ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসরাইলে শিক্ষাসফরে বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ২৪


ইসরাইলে শিক্ষাসফরে বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ২৪

বছরের পর বছর ধরে চলা যুদ্ধের ফলে ইসরাইলজুড়ে অবিস্ফোরিত বোমা ও গোলাবারুদ ছড়িয়ে রয়েছে। এই বিস্ফোরকগুলোর প্রাণঘাতী প্রকৃতি আবারও প্রমাণিত হয়েছে দেশের উত্তরাঞ্চলে একটি শিক্ষাসফরের ঘটনায়।

সোমবার (১২ অক্টোবর) লেবানন সীমান্তের কাছে একটি বনাঞ্চলে হিজবুল্লাহর নিক্ষিপ্ত ক্লাস্টার বোমার অবিস্ফোরিত অংশ বিস্ফোরিত হয়ে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৪ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরাইলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর ধারণা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘর্ষের ফলে পড়ে থাকা শত শত, এমনকি হাজার হাজার অবিস্ফোরিত অস্ত্র রয়েছে।

আরও পড়ুন: মোদির আসনে ধাক্কা খেল বিজেপি, বারাণসীতে জয়ী লালবিহারি যাদব

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের সময় হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরাইলে বেশ কয়েকটি বিআরবি১ (এ-০৯ নামেও পরিচিত) সাবমিউনিশন বহনকারী গ্র্যাড রকেট নিক্ষেপ করেছে। এই রকেটগুলো বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্লাস্টার বোমার অংশ ছড়িয়ে দেয়, যা অনেক সময় মাটিতে আঘাত করার পরও বিস্ফোরিত হয় না।

সোমবারের ঘটনার ছবি দেখে ধারণা করা হচ্ছে, লেবানন সীমান্তের কাছে রামিম রিজ এলাকায় নাফতালি মাউন্টেনস ফরেস্টের একটি প্রাকৃতিক পথ ধরে হাঁটার সময় ওআরটি মাআলত স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের একটি দল এমন একটি বোমার মুখোমুখি হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ এ পথটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল।

হাঁটার সময় এক শিক্ষার্থী পথের ওপর বা কাছাকাছি পড়ে থাকা হিজবুল্লাহর একটি সাবমিউনিশন দেখতে পায় এবং সেটি তুলে নেয়। একপর্যায়ে বোমার ছোট অংশটি বিস্ফোরিত হয়, যার ফলে নবম শ্রেণির ১৩ বছর বয়সি শিক্ষার্থী নিহত হন এবং আরও ২৪ জন আহত হন, তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

হিজবুল্লাহ ছাড়াও ইরান ও তাদের ইয়েমেনভিত্তিক মিত্রগোষ্ঠী হুথি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্লাস্টার বোমার ওয়ারহেডযুক্ত শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলে নিক্ষেপ করেছে। এসব বোমার কিছু অংশ মাটিতে পড়ার পরও বিস্ফোরিত হয়নি, ফলে সেগুলোর সামনে পড়ে যাওয়া মানুষের জন্য বিপদ থেকে যায়। তবে সোমবারের মতো প্রাণঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনা বিরল।

আরও পড়ুন: মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলে ফলাফল মানবেন কি ট্রাম্প?

স্থলমাইনের মতো না হলেও এসব বোমা গোলান মালভূমি ও পশ্চিম তীরে এখনো বিপদ সৃষ্টি করছে। অবিস্ফোরিত ক্লাস্টার বোমার ওয়ারহেড পড়ে থাকতে পারে এমন এলাকা কর্তৃপক্ষের পক্ষে বেড়া দিয়েও ঘিরে রাখা সম্ভব নয়। এসব অস্ত্র বছরের পর বছর অচেনা অবস্থায় পড়ে থাকতে পারে, পরে কোনো ব্যক্তি অসতর্কভাবে সেগুলোর সংস্পর্শে এলে বিপদ ঘটতে পারে। এই হুমকি কতটা বিস্তৃত, তা নির্ভরযোগ্যভাবে নিরূপণের কোনো উপায় নেই।

