বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৩৮ এম
স্থানীয় সরকারের প্রথম ধাপের নির্বাচন আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠানের লক্ষ্য নিয়ে এবং আগস্টে এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এগিয়ে যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বুধবার (২২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘ইসি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আশাকরি, আগামী অক্টোবরে প্রথম ধাপের নির্বাচন করতে পারবো।’ তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে আগস্টের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা যাবে।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কয়টি ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে কম সময়ে বেশি নির্বাচন যাতে করা যায়, সেভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন পেছানো বা বিলম্বিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং বলেন, প্রথম দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নাকি পৌরসভা বা উপজেলা কোনটা আগে আসবে তা সুনির্দিষ্টভাবে এখনই বলা সম্ভব নয়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সার্বিক বিষয়াবলী বিবেচনায় নিয়েই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনসমূহ অনুষ্ঠিত হবে।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে হয়তো স্থানীয় সরকারের যে প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন শুরু করা হবে সেটা প্রথমেই শেষ করা হবে। যেমন- যদি ইউনিয়ন পরিষদ ধরি তাহলে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা হলে পৌরসভা, সিটি করপোরেশন হলে সিটি করপোরেশন নির্বাচন শেষ করা হবে। আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে যদি আদালতের কোনো রায় বা নির্দেশনা থাকে, সে বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেয়া হবে।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়ে কোনো চিন্তাভাবনা আছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।’
‘প্রবাসী ভোটাররা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না’- এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, এ বিষয়ে এখনো কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।
তিনি বলেন, যেহেতু জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুব ভালোভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে অর্থাৎ সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে এবং এটা জাতীয়-আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। অতএব সেই নির্বাচন সফলতার ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপগুলো নেয়া হয়েছিল, সেগুলো এই নির্বাচনে নেয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার মাত্রা কমিয়ে আনতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি থাকবে কমিশনের। নির্বাচন কমিশন মনে করে, রাজনৈতিক যে সংস্কৃতি গত নির্বাচন থেকে শুরু হয়েছে, সেটা অব্যাহত থাকবে। এটা অব্যাহত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আচরণবিধি নিয়ে অনেক কাজ হয়েছে এবং এটা تقريباً চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই এটা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে স্থানীয় সরকারের যে আইন রয়েছে, এই আইনটা একবারে দুর্বল নয়। এ আইন দিয়েই নির্বাচন করা সম্ভব। তবে অবজারভেশনের পরিপ্রেক্ষিতে যদি আইন সংশোধন হয়, তাহলে সেই আইন অনুযায়ী নির্বাচন হবে। আর যদি আইন সংশোধন না হয়, তাহলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে করে নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই বলে আমি মনে করি না।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের (আইসিসি) গ্রেফতারি পরোয়ানা সমর্থন জানাতে হলেও তা বাস্তবায়ন করার স্বাধীন আইনি এখতিয়ার নিউইয়র্ক নগর প্রশাসনের নেই, এমন তথ্য দিয়েছেন সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি নিউইয়র্ক সিটির আইনি সীমাবদ্ধতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।
গত বছর মেয়র নির্বাচনের প্রচারণাকালে মামদানি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তার প্রশাসন আইসিসির গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করবে। চলতি মাসের শুরুও তিনি জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নেতানিয়াহুর সফর হলে তাকে গ্রেপ্তারের কোনো আইনি সুযোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিন্তু আইনগতভাবে সব পথ পর্যালোচনা করার পর মঙ্গলবার মামদানি জানান, গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার স্বাধীন কোনো ক্ষমতা সিটি প্রশাসনের নেই।
মামদানি বলেছেন, তাদের প্রশাসন প্রচলিত আইনের অধীনে সকল দিক দেখে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, গ্রেফতারি পরোয়ানাটি কার্যকর করার ক্ষমতা শুধুমাত্র মার্কিন ফেডারেল সরকারের হাতে আছে। তিনি ফেডারেল সরকারকে আইসিসিতে যোগ দিয়ে এই পরোয়ানা কার্যকর করার জন্য আহ্বান জানান।
প্রক্রিয়াগতভাবে, নেতানিয়াহু আইসিসির কোনো সদস্য দেশে গেলে তাকে গ্রেফতার করে হেগের আদালতে হস্তান্তর করার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয়। এছাড়া, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে নেতানিয়াহুকে কোনো অবস্থাতেই গ্রেফতার করা হবে না।
