ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সড়ক ও বাঁধ ভাঙন রোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরে যাচ্ছেন আমজনতার মো. তারেক রহমান

অনুষ্ঠানে বিন্না ঘাসের উপকারিতা এবং দেশের সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একমত পোষণ করা হয়।

আলোচনা সভায় ঠিক কোন কোন প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার করা যেতে পারে, তা আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার জন্য অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে প্রস্তাবক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামসহ একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ঘাসের ব্যবহার বিষয়ে একটি গাইডলাইন তৈরির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এই ঘাসকে ভেটিভার ঘাসও বলা হয়।

আরও পড়ুন: বিএনপির অফিসে অগ্নিসংযোগ, সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ১০ জন কারাগারে

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঁধ ভাঙন মোকাবিলায় এই বিন্না ঘাসের ব্যবহার হচ্ছে।

বিন্না ঘাসের লম্বা মূল বা শিকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে।

প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তীব্র গরমসহ প্রতিকূল পরিবেশেও এই ঘাস বেঁচে থাকতে পারে।

পানিতে ডুবে থাকলেও এটি পচে না এবং লবণাক্ত পানিতেও টিকে থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর সমাধান উদ্ভাবনে গবেষণার আহ্বান প্রযুক্তিমন্ত্রীর

সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনী সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ করল বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


ফেনী সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ করল বিজিবি

ফেনী, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : ফেনী জেলায় আজ পরশুরাম, ছাগলনাইয়া উপজেলা এবং চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জে অবস্থিত ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করার সময় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রী পিস, ওষুধ, চকলেট, বিস্কুট, কসমেটিকস ও বিভিন্ন প্রকার সুগন্ধী তেল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জব্দকৃত এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ৮০৫ টাকা।

আজ সোমবার, বিজিবি’র ফেনী ব্যাটালিয়নের (৪ বিজিবি) পক্ষ থেকে প্রচারিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজিবির তথ্যমতে, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধের লক্ষ্য নিয়ে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার ভোরে জেলার পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ চোরাচালান বিরোধী অভিযান সম্পন্ন করা হয়েছে, যেখানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রী পিস, ওষুধ, চকলেট, বিস্কুট, কসমেটিকস ও বিভিন্ন প্রকার সুগন্ধী তেল জব্দ করা হয়। এসব জব্দকৃত মালামালের দাম আনুমানিক ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ৮০৫ টাকা।

বিজিবি’র ফেনী ব্যাটালিয়নের (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্তে মাদকদ্রব্যের বিস্তার ও অবৈধ অনুপ্রবেশসহ যেকোনো অপরাধ দমনে বিজিবি সবসময় সতর্ক এবং তৎপর রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে মানবপাচার মোকাবিলায় বাংলাদেশ-আইওএমের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে মানবপাচার মোকাবিলায় বাংলাদেশ-আইওএমের উদ্যোগ

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, চাকরির পোর্টালসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মানবপাচারের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সংঘটিত মানবপাচার প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

এ লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং আইওএম-এর মধ্যে ২৪ মাস মেয়াদি একটি প্রকল্পের চুক্তি সই হয়েছে। ‘প্রযুক্তির মাধ্যমে সাইবারনির্ভর মানবপাচার মোকাবিলা’ শীর্ষক প্রকল্পটি ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত মানবপাচার প্রতিরোধের জন্য বাংলাদেশের সক্ষমতা উন্নয়ন করবে।

আইওএম ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে আইওএম বাংলাদেশ কর্তৃক। এতে অংশীদার হিসেবে থাকবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো দীর্ঘমেয়াদে সাইবারনির্ভর মানবপাচার প্রতিরোধে দেশের উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করা। প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত তথ্য, গবেষণার ফলাফল এবং প্রশিক্ষণসামগ্রী ভবিষ্যতে নীতিমালা ও কর্মসূচি প্রণয়নে সহায়ক হবে। পাশাপাশি মানবপাচার প্রতিরোধে বিদ্যমান জাতীয় ও আন্তঃসংস্থার কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার আশা করা হচ্ছে।

পাচারকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, চাকরির ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে, তাদের প্রলুব্ধ, নিয়ন্ত্রণ এবং শোষণ করছে।

এসব নেককারী কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় প্রকল্পটি তিনটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেবে। এগুলো হলো তথ্য ও জ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ তৈরি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কমিউনিটি পর্যায়ে ডিজিটাল সাক্ষরতা উন্নয়ন।

চুক্তিতে সই করেছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের মিশনপ্রধান ড. লরা টম বন্ডে। অনুষ্ঠানে ইআরডির অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ উইংয়ের প্রধান এ কে এম সোহেল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা এবং আইওএমের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ড. লরা টম বন্ডে বলেন, প্রযুক্তি মানুষের যোগাযোগের ধরন, কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজে পাওয়া এবং অন্যান্য সুযোগের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পদ্ধতি পরিবর্তন করেছে। তবে একই প্রযুক্তি পাচারকারীদের হাতেও অপব্যবহারের শিকার হতে পারে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে তথ্য-উপাত্তভিত্তিক গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে প্রযুক্তি শোষণের হাতিয়ার না হয়ে মানবপাচার প্রতিরোধের কার্যকর উপায় হয়ে ওঠে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত মানবপাচার প্রতিরোধে সরকারের চলমান উদ্যোগকে এ প্রকল্প আরও শক্তিশালী করবে। একই সময় মানব পাচার মোকাবিলায় প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো সরকারি সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এর মাধ্যমে সাইবারনির্ভর মানবপাচারের ঝুঁকি প্রতিরোধ, মোকাবেলা এবং প্রশমনে আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


