মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৭ পি.এম
আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ভয়াবহ হামলার পর এটি ইসরাইলের প্রথম নির্বাচন। ওই হামলার পর ইসরাইলের নিরাপত্তাব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। এর ফলে গাজা, লেবানন ও ইরানে যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে এক অস্থির পরিবেশের সৃষ্টি করেছে।
জনমত জরিপগুলোতে যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পরাজয়ের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। তবে ইসরাইলের রাজনৈতিক ব্যবস্থা অত্যন্ত খণ্ডিত হওয়ায় সরকার গঠনের প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় যেকোনো রাজনৈতিক দল ‘কিংমেকার’ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।
ধারাবাহিক জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, নেতানিয়াহুর ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। ৭ অক্টোবরের হামলা ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা নিয়ে নেতানিয়াহুকে প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে। হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জনসমর্থন থাকলেও নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের প্রতি ইসরাইলিদের আস্থা কমে গেছে।
এছাড়া ধর্ম ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে নেতানিয়াহু সরকারের নীতি অনেক ইসরাইলির কাছে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা এই নেতা রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে টিকে থাকার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে দক্ষ। তার বিরোধীপক্ষ ক্ষমতায় ফেরার জন্য স্পষ্ট পথ এখনও দেখা যাচ্ছে না।
যেভাবে গঠিত হয় ইসরাইলের সরকার
ইসরাইলের নির্বাচন ব্যবস্থা সংসদীয়। ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটের সদস্যদের নির্বাচন সাধারণত প্রতি চার বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। যদিও ইসরাইলের ইতিহাসে বেশিরভাগ পার্লামেন্টই পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারেনি।
২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইসরাইল স্বল্পস্থায়ী সরকার এবং ঘন ঘন নির্বাচনের চক্রে আটকা পড়ে। একই বছর নেতানিয়াহু সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদীয় আসন নিয়ে আবারও ক্ষমতায় ফিরে আসেন। তার নেতৃত্বে গঠিত হয় ইসরাইলের ইতিহাসে অন্যতম কট্টর ডানপন্থি সরকার।
ইসরাইলে জাতীয় ভোটের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির মাধ্যমে পার্লামেন্টের আসন বণ্টন করা হয়। কোনো দলকে নেসেটে আসন পেতে জাতীয় ভোটের অন্তত ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ (অন্তত চারটি আসনের সমান) পেতে হয়।
দেশটির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। একাধিক দলের জোট গঠন করে সরকার পরিচালনার ফলে জোটের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে সরকারের পতন ঘটে।
এ কারণে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন এবং সরকার কতদিন টিকবে, তা নির্ধারণে ছোট ছোট দলগুলো বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। সরকার টিকিয়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে প্রায়ই বিভিন্ন ছোট দলের দাবির সঙ্গে একমত হতে হয়।
নেতানিয়াহুর জোটে ধর্মীয় দলগুলোর প্রভাব
রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থি ইহুদি দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল। এসব দলের অন্যতম দাবি ছিল, তাদের সম্প্রদায়ের সদস্যদের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা থেকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অব্যাহতি দেয়া। বিশেষ করে যুদ্ধের সময় এ বিষয়টি ইসরাইলে আরও আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
নেতানিয়াহুর জোটে রয়েছে তার নিজস্ব ডানপন্থি লিকুদ পার্টি, অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের রিলিজিয়াস জায়নিজম পার্টি এবং জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের কট্টর ডানপন্থি জিউইশ পাওয়ার পার্টি।
এছাড়া চরমপন্থি ইহুদিদের দল ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম ও শাস ২০২৪ সালে সরকার থেকে বেরিয়ে গেলেও পরোক্ষভাবে সরকারকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করেছে।
নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী কারা?
