০৫:৩৫ পি.এম
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে, যাদের উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত থাকার সন্দেহ রয়েছে, আদালত ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। একই মামলার অন্য চারজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশও দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
রিমান্ডে পাঠানো আসামিরা হলেন শাহ আমানত সাবির এবং হোসাইন তানিম। অপরদিকে, কারাগারে পাঠানো চারজন হলেন জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান এবং বায়োজিত।
এদিন আদালতে ছয় আসামিকে হাজির করা হয়। এদের মধ্যে গত রোববার (৫ জুলাই) তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) এ বি সিদ্দিক দুই আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সউদীতে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার তীব্র নিন্দা
আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মো. সাদ্দাম হোসেন রিমান্ড বাতিল এবং জামিনের আবেদন করেন। তিনি আদালতকে বলেন, আসামিরা শিক্ষার্থী এবং তাদের বয়স কম। ইতিমধ্যে তাদের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু তদন্তে উল্লেখযোগ্য কিছু পাওয়া যায়নি।
এ সময় আদালত বলেন, এই মামলায় পুলিশের এপ্রোচ ভালো। তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। যদি জিজ্ঞাসাবাদে কিছু পাওয়া না যায়, তাহলে তারা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই মুক্তি পাবেন।
পরে বিচারক আসামিদের উদ্দেশ্যে জানতে চান, রিমান্ডে তাদের কোনো নির্যাতন করা হয়েছে কি না। এ সময় আসামি শাহ আমানত সাবির মাথা নেড়ে ‘না’ সূচক জবাব দেন।
মামলার রিমান্ড আবেদনে দাবি করা হয়, গত রোববার ভোরে যাত্রাবাড়ী থানাধীন মিনি কক্সবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের পাশের বালুর মাঠে একটি উগ্রবাদী সংগঠনের কিছু সদস্য প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে বাসায় আগুন, একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ বার্ন ইনস্টিটিউটে
পুলিশের দাবি, খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ঘটনাস্থলে গেলে কিছু সদস্য পালানোর চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সেখানে জড়ো হওয়ার বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে বলেন, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন