ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার সুপারি গাছ থেকে বছরে কোটি টাকার আয়


কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার সুপারি গাছ থেকে বছরে কোটি টাকার আয়

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার পার্শ্ববর্তী কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায়, একই পরিবারের ৪ ভাই মিলে গড়ে তুলেছেন বিশাল সুপারি বাগান। বর্তমান সময়ে এই বাগানে প্রায় ২০ একর জমিতে ৫০ হাজার সুপারি গাছ থেকে প্রতি মৌসুমে আয় হচ্ছে প্রায় এক কোটি টাকা। পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে চুইঝাল, লটকন ও পানপাতা চাষ করে বছরে আরও ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা আয় করছেন তারা। ইতোমধ্যে এই বাগান রংপুর বিভাগের সবচেয়ে বড় সুপারি বাগান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধনঞ্জয় গ্রামে অবস্থিত এই বাগানের যাত্রা শুরু হয়েছে প্রায় ৭০ বছর আগে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, মৃত বাব উল্যাহ প্রথমে প্রায় তিন একর জমিতে সুপারি গাছ রোপণ করেন। এলাকার মাটি ও আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত হওয়ায় ধীরে ধীরে তার চার ছেলে ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মের সদস্যরা বাগানটি সম্প্রসারণ করে বর্তমানে ২০ একর জমিতে প্রায় ৫০ হাজার সুপারি গাছের বিশাল বাগান গড়ে তুলেছেন। শুধু সুপারি নয়, তারা বাগানে উৎপাদিত উন্নতমানের চারা বিক্রি করে লাভবানও হচ্ছেন। তাদের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আশপাশের অনেক কৃষকও সুপারি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

বাগানে কর্মরত শ্রমিক স্বাধীন মিয়া বলেন, "সারা বছরই এখানে কাজ করতে পারি। ভোর থেকে বাগানের পরিচর্যা করি। এই কাজের আয় দিয়েই সংসার চালাচ্ছি।" অপর শ্রমিক চঞ্চলা রাণী জানান, "বাগানের কাজ করে যা আয় করি, তা দিয়েই সংসার চলে। সন্তানদের লেখাপড়া করিয়েছি, মেয়েদের বিয়েও দিয়েছি।"

আরও পড়ুন: সুলতানি আমলের প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে

স্থানীয় বাসিন্দা আলামিন মিয়া জানান, "চার ভাইয়ের সফলতা দেখে আমিও ছোট পরিসরে সুপারি বাগান করেছি। কম খরচে ভালো লাভ হওয়ায় এ চাষ বেশ লাভজনক।" বাব উল্যাহর ছেলে হানিফুল ইসলাম বলেন, "আমার বাবা কম খরচে বেশি লাভের আশায় সুপারি চাষ শুরু করেছিলেন। আমরা সেই বাগান আরও বড় করেছি। এখন সুপারির পাশাপাশি, চুইঝাল, লটকন ও পানপাতার চাষও করছি।" বাগানের অন্যতম উদ্যোক্তা তৌফিক আহমেদ শাহীন বলেন, "চাচা-ভাতিজারা মিলে প্রায় ২০ একর জমিতে সুপারি চাষ করছি। প্রতি মৌসুমে ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকার সুপারি বিক্রি হয়। সাথী ফসল থেকে আরও ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা আয় হয়। বাগানকে কেন্দ্র করে ৮ থেকে ১০টি পরিবারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।"

রোববার (৭ জুন) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নাহিদা আফরীন জানান, "রংপুর অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সুপারি উৎপাদন হয় কুড়িগ্রাম জেলায়। চলতি মৌসুমে জেলার ১ হাজার ৫২০ হেক্টর জমিতে সুপারি উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৩৯৫ মেট্রিক টন। অল্প খরচ ও কম পরিশ্রমে অধিক লাভ হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে সুপারি চাষের আগ্রহ বাড়ছে।" তিনি আরও বলেন, "সুপারি বাগানে সাথী ফসল হিসেবে চুইঝাল, লটকন ও অন্যান্য ফলদ গাছ লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের আয়ও বাড়ছে। পরিকল্পিতভাবে সুপারি ও সাথী ফসলের সমন্বিত চাষ গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।" কুড়িগ্রামের এই সফল উদ্যোক্তা পরিবার এখন দেশের অন্যান্য কৃষকদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে বলে কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামান্থা নন, সিনেমাটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন সাই পল্লবী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


