সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৫ পি.এম
বিশ্বকাপের মঞ্চে অসাধারণ পারফর্ম করে রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন কেপ ভার্ডের গোলকিপার ভোজিনিয়া। কিন্তু সেই খ্যাতি এখন তার ব্যক্তিগত জীবনে অস্বস্তি নিয়ে এসেছে। এতটাই যে, ৪০ বছর বয়সী এই গোলকিপার আগের সাধারণ জীবনটিকে ফিরে পেতে চাইছেন।
সর্বশেষ ফিফা বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্ডের গোলশূন্য ড্রয়ে সাতটি সেভ করে ম্যাচসেরা হন ভোজিনিয়া। বিশ্বকাপের আগে তার ইন্সটাগ্রামে অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৬ হাজার। সেই ম্যাচের পর তা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। বর্তমানে তার অনুসারীর সংখ্যা বেড়ে ২ কোটি ৮৪ লাখে দাঁড়িয়েছে।
তবে ভোজিনিয়া এই জনপ্রিয়তার বিস্ফোরণ উপভোগ করতে পারছেন না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য অবজারভারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার জীবন থেকে শান্তি ও স্বস্তি হারিয়ে গেছে। এখন আর আগের মতো ব্যক্তিগত পরিসর নেই। বাইরে বের হলে সব সময় কেউ ছবি তুলতে বা অটোগ্রাফ চায়। কেউ কেউ আবার গোপনে ভিডিও করে। আমার জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এটিই।”
খ্যাতির বিড়ম্বনায় পড়ার আগের জীবনই বেশি পছন্দ ভোজিনিয়ার। তিনি বলেন, “আজকের জীবন আর আগের জীবন—দুটির মধ্যে বেছে নিতে হলে আমি আগেরটিই বেছে নেব।”
অনুশীলনে ভোজিনিয়া। ছবি: ইন্সটাগ্রাম
খ্যাতির প্রভাব ভোজিনিয়ার পরিবারের ওপরও পড়েছে। কেপ ভার্ডেতে তার মায়ের বাড়িতে ভক্তরা নিয়মিত ছবি তুলতে আসছেন।
এ ব্যাপারে ভোজিনিয়া বলেন, “যেহেতু আমি সেখানে নেই, তাই পরিবারকে সাহায্য করতে পারছি না। তাদের এই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে এবং সীমারেখা তৈরি করতে হবে।”
বর্তমানে চিলির ক্লাব কোলো-কোলোতে খেলা এই গোলকিপার আরো জানিয়েছেন, অনেক বাণিজ্যিক প্রস্তাব পেলেও তামাক, অ্যালকোহল ও জুয়ার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে তিনি রাজি হননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুর, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার ৬ থানায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করে কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ ২৪৪ জনকে আটক করেছে। আটককৃতদের বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে, এবং এই অভিযান পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলেছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সদর, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
জেলা পুলিশ, গোয়েন্দা ও থানা পুলিশ যৌথভাবে কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত ও অপরাধ প্রবণতা নিয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জেলার প্রত্যেকটি থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও রয়েছে। কিশোর গ্যাংদের মধ্যে মারামারি ও বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড প্রায়ই ঘটে থাকে।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ জেলার প্রত্যেকটি থানায় একযোগে অভিযান শুরু করে। অভিযানের প্রথম পর্যায়ে ২৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় ৪২ জন, চন্দ্রগঞ্জ থানায় ২১ জন, রায়পুর থানায় ৪৪ জন, রামগঞ্জ থানায় ৩৭ জন, রামগতি থানায় ৪৪ জন এবং কমলনগর থানায় ৫৬ জন রয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে এবং যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর ও রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ ও মো. নিজাম উদ্দন ভূইয়া বাসস’কে জানান, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সেই লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি আটক কিশোরদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সাক্ষীকে অপরাধের সঙ্গে জড়িত ১৪ দলের নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ করতে বলছিলেন। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম উঁচু গলায় আপত্তি জানান। তিনি মন্তব্য করেন, "এভাবে বললে তো হবে না।"
