ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রদ্রিকে দলে ভেড়াচ্ছে বার্সেলোনা


স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রদ্রিকে দলে ভেড়াচ্ছে বার্সেলোনা

বার্সেলোনা ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে রদ্রিকে দলে ভেড়ানোর বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। দীর্ঘকাল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার পর, এবার তিনি নিজ দেশে স্পেনে ফিরে আসছেন।

এইবারের বিশ্বকাপে স্পেনের অধিনায়ক হিসেবে রদRI নেতৃত্বে শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছে। তিনি মাঝে মাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে দলের জন্য শিরোপা এনে নার্দীতে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিশ্বকাপের পর থেকেই তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়। রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনা—এই দুই স্প্যানিশ জায়ান্টই তাকে পেতে বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল।

শুরুর দিকে রদ্রিকে দলে ভেড়ানোর দৌড়ে এগিয়ে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে বার্সেলোনার দিকে। ইতালিয়ান সাংবাদিক ফাব্রিজিও রোমানো এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: দেশের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় মাদক: ডা. জাহিদ

তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘রদ্রি এখন বার্সেলোনায়। ম্যানচেস্টার সিটি থেকে এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের বার্সেলোনায় যাওয়ার ক্ষেত্রে দুই ক্লাব সমঝোতায় পৌঁছেছে।’

ব্যালন্স ডি’অর জয়ী সাবেক খেলোয়াড় রদ্রির দলবদল নিয়ে তিনি আরও জানান, ‘সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে। বার্সেলোনার দেয়া সর্বশেষ প্রস্তাবে সায় দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।’

বার্সেলোনা রদ্রিকে দলে ভেড়ানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে তারা একাধিক প্রস্তাব দেয়। বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, প্রস্তাবিত ট্রান্সফার ফি প্রায় ৭ কোটি ৬৫ লাখ ইউরো (প্রায় ১ হাজার ৮৫ কোটি টাকা) বলে জানা গেছে।

সূত্র: গোল ডট কম

আরও পড়ুন: খেলোয়াড়দের অবসরকালীন ভাতা দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের: হুইপ দুলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিস্ময় সৃষ্টি করা ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট আর ফ্রি নয়, যুক্ত হচ্ছে ‘ফি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০০ এম


বিস্ময় সৃষ্টি করা ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট আর ফ্রি নয়, যুক্ত হচ্ছে ‘ফি’

ভারতে কিউআর কোড স্ক্যান করে মুহূর্তেই ক্যাশলেস কেনাকাটার এই দিনগুলোতে একটি নতুন অধ্যায় তৈরি হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে বিনামূল্যে লেনদেনের সুবিধা দেওয়ার পর, এবার ইউপিআই সেবায় ফি যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার।

ব্যাংক ও পেমেন্ট সার্ভিস কম্পানিগুলো যেন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি আদায় করতে পারে, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ২০০০ রুপির বেশি মূল্যের লেনদেনের ওপর ০.৩% থেকে ০.৫% পর্যন্ত মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা ফি ধার্য করা হতে পারে। তবে, সাধারণ ব্যবহারকারী এবং ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি পেমেন্ট পূর্বের মতোই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে থাকবে। এর পাশাপাশি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পাড়ার মুদি দোকানদারদেরও এই বাড়তি চার্জের আওতার বাইরে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

যদিও ব্যবহারকারীদের জন্য ইউপিআই সেবা এখনও বিনামূল্যে রয়েছে, কিন্তু এটি পরিচালনায় বিশাল অংকের অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করতে হচ্ছে পেমেন্ট কম্পানি ও ব্যাংকগুলোকে। বিশাল সার্ভার স্থাপন, দ্রুত লেনদেন সম্পন্ন করা, জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং সাইবার আক্রমণ থেকে সিস্টেম সুরক্ষায় প্রচুর ব্যয় হয়। এতদিন সরকার ভর্তুকি দিয়ে এই সেবা চালু রেখেছে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে অবকাঠামো টিকিয়ে রাখার জন্য ফি বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই নিয়ম চালু হলে ব্যাংক খাত প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন রাজস্ব পেতে সক্ষম হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউপিআই-এর অভূতপূর্ব সাফল্যের মূল রহস্য হল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। যদি এই নতুন ফি কোনোভাবে ছোট বা অনানুষ্ঠানিক দোকানদারদের ওপর গিয়ে পড়ে, তবে তারা ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণে অনাগ্রহী হয়ে পড়তে পারেন। এর ফলে ইউপিআই-এর বিস্তারের গতি কিছুটা মন্থর হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বর্তমানে এই ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সুবিশাল বিস্তার ও উপযোগিতা অক্ষুণ্ণ রেখে একে কিভাবে আর্থিকভাবে টেকসই করা যাবে, সেই সূক্ষ্ম ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে ভারতের নীতি নির্ধারকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদোর বিয়ের খবর মাত্র ৩০ সেকেন্ড আগে জেনেছেন তার মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৪ এম