নওগাঁয় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক সমাবেশ

 

‘তোমার ফলাফল, তোমার গল্পের শেষ নয়’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অপ্রত্যাশিত ফলাফল প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক শিক্ষক-অভিভাবক-শিক্ষার্থী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের নিজস্ব উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পরীক্ষায় অপ্রত্যাশিত ফলাফল প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মানসিক শক্তি জোগানো এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতেই এ আয়োজন তৈরি করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদৎ হোসেন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. মুনির আলী আকন্দ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মাহমুদ, পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম, নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. রাবেয়া খাতুন, অভিভাবক মিনানুর রহমান মিনু এবং শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আয়শা সিদ্দিকা, জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এ সময় বক্তারা নিজেদের জীবনের সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে ২০ জন শিক্ষার্থীকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি মানুষের পুরো জীবনই একটি সফলতার গল্প। যারা হেরে গিয়ে আবার নতুন করে জীবনকে সাজিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তারা কখনোই হেরে যান না। তাই এসএসসিতে খারাপ ফলাফল মানে আর ভালো কিছু করা সম্ভব নয়—এমন ভাবনার জগৎ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। জীবনের প্রতিটি দিনই একেকটি সফলতার দিন। সুতরাং আগামীতে আরও ভালো ফলাফল করার শক্তি ও সাহস বুকে ধারণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের সব বিখ্যাত ব্যক্তিই হেরে যাওয়ার পর নতুন অনুপ্রেরণায় জীবনকে নতুন করে সাজানোর চেষ্টা করেছেন বলেই আজ তারা বিশ্ববিখ্যাত।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, নিজের ভাগ্যের ওপর শতভাগ বিশ্বাস রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। প্রতিটি মানুষ তার জীবনে প্রত্যাশিত সবকিছু কখনোই পায় না। আজ যারা ভালো কিংবা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তারাই আগামী দিনে অনেক ভালো কিছু করার ক্ষমতা রাখে। আগামীতে আরও ভালো কিছু করার জন্য অবশ্যই অভিভাবকদের সন্তানের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজ সন্তান ভালো কিছু করতে পারেনি মানে এই নয় যে তার দ্বারা আগামীতে আরও ভালো কিছু করা সম্ভব নয়। বর্তমানে বিশ্বে যারা অনেক অর্থশালী, তাদের অনেকেই জীবনের শুরুতে ছোটখাটো কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু তাদের প্রধান শক্তি ছিল কঠোর মনোবল। প্রবল মনোবল ছিল বলেই তারা আজ নিজেদের কর্মগুণে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

জেলা প্রশাসক বলেন, ভালো কিছু হয়নি বলে ভেঙে পড়ে হাল ছেড়ে দেওয়া মানে নিজেকে পরাজিত করা। তাই হাল না ছেড়ে আগামীর জন্য নতুন করে প্রস্তুতি গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। এই কাজে অভিভাবক, শিক্ষক ও সহপাঠীদের শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নওগাঁর সাতটি উপজেলার মোট ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি—এমপিওভুক্ত এবং নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এমন ফলাফল থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যেই মূলত এ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ মাস ধরে কাদায় বাঁধা ৪ মহিষ, ইউএনওর হস্তক্ষেপে উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


৬ মাস ধরে কাদায় বাঁধা ৪ মহিষ, ইউএনওর হস্তক্ষেপে উদ্ধার

ঝিনাইদহের মহেশপুরে বুকসমান কাদায় আটকে থাকা চারটি মহিষ উদ্ধার করা হয়েছে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে। রবিবার (১৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হলে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাদ হোসেনের নজরে আসে। তার হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মহিষগুলোকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার স্বরূপপুর ইউনিয়নের গোকুলনগর গ্রামে আব্দুল আলিম দীর্ঘ ৬ মাস ধরে বুকসমান কাদায় মহিষগুলোকে আটকে রেখেছিলেন। সেখানে মহিষগুলোর খাবার খাওয়া এবং ঘুমানোসহ সব কিছুই কাদার মধ্যে করতে হতো। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে অস্বাভাবিক ও কষ্টকর পরিবেশে থাকার ফলে মহিষগুলোর অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছিল।

মহিষগুলোকে কাদা থেকে তুলে নিরাপদ স্থানে রাখার অনুরোধ করা হলেও আলিম তা আমলে নেননি। তারপর স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী আব্দুর রাজ্জাক ও আব্দুর রহিম মহিষগুলোর দুর্দশার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেন। এই ভিডিওটি ইউএনও সাজ্জাদ হোসেনের নজরে এলে তিনি মহিষগুলো উদ্ধারের উদ্যোগ নেন।

স্থানীয় পশুপ্রেমী নাজমুল হোসেন বলেন, প্রাণীরা মানুষের মতো নিজেদের কষ্টের কথা বলতে পারে না। তবে তাদেরও স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে। চারটি মহিষকে দীর্ঘদিন ধরে কাদার মধ্যে আটকে রাখা দৃশ্যটি সত্যিই হৃদয়বিদারক।

আব্দুল আলীমের মা সত্য খাতুন জানান, তিনি একাধিকবার ছেলেকে বলেছেন মহিষগুলোকে ভালো স্থানে রাখতে। কিন্তু তিনি শোনেননি। মহিষগুলোকে কাদার মধ্যে আটকে রেখে সব সময় সেখানে খাদ্য দেওয়া হত।

মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মহিষগুলো উদ্ধার করে ভালো স্থানে রাখা হয়েছে। মহিষের মালিককে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মহিষগুলোর জন্য পর্যাপ্ত শুকনো মেঝে, খাবার পানি ও নিরাপদ বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%