

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজন এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। উল্লেখ্য, গত শনিবার দিবাগত রাতে নিউ গিনি আবাসন প্রকল্পের অফিস ও আশপাশের স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে। এই স্থাপনায় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ‘ব্রাউনফিশ’ও রয়েছে। পরদিন রবিবার আবাসন প্রকল্পের পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, জমি দখল ও পূর্বশত্রুতার কারণে আসামিরা অস্ত্র নিয়ে স্থাপনায় প্রবেশ করে গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এ সময় প্রকৌশলী ও নিরাপত্তাকর্মীদের মারধর করা হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, শনিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে বাদী ওই স্থাপনায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় এক নম্বর আসামি শাহরিয়ার মাহমুদের নির্দেশে অন্যান্য আসামিরা অস্ত্র নিয়ে স্থাপনায় প্রবেশ করেন। তাদের হাতে শটগান, রিভলবার, চাপাতি, রামদা, ছোরা, রড ও লাঠিসোঁটা ছিল।

বাদীর অভিযোগ, হামলাকারীরা প্রায় ৫০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এতে প্রকল্পের শ্রমিক ও নিরাপত্তাকর্মীরা প্রাণভয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন। বাদীও নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলাকারীরা প্রকল্পের সাইট ইঞ্জিনিয়ার পারভেজকে মারধর করে জখম করেন। দুই নম্বর আসামি আবুল কাশেম রিভলবারের মাথা দিয়ে পারভেজের মাথায় আঘাত করেন, যার ফলে তার মাথা ফেটে যায়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পারভেজের ডান পায়ের হাঁটুর নিচে, বাম হাত ও পিঠে কোপ দেওয়া হয়। তার পকেটে থাকা সাত হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

পারভেজকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে প্রকল্পের নিরাপত্তাকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলামকেও মারধর করা হয়। তার কাছ থেকে নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত একটি ওয়্যারলেস সেট, দুই হাজার টাকা ও একটি আইটেল বাটন ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এজাহারে আরো বলা হয়েছে, আসামিরা স্থাপনার মূল ফটকে ১০ রাউন্ড গুলি করেন। এ সময় লোহার গেট, থাই গ্লাস ও কাঁচের গেট ভাঙচুর করা হয়। এরপর হামলাকারীরা প্রকল্পের অফিসকক্ষে ঢুকে চারটি কম্পিউটার মনিটর, চারটি ডিডিআর, একটি এলজি ফ্রিজ, সাতটি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ, চারটি কাঠের টেবিল, আটটি চেয়ার ও একটি কাঠের আলমারি ভাঙচুর করেন।

এজাহার অনুযায়ী, অফিসকক্ষের লকার ভেঙে নির্মাণসামগ্রী কেনার জন্য রাখা ২৫ লাখ টাকা নিয়ে যান হামলাকারীরা। এছাড়া নির্মাণকাজের জন্য রাখা একেএস কম্পানির ১০ ও ২০ মিলিমিটার ২৩ টন রড, যার আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা, নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বাদী আরো অভিযোগ করেছেন যে, ওই ভবনের সামনে রাখা ফ্ল্যাট মালিক সুমনের চার লাখ টাকা মূল্যের একটি সিএফ মোটর স্কুটারও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এজাহারে আরো বলা হয়েছে, হামলাকারীরা মারওয়া টাওয়ারের নিচতলার স্টোররুমে ঢুকে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যান।

মামলায় এজাহারভুক্ত ১৩ আসামির মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী, শাহরিয়ার মাহমুদ, আবুল কাশেম, বাবুল হোসেন, মোহাম্মদ শাহিনুজ্জামান, মতিউর রহমান, মজিবুর রহমান, নুরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, এমকে আজাদ, মামুন, আসলাম ও মুন্না।

মামলার এজাহারে টিভি, উচ্চমাত্রার এডিটিং ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার, সার্ভার সেটআপ, গিটার, পানির ট্যাংক, মেমোরি কার্ড, সাউন্ড কার্ড, ক্যামেরা, ট্রাইপড, মাইক্রোফোন, ফার্নিচার, ভিবিএস কয়েনসহ ৩৭ ধরনের জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খ্যাতির বিড়ম্বনায় ভোজিনিয়া, আগের জীবন ফিরে পেতে চান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ পি.এম


খ্যাতির বিড়ম্বনায় ভোজিনিয়া, আগের জীবন ফিরে পেতে চান

বিশ্বকাপের মঞ্চে অসাধারণ পারফর্ম করে রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন কেপ ভার্ডের গোলকিপার ভোজিনিয়া। কিন্তু সেই খ্যাতি এখন তার ব্যক্তিগত জীবনে অস্বস্তি নিয়ে এসেছে। এতটাই যে, ৪০ বছর বয়সী এই গোলকিপার আগের সাধারণ জীবনটিকে ফিরে পেতে চাইছেন।

সর্বশেষ ফিফা বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্ডের গোলশূন্য ড্রয়ে সাতটি সেভ করে ম্যাচসেরা হন ভোজিনিয়া। বিশ্বকাপের আগে তার ইন্সটাগ্রামে অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৬ হাজার। সেই ম্যাচের পর তা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। বর্তমানে তার অনুসারীর সংখ্যা বেড়ে ২ কোটি ৮৪ লাখে দাঁড়িয়েছে।

তবে ভোজিনিয়া এই জনপ্রিয়তার বিস্ফোরণ উপভোগ করতে পারছেন না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য অবজারভারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার জীবন থেকে শান্তি ও স্বস্তি হারিয়ে গেছে। এখন আর আগের মতো ব্যক্তিগত পরিসর নেই। বাইরে বের হলে সব সময় কেউ ছবি তুলতে বা অটোগ্রাফ চায়। কেউ কেউ আবার গোপনে ভিডিও করে। আমার জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এটিই।”

