বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫০ পি.এম
মির্জা আব্বাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাঁচ মাসেরও বেশি সময় চিকিৎসা গ্রহণের পর দেশে ফিরে এসেছেন।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে তাঁকে বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক এবং ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বিএনপির ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।মির্জা আব্বাসের আগমন উপলক্ষে বিমানবন্দর এলাকায় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে স্লোগান দেন।গত ১১ মার্চ রমজান মাসের ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। ওই দিন রাতেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর চিকিৎসার জন্য একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখতে পান সাবেক এই মন্ত্রীর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।এরপর এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁর মস্তিষ্কে দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে ১৫ মার্চ মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে সিঙ্গাপুর পাঠানো হয়। সেখানে কিছুটা উন্নতির পর চিকিৎসকদের পরামর্শে ১৪ এপ্রিল সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে তাঁর পুনর্বাসনের জন্য চিকিৎসা ও থেরাপি দেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরা মির্জা আব্বাসের সুস্থতাকে বিস্ময়কর বলে অভিহিত করেছিলেন মালয়েশিয়ায় নেওয়ার আগে।গত ১৬ মে প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস। ওই দিন তিনি জানান, গুরুতর অসুস্থতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস এবং তিনি দেশে ফেরার জন্য অস্থির হয়ে আছেন। সবার দোয়া ও আল্লাহর অশেষ রহমতে মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ। তবে তাঁর ফিজিওথেরাপি এখনও চলছে। নিউরোসংক্রান্ত বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হলেও তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত ফলোআপ ও ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে নিয়ে কটূক্তিমূলক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গতকাল ২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) ফেসবুকে নবীজি (সাঃ)-কে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য সংবলিত একটি পোস্ট ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর আখাউড়া থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্ব সহকারে অভিযান শুরু করে।
অভিযানের এক পর্যায়ে পুলিশ আখাউড়া থানাধীন মনিয়ন্দ ইউনিয়নের কর্ণেল বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান ওয়াসিমকে (২৫) সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে গ্রেফতার করে।
*গ্রেফতারকৃতের পরিচয়:*
- নাম: আসাদুজ্জামান ওয়াসিম (২৫)
- পিতা: রতন ডাক্তার
- ঠিকানা: আইড়ল (কর্ণেল বাজার), থানা- আখাউড়া, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও চলতি বছরে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে গাজা উপত্যকায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৩০১ জন শিশু রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনায় সম্মতি দেওয়ার পর হামাস ও ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধে রাজি হয়। ওই পরিকল্পনায় ‘বিমান ও গোলাবর্ষণসহ সব ধরনের সামরিক অভিযান’ স্থগিত করার কথা বলা হয়েছিল।
তবে এরপরও গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিবিসি ভেরিফাই ডজন খানেক ভিডিও বিশ্লেষণ করেছে, যাতে দেখা গেছে ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংসযজ্ঞ। এর মধ্যে ছিল গাজার সৈকত তীরবর্তী একটি ক্যাফেসহ বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয় নেওয়া তাঁবু এবং একটি জানাজার মিছিলও।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রাণহানি ছিল সবচেয়ে বেশি। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত প্রতিমাসেই ১০০ জনের বেশি নিহত হওয়ার তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এসব মৃত্যুর জন্য সরাসরি ইসরায়েলি সামরিক অভিযানকে দায়ী করেছে। তবে নিহতদের মধ্যে কতজন বেসামরিক নাগরিক এবং কতজন যোদ্ধা, তা আলাদা করে উল্লেখ করা হয়নি।
জাতিসংঘ এই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য মনে করে এবং বিশেষজ্ঞরা বিবিসি ভেরিফাই-কে বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাধীন বিশ্লেষণ এই তথ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
তবে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) হামাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যান নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছে। তারা বিবিসি ভেরিফাই-কে জানিয়েছে, তালিকায় থাকা সবাই আইডিএফ-এর অভিযানের কারণে নিহত হয়েছে এমন ধরে নেওয়ার ‘কোনও ভিত্তি নেই’।
ইসরায়েলের দাবি, হুমকি দূর করতে ও নিজেদের সেনা এবং ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করতে তারা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে কাজ করছে এবং সাধারণ মানুষের ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছে।
সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের একটি রেস্তোরাঁয় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত ছয় লাখ টাকা জরিমানা করেছে। বুধবার দুপুরে নাসিরাবাদ দুই নম্বর গেট এলাকার সিটি রাজবাড়ী রেস্তোরাঁয় এই অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয়। নিরাপদ খাদ্য আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষকে এ জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।
অভিযানের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত রেস্তোরাঁটির রান্নাঘর ও খাবার সংরক্ষণের স্থানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ লক্ষ্য করে। রান্নাঘরের বিভিন্ন উপকরণের মধ্যে ডালডা, কিশমিশ, দুধ, মোরব্বা, তেল, মশলা ও রুটি তৈরির খামিসহ জীবিত ও মৃত তেলাপোকা এবং ছাড়পোকার উপস্থিতি দেখা যায়।
এছাড়া রান্নাঘরের ফ্লোর স্যাঁতসেঁতে ছিল এবং কয়েকটি টাইলস ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। ফ্রিজারে কাঁচা ও রান্না করা মাংস একসঙ্গে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। পোড়াতেল ও মেয়াদোত্তীর্ণ মোরব্বা সংরক্ষণের বিষয়টিও ধরা পড়ে।
অভিযানে আরও দেখা যায়, রেস্তোরাঁয় অননুমোদিত ঘি রাখা হয়েছে। বিরিয়ানি তৈরিতে অত্যন্ত ক্ষতিকর কেওড়াজল ব্যবহৃত হচ্ছিল। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সও ছিল না।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আক্তার কণার নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোহাম্মদ ফারহান ইসলাম জানান, রেস্তোরাঁটিতে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেছে। এই কারণে নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী মালিকপক্ষকে ছয় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