ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ৪ চিকিৎসক বরখাস্ত


কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ৪ চিকিৎসক বরখাস্ত

অনুমোদন ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় চার চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।

২৭ জুলাই, মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের শৃঙ্খলা-১ শাখার আলাদা প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে। সেখানে স্বাক্ষর করেন স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

বরখাস্তকৃত চার চিকিৎসকের মধ্যে আছেন— সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের জুনিয়র কনসালটেন্ট (ইএনটি) ডা. সোহানা সেলিম, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রেডিওলজিস্ট ডা. পলাশ কুমার সরকার, সাতক্ষীরা তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শাওলী নানজীবা তন্বী এবং সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (ইএনটি) ডা. মো. হাছিবুর রহমান।

আরও পড়ুন: প্যারিসের গুলির ঘটনাকে ‘বর্ণবাদী সন্ত্রাসী’ হামলা বললেন মাখোঁ

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী, কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যধারা প্রস্তাব করা হলে, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অভিযোগের মাত্রা ও প্রকৃতি, অভিযুক্ত কর্মচারীকে তার (তাদের) দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার প্রয়োজনীয়তা, তৎকর্তৃক তদন্তকার্যে প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারবে।’

এছাড়া, বলা হয়, চার চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনের তারিখ (২৭ জুলাই) থেকে চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থায় তারা বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন: জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল আজ, ধর্মমন্ত্রীর উপস্থিতি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খানজাহান আলী মাজারের সেই কুমিরের হালচাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ এম


খানজাহান আলী মাজারের সেই কুমিরের হালচাল

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান আলী (রহ.)–এর মাজারসংলগ্ন দিঘি থেকে উদ্ধার হওয়া মাদি কুমিরটিকে কোথায় রাখা হবে, সেই বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। গত মাসে প্রাণীটিকে সাফারি পার্ক বা অন্য কোনো উপযুক্ত আবাসস্থলে স্থানান্তরের প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে পাঠিয়েছে বন বিভাগ। একই সঙ্গে মাজার কর্তৃপক্ষের দিঘির জন্য দুটি কুমির চেয়ে করা আবেদনও অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) খুলনার বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল গণমাধ্যমকে জানান, উদ্ধার করা কুমিরটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে। এটি খুলনার বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তবে এ ধরনের কেন্দ্রে দীর্ঘদিন কোনো বন্য প্রাণী রাখা সম্ভব নয়। তাই স্থায়ী আবাসস্থল নির্ধারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে বন বিভাগ। কুমির ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে মাজারের দিঘিতে এখনো জেলা প্রশাসন বা মাজার কর্তৃপক্ষ থেকে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি, বলে জানান তিনি। গত বছরের আগস্টে মাজার কর্তৃপক্ষ দুটি কুমির চেয়ে আবেদন করেছিল। তবে আইন অনুযায়ী বন্য প্রাণী পালনের অনুমতি দেওয়ার সুযোগ না থাকায় বিষয়টি ঢাকার সংশ্লিষ্ট বন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারের পর প্রায় দুই মাস কুমিরটি কোনো খাবার গ্রহণ করেনি। এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার কুমির বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছে বন বিভাগ। বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্দি অবস্থায় কুমির দীর্ঘ সময় খাবার না খেলেও এটি অস্বাভাবিক নয় এবং জোর করে খাওয়ানোর প্রয়োজন পড়ে না। বন বিভাগের ভাষ্য, কুমিরটি সুস্থ রয়েছে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। গত ১ জুন খানজাহান আলী (রহ.)–এর মাজারসংলগ্ন দিঘিতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে টেনে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ৩ জুন জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রায় ৪৫ বছর বয়সী মাদি কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনার বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে নেওয়া হয়। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কুমিরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ থেকে ৮ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) ২০০০ সালে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মিঠাপানির কুমির বিলুপ্ত ঘোষণা করলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও জলাশয় থেকে কয়েকটি মিঠাপানির কুমির উদ্ধার হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের নতুন রোবট ও বিদ্যুৎ ইনভার্টার আমদানিতে ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০০ পি.এম


