রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২২ পি.এম
মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দুই হাজার চা শ্রমিকের মধ্যে রেইনকোট বিতরণ করেছেন কমলগঞ্জে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় আলীনগর, সুনছড়া ও কামারছড়া চা বাগানে এই রেইনকোটগুলো নারী শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
আয়োজনের জন্য আলীনগর চা বাগানের মাঠে একটি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন বাগানের ব্যবস্থাপক এ জে এম রফিউল রানা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শ্রমিকদের হাতে রেইনকোট তুলে দেন সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সঞ্চালনা করেন আলীনগর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আবসার মাহমুদ পাভেল।
এ অনুষ্ঠানে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দুরুদ আহমেদ, কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও পতনউষার ইউপি চেয়ারম্যান অলি আহমদ খাঁন, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, চা শ্রমিক নেতা রামভজন কৈরি, নারী নেত্রী শাহানা আফরিনসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "রেইনকোট শুধু একটি পোশাক নয়, এটি শ্রমজীবী মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের প্রতীক।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই উপহার প্রতিকূল আবহাওয়ায় কাজ করা নারী শ্রমিকদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীন সরকার দেশি ও বিদেশি নাগরিকদের চীন ছাড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। এই উদ্দেশ্যে ১৯ ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে বলছে, এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দেশ ছাড়ার অধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
চীনের স্টেট কাউন্সিলের ১৯ ধারার ‘রেগুলেশনস অন এক্সিট-এন্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’—ডিক্রি নম্বর ৮৪১ গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। এই অধ্যাদেশে জাতীয় নিরাপত্তা ও ঝুঁকির মতো অস্পষ্ট বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে নাগরিক ও বিদেশিদের দেশ ছাড়ার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এইচআরডব্লিউর এশিয়াবিষয়ক উপপরিচালক মায়া ওয়াং এক বিবৃতিতে বলেন, চীন সরকার নির্বিচারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ আরো বাড়াচ্ছে, যার মাধ্যমে কে দেশ ছাড়তে পারবে আর কে পারবে না তা নির্ধারণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মানবাধিকারকর্মী ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণে ইতিমধ্যে বিধিনিষেধ ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে, ফলে বিদেশিদেরও চীন ছাড়তে পারার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত।
নতুন এই অধ্যাদেশে বেশ কিছু বিধান চীনের বিদ্যমান এক্সিট-এন্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন আইন, পাসপোর্ট আইন ও অন্যান্য বিধিমালার বিধিনিষেধকে একত্রিত করেছে। তবে এইচআরডব্লিউর মতে, নতুন বিধিমালায় অভিবাসনসংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে আরো কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
অধ্যাদেশের ২ নম্বর ধারায় ‘প্রয়োজন হলে’ অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে ভ্রমণ নথির আবেদন বা সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের সময় নাগরিকদের ‘উচ্চঝুঁকিপূর্ণ’ দেশ বা অঞ্চলে ভ্রমণ থেকে নিরুৎসাহিত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে ‘উচ্চঝুঁকিপূর্ণ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে বা কখন এ ধরনের নিরুৎসাহিত করা প্রয়োজন হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
এছাড়াও ৪ নম্বর ধারায় বিদেশে এমন কোনো ‘অবৈধ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে নাগরিকদের সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত দেশ ছাড়তে বাধা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। যা জাতীয় নিরাপত্তা বা স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর বলে বিবেচিত হতে পারে। একই ধারায় রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ বা প্রযুক্তি আমদানি-রপ্তানি বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞার সুযোগ রাখা হয়েছে।
অধ্যাদেশের ৬ নম্বর ধারায় সাধারণত নিষেধাজ্ঞার কারণ, আইনি ভিত্তি ও প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ লিখিতভাবে জানানোর কথা বলা হয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তা বা অপরাধ তদন্তে প্রভাব পড়তে পারে মনে হলে কর্তৃপক্ষকে তা জানানো থেকে বিরত থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিদেশিদের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ বাড়ানো হয়েছে। ‘কাউন্টারমেজারস লিস্ট’, ‘আনরিলায়বল এনটিটি লিস্ট’ বা ‘ম্যালিশাস এনটিটি লিস্ট’-এ থাকা ব্যক্তিদের চীন ছাড়তে বাধা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে এক মার্কিন ফেডারেল কর্মী ও ওয়েলস ফার্গোর এক নির্বাহীকে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ ছাড়াই চীন ছাড়তে বাধা দেওয়ার ঘটনাও উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ।
সংস্থাটি বলছে, গত এক দশকে চীনে দেশ ছাড়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই কঠোর হয়েছে। উইঘুরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু, মানবাধিকারকর্মী এবং সরকারি কর্মীদের বিদেশ ভ্রমণেও বাড়তি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণায় প্রত্যেক ব্যক্তির ‘নিজের দেশসহ যেকোনো দেশ ত্যাগ করার অধিকার’ স্বীকৃত। তবে জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনস্বাস্থ্য বা অন্যের অধিকার সুরক্ষার মতো বৈধ কারণে আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রয়েছে।
এইচআরডব্লিউর দাবি, চীনের নতুন বিধিমালায় অস্পষ্ট কারণ দেখিয়ে নাগরিক ও বিদেশিদের দেশ ছাড়ার ওপর ব্যাপক নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকায় তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড পূরণ করে না। সংস্থাটি বলছে, এসব বিধিনিষেধ মতপ্রকাশ ও একাডেমিক স্বাধীনতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং আত্মনিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ বাড়াতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘বিগ বস’-এর মঞ্চে হঠাৎ করেই বুক চেপে যন্ত্রণায় কাতর হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সালমান খান। শোয়ের প্রতিযোগীরা মুহূর্তেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। সেই দৃশ্যের প্রোমো যখন ছড়িয়ে পড়ে, তখন ভাইজানের ভক্তরাও চিন্তায় পড়ে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, "হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন কি সালমান?"
