বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৪ পি.এম
উয়েফা নেশনস লিগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে সুইডেন বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে। দলের মধ্যে হঠাৎ করে ‘অসুস্থতার ঢেউ’ ছড়িয়ে পড়ার কারণে পাঁচজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার ম্যাচ থেকে বাদ পড়েছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বসনিয়ার জেনিৎসা শহরের স্তাদিওন বিলিনো পোলিয়ে-তে লিগ ‘বি’র গ্রুপ ৪-এর এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মাঠের লড়াইয়ের চেয়ে বর্তমানে সুইডেনের কোচ ও মেডিকেল টিম দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশি ব্যস্ত রয়েছে।
ইডেন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানায়, আক্রান্ত খেলোয়াড়দের মধ্যে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা এবং বমি ভাবসহ নানা উপসর্গ দেখা দিয়েছে। অসুস্থ হওয়া পাঁচজন ফুটবলার হলেন— ব্রাইটনের মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ায়েরি, সেল্টিকের বেনিয়ামিন নিগ্রেন, গুস্তাফ ল্যাগারবিয়েলকে, এলিয়ট স্ট্রাউড এবং প্যাট্রিক ওয়ালেমার্ক।
দলীয় চিকিৎসক জোনাস ওয়ার্নার এক বিবৃতিতে জানান, ‘আমরা সংক্রমণ আরো ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে সব ধরণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি এবং যারা অসুস্থ হয়েছেন তাদের শারীরিক অবস্থার ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছি।’
অসুস্থতার এই ধাক্কার আগে থেকেই ইনজুরি সমস্যায় ভুগছিল সুইডেন। রোমানিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে পাওয়া চোটের কারণে দলের তারকা স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার ইসাক ইতিমধ্যেই স্কোয়াড ছেড়ে চলে গেছেন। এই জরুরি পরিস্থিতি এবং খেলোয়াড় সংকট মোকাবেলা করতে কোচ গ্রাহাম পটার তড়িঘড়ি করে স্কোয়াডে ডেকে নিয়েছেন এরিক স্মিথকে।
নেশনস লিগের চলতি আসরে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে সুইডেন। প্রথম দুই ম্যাচের দুটিতেই জয়লাভ করে তারা বর্তমানে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে। তবে বসনিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে নামার আগে এই আকস্মিক ‘অসুস্থতার হানা’ কোচ গ্রাহাম পটারের গেমপ্ল্যান সম্পূর্ণভাবে ওলটপালট করে দিয়েছে। এখন বিকল্প ফুটবলারদের ওপর ভর করেই শুক্রবার পূর্ণ ৩ পয়েন্টের লক্ষ্যে মাঠে নামতে হবে সুইডিশদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস জানায়, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রেকর্ড ১২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ৭৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে আজ এক বিবৃতিতে দূতাবাস বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরেছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা ১৬ বছর ধরে চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।
এতে বলা হয়, তাজা আম ও কাঁঠালসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন কৃষি পণ্য চীনা বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে। পাশাপাশি পেয়ারা ও সুগন্ধি চালের জন্য বাজার সুবিধা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চলছে।
দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের কাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে উভয় দেশ একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
বিবৃতি অনুযায়ী, ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যের পাশাপাশি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশে চীনের পুঞ্জীভূত বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৩.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে চীনের প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
দূতাবাস জানায়, নতুন সরকার গঠনের পর থেকে চীনের বিনিয়োগকৃত পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে, যার ফলে প্রায় ২০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
২০২৬ সালের জুলাই মাসে চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘চীন অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল’ চালু করা হয়েছে এবং এটি মোট ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ আকর্ষণ করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই অঞ্চলটি বস্ত্র ও তৈরি পোশাক, যন্ত্রপাতি উৎপাদন, ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি, বায়োমেডিসিন এবং সবুজ শক্তি শিল্পের বিকাশের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
অবকাঠামো খাতের সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে দূতাবাস পদ্মা সেতুকে একটি বড় প্রকল্প হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে চীনা কোম্পানির নির্মিত এই সেতুটি ঢাকার সাথে দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের ২১টি জেলার সংযোগ স্থাপন করেছে। এই সেতুটি বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ১.২৩ শতাংশীয় পয়েন্ট অবদান রাখবে এবং দারিদ্র্যের হার ০.৮৪ শতাংশ কমিয়ে আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, চীনা কোম্পানিগুলো কয়লাভিত্তিক, সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পও বাস্তবায়ন করেছে, যার সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। বর্তমানে চীন-সহায়তাপুষ্ট বেশ কয়েকটি প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলছে এর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট এবং বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-৬-এর সংস্কারকাজ।
দূতাবাস জানায়, একটি সাধারণ হাসপাতাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের আবাসিক হল, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-৯ এবং একটি জরুরি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রসহ অন্যান্য প্রকল্পের কাজও এগিয়ে চলেছে।
