বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৬ পি.এম
শরীয়তপুর, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলা ট্রাস্কফোর্স কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়নের জন্য। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদ হোসেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি) সাদিয়া ইসলাম সীমা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব, সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবু সিয়াম, শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদার, এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ, এবং বিভিন্ন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা।
মৎস্য সংরক্ষণ অভিযানের সময় তালিকাভুক্ত জেলেদের ২৫ কেজি করে চালসহ অন্যান্য সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে সভায়। এছাড়া, নদীতে ড্রেজার পরিচালনা ও বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর বার্তা দেয়া হয়। নদীতে যাতে কেউ না নামে, সেই ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী ও মৎস্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে পরাজিত করে ফাইনালের জন্য টিকিট অর্জন করে। অন্যদিকে, ভারত শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করে।
এশিয়ার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী, ভারত ও পাকিস্তান, আগামী ৩ অক্টোবর মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে।
একই দিনে সকাল ৬টায় ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা মাঠে নামবে। সেমিফাইনালে পরাজিত হওয়া দুই দল হতাশ হলেও, তাদের সামনে এখনও পদক নিয়ে দেশে ফেরার সুযোগ রয়েছে।
তবে, পদক নির্ধারণী ম্যাচ দুটির ক্ষেত্রে বৃষ্টির প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। যদি ফাইনাল বা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বৃষ্টি বা খেলার মাঠের অবস্থা খারাপের কারণে পরিত্যক্ত হয়, তাহলে কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনালের ‘র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দল জয়ী’ হওয়ার নিয়ম কার্যকর হবে না।
যদি ফাইনাল ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়, তাহলে ভারত ও পাকিস্তানকে যৌথভাবে স্বর্ণপদক প্রদান করা হবে। একইভাবে, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে, দুই দলকেই যৌথভাবে ব্রোঞ্জপদক দেওয়া হবে।
একনজরে পদক নির্ধারণী ম্যাচের লাইনআপ
বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা, ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা
ভারত বনাম পাকিস্তান, ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, যদি কখনো গ্রামে গিয়ে শুনি ফ্যামিলি কার্ডের জন্য ২০০ বা ৫০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে, তাহলে আমি সেই এলাকার দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে খুঁজে বের করব। আইনজীবী হিসেবে নিজে বাদী হয়ে মামলা করব এবং ওয়াদা রক্ষা করব। তবে তিনি এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে চান না।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি সরকার বলেছিল যে চার কোটির ঊর্ধ্বে ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে। পর্যায়ক্রমে হেল্প কার্ডও আসবে। তখন তিনি বিভিন্ন নির্বাচনী সভায় বলেছিলেন, কার্ডগুলো হাতে নিয়ে কেউ যেন কখনো একটি টাকাও নিতে না পারে।
কায়সার কামাল উল্লেখ করেন, গত দেড় দশকে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সমাজ অনেক ধরনের ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে। কলমাকান্দার লেংগুরায় এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে বিল্ডিংওয়ালা মানুষের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। তার মেয়ের বিয়ে হয়েছে ঈশ্বরগঞ্জে, সেই মেয়ের নামেও ফ্যামিলি কার্ড হয়েছে। এ ধরনের কিছু অনিয়ম ঘটেছে। এ কারণে তারা নিয়মের মধ্যে আসার চেষ্টা করছেন।
দুর্গাপুরের ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, দুর্গাপুরে যখন ফ্যামিলি কার্ডগুলো আসবে, তখন ১০ জন সুপারভাইজার এবং ৯৭ জন তথ্য সংগ্রহকারী কাজ করবেন। এই ৯৭ জন এবং ১০ জনের ওপর নির্ভর করবে তার ঈমানি দায়িত্বটি পালন হচ্ছে কিনা।
কায়সার কামাল আরও বলেন, তথ্যগুলো সংগ্রহ করার সময় আপনাদের দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে। শুরুতে কুঁড়ে ঘর বা ঘর নেই এমন ছাপরা ঘর থেকে শুরু করবেন। ধাপে ধাপে এগিয়ে যাবেন। হয়তো অনেক বাধা আসতে পারে, তবে কোনো বাধা মানবেন না। আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তাকে হাজির-নাজির করে নিজেদের মেধা ও সততা দিয়ে নামগুলো লিপিবদ্ধ করবেন। কারণ এই কাজের জন্যই আপনাদের মেধার পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দুর্গাপুরে একজনও দরিদ্র মানুষ যেন ফ্যামিলি কার্ড থেকে বঞ্চিত না হন। সেই দায়িত্বটি আপনাদের। আশা করছেন, আপনারা ঈমানের সঙ্গে দায়িত্বটি পালন করবেন।