কিন্তু পরে জানা যায়, পুরো ঘটনাটি ছিল ‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ভার’-এর একটি অংশ। প্রোমোটি এমনভাবে সম্পাদনা করা হয়েছিল, যা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। বিষয়টি নিয়ে সালমান পরে নিজেই ব্যাখ্যা দেন এবং প্রোমো সম্পাদনার ধরন নিয়ে দুঃখও প্রকাশ করেন।
সালমান বলেন, "ঈশ্বরের কৃপায় আমার স্বাস্থ্যের কোনও সমস্যা নেই। বিগ বসের প্রোমো যেভাবে এডিট করা হয়েছে তা উচিত হয়নি। পুরো বিষয়টি এমন দেখাচ্ছে যেন আমি ঘরের মধ্যে কাজি যা করেছিল, সেটাই করছি। আমি শুধু কাজিকে বোঝাতে চেয়েছিলাম যে সে যা করেছিল তা ভুল ছিল। কারণ সে তার অসুস্থতাকে বিনোদনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল। বিশেষ করে যখন ঘরের পনেরো জন সদস্য জানতেনই না যে সে অভিনয় করছে। ওর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। প্রোমোটি যেভাবে এডিট করা হয়েছে, তার জন্য দুঃখিত। মনে হয়, শোয়ের প্রচারে এটাই তাদের ফরম্যাট। তাদের পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইছি।"
আসলে একটি টাস্কের পরই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন ‘বিগ বস’-এর প্রতিযোগী কাজি তৌকির। তিনি এমনভাবে ওষুধ চাইতে শুরু করেন যে, তা দেখে ঘরের অন্য সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি দেখে ‘বিগ বস’ তাকে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু মেডিক্যাল রুমে পৌঁছানোর পরই বদলে যায় পরিস্থিতি। সেখানে গিয়ে কাজি একেবারে স্বাভাবিক হয়ে যান।
পরে চিকিৎসককে তিনি জানান, তার আসলে কোনো শারীরিক সমস্যা হয়নি। পুরো ঘটনাটি ছিল খেলার অংশ হিসেবে করা অভিনয়। দর্শকদের বিনোদন দেওয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য।
কিন্তু কাজির এই কাণ্ড মোটেও ভালোভাবে নেননি সালমান। তার মতে, বিনোদনের জন্য অসুস্থতার মতো বিষয়কে অভিনয়ের অংশ বানানো হলে তা অন্যদের ওপর মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ ঘরের ১৫ জন সদস্যই তখন কাজির অসুস্থতাকে সত্যি ভেবেছিলেন এবং তার জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন।
কাজিকে সেই বিষয়টিই বোঝাতে চেয়েছিলেন সালমান। কিন্তু প্রোমোতে তার নিজের প্রতিক্রিয়ার দৃশ্য এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যে, উল্টো ভক্তদের মধ্যেই তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই নিজের সুস্থতার খবর জানিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন ভাইজান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর শহরের প্রাচীন কালীবাড়ি মন্দিরে কষ্টিপাথরের কালীমূর্তিসহ স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এই চুরির ঘটনা ঘটে গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে, শহরের জেনারেল হাসপাতালের পশ্চিম পাশে অবস্থিত মন্দিরটিতে।
মন্দিরের সেবায়েত এবং কমিটির সভাপতি কুশল চক্রবর্তী আজ রবিবার দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
পুলিশ ও মন্দির কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা যায়, পূজা-অর্চনা শেষে কালীমাতাকে শয়ন দিয়ে মন্দিরের দরজাগুলো তালাবদ্ধ করে সেবায়েতরা চলে যান। পূর্ব পাশের কাঠের দরজার পর লোহার দরজা ও শাটারযুক্ত গেটে একাধিক তালা লাগানো ছিল। সকালে মন্দিরে এসে সেবায়েতরা দেখতে পান, তালাগুলো কাটা এবং দরজা খোলা।
ভেতরে ঢুকে দেখা যায় শ্বেতপাথরের শিবমূর্তির ওপর স্থাপিত কষ্টিপাথরের কালীমূর্তিটি নেই। মূর্তির গায়ে থাকা আনুমানিক ৭-৮ ভরি স্বর্ণালংকারও চুরি হয়েছে। এছাড়াও পিতলের ছোট ছোট বিষ্ণু, রাধাকৃষ্ণ ও মনসা মূর্তি এবং মহাদেবের লিঙ্গের সঙ্গে থাকা আনুমানিক ৮-১০ ভরি ওজনের রূপার সাপসহ আরো কিছু ধর্মীয় সামগ্রী নিয়ে গেছে চোররা।
মন্দিরের পুরোহিত দেবী প্রসাদ চক্রবর্তী জানান, শ্বেতপাথরের শিবমূর্তির ওপর কষ্টিপাথরের কালীমূর্তিটি স্থাপন করা ছিল। পুরো প্রতিমাটির ওজন প্রায় ৪০ কেজি। এর মধ্যে চুরি যাওয়া কষ্টিপাথরের কালীমূর্তিটির ওজন আনুমানিক ২০ কেজি। চোররা শিবমূর্তিটি রেখে কেবল ওপরের কালীমূর্তিটি নিয়ে গেছে।