রোনালদোর বিয়ের খবর মাত্র ৩০ সেকেন্ড আগে জেনেছেন তার মা

শ্রাবণ ৯ বছরের সম্পর্কের পর অবশেষে বিয়ে করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজ। তবে বিশ্বজুড়ে আলোচনা এবং আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই বিয়েতে উপস্থিত ছিল না রোনালদোর মা, ভাই-বোন কিংবা নিকট আত্মীয়দের।

রোনালদোর বিয়েতে তাদের অনুপস্থিতির কারণ সম্পর্কে সামনে এসেছে একটি চাঞ্চল্যকর দাবি। বলা হচ্ছে যে, বিয়ের মাত্র ৩০ সেকেন্ড আগে নাকি খবর পেয়েছিলেন তারা।

এই দাবি করেছেন পর্তুগিজ টেলিভিশন সঞ্চালক ক্রিস্টিনা ফেরেরা। তিনি জানিয়েছেন, রোনালদোর মা দলোরেস, বড় ভাই উগো এবং দুই বোন এলমা ও কাতিয়া বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।

শুধুমাত্র রোনালদোর পাঁচ সন্তান এবং চারজন সাক্ষী ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে।

গত ১১ আগস্ট পর্তুগালের কাসকাইসে গোপনীয়তা বজায় রেখে বিয়ে করেন রোনালদো ও জর্জিনা। বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই অনুষ্ঠানে তার পরিবারের অনুপস্থিতি নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

এই প্রসঙ্গে ক্রিস্টিনা ফেরেরা পর্তুগিজ টেলিভিশন চ্যানেল টিভিআইয়ের ‘দোইস আস ১০’ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘পরিবার সেখানে ছিল না।

তাদের জানানোই হয়নি। অথবা যদি তারা জেনে থাকেন, তাহলে হয়তো ৩০ সেকেন্ড আগে জেনেছেন।’

ফেরেরার সহকর্মী ক্লদিও রামোসও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই আশা করি, আমরা এখানে যা বলেছি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা দেখেছি তার ভিত্তিতে যে ধারণা তৈরি হয়েছে, তাতে পরিবারের কেউ কষ্ট পাননি। বিষয়টি যেন সত্যিই এমন না হয়, যেমনটা বাইরে থেকে মনে হচ্ছে।’

তবে এই দাবি যে নিশ্চিত সত্য, তা বলা যাচ্ছে না। এটি মূলত টেলিভিশন সঞ্চালকের বক্তব্য ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সামনে এসেছে। কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, জর্জিনার সঙ্গে রোনালদোর বিয়েতে মত ছিল না তার মা দলোরেসের। তবে বিয়ের খবর প্রকাশের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলে ও জর্জিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

রোনালদোর বোন কাতিয়াও বিয়ের ছবিতে ভালোবাসার ইমোজি দিয়েছেন। ফলে পরিবারে সত্যিই কোনো দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।

রোনালদো-জর্জিনার বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল একেবারেই সাদামাটা। পাঁচ সন্তানকে পাশে রেখে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করে তারা।

বিয়ের পরপরই জর্জিনাকে নিয়ে সৌদি আরবে ফিরেছেন রোনালদো। তবে শতভাগ ফিট না হওয়ায় আল নাসরের হয়ে নতুন মৌসুমে এখনো মাঠে নামেননি তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির বলা 'দিমাগি নকশাল' নিয়ে ভারতে কেন এত আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৭ এম


মোদির বলা

সশস্ত্র মাওবাদী আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে সাফল্যের দাবি করলেও ‘মতাদর্শগত নকশালবাদ’ এখনও ভারতের সামনে চ্যালেঞ্জ খুঁজে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে, দেশের রাজধানী নয়াদিল্লির পুরোনো দিল্লির লালকেল্লা থেকে দেওয়া একটি ভাষণে তিনি ‘দিমাগি নকশাল’দের চিহ্নিত করে সমাজের মূলস্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন।

তার অভিযোগ, সশস্ত্র নকশালদের একাংশ নির্মূল হলেও মাওবাদী মানসিকতার কিছু মানুষ এখনও সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। তারা হিংসা, অশান্তি এবং সামাজিক বিভাজন তৈরির চেষ্টা করতে পারে।

নকশাল ও মাওবাদী হলো ভারতের চরম বামপন্থী সশস্ত্র রাজনৈতিক মতাদর্শ ও আন্দোলন। ১৯৬৭ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নকশালবাড়ি গ্রামে কৃষক বিদ্রোহের মাধ্যমে এই সশস্ত্র আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। এই আন্দোলনের সদস্যরা চীনা কমিউনিস্ট বিপ্লবী, রাজনৈতিক তাত্ত্বিক এবং আধুনিক গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সে-তুং-এর সাম্যবাদী এবং সশস্ত্র বিপ্লবের নীতিতে শর্তহীনভাবে বিশ্বাসী।