মার্কিন প্রশাসনের এই অবস্থান এবং সিটির আইনি সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তার নৈতিক অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মামদানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন, নিউইয়র্ক সিটিতে নেতানিয়াহুকে স্বাগত জানানো হবে না। নিউইয়র্ক টাইমসে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নেতানিয়াহু একজন যুদ্ধাপরাধী এবং তার আসল স্থান হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে হওয়া উচিত।
উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের মে মাসে গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। তবে, ইসরায়েল এই অভিযোগগুলো নাকচ করে আসছে এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারও এই পরোয়ানার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে লিটন দাস ও শেখ মেহেদীকে জরিমানা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) শৃঙ্খলা কমিটি।
লিটন দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিসিবিকে না জানিয়ে চীনে গিয়েছিলেন। অপরদিকে, শেখ মেহেদীর বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে টিম ম্যানেজমেন্টের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করার অভিযোগ রয়েছে।
দুই ক্রিকেটারের বক্তব্য শোনার পর বিসিবি শাস্তির প্রস্তাব করে। বিষয়টি একাধিক সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বোর্ড পরিচালক ও শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর।
তিনি বলেছেন, ‘ওদের (লিটন ও মেহেদী) শাস্তি এখন ডিসক্লোজ না করলে ভালো হবে। যেহেতু এটা একেবারেই অভ্যন্তরীণ বিষয়।’
লিটনকে আর্থিক জরিমানা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। শেখ মেহেদীর ক্ষেত্রেও সাজা প্রস্তাবিত হয়েছে। তবে জানা গেছে, লিটনের চেয়ে শেখ মেহেদীর জরিমানার পরিমাণ বেশি।
জিম্বাবুয়ে থেকে ফিরে গতকাল (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় মেহেদী শৃঙ্খলা কমিটির কাছে তার বিরুদ্ধে ওঠা আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগের জবাব দেন।
অন্যদিকে, চিকিৎসার উদ্দেশে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার আগে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন লিটন।
চোটের কারণে জিম্বাবুয়ে সফরের মাঝপথে দেশে ফেরেন লিটন এবং বিসিবিকে না জানিয়ে চীনে ঘুরতে যান। ক্রিকেটারদের আচরণবিধি অনুযায়ী, সিরিজ বা খেলা না থাকলে বিসিবির অনুমতি নিয়ে দেশের বাইরে যেতে হয়, কিন্তু তিনি সেই নিয়ম মানেননি।
অন্যদিকে, সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজে একাদশে জায়গা না পাওয়া নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন শেখ মেহেদী। তিনি হতাশা প্রকাশ করেন। এবং সিনিয়র সদস্য হিসেবে দলে জায়গা না পেয়ে আগেও নানা সময়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন এই অফ স্পিন অলরাউন্ডার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ সাল, ৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ হিজরি এবং ৮ সফর, ১৪৪৮ হিজরি।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো—
জোহরের নামাজের সময় শুরু হচ্ছে ১২টা ৮ মিনিটে।
আসরের নামাজের সময় শুরু হচ্ছে ৪টা ৪৩ মিনিটে।
মাগরিবের সময় নির্ধারিত হয়েছে ৬টা ৫০ মিনিটে।
এশার নামাজের সময় শুরু হবে ৮টা ১২ মিনিটে।
আগামীকালের ফজরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ০৩ মিনিটে।
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হচ্ছে ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ২২ মিনিটে।
সূত্র: ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনের শুরুতে অনেকের জন্য এক কাপ গরম চা অপরিহার্য। কিন্তু যদিএই চায়ে আদার ঝাঁজ থাকে, তাহলে এটি স্বাদের সঙ্গে কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতাও প্রদান করতে পারে। আদা প্রাচীনকাল থেকেই ভেষজ গুণের জন্য সুপরিচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন সকালে আদা চা পানের মাধ্যমে শরীরকে সতেজ রাখা সম্ভব এবং কিছু সাধারণ শারীরিক সমস্যা কমানোও যেতে পারে। চলুন, সকালের আদা চায়ের উপকারিতা সম্পর্কে জানি।
হজমে সহায়ক
আদায় বিদ্যমান প্রাকৃতিক উপাদানগুলি হজম প্রক্রিয়াকে সহজ হিসেবে সাহায্য করে। তাই সকালে আদা চা পান করলে পেট ফাঁপা, বদহজম এবং অস্বস্তি কমানো সম্ভব।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আদায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহরোধী উপাদান রয়েছে। নিয়মিত আদা চা পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে।
সর্দি-কাশিতে আরাম
ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি, গলা ব্যথা বা কাশি দেখা দিলে গরম আদা চা সাময়িক আরাম দিতে পারে। এটি গলার তাপমাত্রা উষ্ণ রাখতেও সাহায্য করে।
শরীরে শক্তি জোগায়
সকালে এক কাপ আদা চা ক্লান্তি দূর করতে কার্যকর। আদা চা পানের ফলে শরীরে সতেজ অনুভূতি ফিরে পাওয়া যেতে পারে।
বমিভাব কমাতে কার্যকর
আদা একটি প্রাচীন প্রতিকার হিসেবে দীর্ঘকাল ধরেই বমিভাব কমানোর কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষত ভ্রমণজনিত বমিভাব বা হালকা বমি বমি ভাব কমাতে এটি বিশেষভাবে সহায়ক।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
আদা শরীরের বিপাকক্রিয়া চালু রাখতে সাহায্য করে। তবে, শুধু আদা চা পান করলে ওজন কমবে এমন ধারণা সঠিক নয়; এর সঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়ামও প্রয়োজন।
তবে, যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করছেন বা গর্ভাবস্থায় আছেন, তাদের উচিত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা। অতিরিক্ত আদা গ্রাহণ করলে বুকজ্বালা বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