অবিস্ফোরিত অস্ত্রের বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। কিছু অস্ত্রকে রকেট, গ্রেনেড বা শঙ্কু আকৃতির ওয়ারহেড হিসেবে চেনা গেলেও অন্যগুলো বিভিন্ন আকৃতির ছোট ধাতব পাত্রের মতো অতি সাধারণ দেখাতে পারে। অস্ত্রের ধরন অনুযায়ী বিস্ফোরণের শক্তি ব্যাপকভাবে ভিন্ন হয়। তবে ক্লাস্টার বোমার ওয়ারহেড থেকে বের হওয়া ছোট বোমার অংশও প্রাণঘাতী আঘাত হানতে সক্ষম।

এমন ঘটনা নতুন নয়

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবিস্ফোরিত অস্ত্রের কারণে বেসামরিক মানুষের নিহত বা আহত হওয়ার ঘটনা সোমবারের বিস্ফোরণই প্রথম নয়। আগস্টে উত্তরাঞ্চলীয় শহর মেতুলার কাছে একটি কৃষিজমিতে পুরোনো বিস্ফোরক বিস্ফোরিত হলে ছয় বিদেশি শ্রমিক আহত হন। গত তিন বছরে ওই এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিচারকের ছেলের গাড়িচাপায় স্কুটিচালকের মৃত্যু, পুলিশপ্রধান বরখাস্ত

একইভাবে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে উত্তরাঞ্চলীয় কিবুতজ ইরোনের কাছে একটি বাগানে হিজবুল্লাহর আগে নিক্ষেপ করা একটি অস্ত্র বিস্ফোরিত হলে থাইল্যান্ডের ২৭ বছর বয়সি এক শ্রমিক নিহত হন এবং আরেকজন আহত হন। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে জর্ডান উপত্যকায় একটি সামরিক প্রশিক্ষণক্ষেত্রের কাছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) আগে নিক্ষেপ করা অবিস্ফোরিত অস্ত্রের বিস্ফোরণে এক ফিলিস্তিনি শিশু নিহত এবং আরও দুই শিশু আহত হন।

ইসরাইলে অবিস্ফোরিত অস্ত্র অপসারণের দায়িত্ব তিনটি সংস্থার মধ্যে ভাগ করা হয়েছে। সেগুলো হলো- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল মাইন অ্যাকশন অথরিটি, সামরিক বাহিনী ও পুলিশ। ২০১১ সালের মাইনফিল্ড ও অবিস্ফোরিত অস্ত্র অপসারণ আইন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সংস্থার দায়িত্ব হলো মাইনফিল্ড ও অবিস্ফোরিত অস্ত্র থাকা এলাকা অপসারণের পরিকল্পনা করা এবং অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা।

পাশাপাশি নিরাপদ আচরণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো ও ঝুঁকি কমাতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া, পরিকল্পনা করা ও পরিচালনা করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রমের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া তাদের দায়িত্ব।

সংস্থাটির নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি নথিতে এর উদ্দেশ্য বলা হয়েছে। তা সত্ত্বেও, মঙ্গলবার আর্মি রেডিও জানায়, প্রাণঘাতী এই ঘটনার দায় নিতে অস্বীকার করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, ‘শত্রুপক্ষের গোলাবর্ষণের ফলে পড়ে থাকা অবিস্ফোরিত অস্ত্র অপসারণ করা এই কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নয়- এটি পুলিশের কাজ।’

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে: হোয়াইট হাউস

সোমবারের প্রাণঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইসরাইল পুলিশের কমিশনার ড্যানি লেভি। তবে অবিস্ফোরিত অস্ত্র অপসারণে পুলিশের দায়িত্বের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, শিক্ষা সফরটির জন্য সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়া হয়েছিল।

সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মধ্যে বাস্তুচ্যুত বেসামরিক মানুষকে বাড়িতে ফিরতে দেয়ার জন্য উত্তর ইসরায়েলের প্রায় ৪০টি জনপদে বিস্তৃত অভিযান চালানো হয়েছে। এর লক্ষ্য ছিল- সামরিক সরঞ্জাম সরানো, বর্জ্য পরিষ্কার করা এবং অবিস্ফোরিত অস্ত্র অপসারণ করা। তবে এ বছর লেবাননের এই গোষ্ঠীর সঙ্গে সর্বশেষ দফার লড়াইয়ের পর একই ধরনের কোনো অভিযান চালানোর ঘোষণা দেয়নি আইডিএফ।

ইসরাইল ট্রেইল ধরে তিন দিনের শিক্ষা সফরটির অনুমোদন দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অথচ ওই এলাকায় ইহুদি জাতীয় তহবিল কেকেএল-জেএনএফের টাঙানো একটি সাইনবোর্ডে যুদ্ধের ক্ষতি সম্পর্কে সতর্ক করে বন ও ক্যাম্পসাইটে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছিল। ২০২৫ সালের মে মাসে কেকেএল-জেএনএফের ওয়েবসাইটেও একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

মঙ্গলবার আর্মি রেডিওকে কেকেএল-জেএনএফের চেয়ারম্যান আইয়াল অস্ট্রিনস্কি বলেন, পথটি বন্ধ ছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয় কেন সেখানে শিক্ষা সফরের অনুমোদন দিয়েছিল, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি বলেন, ইসরাইল সোসাইটি ফর দ্য প্রোটেকশন অব নেচারের পরিচালিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অপারেশনস রুমকে আগেই জানানো হয়েছিল যে এলাকাটি বন্ধ।

আরও পড়ুন: লাস ভেগাসে যাওয়ার অভিযোগে চার সন্তানকে একা রেখে ফের গ্রেপ্তার মা

এক বিবৃতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শিক্ষা সফরের অনুমোদিত পথটি কোনো নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশ করেনি। এতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়, দলটি হয়তো নির্ধারিত পথ থেকে সরে গিয়েছিল।

মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, সফরের অনুমোদন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্পষ্ট নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা অবিস্ফোরিত অস্ত্র স্পর্শ করার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং এ ধরনের কোনো বস্তু দেখামাত্র তা জানানোর নির্দেশনাও ছিল।

অবিস্ফোরিত অস্ত্রের প্রকৃত সংখ্যা অজানা। বিশেষ করে জনসাধারণের হাঁটাচলার জন্য উন্মুক্ত বনাঞ্চল কিংবা কৃষিশ্রমিকদের কাজের মাঠে এসব অস্ত্রের উপস্থিতি এবং সীমিত অপসারণ কার্যক্রমের কারণে একই ধরনের ট্র্যাজেডি ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে ইসরাইল। এছাড়া বহুদিন পড়ে থাকার কারণে মাটির নিচে চলে যাওয়ায় অনেক সময় হাঁটাচলায় চোখে পড়ে না অস্ত্রগুলো। ফলে বড় ধরনের প্রাণঘাতী ঝুঁকির মধ্যে দিয়েই দিন পার করছে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ইসরাইলিরা।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাই

আরও পড়ুন: আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনকে লজ্জাজনক বললেন নেতানিয়াহু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানিতে হুথিদের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ এম


সৌদির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানিতে হুথিদের হামলা

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হামলা চালানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর, পূর্ব অঞ্চলের শহর দহরানে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালিয়েছে হুথিরা।

সৌদি সরকারি বার্তা সংস্থা এসপিএকে দেওয়া এক বিবৃতিতে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের এই হামলায় সৃষ্ট আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে কর্তৃপক্ষের দ্বারা। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার সকালে হুথিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি একটি সতর্কবার্তায় সৌদি তেল স্থাপনাগুলোকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে চিহ্নিত করে, সেগুলোর আশপাশে থাকা সব কর্মচারী ও বেসামরিক লোকজনকে সরতে আহ্বান জানান। এর কিছুক্ষণ পরেই আরামকোর সদর দপ্তরে হামলা চালানো হয়।

ইয়েমেনের হুথি নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানার ইয়েমেনি অয়েল কোম্পানির আল-সাবাহ কেন্দ্রীয় স্টেশন থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার জন্য সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের আদেশের প্রতিক্রিয়ায় এই হুঁশিয়ারি আসে।

জোটের এই আদেশের জবাবে হুথি মুখপাত্র জানান, সানায় যেকোনো ধরনের বিমান হামলা চালানো হলে সৌদি রাজধানী রিয়াদে এর ‘কঠোর ও বেদনাদায়ক’ জবাব দেওয়া হবে।

এদিকে এসপিএ জানিয়েছে, রিয়াদ অভিমুখে হুথিদের ছোড়া বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশেই প্রতিহত করে ধ্বংস করেছে সৌদি আরব। সৌদি সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এসপিএ জানায়, প্রতিহত করা দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো নিচে পড়ে চারজন আহত হয়েছেন এবং ১৫টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সানার তেল স্থাপনায় হামলা

সৌদি জোটের পক্ষ থেকে খালি করার নির্দেশ দেওয়ার পরপরই সানায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে জানান আল জাজিরার মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। হুথি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, সৌদির নেতৃত্বাধীন বাহিনীর বিমান হামলায় রাজধানীর আল-সাবাহ এলাকার একটি তেল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হুথি কর্মকর্তারা আগেই এই হামলার আশঙ্কা করেছিলেন। তেল কোম্পানিটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের মজুতাগারগুলো আগেই খালি করা হয়েছিল, তাই এই হামলার কারণে সাধারণ মানুষের জন্য জ্বালানি সরবরাহ বা মজুতে কোনো প্রভাব পড়বে না।

তবে ঘাটতির আশঙ্কায় নগরের পেট্রল পাম্পগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

আল জাজিরার প্রতিনিধি ইউসেফ মাওরি বলেন, ‘রাজধানী সানার এই কেন্দ্রীয় তেল স্টেশনে বিমান হামলার পরপরই আমরা বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই।’

তিনি আরও জানান, সৌদি আরব লোহিত সাগরের রাস ঈসা বন্দরেও বিমান হামলা চালিয়ে জ্বালানি তেলের ট্যাংক ধ্বংস করেছে এবং হুথি নিয়ন্ত্রিত হোদাইদাহ প্রদেশের একটি তেল কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে।

সৌদি জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি অভিযোগ করেন, হুথিরা এই স্থাপনা ও এর ভূগর্ভস্থ জ্বালানি ডিপোকে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণের কাজে ব্যবহার করছিল।

বিস্ফোরণের ঘটনার পর হুথি মুখপাত্র জানান, ইয়েমেনি যোদ্ধারা সানায় সৌদি জোটের অনুগত বাহিনীর মুখোমুখি লড়াই করছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় সারি সতর্ক করে বলেন, সৌদি জোট সানায় আক্রমণ অব্যাহত রাখলে খালি করার নির্দেশ দেওয়া অঞ্চলগুলোতে হামলা চালানো হবে।

মঙ্গলবার দহরানের আরামকো সদর দপ্তর, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রিয়াদে অবস্থিত আরামকোর একটি তেল শোধনাগার থেকে সাধারণ মানুষকে অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

বিমানবন্দরে হামলা

গত শনিবার রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালানো হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হন, যা বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশটির স্থায়িত্বকে নাড়া দিয়েছে। এরপর রোববার একই বিমানবন্দরে আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আরও একজন নিহত ও ১১ জন আহত হন।

