ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ডের ৫০০ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম


ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ডের ৫০০ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম

ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট দ্বারা পরিচালিত ফিক্সড ইনকাম ওপেন এন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ড ৫০০ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে ৫০ কোটি টাকা নিয়ে শুরু হওয়া এই ফান্ডটি বর্তমানে দশ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১৫ বছরের মধ্যে এমন একটি মাইলফলকে পৌঁছানো একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মাত্র তিন বছর তিন মাসের মধ্যে ৫০ কোটি টাকা থেকে ৫০০ কোটি টাকার বেশি মূলধনে পৌঁছানোর এই অর্জন বিশ্বস্ত অ্যাসেট ম্যানেজারদের পরিচালিত ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট বর্তমানে বাংলাদেশের দ্রুততম বর্ধনশীল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি এবং ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ড দেশের সর্ববৃহৎ মিউচ্যুয়াল ফান্ড হিসেবে পরিচিত।

বর্তমানে আইসিবি দ্বারা পরিচালিত মাত্র দুটি ওপেন অ্যান্ড ফান্ডের আকার ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ডের তুলনায় বেশি। এই সাফল্যের পেছনে ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের বিনিয়োগকারী, টিম, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সহকর্মী অ্যাসেট ম্যানেজারদের সম্মিলিত অবদান রয়েছে। পরিবর্তনশীল সুদের হারের এই সময়ে মার্ক টু মার্কেট ভিত্তিতে একটি ফিক্সড ইনকাম ফান্ড পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফান্ডটির পারফরম্যান্স ধরে রাখা এবং ধারাবাহিকভাবে বড় পরিসরে বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

আরও পড়ুন: আদা, রসুন ও লেবুর দামে বড় লাফ, চাল-ময়দা কিনতেও নাভিশ্বাস ক্রেতাদের

এই সাফল্য উদ্‌যাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন ইউসিবি পিএলসির চেয়ারম্যান শরীফ জহীর, ইউসিবি পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান এবং ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান। এ সময় ইউসিবি পিএলসির সম্মানিত পরিচালকবৃন্দ ও ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে যুবক হত্যা: নেপথ্যে শ্লীলতাহানি নাকি মাদক বিরোধ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


ময়মনসিংহে যুবক হত্যা: নেপথ্যে শ্লীলতাহানি নাকি মাদক বিরোধ?

ময়মনসিংহ নগরীতে সাদ্দাম হোসেন (২৩) নামে এক যুবককে নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার পেছনের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে নারীর শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করায় থাপ্পড়ের প্রতিশোধের তথ্য উঠে এসেছে, অন্যদিকে পুলিশের একটি সূত্র মাদক সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের দিকে ইঙ্গিত করছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর আকুয়া ভাংগারপুল এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত ঘাতক যুবক অন্তরকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত সাদ্দাম হোসেন ওই এলাকার পান্নু মিয়ার ছেলে। গ্রেপ্তারকৃত অন্তর একই এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত অন্তর এলাকায় কিছুটা নারীঘেঁষা ও আপত্তিকর স্বভাবের ছিলেন। তিনি প্রায়ই প্রতিবেশী ভাবিদের জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরে শ্লীলতাহানি করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে দুই দিন আগে সাদ্দাম হোসেন অন্তরকে ডেকে নিয়ে শাসন করেন এবং একটি থাপ্পড় মারেন। সবার সামনে থাপ্পড় খাওয়ার এই অপমান অন্তর মেনে নিতে পারেনি।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে সাদ্দামকে একটি কক্ষে একা পেয়ে অন্তর সেখানে ঢুকে তার বুক ও গলায় উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ২টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সাদ্দাম মারা যান।

তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে কেবল থাপ্পড়ের প্রতিশোধ নাকি অন্য কিছু রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পুলিশের আরেকটি সূত্র। ওই সূত্রের দাবি, মাদক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুজনের মাঝে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। আজ দুপুরে মাদক নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে মারামারি হয়। তখন অন্তর তার হাতে থাকা চাকু দিয়ে সাদ্দামের বুক ও পেটে একাধিক আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোওয়ালি থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম জানান, নারীর শ্লীলতাহানি নাকি মাদক দ্বন্দ্ব- তা নিশ্চিত হতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত অন্তরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষেই সাদ্দাম হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে ধর্ষণের পর তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


গাজীপুরে ধর্ষণের পর তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিক গ্রেপ্তার

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ধর্ষণের ঘটনায় এক তরুণী (১৯) অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় পুলিশ শান্ত পাল নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।

ঘটনাটি গত রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরের দিকে ঘটে। ওই তরুণী ময়মনসিংহের একটি কলেজ থেকে ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির উদ্দেশ্যে তিনি ময়মনসিংহের একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করছিলেন।

গ্রেপ্তার হওয়া শান্ত পাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল এলাকার সুনীল চন্দ্র পালের ছেলে। তিনি কালিয়াকৈরের সফিপুর আহম্মদনগর এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণীর গ্রামের বাড়িতে শান্ত পালের যাতায়াত ছিল আত্মীয়তার সূত্রে। এক সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রবিবার সকাল ৮টার দিকে ওই তরুণী প্রতিদিনের মতো কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। ওই দিন মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে শান্ত পাল তার সহযোগী আনোয়ার হোসেনের সহায়তায় তাকে কালিয়াকৈরে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়।

