ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গোপালগঞ্জে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০


গোপালগঞ্জে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০

গোপালগঞ্জে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাওয়ার ফলে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

 

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াখোলা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পিস্তল উঁচানো দৃশ্য ত্রাসের রাজত্বের প্রতীক: জামায়াত

বিস্তারিত আসছে...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাময় কেন্দ্রে গিয়ে মাদকাসক্তি বেড়েছে, ছেলের ৫ বছরের কারাদণ্ড চাইলেন বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০১ পি.এম


নিরাময় কেন্দ্রে গিয়ে মাদকাসক্তি বেড়েছে, ছেলের ৫ বছরের কারাদণ্ড চাইলেন বাবা

মাদকাসক্তি বেড়ে যাওয়ার কারণে নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর পর ছেলের পাঁচ বছরের জেল চাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অসহায় বাবা, জমিজমা বিক্রি করে মাদকাসক্ত ছেলেকে চিকিৎসার জন্য নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর পর তার অবস্থার অবনতি হয়েছে। ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর তিনি পুলিশকে অনুরোধ করেছেন যে, তার ছেলেকে টানা পাঁচ বছর জেলে রাখা হোক।

পুলিশ ও দুলাল মিয়া জানান, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের নৈদারখামার গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহাগ মিয়া (২৮) দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তার বাবা, দুলাল মিয়া, ছেলেকে মাদক থেকে ফিরিয়ে আনতে নিজের জমিজমা বিক্রি করে দুবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে তার ছেলে পূর্বের চেয়ে বেশি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ইয়াবাসহ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

এই ঘটনার পর রবিবার সকালে দুলাল মিয়া সুনামগঞ্জ সদর থানায় এসে পুলিশকে তার ছেলের মাদকাসক্তির পুরো কাহিনী জানিয়ে দেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, জমিজমা বিক্রি করে দুবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর পর তার ছেলে আরো বেশি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। তিনি পুলিশের কাছে অনুরোধ করেন যে, তার ছেলেকে যেন পাঁচ বছর জেলে রাখা হয়।

ভুক্তভোগী বাবা দুলাল মিয়া জানান, তার ছেলে মাদকাসক্ত হওয়ার পর কোনো কথা শোনে না।

কাজকর্ম কিছুই করে না। যখন সংশোধনের কথা বলেন, তখন মারধর করে। ইতিমধ্যে জমি বিক্রি করে দুবার তাকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। বরং উল্টো আরো মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। তাই তিনি থানায় এসে পুলিশকে বলেছেন যে, তাকে পাঁচ বছর জেলে রাখতে হবে।

এতে যদি তার ছেলের সংশোধন হয়। সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ রতন শেখ বলেন, ‘বৃদ্ধ বাবা তার মাদকাসক্ত সন্তানের অত্যাচারে অতীষ্ঠ। আমরা তাকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর তিনি থানায় এসে আমাদের অভিনন্দন জানিয়ে ছেলেকে পাঁচ বছর জেলে রাখার অনুরোধ করেছেন’। তিনি সন্তানদের মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখতে পরিবার থেকেই যুদ্ধ করার আহ্বান জানান।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলম্বিয়ায় ড্রোন হামলায় ৩ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


কলম্বিয়ায় ড্রোন হামলায় ৩ সেনা নিহত

কলম্বিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটিতে গেরিলাদের ড্রোন হামলায় তিন সেনা নিহত হয়েছেন। শনিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রথমে কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলায় অন্তত দুইজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন)-এর বিদ্রোহীরা এই হামলার জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

বোগোটা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানায়।

শুক্রবার কাতাতুম্বো অঞ্চলে হামলাটি সংঘটিত হয়। ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলার নির্দেশে সেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে।

অঞ্চলটির একজন সামরিক কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, হামলার জন্য বিস্ফোরকবোঝাই অন্তত ২০টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মন্তব্য করেন, ‘ইএলএনকে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, তোমরা যত পুলিশ কর্মকর্তা বা সেনাকে হত্যা করবে, রাষ্ট্রের পূর্ণ ও বৈধ শক্তি ততবার তোমাদের ওপর নেমে আসবে।’

শনিবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হোর্হে মোরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ‘জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, নিরাপত্তা জোরদার করা, ইএলএন ইউনিটগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা এবং এসব হামলার জন্য দায়ীদের শনাক্ত করতে’ সামরিক ও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

কলম্বিয়া বিশ্বের বৃহত্তম কোকেন উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার বিরুদ্ধে লড়াই করছে।

দে লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বোমা হামলা এবং স্থল অভিযান জোরদার করেছেন।

কলম্বিয়া ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এও যোগ দিয়েছে। এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর একটি কার্টেলবিরোধী জোট। এতে আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর এবং এল সালভাদরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দে লা এসপ্রিয়েলা আগামী সপ্তাহে ক্যারিবীয় উপকূলীয় শহর বারানকিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্বাগত জানাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে যেভাবে ৯০০ শিক্ষার্থীর প্রাণ বাঁচালেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৫ পি.এম


নেপালে যেভাবে ৯০০ শিক্ষার্থীর প্রাণ বাঁচালেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক

গত সপ্তাহে নেপালের ত্রিশূলী নদীর পাশে একটি স্কুলে প্রায় ৯০০ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র দাওয়াদির কাছে জরুরি সতর্কবার্তা নিয়ে এক সহকর্মী ছুটে আসেন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক এএফপিকে দেওয়া এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমার হিসাবরক্ষক স্কুলে এসে বললেন, ‘বন্যা আসছে, বন্যা আসছে।’

এসময় দাওয়াদি দ্রুত সকলকে স্কুল থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। শিক্ষকরা দ্রুত শত শত শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষ থেকে বের করে নিরাপদ উঁচু স্থানে নিয়ে যান।

কয়েক মিনিট পরেই ৪৭ বছর বয়সী দাওয়াদি দেখতে পান, ত্রিশূলী বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি প্রবল স্রোতের মধ্যে ধসে পড়ছে।

দাওয়াদি বহু বছর ধরে এই স্কুলে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২৬ আগস্টের সেই সকালের ঘটনা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘তথ্যটি ভুল হলে আমাদের শুধু এক দিনের পড়াশোনা নষ্ট হতো। কিন্তু তথ্যটি সত্য হলে আমাদের জীবনই হারাতে হতো।’

তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। এমনকি এক ছাত্রী জ্ঞানও হারায়। স্কুলে আসা বাসচালকদেরও নিরাপদ স্থানে ফিরে যেতে বলা হয়। তাদের মধ্যে একজন চালক তখনই স্কুল চত্বরে প্রবেশ করেছিলেন।

তবে সময়মতো সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ফলে প্রায় ৯০০ জনের প্রাণ রক্ষা পায়।

দুর্যোগের এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পরে নুওয়াকোট জেলার ক্ষতবিক্ষত নদীতীরের ওপর দাঁড়িয়ে দাওয়াদি নিজেকে এখন শুধু ‘একটি স্কুলবিহীন প্রধান শিক্ষক’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

নেপাল-চীন সীমান্ত এলাকায় হিমবাহ ও পাহাড়ের বিশাল অংশ ধসে পড়ার পর বরফ, পানি ও ধ্বংসাবশেষের সুনামির মতো ঢল নেমে আসে। এতে দুই দেশে অন্তত ১ হাজার ৩৬২ জন নিহত ও ৫ হাজার ৫০০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন।

দাওয়াদি জানান, স্কুলের বাইরে বন্যার পানিতে পাঁচ শিক্ষার্থী, এক শিক্ষক ও এক নিরাপত্তাকর্মী মারা গেছেন। তিনি আরও জানান, ত্রিশূলী বাজারের কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের জন্য কোনো উচ্ছেদ বা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেনি। ত্রিশূলী বাজারের কর্তৃপক্ষ লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আগাম কোনো সতর্কবার্তা দেয়নি।