তাদের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সংবিধানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম করে ক্ষমতা দখলের লক্ষ্য ছিল। ভারতের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জঙ্গল এবং অনুন্নত আদিবাসী এলাকায় যেমন ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ডে তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করেছিল। সেইসাথে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত ছিল।

লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, একসময় দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মাওবাদী হিংসার প্রভাব ছিল। বন্দুকের মাধ্যমে সংবিধান ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল।

তার দাবি, ২০১৪ সালের পর থেকে নকশালমুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিক অভিযান এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপের ফলে সাফল্য অর্জন করেছে। যে এলাকাগুলিতে কখনও নকশালদের বন্দুকের আওয়াজ শোনা যেত, সেগুলি এখন উন্নয়ন, আস্থাশীলতা ও সরকারি উদ্যোগের নতুন পরিবেশে রূপান্তরিত হয়েছে বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

তবে সশস্ত্র মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মোদী এবার মতাদর্শগত লড়াইয়ের উপরও জোর দিয়েছেন। তিনি জানান, জঙ্গলে অস্ত্র হাতে থাকা নকশালদের অনেকাংশেই নিষ্ক্রিয় করা গেলেও ‘দিমাগি নকশাল’রা এখনও সক্রিয়। তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন কৌশলে মানুষকে প্রভাবিত করে সমাজে বিভাজন তৈরি করতে চাইতে পারে এবং সুযোগ পেলে তারা আবার হিংসার পথ বেছে নেবে এমন সতর্কবার্তাও দেন প্রধানমন্ত্রী।

এই ধরনের মানসিকতা বিরোধী মানুষের চিহ্নিতকরণের প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে নকশাল মতাদর্শের প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাবের অভিযোগও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে মাওবাদী চিন্তাধারার সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সরকারী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। নীতিনির্ধারণ ও বিভিন্ন উদ্যোগেও সেই মতাদর্শের প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। ফলে, নকশালবাদের বিরুদ্ধে সরকারের লড়াই শুধুমাত্র সশস্ত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযানেই সীমাবদ্ধ নয়, মতাদর্শগত প্রভাবের মোকাবিলাও এই লড়াইয়ের একটি অংশ- প্রধানমন্ত্রী এমন ইঙ্গিত করেন।

‘দিমাগি নকশাল’ এই শব্দবন্ধ ব্যবহারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারের সমালোচকদের নিশানা করতেই নতুন এই তকমা ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম পাল্টা কটাক্ষ করেছেন, তিনি নিজেকে ‘দিমাগি নকশাল’ বলতে গর্বিত বলেও মন্তব্য করেছেন। তাঁর প্রতিক্রিয়ার পর বিষয়টি রাজনৈতিক মাত্রা পায়। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, ‘দিমাগি নকশাল’ বলতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে বোঝানো হয়নি। তার বক্তব্য, যারা মাওবাদীদের সমর্থন করে এবং সংবিধানকে অস্বীকার করে, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাশে দাঁড়ায় বা ৩৭০ ধারার পক্ষে অবস্থান নেয়, কিংবা ‘চিকেনস নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডর বিচ্ছিন্ন করার কথা বলে, তাদেরকে এই শ্রেণির মধ্যে নিয়ে ধরা হচ্ছে।

নকশাল আন্দোলনের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের অভিযান গত এক দশকে নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে একাধিক মাওবাদী নেতা নিহত হয়েছেন, বহু সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন ও গ্রেফতার হয়েছেন। সরকারের দাবি, একসময় মাওবাদী প্রভাবিত বহু অঞ্চলে বর্তমানে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নকশালবাদের মোকাবিলাকে দেশের তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের সঙ্গেও যুক্ত করেছেন। তাঁর বার্তা, যুবসমাজকে হিংসা ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে দূরে রেখে একটি উন্নত ভারত গড়ার মূল স্রোতে যুক্ত করতে হবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্য পূরণে একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

ফলে এবারের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে নকশালবাদ প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থানের পরিধি যে আরো বিস্তৃত হয়েছে, তা স্পষ্ট। এতদিন যেখানে মূলত সশস্ত্র মাওবাদী সংগঠন ও তাদের ঘাঁটিকে কেন্দ্র করে আলোচনা হত, এবার সেখানে যুক্ত হয়েছে মতাদর্শ, প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে প্রভাব বিস্তারের প্রশ্নও। আর সেই নতুন বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহৃত শব্দবন্ধ- ‘দিমাগি নকশাল’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১২ এম


ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ

ভারতের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) ১৮ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসছে।

এই প্রতিনিধি দলটি আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) থেকে শুরু করে আগামী মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করবে।

প্রতিনিধি দলের সফরের প্রস্তুতি হিসেবে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে একটি অগ্রবর্তী দল ঢাকায় এসে প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করেছে।

জানা গেছে, সফরকালে প্রতিনিধি দলটি বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করবে।

এছাড়া, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন (বিআইডিএ) কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে।

গত দুই বছরে দুই দেশের মধ্যে আরোপ করা বিভিন্ন বন্দরসংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এমন প্রেক্ষাপটে, ভারতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফরকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%