সেদিন দুপুর ১২টার দিকে শান্ত পাল তাকে ধর্ষণ করে। পরে তরুণীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর শান্ত পাল অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশ তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়।

বাড়িতে গিয়ে শান্ত পাল জানান, খিঁচুনি ওঠার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এবং চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার কথাবার্তায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে লাশ ও পোশাকে রক্তের চিহ্ন দেখতে পেয়ে তারা বিষয়টি নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে শান্ত পাল ঘটনার কথা স্বীকার করে বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি।

খবর পেয়ে ভালুকা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল করে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে নিহতের বাড়ি থেকে শান্ত পালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি শান্ত পালকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। মামলার অপর আসামি আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তরুণীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিঠামইনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই পরিবারের বসতঘরসহ সর্বস্ব পুড়ে ছাই, ক্ষতি দেড় কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


মিঠামইনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই পরিবারের বসতঘরসহ সর্বস্ব পুড়ে ছাই, ক্ষতি দেড় কোটি টাকা

এক মুহূর্তের আগুনের তাণ্ডবে পুড়ে গেছে বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা সংসার, বসতঘর ও সঞ্চিত সবকিছু। আগুনের লেলিহান শিখায় শেষ হয়ে গেছে দুটি পরিবারের স্বপ্ন। মঙ্গলবার দুপুরে মিঠামইনের গিরিশপুর গ্রামে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ট্র‍্যাজেডিতে স্বজনদের আর্তনাদ, আগুনের ভয়াবহতা ও ধোঁয়ার কু-লীর মধ্যে নেমে আসে এক দুঃখজনক অবস্থা।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে সিলিন্ডার গ্যাসের চুলা থেকে লাগা ভয়াবহ আগুনে দুটি পরিবারের বসতবাড়ি ও সর্বস্ব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, অগ্নিকা-ে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলার মিঠামইন বাজারসংলগ্ন গিরিশপুর গ্রামে এই অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে গিরিশপুর গ্রামের নূর হোসেন মিয়ার বাড়িতে সিলিন্ডার গ্যাসের চুলায় রান্নার সময় হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘরের বিভিন্ন অংশে। পরিবারের লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়া আগুনের ভয়াবহতার কাছে তা সম্ভব হয়নি।

একপর্যায়ে আগুন নূর হোসেন মিয়ার বাড়ি থেকে পাশের দিলীপ চৌধুরীর বাড়িতেও ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই দুটি বাড়ি পরিণত হয় আগুনের গ্রাসে। একে একে পুড়তে থাকে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় মালামালসহ সংসারের সবকিছু। আগুনের তীব্রতায় স্থানীয়দের চোখের সামনেই শেষ হয়ে যায় দুই পরিবারের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় ও সাজানো সংসার।

আগুনের খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের ভয়াবহতা এতটাই তীব্র ছিল যে, তাদের চেষ্টা সফল হয়নি। পরে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে।

খবর পেয়ে মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে ততক্ষণে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে দুটি পরিবারের বসতবাড়ি ও ঘরের অধিকাংশ মালামাল।

আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও গিরিশপুরের ওই দুই পরিবারের জীবনে নেমে এসেছে অনিশ্চয়তা। আগুন শুধু তাদের ঘরবাড়িই পুড়িয়ে দেয়নি, মুহূর্তেই কেড়ে নিয়েছে বহুদিনের সঞ্চয় ও সাজানো সংসারের স্মৃতি। এখন পোড়া ঘরের ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে নতুন করে জীবন শুরু করার কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি পরিবার দুটি।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তিনি সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরে মিঠামইন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে অগ্নিকা-ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব নেন।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম জানান, অগ্নিকা-ে নূর হোসেন মিয়ার প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। একই ঘটনায় দিলীপ চৌধুরীর প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মিঠামইন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা রোস্তম আলী বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে সিলিন্ডার গ্যাসের চুলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে রানীগঞ্জ যৌনপল্লীতে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযান, কারাদণ্ড ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


জামালপুরে রানীগঞ্জ যৌনপল্লীতে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযান, কারাদণ্ড ২

জামালপুর পৌরসভার রাণীগঞ্জ বাজার এলাকার যৌনপল্লীতে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযান চালিয়ে ১ কেজি ৫৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৪০ মিনিট থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত রাণীগঞ্জ বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, এসআরবি, ব্যাটালিয়ন আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রাণীগঞ্জ বাজার এলাকার মমতা (৫০) এবং রশিদপুর এলাকার মফিজ উদ্দিন (৫০)। অভিযানে মমতার কাছ থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম এবং মফিজ উদ্দিনের কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জামালপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হায়দার এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুর রহমান।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মমতাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড এবং মফিজ উদ্দিনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জামালপুরের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ কারবার প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%