বিবৃতি অনুযায়ী, স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে চীন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশকে ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের সহায়তা প্রদান করেছে। এই সহায়তার অন্তর্ভুক্ত ছিল ডেঙ্গু ও কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কিট, ওষুধ, বার্ন চিকিৎসার জন্য ভেন্টিলেটর, রোবোটিক পুনর্বাসন সরঞ্জাম এবং বন্যা-ত্রাণ সামগ্রী।
এতে আরও বলা হয়, চীন ১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট একটি জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিট প্রকল্পের কাজেও সহায়তা দিয়েছে।
দূতাবাস জানায়, এই উদ্যোগগুলো প্রয়োজনে বাংলাদেশের প্রতি চীনের সমর্থন এবং বাংলাদেশের জনগণের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ সুরক্ষায় দেশটির অবদানেরই প্রতিফলন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে হকার বসলে তাদের উচ্ছেদের পাশাপাশি মালামাল ক্রোক ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর ধলপুরে সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়ক থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও জনভোগান্তি সংক্রান্ত বিষয়াদি পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ বার্তা প্রদান করেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন, "আমরা হকারদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট ফুটপাত ও স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছি। এর বাইরে জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাটের মূল সড়কসহ কোনও ফুটপাতে অবৈধভাবে হকার বসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তিনি আরও জানান, শহরের সকল হকারকে শৃঙ্খলার মধ্যে আসতে হবে এবং সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত হতে হবে। "নিবন্ধন ছাড়া ঢাকা শহরের কোথাও কোনও হকার বসতে পারবে না।" উচ্ছেদের পর পুনরায় ফুটপাত দখলের বিষয়ে তিনি বলেন, "এখন থেকে উচ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গে মালামাল জব্দ ও সরাসরি মামলা দায়ের করা হবে।"
হকারদের নোটিশ প্রদান ও পুনর্বাসন প্রশ্নে প্রশাসক বলেন, "দফায় দফায় হকারদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুতরাং নতুন করে নোটিশ দেওয়ার কোনও বিষয় নেই।"
পরিদর্শনকালে ডিএসসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়-৫-এর প্রবেশপথে ঢাকা ওয়াসার দীর্ঘসূত্রী কাজের কারণে সৃষ্টি হওয়া জনভোগান্তি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেন, "ওয়াসা কর্তৃপক্ষের কাজের কারণে প্রতিদিন সেবা নিতে আসা হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।" ওয়াসাসহ অন্যান্য সেবামূলক সংস্থাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমন্বিতভাবে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেবামূলক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে প্রতি ১৫ দিন পর পর নিয়মিত বৈঠক হচ্ছে।" দীর্ঘদিনের এসব জটিলতা নিরসনে ওয়াসা, সিটি করপোরেশন, টিঅ্যান্ডটি ও বিদ্যুৎ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুর, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলা ট্রাস্কফোর্স কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়নের জন্য। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদ হোসেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি) সাদিয়া ইসলাম সীমা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব, সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবু সিয়াম, শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদার, এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ, এবং বিভিন্ন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা।
মৎস্য সংরক্ষণ অভিযানের সময় তালিকাভুক্ত জেলেদের ২৫ কেজি করে চালসহ অন্যান্য সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে সভায়। এছাড়া, নদীতে ড্রেজার পরিচালনা ও বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর বার্তা দেয়া হয়। নদীতে যাতে কেউ না নামে, সেই ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী ও মৎস্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে পরাজিত করে ফাইনালের জন্য টিকিট অর্জন করে। অন্যদিকে, ভারত শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করে।
এশিয়ার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী, ভারত ও পাকিস্তান, আগামী ৩ অক্টোবর মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে।
একই দিনে সকাল ৬টায় ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা মাঠে নামবে। সেমিফাইনালে পরাজিত হওয়া দুই দল হতাশ হলেও, তাদের সামনে এখনও পদক নিয়ে দেশে ফেরার সুযোগ রয়েছে।
তবে, পদক নির্ধারণী ম্যাচ দুটির ক্ষেত্রে বৃষ্টির প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। যদি ফাইনাল বা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বৃষ্টি বা খেলার মাঠের অবস্থা খারাপের কারণে পরিত্যক্ত হয়, তাহলে কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনালের ‘র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দল জয়ী’ হওয়ার নিয়ম কার্যকর হবে না।
যদি ফাইনাল ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়, তাহলে ভারত ও পাকিস্তানকে যৌথভাবে স্বর্ণপদক প্রদান করা হবে। একইভাবে, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে, দুই দলকেই যৌথভাবে ব্রোঞ্জপদক দেওয়া হবে।
একনজরে পদক নির্ধারণী ম্যাচের লাইনআপ
বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা, ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা
ভারত বনাম পাকিস্তান, ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