কয়েকজন বাসিন্দা সেতু পার হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু প্রবল স্রোতে তারা ভেসে যান। অন্যরা উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন। দাওয়াদি বলেন, ‘পেছনে ফিরে তাকিয়ে দেখলাম, স্কুলটি তখনও সবচেয়ে সুন্দর ভবনের মতো দাঁড়িয়ে আছে। আর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সব ধসে পড়ল।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই স্কুলেই আমি পড়াশোনা করেছি। এখন কিছুই অবশিষ্ট নেই।’ ১৭ বছর বয়সী সন্তোষী দোতেল তখন হিসাববিজ্ঞান ক্লাসে ছিলেন। সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ আসার পর প্রথমে তিনি পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘বন্যার পানি যে এতটা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে— আমরা কখনো ভাবিনি।’ প্রথমে তিনি এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে নদীর কাছে নেমে সেতু পার হয়ে পরিবারের কাছে বাড়ি পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

কিন্তু হঠাৎ পানির স্রোত বেড়ে যায়। তিনি বলেন, ‘সেতুটি পানির স্রোতে ভেসে গেল। আমি কাঁদতে শুরু করলাম, কারণ মনে হচ্ছিল আমি আর কখনো বাড়ি ফিরতে পারব না এবং আমাদের করার মতো কিছুই ছিল না।’

নিচে বন্যার পানি প্রচণ্ড বেগে বয়ে যাওয়ার সময় তার বন্ধু তাকে টেনে পাহাড়ের উঁচু ঢালে তুলে নেন। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরও বাবা-মা বেঁচে আছেন কি না, তা জানতে না পারার কষ্টের কথা বলতে গিয়ে সান্তোষী কান্নায় ভেঙে পড়েন।

হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি তিনি বারবার মুঠোয় চেপে ধরছিলেন। শেষ পর্যন্ত ঘটনার চার দিন পর একটি হেলিকপ্টার তাকে পরিবারের কাছে নিয়ে যায়।

সান্তোষী বলেন, ‘হেলিকপ্টার থেকে নামতেই আমি মাকে দেখতে পেলাম। তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করলেন। তখন আমার মাথা যেন আর কাজ করছিল না।’ তার মা দুর্গা দোতেল ভেবেছিলেন মেয়েকে হয়তো আর জীবিত পাওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, ‘নদীর ভয়াবহ বন্যা দেখে আমি আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম যে আমার মেয়ে বেঁচে আছে।’ সেভ দ্য চিলড্রেনের উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় অন্তত ৬৯টি স্কুল ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ১৯ হাজার শিশুর পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে।

দাওয়াদি বলেন, এই দুর্যোগ ২০১৫ সালে নেপালে আঘাত হানা ভূমিকম্পের চেয়েও ভয়াবহ। তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্পের পর স্কুলটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আমরা সেটি আবার তৈরি করেছিলাম।’

আবার এই স্কুলটি গড়ে তোলা দরকার। তবে তার আগে নিরাপদ জায়গায় স্কুলটি নির্মাণের ব্যবস্থা করতে হবে বলে অভিমত দেন দাওয়াদি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশের

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ। মালদ্বীপে ইউনিসেফের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইয়ুথ ট্র্যাক টু কপ-৩১’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ও জ্বালানি মন্ত্রী আলী শরীফ।

হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম তরুণ অংশগ্রহণকারীদের উদ্যম, সৃজনশীলতা ও অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে টেকসই, জলবায়ু-সহনশীল ও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ নির্মাণে তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রতিনিয়ত নানা ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। জলবায়ু ক্রমবর্ধমান পরিবর্তন দুই দেশের জনগণের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলছে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও অন্যান্য জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশের অংশগ্রহণে ত্রিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। 

হাইকমিশনার বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে মালদ্বীপের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও গভীর ও কার্যকর করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%