মতবিনিময়সভায় উপজেলা পরিষদ সোমেশ্বরী হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাদাতের সভাপতিত্বে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার তারেক হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল আলম ভূইয়াসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন যে, রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, বিসিএস বা অন্যান্য পরীক্ষায় বৈষম্য করা হবে না।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ শিক্ষা) ক্যাডারের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, "আমরা বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেছি, গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত করেছি। এই বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিক পরিচয় যেটাই হোক, এই সমস্ত পরীক্ষা বা অন্য কোন ক্ষেত্রে সেই কারণে কোন বৈষম্য করা হবে না।"
তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন যে, সোশ্যাল মিডিয়াতে একজন ব্যক্তি স্ট্যাটাস দিয়েছেন যে, তিনি আত্মহত্যা করবেন এবং গায়ে আগুন ধরিয়ে দেবেন। প্রজ্ঞাপনে তাঁর নাম ছিল, কিন্তু ভেরিফিকেশনের কারণে পরবর্তীতে চূড়ান্ত তালিকায় নাম আসেনি।
মন্ত্রী বলেন, "প্রজ্ঞাপন তো একবার হয় না, কয়েকবার হতে পারে। সার্ভিসে যোগদানের তারিখ সম্ভবত ১২ তারিখ, আজকে ১ তারিখ, মাঝে আরো ১১টি দিন আছে। যারা এই সমস্ত উত্তেজনা সৃষ্টি করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছেন, তিনি তাঁদের একজন।"
মন্ত্রী আরও বলেন, "তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চয়ই আপনারা জেনেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠনের পদ-পদবীধারী নেতা ছিলেন, সম্ভবত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।"
মন্ত্রী ঘোষণা করেন, "আগেও বলেছি—কোন রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কারো প্রতি কোন বৈষম্য করা হবে না।"
তিনি বলেন, ভেরিফিকেশনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। যদি কারো বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ থাকে, তবে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কারণে শতকরা একজন বা হাজারে দুই-একজনের সেই অপরাধের কারণে বাদ পড়তে পারে।
মন্ত্রী বলেন, "কারো বিরুদ্ধে যদি কোন কনভিকশন থাকে, সেটা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সেরকম কিছু কিছু আইনি বিধান থাকে। তা না হলে পরবর্তীতে পাবলিক সার্ভিসে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।"
তিনি ধৈর্য ধারণ করার জন্য অনুরোধ করেন।
মন্ত্রী বলেন, "আরো একজন স্ট্যাটাস দিয়েছেন—আমি নাম নেব না, তিনিও একজন রাজনৈতিক দলের নেতা। তিনি জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে বিভিন্ন রকমের স্ট্যাটাস দিয়েছেন।"
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, "ভেরিফিকেশন একটা নিয়মিত প্রক্রিয়া; সেটা সবসময়, সব সরকারের সময় বিধি মোতাবেক করা হয়ে থাকে।"
তিনি বলেন, "কিন্তু যদি গুরুতর কোনো অভিযোগের কারণে কেউ ভেরিফিকেশনের দরুন নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকেন, তবে তার জন্য মন্ত্রণালয়ে একটা অভিযোগ বা আবেদন দাখিল করা যায়।"
মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অপপ্রচার বা অপতথ্য দিয়ে উন্মাদনা সৃষ্টি করার বিরুদ্ধে সতর্ক করেন।
তিনি বলেন, "আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করব, রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য আমাদের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের যেন উত্তেজিত না করা হয়।"
মন্ত্রী আরও বলেন, "আমরা নিশ্চয়তা দিচ্ছি, রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি কোন বৈষম্য করা হবে না।"
তিনি জানান, নিয়োগপত্র ইস্যু করার জন্য প্রজ্ঞাপনের আরো সময় আছে।
মন্ত্রী বলেন, "আগামী সোমবারে ৪৬ জনের জন্য প্রজ্ঞাপন জারির দিন নির্ধারিত আছে।"
তিনি সকলকে ধৈর্য ধারণ করে অপেক্ষা করার জন্য অনুরোধ করেন এবং যারা অপতথ্য প্রচার করে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তাদেরকে এসব থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার পর তিনি সংসদে গিয়ে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন।
স্পিকারের সঙ্গে কয়েক মিনিট অবস্থান করার পর তিনি সংসদ ভবনের টানেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাকে স্পিকার ডেকেছেন, তার সঙ্গে দেখা করেছি। দল যে সিদ্ধান্ত নেবে তাই মেনে নেব।’
পদত্যাগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যান।
এর কিছুক্ষণ পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও অতিরিক্ত প্রেস সচিবের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
উল্লেখ্য, ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে ভারী যন্ত্র দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির স্থাপনাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। তবে তিনি হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