এ সময় প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম পাশ থেকে বলেন, "সুলতানা মাহমুদ কোনো ভুল করেননি।" আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে প্রত্যক্ষদর্শী হানিফ মিয়া সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন।
হানিফ মিয়া সাক্ষীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জানান, জুলাই মাসে কারফিউ চলাকালে রাজধানীর বাড্ডা-রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে তিনি সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, "এসব অপরাধের জন্য ১৪ দলের নেতারা দায়ী।" কারণ তিনি টিভিতে এই নেতাদের মিটিং করে আন্দোলনকারীদের দমন-পীড়ন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা শুনেছিলেন।
প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ তখন বলেন, "আপনি ১৪ দলের নেতাদের কথা বলছেন, তাদের নাম বলেন।" এ সময় আসামিদের জন্য সংরক্ষিত কাচের গ্লাসের ভেতর থেকে কামরুল ইসলাম প্রসিকিউটরকে জোর করে নাম বলার অভিযোগ তোলেন।
সুলতান মাহমুদ কামরুল ইসলামকে বলেন, "আপনি এভাবে সাউট করেন কেন? আপনার কিছু বলার থাকলে আইনজীবীর মাধ্যমে বলবেন।" প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "আমার মনে হয় জবানবন্দি গ্রহণে ভুল করেননি।" প্রসিকিউশনের একটাই টার্গেট, একটাই উত্তর চাই। সাক্ষী ১৪ দলের কথা বলায়, তিনি নাম বলতে বলেছেন।
এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী মুনসুরুল হক বলেন, "It is a matter of identification। আপনারা প্রশ্ন করে নাম বলাচ্ছেন।" মিজানুল ইসলাম তখন বলেন, "এটা লিডিং প্রশ্ন না।"
পরে সাক্ষী আবার তার জবানবন্দি দিতে থাকেন। উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ওই দিন রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা হয়।
ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সাক্ষীকে জিজ্ঞেস করলেন, ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ কারা? এ প্রশ্নকে অবৈধ উল্লেখ করে আসামি কামরুল ইসলাম চিৎকার করে আপত্তি জানান। তিনি বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। আদালত শান্তভাবে বিষয়টি মোকাবেলা করেছেন।
তিনি আরো বলেন, "প্রসিকিউশনের উদ্দেশ্য একটাই, আসামির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটা প্রমাণ করা।" পরবর্তীতে জানলাম, কামরুল ইসলাম রক্ষীদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেছেন। মাঝে মাঝে এমন করেন, কেন করেন, আল্লাহই ভালো জানেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়েছে, যা চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মিরপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে।
আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আনুষ্ঠানিক অভিযোগটি (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়েছে।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিলের প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম সাংবাদিকদের জানান, "কালাম আহমেদ মজুমদার, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, মাইনুল ইসলাম নিখিলসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে মিরপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ একটি ফরমাল চার্জ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রবিবার পর্তুগালের পোর্তো বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে ডেল্টা এয়ার লাইন্সের একটি যাত্রীবাহী বিমান, যখন বিমানের কেবিনে ধোঁয়া শনাক্ত হয়।
দেশটির বেসামরিক সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ঘটনায় চার যাত্রীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, বিমানটি স্পেনের বার্সেলোনা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের দিকে যাচ্ছিল। বিমানে মোট ২৯৬ জন যাত্রী ছিলেন। মাঝপথে কেবিনে ধোঁয়া শনাক্ত হওয়ার পর বিমানটি তার গতিপথ পরিবর্তন করে পর্তুগালের পোর্তো বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বেসামরিক সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করার পর ১৪ জন যাত্রীর সহায়তার প্রয়োজন হয়। তাদের মধ্যে চারজনকে ধোঁয়া শ্বাস নেওয়ার কারণে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের অবস্থা গুরুতর নয় এবং তারা ‘সামান্য’ আক্রান্ত হয়েছেন।
ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