বর্তমান যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তাদের মধ্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তা গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ও ইয়াইর লাপিদের জোট ‘টুগেদার’ এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যানের ইসরায়েল আওয়ার হোম উল্লেখযোগ্য।
এছাড়া দেশটির প্রায় ২০ শতাংশ আরব সংখ্যালঘুর প্রতিনিধিত্বকারী চারটি দল—হাদাশ, তাল, রাম ও বালাদ এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা ইয়াইর গোলানের নেতৃত্বাধীন বামপন্থি ডেমোক্র্যাটস পার্টি নেতানিয়াহুর বিরোধী শিবিরে রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে হাড় ক্ষয় রোগে আক্রান্ত ৬০ লাখ মানুষ রয়েছেন। এই রোগের প্রতিরোধে প্রতি বছর এক মাসব্যাপী সচেতনতা কার্যক্রম আয়োজনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাড় ক্ষয় দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয় রোগের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে সচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বছরের এক মাস হাড় ক্ষয় সচেতনতার জন্য নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি। সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে হাড় ক্ষয়জনিত জটিলতা হ্রাস করা সম্ভব হবে।
এ সময় বিশেষজ্ঞরা জানান, ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়, তাই শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেলা ও বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
এছাড়া, যদি কোথাও হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষার সুযোগ না থাকে, তবে ফ্র্যাকচার রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট টুল ব্যবহার করে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রকাশিত জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তুলনায় সাবেক সেনাপ্রধান গাডি আইজেনকট আরও এগিয়ে রয়েছেন।
সরকারপ্রধান হিসেবে কে বেশি উপযুক্ত—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরাইলের জনগণ আইজেনকটের দিকে ঝুঁকেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত জরিপের ফলাফল এই চিত্র তুলে ধরেছে।
‘চ্যানেল ১২’-এর জরিপ অনুযায়ী, ৪৫ শতাংশ উত্তরদাতা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকটকে অধিক উপযুক্ত মনে করেন, যেখানে নেতানিয়াহুর পক্ষে মত দিয়েছেন ৩৩ শতাংশ। ফলে আগের জরিপের ১০ শতাংশ ব্যবধান বেড়ে ১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
ইসরাইলে আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে এই ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। জরিপ অনুযায়ী, আইজেনকটের ‘য়াশার’ পার্টি ১২০ আসনবিশিষ্ট নেসেটে (ইসরাইলি পার্লামেন্ট) বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
জরিপ অনুযায়ী, ‘য়াশার’ পার্টি ২৪টি আসন পেতে পারে, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ‘লিকুদ’ পার্টি ২১টি আসন পেতে পারে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের ‘টুগেদার’ পার্টি ১৪টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ইয়ার গোলানের ‘ডেমোক্র্যাটস’ এবং আরব-নেতৃত্বাধীন ‘জয়েন্ট লিস্ট’ ৯টি করে আসন পেতে পারে। আভিগডোর লিবারম্যানের ‘ইসরাইল বেইতেইনু’ পার্টি, কট্টর ডানপন্থি ‘শাস’ পার্টি এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের ‘জুইশ পাওয়ার’ পার্টি আটটি করে আসন পেতে পারে।
জরিপ অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর বিরোধী ইহুদি-নেতৃত্বাধীন দলগুলো ৫৫টি আসন পেতে পারে (যা আগের জরিপের চেয়ে দুটি বেশি), যেখানে নেতানিয়াহুর বর্তমান ক্ষমতাসীন জোট ৫১টি আসন পেতে পারে।
এছাড়া, দুটি আরব দল আরও ১৪টি আসন পেতে পারে। ফলে নেতানিয়াহুর জোটের বাইরে থাকা দলগুলোর মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৯; যদিও ভবিষ্যতে গঠিত হতে যাওয়া কোনো সরকারে তাদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপযুক্ততা নিয়ে করা অন্য একটি প্রশ্নে নাফতালি বেনেট নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। বেনেটের পক্ষে মত দিয়েছেন ৩৯ শতাংশ মানুষ, আর নেতানিয়াহুর পক্ষে ৩৪ শতাংশ। এছাড়া ২২ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, তাদের কেউই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য নন।
জরিপে নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ্যে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানানোর প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন রাখা হয়েছিল।
প্রায় ৬৪ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের এই সমর্থন তাদের ভোট প্রদানের সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব ফেলবে না। অন্যদিকে ১৭ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ট্রাম্পের সমর্থনের কারণে ‘লিকুদ’ পার্টিকে সমর্থন করার সম্ভাবনা তাদের ক্ষেত্রে কমে গেছে। মাত্র ১২ শতাংশ বলেছেন, এই সমর্থন নেতানিয়াহুর দলের প্রতি তাদের সমর্থনকে আরও জোরদার করেছে। সূত্র: আনাদোলু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের জন্য দেশের তিনটি বিভাগ সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সকালে সৈয়দপুরে পৌঁছানোর পর সড়কপথে তিনি রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেন। সেখানে ধর্মসভা ও রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাজশাহীর দিকে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজশাহীর কর্মসূচির পর চট্টগ্রামেও পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি বাসযোগে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
যাত্রাপথে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের সামনে বাস থেকে নেমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি তাঁদের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং খেলাধুলার সামগ্রী উপহার দেন। পরে রংপুরের পথে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও বাস থেকে হাত নেড়ে তাঁদের অভিবাদনের জবাব দেন।
রংপুরে পৌঁছে ধর্মসভা ও রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফিরে বিমানে রাজশাহীর উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
সফরসূচি অনুযায়ী, রাজশাহীতে পৌঁছে ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তারেক রহমান। এরপর সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান শেষে বিকেল ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি।
রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে নগরীর রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান শেষে রাতে বিমানে ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
এক দিনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারির ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ঢাকার বাইরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই পূজামণ্ডপ পরিদর্শন কর্মসূচি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সরাসরি শুভেচ্ছা বিনিময় এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন। এই সফরের সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে তিন থেকে চারটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হতে পারে।
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।
পররাষ্ট্রসচিব জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা জাপানের উদ্দেশে রওনা দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও সফরে তার সঙ্গে থাকবেন।
তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে কৃষি, মৎস্য সম্পদ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান পরিবহন, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার আধুনিকীকরণ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
পররাষ্ট্রসচিব আরও জানান, আগামী ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ নৈশভোজে অংশগ্রহণ করবেন।
আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরের পর দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিধি অনেক বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং বাংলাদেশে জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