চীনের নতুন রোবট ও বিদ্যুৎ ইনভার্টার আমদানিতে ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

চীনে তৈরি নতুন রোবট ও বিদ্যুৎ ইনভার্টার আমদানির ওপর মঙ্গলবার নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

এর লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতের সম্প্রসারণকে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা। একই সঙ্গে দ্রুত বাড়তে থাকা গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগুলোকে আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা।

মঙ্গলবার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) এ সংক্রান্ত ব্যবস্থা প্রকাশ করে। নতুন নিয়মে চীনের তৈরি নতুন মানবসদৃশ রোবট এবং চার পায়ের রোবট আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সংযুক্ত বিদ্যুৎ ইনভার্টারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এসব ইনভার্টারের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস ও ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ গ্রিড এবং ডেটা সেন্টারের যন্ত্রপাতির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। এর আগে রয়টার্স এ নিষেধাজ্ঞার খবর প্রকাশ করেছিল।

এই পদক্ষেপ থেকে বোঝা যাচ্ছে, চীনের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন, তথ্য চুরি ও সাইবার হামলার ঝুঁকি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সরবরাহ শৃঙ্খলকে নিরাপদ রাখতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎপাদন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর করতেও উৎসাহ দিতে চায় তারা।

এফসিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, 'এসব যন্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থায় দুর্বলতা তৈরি করতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা ব্যাহত হতে পারে। এগুলো এমন সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।'

এফসিসির চেয়ারম্যান ব্রেনডান কার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ ব্যবস্থা নিরাপদ রাখতে এফসিসি তার দায়িত্ব পালন করে যাবে।' ওয়াশিংটনের চীনা দূতাবাস বলেছে, বেইজিং 'দুই দেশের ব্যবসায়ী মহলের নিরপেক্ষ ও যৌক্তিক মতামতের প্রতি গুরুত্ব দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানাচ্ছে।'

'একই সঙ্গে তারা বলেছে, 'চীনা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেওয়া বন্ধ করতে হবে।' দূতাবাস আরো জানায়, চীনের স্বার্থে বাস্তব ক্ষতি হয়—এমন যেকোনো পদক্ষেপের জবাবে দেশটি 'প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা' নেবে। কিছু বিশ্লেষকের ধারণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত 'মস্তিষ্ক' যুক্ত মানবসদৃশ রোবট ভবিষ্যতে ভোক্তা ও শিল্প—উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপকভাবে ব্যবহার হবে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুতগতিতে ডেটা সেন্টার নির্মাণের জন্য নির্ভরযোগ্য ইনভার্টারের উৎসের প্রয়োজন হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মেধাস্বত্ব চুরির অভিযোগে চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কম্পানিগুলোর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। এ ছাড়া মার্কিন কর্মকর্তারা আরেকটি বিরল খনিজের মতো পরিস্থিতি এড়াতে চান। প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজের বাজারে চীনের আধিপত্য এতটাই বেশি যে, এসব খনিজে প্রবেশাধিকারকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় সুবিধা আদায় করতে পেরেছে বেইজিং।

বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত আরো চারটি সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবারের এই পদক্ষেপের পর এফসিসি সম্ভবত অনেক অ-চীনা সরবরাহকারীকে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখবে। এর আগে বিদেশি ড্রোন ও রাউটারের ওপর সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রেও সংস্থাটি একই ধরনের ছাড় দিয়েছিল। নতুন এই ব্যবস্থা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে। তবে এটি শুধু সেই সব রোবট ও ইনভার্টার মডেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেগুলো এখনো বাজারে আসেনি। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রির অনুমোদন পাওয়া মডেলগুলোর অনুমোদন বাতিল করার ক্ষমতাও এফসিসির রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে চীনের প্রযুক্তিগত হুমকির বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আনেন বলে কৃতিত্ব দেওয়া হয়। তিনি চীনা কম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে মেধাস্বত্ব চুরির অভিযোগ এবং হুয়াওয়ের মতো চীনা টেলিযোগাযোগ জায়ান্টগুলোর মাধ্যমে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় গুপ্তচরবৃত্তির আশঙ্কার বিষয়েও জোরালোভাবে কথা বলেন। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে এসে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে অনেক নরম অবস্থান নিয়েছেন। গত বছর বিরল খনিজ রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে বেইজিংয়ের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের মুখে পড়েই তিনি এমন অবস্থান নিয়েছেন।

কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ইউনিট্রি। প্রতিষ্ঠানটি মানবসদৃশ রোবট তৈরিতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কোম্পানি। বিশ্ববাজারে তাদের অংশীদারিত্ব প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগের কাছাকাছি। চীনের যে তিনটি প্রতিষ্ঠান এই নতুন কিন্তু দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা শিল্পে আধিপত্য করছে, ইউনিট্রি তাদের একটি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের সেই সব চীনা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় যুক্ত করেছে, যাদের বিরুদ্ধে চীনের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ রয়েছে। অনেকের মতে, এটি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের আরো কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত হতে পারে। সম্প্রতি ইউনিট্রি এনভিডিয়ার সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তুলেছে। এই চুক্তির আওতায় ইউনিট্রির রোবটের 'মস্তিষ্ক' চালাতে এনভিডিয়ার অত্যাধুনিক ব্ল্যাকওয়েল চিপ ব্যবহার করা হবে। এনভিডিয়া জানিয়েছে, রোবট থেকে সংগ্রহ করা তথ্য যুক্তরাষ্ট্রেই থাকবে। এছাড়া ইউনিট্রির সবচেয়ে বড় গ্রাহকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

চীনবিষয়ক কঠোর অবস্থানের সমর্থকদের আশঙ্কা, এসব রোবট যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাতে গুপ্তচরবৃত্তি করতে পারে। তারা তথ্য সংগ্রহ করে বেইজিংয়ে পাঠাতে পারে অথবা গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। এফসিসি মঙ্গলবার বলেছে, 'এসব রোবট এমন তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, যা খারাপ উদ্দেশ্যসম্পন্ন ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ওপর নজরদারির কাজে ব্যবহার করতে পারে। এগুলো বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সক্ষমতা বাড়াতে পারে। এমনকি দূর থেকে রোবটের নিয়ন্ত্রণও নেওয়া সম্ভব হতে পারে।'

মিশিগানের রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য জন মুলেনার, যিনি প্রতিনিধি পরিষদের চীনবিষয়ক বিশেষ কমিটির চেয়ারম্যান, বলেছেন এফসিসির এই পদক্ষেপ 'আমাদের দেশকে সুরক্ষা দেয় এবং দেশের রোবট শিল্পকে আরো শক্তিশালী করে।' জন মুলেনার আগে এমন একটি আইন প্রস্তাব করেছিলেন, যাতে জাতীয় নিরাপত্তার কারণে চীনের তৈরি রোবটের বিশেষ পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন হলে সেগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যবস্থা রাখা হয়।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ইনভার্টার তৈরি করে চীন। এই খাতে শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে সানগ্রো পাওয়ার সাপ্লাই এবং হুয়াওয়ে। হুয়াওয়ের ওপর ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কম দামে পণ্য বিক্রি করে পশ্চিমা দেশগুলোর ইনভার্টার বাজারে নিজেদের অংশ বাড়িয়ে চলেছে বেইজিং। এর আগে রয়টার্স জানিয়েছিল, সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের নেওয়া পদক্ষেপ এবং সিস্টেমে ক্ষতিকর সফটওয়্যার বসিয়ে দেওয়া বা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানোর আশঙ্কার কারণে চীনের তৈরি ইনভার্টারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিয়ে কাজ করছিল এফসিসি। মার্কিন কর্তৃপক্ষ ২০২৩ সালে প্রকাশ্যে আসা 'ভোল্ট টাইফুন' নামে পরিচিত একটি হ্যাকিং অভিযানের মতো আরেকটি ঘটনা এড়াতে চায়। ওই অভিযানে হামলাকারীরা ব্যক্তিমালিকানাধীন রাউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। এরপর সেগুলো ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর চালানো পরবর্তী হামলা গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে উদ্বেগজনক বিদেশি প্রতিষ্ঠানের তৈরি সৌর ফটোভোল্টাইক সেল, মডিউল বা ইনভার্টার কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এর আওতায় চীনা কম্পানিগুলোও পড়ে। রয়টার্সের মন্তব্য জানতে চাওয়া অনুরোধের জবাবে ইউনিট্রি, সানগ্রো এবং হুয়াওয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০২ পি.এম


ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদল, যেটি পাঁচ সদস্যের গঠিত, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছে।

বৈঠকটি বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে শুরু হয়।

জামায়াতের প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় প্রচার ও গণমাধ্যম বিভাগের সেক্রেটারি সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিনিয়র আইনজীবী ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দীন সরকার, এবং সিনিয়র আইনজীবী ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে মো. সামসুল আলমকে এক বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

দলটির দাবি, ৬৭ বছর বয়সী মো. সামসুল আলম অতীতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন এবং অবসরের পরও তিনি একটি নির্দিষ্ট কমিটির পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জামায়াতের মতে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিবের পদটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর দায়িত্ব পালন করে। তাই, তাদের মতে, এমন একজন কর্মকর্তার অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব নয়। এই কারণে দলটি চুক্তিভিত্তিক এই নিয়োগ অবিলম্বে বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৪ পি.এম


নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু

 নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে একটি নতুন গ্যাস কূপের সন্ধান মিলেছে। প্রাথমিকভাবে ৪৫ দিনের খনন কাজ এবং ১৫ দিনের ডিএসটি টেস্টের পর জানা যাবে এখানে মজুতকৃত গ্যাসের পরিমাণ। তবে আশা করা হচ্ছে, সফলভাবে এই কূপটি খনন ও ডিএসটি পরীক্ষা সম্পন্ন হলে প্রতিদিন ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এই নতুন কূপের খনন কাজ শুরু করে। আজ বুধবার সকাল থেকে খননের কাজ শুরু হয়েছে এবং এটি পুরোদমে চলছে। এই প্রকল্পটির নাম দেয়া হয়েছে ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প’ নামকরণ করা হয়েছে।

বাপেক্সের সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে কূপটি মাটির নিচে ১ হাজার ৫৫০ মিটার খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৬১ মিটার ও ১ হাজার ৪৫০ মিটার গভীরে দুটি জোনে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এর খননের কাজ ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিওডি ম্যাথডে চলছে।

সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান বাসস’কে জানান, ৪৫ দিনের মধ্যে খনন কাজ এবং ১৫ দিনের ডিএসটি টেস্ট শেষে এখানে মজুতকৃত গ্যাসের পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। মঙ্গলবার থেকে খনন কাজ শুরু হয়ে এখন একনাগাড়ে চলছে। ১ হাজার ৫৫০ মিটার খননের জন্য প্রাথমিকভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাপেক্স জানিয়েছে, নোয়াখালীর এ অঞ্চলে তথা বেগমগঞ্জে ১৯৭৬ সালে প্রথম গ্যাস কূপের সন্ধান মেলে। ১৯৭৮ সালে দ্বিতীয় কূপের সন্ধান মিলে এবং সেগুলোতে ড্রিলিং করা হয়। তবে পরবর্তীতে ওই দুই কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায়নি। ২০১৩ সালে তৃতীয় কূপের সন্ধান মিললে ড্রিলিং শেষে ওই কূপ থেকে গ্যাস প্রোডাকশনে যায় এবং ২০১৮ সালে ওই কূপে ওয়ার্কওভার করে এখন প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

নোয়াখালীতে বাপেক্স ‘সুন্দলপুর-১’, ‘সুন্দলপুর-২’, ‘সুন্দলপুর-৩’ নামে তিনটি গ্যাস কূপ খনন করেছে। এর মধ্যে সুন্দলপুর-১ ও সুন্দলপুর-৩ এর উৎপাদন বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। সুন্দলপুর-২ থেকে এখনও জাতীয় গ্রীডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে সুন্দলপুর-৩ এর ওয়ার্কওভার শেষে আবারও সেটি থেকে জাতীয় গ্রীডে গ্যাস সরবরাহ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%