এই প্রাণঘাতী হামলার পর এয়ার ফ্র্যান্স-কেএলএম, এয়ার ইন্ডিয়া, ইতিহাদ, লুফথানসা, ডেল্টা, গালফ এয়ার ও কাতার এয়ারওয়েজসহ বিশ্বখ্যাত বহু আন্তর্জাতিক বিমানসংস্থা সৌদি আরব ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত করেছে।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দেওয়া সৌদি আরব মঙ্গলবারও হুথিদের একের পর এক আক্রমণের মুখে পড়ে। রিয়াদের উত্তরাঞ্চলে আরও তিনটি ড্রোন প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে জোট বাহিনী।

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনার জেরে গত সপ্তাহ থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় বিমান হামলার পর হুথি মুখপাত্র আবার দেশটির অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোতে সতর্কবার্তা জারি করেছেন।

এসপিএ জানায়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে হুথিদের এই ক্রমাগত হামলার জন্য তাদের ‘চড়া মাশুল’ দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন প্রতিক্রিয়া

মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বক্তব্যে বলেন, হুথিরা ‘খুবই বাজে আচরণ’ করছে। তিনি সাংবাদিকদের জানান, সৌদি আরবের স্বার্থ সুরক্ষায় ইয়েমেন ইস্যুতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানাতে পারেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, আমি বললে প্রেসিডেন্ট এরদোগান এটি করবেন।’

‘ডন অব ইয়েমেন’ ও লড়াই বৃদ্ধি

গত মাসে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু এলাকা হুথিরা দখল করার পর সৌদি আরব নতুন করে হামলা শুরু করে। এর অংশ হিসেবে ইয়েমেন সরকারের পালটা অভিযান ‘ডন অব ইয়েমেন’-এ বিমান সহায়তা দিচ্ছে রিয়াদ।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের অনুগত বাহিনী জানায়, মঙ্গলবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে হুথিদের বিভিন্ন ঘাটি ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে একযোগে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তায়েজ গভর্নরেটে মোট নয়টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার মধ্যে ডুবাব জেলায় পাঁচটি এবং আল-মাসরাখ জেলায় চারটি হামলা অন্তর্ভুক্ত।

ইয়েমেনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্র জানায়, তায়েজের দক্ষিণে আল-শাগাব এলাকায় সরকারি বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে তীব্র মুখোমুখি লড়াই চলছে।

হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ‘ইয়েমেনি নেটওয়ার্ক ফর রাইটস অ্যান্ড ফ্রিডম’ মঙ্গলবার জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তায়েজে হুথিদের গোলাবর্ষণে পাঁচ বছরের এক শিশুসহ অন্তত পাঁচজন সাধারণ নাগরিক নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত সাতটি ঘরবাড়ি। গত একদিনেই হুথিরা তায়েজজুড়ে ১৮০টির বেশি গোলা নিক্ষেপ করেছে বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

হুথিদের অগ্রযাত্রা

গত সেপ্টেম্বর মাসে মোখা অভিমুখে আকস্মিক স্থল অভিযান চালিয়ে রণকৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ ওই বন্দরনগরী থেকে সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে দেয় হুথিরা। একই মাসে ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূল এবং বাব আল-মানদেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেয় গোষ্ঠীটি, যার মধ্যে প্রণালিতে অবস্থিত কৌশলগত মায়্যুন দ্বীপও রয়েছে।

ইয়েমেনে সংঘাত ক্রমেই মারাত্মক আকার ধারণ করায় রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটির (আইসিআরসি) সভাপতি মিরজানা স্পোলজারিক গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সব পক্ষকে যুদ্ধ বিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ইয়েমেনের এডেন ও সানাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু, বাস্তুচ্যুতি ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বারবার ধ্বংস হচ্ছে বেসামরিক অবকাঠামো, ঝরছে বিপুল প্রাণ।’

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ইয়েমেনে অন্তত ৪৬ জন সাধারণ মানুষ নিহত এবং ১৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ শিশু। এ ছাড়া সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত দুই লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোপ লিওর ফুসফুসে ক্যানসারের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৭ এম