মন্দির কমিটির সভাপতি জানান, সকালে মন্দিরে এসে প্রতিমা না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করা হয়। একপর্যায়ে মন্দিরের পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে কালীমূর্তির সঙ্গে থাকা মহাদেবের অংশ এবং কষ্টিপাথরের কালীমাতার পায়ের পাতার অংশ পাওয়া গেছে। তবে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার, রূপার সাপ ও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মন্দিরের সেবায়েতের ভাতিজা কৌশিক চক্রবর্তী জানান, মন্দিরে স্থাপন করা সিসি ক্যামেরাগুলো অচল ছিল। ফলে চুরির সময়ের কোনো দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ হয়নি। উল্লেখ্য, মন্দিরটি প্রায় ১২৩ বছরের পুরোনো। ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের পশ্চিম পাশে ১৮ শতাংশ জমির ওপর অবস্থিত এই মন্দিরের পাকা কাঠামো নির্মাণ করা হয় ১৯০৩ সালে। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত প্রাচীন এ মন্দিরে এ ধরনের চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনার পর মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে রবিবার ভোর পৌনে ৬টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মো. মিয়াজি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমির হোসেন এবং কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে চুরির স্থান থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থল নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের কাজ করা হয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, মন্দির থেকে কষ্টিপাথরের কালীমূর্তিসহ বিভিন্ন সামগ্রী চুরির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চোরচক্রকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর মন্তব্য করেছেন যে, দেশে সার, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালিয়ে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতাবিরোধী একটি দল ও বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীরা এই অপপ্রচার চালিয়ে দেশকে অশান্ত করার অপকৌশলে লিপ্ত রয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয়ের আরিচা ঘাট এলাকায় বিভিন্ন দোকান-পাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জনগণের মাঝে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণকালে তিনি এই কথা বলেন।
জিন্নাহ কবীর বলেন, সার, গ্যাস ও বিদ্যুৎকে কেন্দ্র করে একটি রাজনৈতিক দল জনগণের মধ্যে নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ তৈরি করে দেশকে অস্থিতিশীল করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রচারণার সঙ্গে দেশি-বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশ বিদ্যমান। জনগণকে কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে বাস্তব তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানান তিনি।
লিফলেটে গ্যাসের সরবরাহ ও আমদানি, এলএনজি নির্ভরতা, বিদ্যুৎ ও সারের সরবরাহে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এতে সাম্প্রতিক জ্বালানি ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক প্রচারণার বিষয়ে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
বিগত দিনের ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে অর্থনীতির ভঙ্গুর একটি দেশকে বিপ্লবী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুনরায় স্বাভাবিক করে আনার চেষ্টা করছেন। দেশে সারের কোনো সংকট নেই। গ্যাস সরবরাহ ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
লিফলেট বিতরণকালে মানিকগঞ্জ জেলা যুবদল দলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রহমত আলী লাভলু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটন, শিবালয় উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এস এম বাবুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, যুবদলের আহ্বায়ক মো. হোসেন আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নাদিম হোসেন টুয়েল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. শহিদুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব খান অয়ন, শিবালয় উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সুরুজসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