সামান্থা নন, সিনেমাটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন সাই পল্লবী

মুক্তির আগে আলোচনায় থাকা ‘মা ইন্টি বাঙ্গারাম’ সিনেমা নিয়ে অভিনেত্রী ও প্রযোজক সামান্থা রুথ প্রভু নতুন একটি তথ্য প্রকাশ করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, ছবিটি নির্মাণের জন্য শুরুতে তাকে নয়, বরং দক্ষিণী তারকা সাই পল্লবীকেই নায়িকা হিসেবে ভাবা হয়েছিল।

পরে বিভিন্ন কারণে গল্পে পরিবর্তন এনে তাকে নিয়ে সিনেমাটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক ভক্ত জানতে চান, কীভাবে তিনি এই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হলেন।

জবাবে সামান্থা বলেন, ‘আমি সিনেমাটি বেছে নিইনি, বরং সিনেমাটিই আমাকে বেছে নিয়েছে। ট্রালালার মূল লক্ষ্য ছিল নারীপ্রধান গল্প নিয়ে কাজ করা।

তাহলে, প্রথমে আমরা এই গল্পটি সাই পল্লবীকে প্রস্তাব দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি খুব ব্যস্ত ছিলেন এবং সময় দিতে পারেননি। এরপর নির্মাতারা গল্পটি আমার জন্য নতুনভাবে সাজিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে আরও বেশি অভিনেত্রী যেন নারীপ্রধান গল্পে কাজ করেন, সেই প্রত্যাশা তার রয়েছে।

একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, একদিন সাই পল্লবীকেও এমন একটি শক্তিশালী নারী-কেন্দ্রিক প্রকল্পে দেখা যাবে।

সামান্থার এই বক্তব্যের জবাবে সাই পল্লবীও সামাজিক মাধ্যমে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সামান্থার পোস্ট শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘মা ইন্টি বাঙ্গারাম তোমার কাছেই পৌঁছানোর ছিল, প্রিয় সামান্থা। তোমাকে এবং নন্দিনী রেড্ডিকে অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা। আর হ্যাঁ, খুব শিগগিরই।’

‘মা ইন্টি বাঙ্গারাম’ একটি পারিবারিক অ্যাকশন-কমেডি চলচ্চিত্র, যার পরিচালনায় রয়েছেন নন্দিনী রেড্ডি। ২০১৯ সালের সফল সিনেমা ‘ওহ! বেবি’-এর পর এই ছবির মাধ্যমে আবারও একসঙ্গে কাজ করছেন নন্দিনী রেড্ডি ও সেই সঙ্গে সামান্থা।

ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন রাজ নিদিমোরু ও বাসন্ত মারিংগান্তি। এতে সামান্থার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন গুলশন দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, গৌতমী তাডিমাল্লা, শ্রীমুখী, মঞ্জুষা এবং শ্রীনিবাস গাভিরেড্ডি।

প্রথমে সিনেমাটি ১৪ মে মুক্তির কথা থাকলেও পোস্ট-প্রোডাকশন ও প্রচারণামূলক কাজের কারণে মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়। ছবিটি আগামী ১৯ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না : রুমিন ফারহানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না : রুমিন ফারহানা

গ্রামাঞ্চলে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই বলেই সংসদে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

তিনি একইসঙ্গে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়ার বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর আগের প্রতিশ্রুতি কেন বাস্তবায়ন হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

রবিবার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে তিনি সম্পূরক প্রশ্নে এসব কথা বলছিলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, "আমরা লোডশেডিং বলি আর মেরামতজনিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট বলি, গ্রামাঞ্চলে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না— এটাই বাস্তবতা।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "মাননীয় মন্ত্রী এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে আমাকে কথা দিয়েছিলেন, পহেলা মে’র মধ্যে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজারে গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু এক মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও সেখানে এখনও গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়নি।"

তিনি জানতে চান যে, "আশুগঞ্জ সার কারখানায় কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ দেওয়া সম্ভব হবে।"

জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, "দেশে গ্যাসের সীমাবদ্ধতা আছে। বর্তমানে সার কারখানার তুলনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দিতে হচ্ছে।"

এছাড়া, তিনি বলেন, "উনি বিদ্যুৎও চাচ্ছেন, আবার ফার্টিলাইজার কারখানাতেও গ্যাস চাচ্ছেন। কিন্তু গ্যাসের তো একটা সীমাবদ্ধতা আছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালিয়ে রাখতে হচ্ছে। সে কারণেই আপাতত সেখানে গ্যাস সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।"

তিনি আরও বলেন, "গত ১৭ বছরে কোনও ড্রিলিং করা হয়নি। আমরা এসে ড্রিলিং কার্যক্রম শুরু করেছি। আশা করি গ্যাস পাওয়া যাবে। গ্যাস পাওয়া গেলে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজারের মতো কারখানাগুলোতেও সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।"

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্ত্রীকে সংসদে দেওয়া আগের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, "মাননীয় মন্ত্রী, আপনি কিন্তু সংসদে বলেছিলেন এক তারিখ থেকে গ্যাস যাবে। সেটি বোধহয় পাওয়া যায়নি।"

ভবিষ্যতে সংসদে যে প্রতিশ্রুতি দেবেন, তা ড্রিলিংসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় পর্যালোচনা করেই দেওয়ার আহ্বান জানান স্পিকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নালিতাবাড়ীতে ভারতীয় মদসহ যুবক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


নালিতাবাড়ীতে ভারতীয় মদসহ যুবক আটক

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার একটি প্রাইভেটকার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৯২ বোতল ভারতীয় মদ। এই ঘটনায় সালমান (৩০) নামের একজন যুবককে আটক করা হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) ভোরে, উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দাওধারা ইসলামিক মিশন এলাকায় অভিযান চালানো হয় এবং মদভর্তি প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়, চালক সালমানকে আটক করা হয়। তিনি রাজনগর ইউনিয়নের বড়ডুবি গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলাটির সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ভারতীয় মদ পাচার করা হচ্ছে বলে একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। রবিবার ভোর পাঁচটার দিকে দাওধারা ইসলামিক মিশন এলাকার পাকা সড়কের পাশে অবস্থান নেওয়া হয় এবং সন্দেহভাজন একটি প্রাইভেটকারকে রোধ করা হয়। গাড়িতে তল্লাশি চালালে ১৯২ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি, মদ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয় এবং চালক সালমানকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে শেরপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) মো. আফসান আল আলম বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ উদ্ধার এবং একজনকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম এর দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে দেশীয় অস্ত্রসহ যুবক গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ পি.এম


চট্টগ্রাম এর দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে দেশীয় অস্ত্রসহ যুবক গ্রেফতার

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে অভিযান চালিয়ে একটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৬ জুন) বিকেলে সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুজন হালদার-এর নেতৃত্বে এসআই মো. সৈকত, এসআই মাজহারুল, এএসআই আপেল মাহমুদসহ পুলিশের একটি দল উপজেলার বাউরিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আমানির গো এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে ওই এলাকার একটি বসতবাড়ির বিল্ডিংয়ের রান্নাঘরের পেছন থেকে একটি দেশীয় তৈরি একনলা আগ্নেয়াস্ত্র (এলজি) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মাহফুজুর রহমান রিমন (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বাউরিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ঘটনায় The Arms Act, 1878-এর ১৯(এফ) ধারা অনুযায়ী সন্দ্বীপ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটির এফআইআর নম্বর-০৫, জিআর নম্বর-৫১, তারিখ ৬ জুন ২০২৬।
সন্দ্বীপ থানার পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের উৎস এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%