পোপ লিওর ফুসফুসে ক্যানসারের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

ফুসফুসে ক্যানসার ধরা পড়ার পর পোপ চতুর্দশ লিওর সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার রোমের জেমেলি হাসপাতালে এই অস্ত্রোপচারটি করা হয়। ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ভ্যাটিকান জানিয়েছে, মঙ্গলবার ৯ মিনিটের একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পোপের ডান ফুসফুস থেকে ক্যানসার আক্রান্ত একটি অংশ সফলভাবে অপসারণ করা হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর তিনি ‘স্বাভাবিকভাবেই ঘুম ভেঙে জেগে ওঠেন।’

ভ্যাটিকানের একটি সূত্র জানায়, ক্যানসার শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে পড়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

ভ্যাটিকানের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অস্ত্রোপচারটি সফল হয়েছে এবং এতে কোনো ধরনের জটিলতা দেখা দেয়নি।’ পূর্ববর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষার সন্দেহ অনুযায়ী এই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ফুসফুসের ক্যানসারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। চিকিৎসকরা ডান ফুসফুসের নিচের অংশটি অপসারণ করেছেন সম্পূর্ণ নিরাময় নিশ্চিত করার জন্য।

রোমের জেমেলি হাসপাতালের ১০ তলার নিজ কক্ষে পোপকে বেশ কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে বলে জানিয়েছে ভ্যাটিকান। আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত তার সব সাক্ষাৎ বাতিল করা হয়েছে। এই অস্ত্রোপচারের ফলে আগামী মাসে পোপের নির্ধারিত দীর্ঘ লাতিন আমেরিকা সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

গত বছরের ৮ মে ক্যাথলিক চার্চের সর্বোচ্চ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ৭১ বছর বয়সি পোপ লিওর এটিই প্রথম হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা। গত রোববার সেন্ট পিটার্স স্কোয়ারে অ্যাঞ্জেলাস প্রার্থনার সময় আকস্মিক এক ঘোষণায় পোপ জানান, চিকিৎসকরা তার শরীরে খুব প্রাথমিক পর্যায়ে একটি টিউমার শনাক্ত করেছেন।

পোপের স্বাস্থ্য নিয়ে অতীতে ভ্যাটিকান চরম গোপনীয়তা রক্ষা করলেও তার পূর্বসূরি পোপ ফ্রান্সিসের আমল থেকে ভ্যাটিকান এই বিষয়ে বেশ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুপুরের মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ এম


দুপুরের মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস

দেশের ৫টি অঞ্চলের ওপর দুপুরের মধ্যে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র সকাল ৫টায় দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য প্রকাশিত পূর্বাভাসে এই তথ্য তুলে ধরেছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিহারে গঙ্গা নদীতে নৌকাডুবিতে ১৩ জনের মৃত্যু, অধিকাংশই শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ এম


বিহারে গঙ্গা নদীতে নৌকাডুবিতে ১৩ জনের মৃত্যু, অধিকাংশই শিশু

ভারতের বিহারে গঙ্গা নদীতে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজ্যের বৈশালী জেলার রাঘোপুর এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নৌকাটির যাত্রী সংখ্যা ছিল ১৫ থেকে ২০, এবং তারা একটি ভোজের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিল। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার অভিযান শুরু করে। উদ্ধারকাজে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়। নিখোঁজদের সন্ধানে স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন। এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে পুলিশ এখনও পর্যন্ত নয় জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। তারা প্রত্যেকেই শিশু। নিহতদের নাম হলো— পিঙ্কি কুমারী, অঙ্কিতা কুমারী, সুনীতা কুমারী, আরিয়ান কুমার, আলিশা কুমারী, শিকি কুমারী, ভোনু কুমারী, মীরা কুমারী এবং নমন কুমার। তারা সবাই রামপুর শ্যামচাঁদ গ্রামের বাসিন্দা।

এই ঘটনায় নিহতদের পরিবারের জন্য চার লাখ রুপি করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। এছাড়া, নিহতদের পরিবারের জন্য দুই লাখ রুপি করে সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্র: আনন্দবাজার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%