খ্যাতির বিড়ম্বনায় পড়ার আগের জীবনই বেশি পছন্দ ভোজিনিয়ার। তিনি বলেন, “আজকের জীবন আর আগের জীবন—দুটির মধ্যে বেছে নিতে হলে আমি আগেরটিই বেছে নেব।”

অনুশীলনে ভোজিনিয়া। ছবি: ইন্সটাগ্রাম

খ্যাতির প্রভাব ভোজিনিয়ার পরিবারের ওপরও পড়েছে। কেপ ভার্ডেতে তার মায়ের বাড়িতে ভক্তরা নিয়মিত ছবি তুলতে আসছেন।

এ ব্যাপারে ভোজিনিয়া বলেন, “যেহেতু আমি সেখানে নেই, তাই পরিবারকে সাহায্য করতে পারছি না। তাদের এই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে এবং সীমারেখা তৈরি করতে হবে।”

বর্তমানে চিলির ক্লাব কোলো-কোলোতে খেলা এই গোলকিপার আরো জানিয়েছেন, অনেক বাণিজ্যিক প্রস্তাব পেলেও তামাক, অ্যালকোহল ও জুয়ার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে তিনি রাজি হননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে ২৪৪ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে ২৪৪ জন গ্রেফতার

লক্ষ্মীপুর, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার ৬ থানায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করে কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ ২৪৪ জনকে আটক করেছে। আটককৃতদের বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে, এবং এই অভিযান পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলেছে।

গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সদর, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

জেলা পুলিশ, গোয়েন্দা ও থানা পুলিশ যৌথভাবে কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত ও অপরাধ প্রবণতা নিয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জেলার প্রত্যেকটি থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও রয়েছে। কিশোর গ্যাংদের মধ্যে মারামারি ও বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড প্রায়ই ঘটে থাকে।

এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ জেলার প্রত্যেকটি থানায় একযোগে অভিযান শুরু করে। অভিযানের প্রথম পর্যায়ে ২৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় ৪২ জন, চন্দ্রগঞ্জ থানায় ২১ জন, রায়পুর থানায় ৪৪ জন, রামগঞ্জ থানায় ৩৭ জন, রামগতি থানায় ৪৪ জন এবং কমলনগর থানায় ৫৬ জন রয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে এবং যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সদর ও রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ ও মো. নিজাম উদ্দন ভূইয়া বাসস’কে জানান, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সেই লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি আটক কিশোরদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৪ দলের নেতার নাম বলতে বলায় প্রসিকিউটরের ওপর খেপলেন কামরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১১ পি.এম


১৪ দলের নেতার নাম বলতে বলায় প্রসিকিউটরের ওপর খেপলেন কামরুল

প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সাক্ষীকে অপরাধের সঙ্গে জড়িত ১৪ দলের নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ করতে বলছিলেন। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম উঁচু গলায় আপত্তি জানান। তিনি মন্তব্য করেন, "এভাবে বললে তো হবে না।"

এ সময় প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম পাশ থেকে বলেন, "সুলতানা মাহমুদ কোনো ভুল করেননি।" আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে প্রত্যক্ষদর্শী হানিফ মিয়া সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন।

হানিফ মিয়া সাক্ষীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জানান, জুলাই মাসে কারফিউ চলাকালে রাজধানীর বাড্ডা-রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে তিনি সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, "এসব অপরাধের জন্য ১৪ দলের নেতারা দায়ী।" কারণ তিনি টিভিতে এই নেতাদের মিটিং করে আন্দোলনকারীদের দমন-পীড়ন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা শুনেছিলেন।

প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ তখন বলেন, "আপনি ১৪ দলের নেতাদের কথা বলছেন, তাদের নাম বলেন।" এ সময় আসামিদের জন্য সংরক্ষিত কাচের গ্লাসের ভেতর থেকে কামরুল ইসলাম প্রসিকিউটরকে জোর করে নাম বলার অভিযোগ তোলেন।

সুলতান মাহমুদ কামরুল ইসলামকে বলেন, "আপনি এভাবে সাউট করেন কেন? আপনার কিছু বলার থাকলে আইনজীবীর মাধ্যমে বলবেন।" প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "আমার মনে হয় জবানবন্দি গ্রহণে ভুল করেননি।" প্রসিকিউশনের একটাই টার্গেট, একটাই উত্তর চাই। সাক্ষী ১৪ দলের কথা বলায়, তিনি নাম বলতে বলেছেন।

এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী মুনসুরুল হক বলেন, "It is a matter of identification। আপনারা প্রশ্ন করে নাম বলাচ্ছেন।" মিজানুল ইসলাম তখন বলেন, "এটা লিডিং প্রশ্ন না।"

পরে সাক্ষী আবার তার জবানবন্দি দিতে থাকেন। উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ওই দিন রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা হয়।

ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সাক্ষীকে জিজ্ঞেস করলেন, ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ কারা? এ প্রশ্নকে অবৈধ উল্লেখ করে আসামি কামরুল ইসলাম চিৎকার করে আপত্তি জানান। তিনি বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। আদালত শান্তভাবে বিষয়টি মোকাবেলা করেছেন।

তিনি আরো বলেন, "প্রসিকিউশনের উদ্দেশ্য একটাই, আসামির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটা প্রমাণ করা।" পরবর্তীতে জানলাম, কামরুল ইসলাম রক্ষীদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেছেন। মাঝে মাঝে এমন করেন, কেন করেন, আল্লাহই ভালো জানেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%