প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের জন্য দেশের তিনটি বিভাগ সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সকালে সৈয়দপুরে পৌঁছানোর পর সড়কপথে তিনি রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেন। সেখানে ধর্মসভা ও রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাজশাহীর দিকে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজশাহীর কর্মসূচির পর চট্টগ্রামেও পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি বাসযোগে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
যাত্রাপথে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের সামনে বাস থেকে নেমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি তাঁদের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং খেলাধুলার সামগ্রী উপহার দেন। পরে রংপুরের পথে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও বাস থেকে হাত নেড়ে তাঁদের অভিবাদনের জবাব দেন।
রংপুরে পৌঁছে ধর্মসভা ও রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফিরে বিমানে রাজশাহীর উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
সফরসূচি অনুযায়ী, রাজশাহীতে পৌঁছে ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তারেক রহমান। এরপর সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান শেষে বিকেল ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি।
রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে নগরীর রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান শেষে রাতে বিমানে ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
এক দিনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারির ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ঢাকার বাইরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই পূজামণ্ডপ পরিদর্শন কর্মসূচি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সরাসরি শুভেচ্ছা বিনিময় এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন